শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৭, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বরিশাল ও ফরিদপুরে বিশাল জনসভায় তারেক রহমান

গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা জালেমরূপে আবির্ভূত হয়েছে, সতর্ক থাকুন

সাইদ মেমন, বরিশাল ও কামরুজ্জামান সোহেল, ফরিদপুর
প্রিন্ট ভার্সন
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা জালেমরূপে আবির্ভূত হয়েছে, সতর্ক থাকুন

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেমরূপে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যাদের অন্য একটি পরিচয় আছে, জনগণ তাদের গুপ্ত পরিচয়ে চেনে। আপনারা চেনেন কারা গুপ্ত? গতকাল দুপুরে বরিশাল নগরের বান্দ রোডের বেলস পার্কে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এলাকাবাসীর মতে, জনসমাগমের দিক থেকে বরিশালের ইতিহাসে এটি ছিল সর্বকালের সর্ববৃহ  জনসভা।

পরে দুই ঘণ্টার ব্যবধানে ফরিদপুরের (সাংগঠনিক বিভাগীয়) নির্বাচনি জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান পরিষ্কার ভাষায় বলেন, জনগণের কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকার নিয়ে আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আর যারা এ ষড়যন্ত্র করছে, মানুষ তাদের গুপ্ত বলে ডাকে। এই গুপ্ত দল যখন যেখানে যে রূপ দেখাতে হয়, তারা সে রূপ দেখায়। সেই গুপ্ত দলের কাছ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

দুপুর ১২টার দিকে তারেক রহমান হেলিকপ্টারে বরিশাল স্টেডিয়ামে পৌঁছেন। সেখান থেকে গাড়িতে বেলস পার্কের সভাস্থলে আসেন। এ সময় সড়কের দুই পাশে বিএনপি নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ তাঁকে স্বাগত জানান। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ তারেক রহমান জনসভার মঞ্চে পৌঁছেন। বরিশাল মহানগর আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তৃতা দেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম, বেগম সেলিমা রহমান, দলের ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, জহির উদ্দিন স্বপন, নূরুল ইসলাম মণি, বিজেপি সভাপতি আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর প্রমুখ। এ সমাবেশে বিএনপি মনোনীত দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি আসনের প্রার্থীদের উপস্থিত জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। তাঁদের সবাইকে পাশে দাঁড় করিয়ে তিনি বলেন, এ মানুষগুলোকে আমি ধানের শীষ দিয়ে আপনাদের কাছে দিয়ে গেলাম। ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁদের দেখে রাখবেন আপনারা, ১৩ তারিখ থেকে ইনশাল্লাহ তাঁরা আপনাদের দেখে রাখবেন। তারা আপনাদের পায়ের কাছে পড়ে থাকবেন, তারা আপনাদের এলাকায় পড়ে থাকবেন এলাকার উন্নয়নের জন্য।

বেলা ৩টায় ফরিদপুরের রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে নির্বাচনি বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির এ শীর্ষনেতা। তারেক রহমান বলেন, গুপ্ত দলের নেতা এ দেশের খেটে খাওয়া নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা অত্যন্ত অপমানজনক। কাজেই এই গুপ্ত নেতার কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না। তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি হয়েছিল। এ কারণে এ গুপ্ত দলের কাছ থেকে সতর্ক থাকতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আপনাদের উন্নয়ন চাইলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। আপনারা আমাদের প্রার্থীদের ১২ তারিখ পর্যন্ত দেখে রাখেন, ১২ তারিখের পর বিএনপি আপনাদের দেখে রাখবে ইনশাল্লাহ।

