শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৪, রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?

বেশিদিন আগের কথা নয়, গত বছরের অক্টোবরে বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে রাজপথে নেমেছিলেন দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা, উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ ছিল তাঁদের দাবি।

১২ অক্টোবর এ দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন তাঁরা। ১৭ অক্টোবর সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি যুক্ত হয় কর্মসূচিতে। কিন্তু সরকার প্রথমে পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে, পরে সামান্য কিছু বেতনভাতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়ে তাঁদের ঘরে ফিরিয়ে দেয়। দেশে প্রায় ৪ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের দাবি সরকার মানেনি। সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিও মানেনি।

এরপর ৮ নভেম্বর সকালে দশম গ্রেডসহ তিন দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। আন্দোলন চলাকালে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড হামলার শিকার হন। এই শিক্ষকদের দাবি ছিল সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান বেতন স্কেল ১৩তম গ্রেড থেকে ১০তম গ্রেডে উন্নীত করা; শিক্ষকদের ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির বিষয়ে জটিলতার অবসান এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিও সরকার পুলিশ দিয়ে দমন করে। ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষাকার্যক্রম জাতীয়করণের দাবিতে গত বছরের ১২ অক্টোবর অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষকরা। তাঁরা ৩০ অক্টোবর বিকালের মধ্যে এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশের আলটিমেটাম এবং ২ নভেম্বর প্রেস ক্লাব থেকে যমুনা অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা দেন। ২৯ অক্টোবর সচিবালয় অভিমুখে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার শেল ও জলকামান নিক্ষেপ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এতে আহত হন অর্ধশতাধিক শিক্ষক। বাংলাদেশের শিক্ষকসমাজের আর্থিক অবস্থার কথা আমরা সবাই কমবেশি জানি।

তাঁরা এমন বেতন পান, যা দিয়ে বর্তমান বাজারে ন্যূনতম মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করা অসম্ভব। তাঁদের বেতন বৃদ্ধির দাবি যৌক্তিক। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দলই শিক্ষকদের বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু তাতে অন্তর্র্বর্তী সরকারের মন গলেনি।

সরকার এসব বেতন বৃদ্ধির দাবি উপেক্ষা করেছে মূলত দুই যুক্তিতে। প্রথমত দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। বিগত সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে অর্থনীতি সংকটে। এ অবস্থায় এভাবে বেতন বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত একটি নির্বাচিত সরকার এসেই কেবল এসব দাবিদাওয়ার সুরাহা করতে পারে।

শিক্ষকদের মতোই কষ্টে আছেন শ্রমিকরাও। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির চাপে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন এ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে কয়েক দফা আন্দোলন করেন পোশাকশ্রমিকরা। শিল্প অধ্যুষিত সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুরে তাঁরা বিক্ষোভ করেন। ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশবক্স, পিকআপ ও পোশাক কারখানায় অগ্নিসংযোগ করা হয় এসব আন্দোলনে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক শ্রমিক এবং অগ্নিকাণ্ডে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।

কয়েক দফা আন্দোলন করেও তাঁরা সফল হননি। শিক্ষক কিংবা শ্রমিক শ্রেণির চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় আছেন আমাদের সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তারা।

বিগত সরকারের আমলে আমলা-তোষণ নীতির কারণে সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ানো হয়েছে অস্বাভাবিক হারে। শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, অন্যান্য সুযোগসুবিধাও বেডেছে জ্যামিতিক হারে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের পাশাপাশি অতিরিক্ত ৫ ও ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পেয়ে আসছেন। এ ছাড়া সহজ শর্তে গাড়ি কেনার ঋণসহ বিভিন্ন ধরনের ভাতাও তাঁরা ভোগ করছেন। এ রকম পরিস্থিতিতে হঠাৎ করেই সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রায় দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত কেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

বেতনভাতা বাড়ানোর এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের প্রয়োজন হবে অতিরিক্ত আরও ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। সরকার নিজেই যখন বলছে তারা বিশৃঙ্খল অর্থনীতি ঠিক করার চেষ্টা করছে, তখন এই অসময়ে কেন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খুশি করতে সরকার এত উৎসাহী হলো? এই পে-স্কেল বর্তমান সরকার বাস্তবায়ন করতেও পারবে না। নির্বাচনে জয়ী হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের আগেই কেন বড় ধরনের আর্থিক চাপে ফেলা হলো আগামীর সরকারকে? আমরা যদি বিগত সরকারের শাসনামলের অনিয়ম এবং দুর্নীতি বিশ্লেষণ করি, তাহলে তার সঙ্গে আমলাতন্ত্রের গভীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। জনসমর্থন হারিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার আমলাতন্ত্রের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। অনেক আমলা মন্ত্রীর চেয়েও ক্ষমতাবান ছিলেন। রাতের ভোট থেকে শুরু করে অর্থ পাচার-সবই হয়েছে কতিপয় আমলার মদদে এবং পৃষ্ঠপোষকতায়।

এ সময় অনেক আমলাই বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। আওয়ামী লীগের আমলেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কানাডায় সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক আমলারা। বাংলাদেশের বেশির ভাগ আমলা যেভাবে বিত্ত-বৈভবের জীবন যাপন করেন, তা এক বিস্ময় বইকি। বেতনের সঙ্গে তাঁদের জীবনযাত্রার মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।

সচিব তো বটেই, বেশির ভাগ মধ্যস্তরের আমলার সন্তানরা বিদেশে লেখাপড়া করেন। এ টাকা কোথা থেকে আসে সেটাই প্রশ্ন।

বিগত সরকারের আমলে আমলাতন্ত্রের স্বেচ্ছাচারিতা চরমে পৌঁছেছিল। ৫ আগস্টের পর তাই আমলাতন্ত্রের সংস্কারের দাবি সামনে আসে। আমলাদের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু গত দেড় বছরে অন্তর্র্বর্তী সরকারও ধীরে ধীরে আমলাদের ওপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। যার চূড়ান্ত প্রমাণ এই পে-স্কেল।

গত ১৫ বছরে রাজনীতিবিদদের চেয়েও আমলাতন্ত্রে বেশি পচন ধরেছিল বলেই অনেকে মনে করেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ আমলের প্রচ  ক্ষমতাবান খুব কম আমলার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের আমলে সবচেয়ে ক্ষমতাবান অনেক আমলার বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত হয়নি!

অর্থ পাচারের অভিযোগ অনেক নিরীহ ব্যবসায়ী-শিল্পোদ্যোক্তা হয়রানির শিকার হয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অযৌক্তিকভাবে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কিন্তু অর্থ পাচার নিয়ে একজন আমলার বিরুদ্ধেও এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি!

কোন কোন আমলার বিদেশে বাড়ি আছে তা ওপেন সিক্রেট। কিন্তু এসব অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত নেই। আওয়ামী লীগ আমলে যেসব আমলা আওয়ামী লীগের নেতার মতো আচরণ করতেন, তাঁদের অনেকেই এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। এখন শুধু তাঁরা রং পাল্টেছেন। কেন এ অবস্থা? এর কারণ বর্তমান সরকারের আমলানির্ভরতা। আমলারাই এখন নেপথ্যের কলকাঠি নাড়ছেন। বদলে যাওয়া বাংলাদেশেও আমলাতন্ত্র ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তারা দুর্নীতি করলে আগের মতোই বিচার হয় না। ডিসি পদায়ন নিয়ে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে একজন আমলার সর্বোচ্চ সাজা হলো-বদলি। আমলারাই তো দেশ চালাচ্ছেন আগের মতোই। আর এ কারণেই যাঁদের সত্যিই বেতন বাড়ানো উচিত তাঁদের পুলিশের লাঠিপেটা খেতে হয়, আর আমলাদের বেতন দিগুণ হয়!

এই বিপুল বাড়তি ব্যয় মেটাতে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হবে। বাড়বে করের বোঝা। বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে হুহু করে। বেসরকারি খাতে সৃষ্টি হবে ভয়াবহ অস্থিরতা। মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েই মুখোমুখি হবে প্রবল অর্থনৈতিক ঝড়ের। কিন্তু তাতে কী, আমলারা তো ভালো থাকবেন!

ক্ষমতায় যে-ই আসুক, ক্ষমতার আসল চাবি তো আমলাদের হাতেই। তাঁরা শুধু নিজেদের রংটা পাল্টে ফেলবেন। আমার শুধু একটাই প্রশ্ন-আমলা-তোষণ চলবে কতদিন? কতদিন তেলা মাথায় তেল দেবেন?

এই বিভাগের আরও খবর
রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ
রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ
তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে
তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে
কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের
কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের
যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান
যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান
ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী
নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী
মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা
মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা
আমি পদত্যাগ করিনি
আমি পদত্যাগ করিনি
নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি
নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি
জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!
জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!
কী ঘটেছিল হাতিয়ায়
কী ঘটেছিল হাতিয়ায়
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে ধরা পড়ল ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’
টেকনাফে ধরা পড়ল ২০০ কেজির ‘পাখি মাছ’

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো
জানুয়ারির ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো

২০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়

২৩ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

টম ক্রুজের সঙ্গে ব্র্যাড পিটের লড়াই!
টম ক্রুজের সঙ্গে ব্র্যাড পিটের লড়াই!

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিসিএলের স্কোয়াড-সূচি ঘোষণা
বিসিএলের স্কোয়াড-সূচি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা
গাজা পুনর্নির্মাণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি বুয়েট অধ্যাপক আবদুল হাছিব
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি বুয়েট অধ্যাপক আবদুল হাছিব

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশ
গাজা পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে বিভিন্ন দেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল
পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে অনুমোদন দিল ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের শুরু হচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা
ফের শুরু হচ্ছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিরোজপুরে ২ বিএনপি নেতা কুপিয়ে জখম
পিরোজপুরে ২ বিএনপি নেতা কুপিয়ে জখম

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সোনারগাঁয়ে বস্তাবন্দি যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামের দৃষ্টিতে দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ
ইসলামের দৃষ্টিতে দেশ গড়ার চ্যালেঞ্জ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা
ফোকলা অর্থনীতি সচল করার পরীক্ষা

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত
যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্মাণাধীন বাড়ির ট্যাংকে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
নির্মাণাধীন বাড়ির ট্যাংকে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেই চোখ পরীক্ষা, মানতে নারাজ ইমরান খানের দল
জেলেই চোখ পরীক্ষা, মানতে নারাজ ইমরান খানের দল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমারখালীতে ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ
কুমারখালীতে ইমামের ওপর হামলার অভিযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে
নতুন সংসদের যাত্রা হোক পরিবর্তনের অঙ্গীকার দিয়ে

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনে: তাহের
এ ধরনের ‘নতুন সংস্কৃতি’ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনে: তাহের

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারের ব্যাংক ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা
সরকারের ব্যাংক ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়ে সুপার এইটে ভারত
পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মন্ত্রিপরিষদে আলোচনায় সিলেটের এম নাসের রহমান
মন্ত্রিপরিষদে আলোচনায় সিলেটের এম নাসের রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে
নতুন চার মহাকাশচারী পৌঁছালেন মহাকাশ স্টেশনে

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের গুজব নিয়ে ম্রুণাল বললেন ‌‘টাকা দিয়েও এত পাবলিসিটি পেতাম না’
বিয়ের গুজব নিয়ে ম্রুণাল বললেন ‌‘টাকা দিয়েও এত পাবলিসিটি পেতাম না’

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিসিএলের চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা, থাকছেন না তাসকিন
বিসিএলের চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা, থাকছেন না তাসকিন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্চ-এপ্রিলে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা
মার্চ-এপ্রিলে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর আশঙ্কা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাইয়ে মাঠে গড়াচ্ছে গ্লোবাল সুপার লিগের নতুন আসর
জুলাইয়ে মাঠে গড়াচ্ছে গ্লোবাল সুপার লিগের নতুন আসর

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ
রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত
যে কারণে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির যোগদান অনিশ্চিত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
আজিজ খান, এস আলমের ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

'একটা লোকও ভোট দিল না'
'একটা লোকও ভোট দিল না'

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিভিন্ন আসনে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি
বিভিন্ন আসনে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানাল ইসি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?
‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ আসলে কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা জানালেন রিজওয়ানা হাসান
উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা জানালেন রিজওয়ানা হাসান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি
নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাড়ি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান
শপথের পর সংসদ সদস্যরা কী কী সুযোগ সুবিধা পান

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'
'কোথাও যাচ্ছি না, আমার শেকড় এই মাটিতেই'

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান
নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কাল রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল
কাল রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না: আসিফ নজরুল
পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না: আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান
জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য
৩২ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর
রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে যা বলছে অধিদফতর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ কার্যকর হচ্ছে মঙ্গলবার
ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ কার্যকর হচ্ছে মঙ্গলবার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ৪৯.৯৭% ও জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে: ইসি
বিএনপি ৪৯.৯৭% ও জামায়াত ৩১.৭৬% ভোট পেয়েছে: ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লির প্রেস মিনিস্টারের চুক্তি বাতিল
দিল্লির প্রেস মিনিস্টারের চুক্তি বাতিল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প
খামেনির সঙ্গে সরাসরি বসে কথা বলতে ইচ্ছুক ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
সন্ধ্যায় শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে আইজিপি বললেন ‘সংবাদ সত্য নয়’
পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে আইজিপি বললেন ‘সংবাদ সত্য নয়’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ
১১ দলীয় জোট যৌথভাবেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে: আযাদ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল
এমপিদের শপথ পড়ানোর চিঠি আজই পেতে পারে কমিশন: ইসি আনোয়ারুল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন
বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত
এক লাখের বেশি ভোটে জয়ী ৩১ প্রার্থী, কোন দলে কত

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার পর কেউ ওঠেননি সেই লাল বাড়িটিতে
খালেদা জিয়ার পর কেউ ওঠেননি সেই লাল বাড়িটিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

কী ঘটেছিল হাতিয়ায়
কী ঘটেছিল হাতিয়ায়

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!
জুলাই জাদুঘরে ঢুকতে হবে পাঁচ গুণ বেশি টাকা দিয়ে!

প্রথম পৃষ্ঠা

ধানের শীষে ৫০, দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৩২ শতাংশ ভোট
ধানের শীষে ৫০, দাঁড়িপাল্লায় পড়েছে ৩২ শতাংশ ভোট

প্রথম পৃষ্ঠা

মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা
মিষ্টি আর ফুল পাঠালেন মমতা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইয়াবার আরও ভয়াবহ বিস্তার অপ্রচলিত মাদকে নতুন ভয়
ইয়াবার আরও ভয়াবহ বিস্তার অপ্রচলিত মাদকে নতুন ভয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী দল নিয়ে কেন লুকোচুরি!
নারী দল নিয়ে কেন লুকোচুরি!

মাঠে ময়দানে

নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী
নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি
সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন
ব্যাংক হিসাব-সম্পদ জব্দ নিয়ে স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদন

প্রথম পৃষ্ঠা

কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের
কাল বিদায় অন্তর্বর্তী সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন
নির্বাচন : ধর্ম, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবন

সম্পাদকীয়

যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান
যথাসময়েই গেজেট হয়েছে, অভিযোগ থাকলে কোর্টে যান

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা
বাংলাদেশকে নিয়ে মুগ্ধ সুস্মিতা

শোবিজ

আমি পদত্যাগ করিনি
আমি পদত্যাগ করিনি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি
নির্বাচন নিয়ে যা বললেন রাশিয়ার সিইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ
রমজানে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগাপ্লুত মেহজাবীন
আবেগাপ্লুত মেহজাবীন

শোবিজ

কাল খোলা আকাশে ব্যতিক্রমী শপথ
কাল খোলা আকাশে ব্যতিক্রমী শপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাক্রমে ভর্তি নিষিদ্ধ
ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাক্রমে ভর্তি নিষিদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের

প্রথম পৃষ্ঠা

জোনায়েদ সাকির বিজয়ে শোকরানা ও মিলাদ মাহফিল
জোনায়েদ সাকির বিজয়ে শোকরানা ও মিলাদ মাহফিল

দেশগ্রাম

তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে
তৎসম শব্দের গাম্ভীর্য কাটিয়ে ভাষা সাধারণের বোধগম্য হয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত একে-অপরের ওপর হামলা
বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত একে-অপরের ওপর হামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের পর বড় উত্থান
ভোটের পর বড় উত্থান

পেছনের পৃষ্ঠা

টর্চের আলোয় বাঁচল প্রাণ
টর্চের আলোয় বাঁচল প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ
রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ

পেছনের পৃষ্ঠা