বরিশালে টানা ৩০ মিনিটের বক্তৃতায় তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে মানুষের ভোটের ও কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই অধিকারকে জনগণের জন্য লড়াই করে আনতে গিয়ে হাজার হাজার মানুষ হত্যা, গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন। গত ১৫ বছর আমরা দেখেছি, জনগণের ভোট নিয়ে কীভাবে নিশিরাতের ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে কীভাবে আমি-ডামির নির্বাচন হয়েছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সেই আমি-ডামির নির্বাচনের মালিক, নিশিরাতের ভোটের মালিক, যারা জনগণের প্রতিরোধের মুখে এ বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এখন এই বাংলাদেশ হচ্ছে জনগণের বাংলাদেশ। বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, এখন বাংলাদেশ চলবে জনগণের রায়ের ভিত্তিতে। এ জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মানুষ তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। যারা জনগণের ইচ্ছামতো জনগণের কাছে জবাবদিহি করার মাধ্যমে আগামী দিন দেশ পরিচালনা করবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা আশা করেছিলাম, ৫ আগস্টের পূর্বের সেই যে স্বৈরাচার, তারা যে ভাষায় কথা বলত জনগণকে, বাংলাদেশের সম্মানি-গুণী-মানী ব্যক্তিদের যেভাবে অপদস্ত করত, যেভাবে মানুষকে তারা ছোট করত, ৫ আগস্টে তাদের পালিয়ে যাওয়ার পর এই রীতি নিশ্চয়ই বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে আমরা খেয়াল করলাম যে- এই রীতি বন্ধ হয় নাই। একটি রাজনৈতিক দল, যাদের একটি অন্য পরিচয় আছে, জনগণ যাদের একটি ভিন্ন পরিচয়ে চেনে, জনগণ তাদের কী পরিচয়ে চেনে? গুপ্ত পরিচয়ে চেনে, গুপ্ত পরিচয়ে।’

জনসভায় উপস্থিত নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তারেক রহমান প্রশ্ন করেন- আপনারা চেনেন কারা তারা? বাংলাদেশের রাজনীতিতে কারা সেই গুপ্ত? চেনেন আপনারা? এ সময় জনসভা থেকে সমস্বরে আওয়াজ ওঠে- ‘জামায়াত, জামায়াত’। তখন তারেক রহমান বলেন, এই গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেমরূপে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশের মানুষের কাছে। আজ আমরা অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে দেখছি, অত্যন্ত ঘৃণার সঙ্গে দেখছি, এই যে নতুন জালেম, যাদের মানুষ গুপ্ত হিসেবে চেনে, এই জালেমদের নেতা, দুই দিন আগে প্রকাশ্যে বাংলাদেশের নারীদের জন্য একটি অত্যন্ত কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছেন।

দেশের মা-বোনদের প্রতি যে ব্যক্তি বা যে দলের বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা নেই, দেশের মা-বোনদের কষ্টের প্রতি বিন্দুমাত্র সম্মান নেই, তাদের কাছ থেকে আর যাই হোক বাংলাদেশ কখনো অগ্রগতি আশা করতে পারে না। মানুষ কোনো মর্যাদাপূর্ণ আচরণ আশা করতে পারে না।

মহানবীর (সা.) স্ত্রী বিবি খাদিজাও যে একজন কর্মজীবী নারী ছিলেন, তিনি যে ব্যবসা করতেন, সে কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এরা নাকি ইসলামের রাজনীতি করে, অথচ শ্রেষ্ঠ নবীর স্ত্রী নিজে যেখানে একজন কর্মজীবী নারী ছিলেন, সেখানে কেমন করে একটি রাজনৈতিক দলের নেতা এবং কেমন করে সেই রাজনৈতিক দলটি তাব  বাংলাদেশের নারীসমাজকে এমন একটি কলঙ্কিত শব্দে জর্জরিত করল!

জামায়াতের নায়েবে আমিরের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ওই যে গুপ্ত সংগঠনটির আরেকটি ঘটনা বলি। তাদের আরেক নেতা যার বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। সেই নেতা কিছুদিন আগে তাদের এক দলীয় সমাবেশে তাদের কর্মীদের বলেছেন যে, ১২ তারিখ পর্যন্ত আপনারা জনগণের পা ধরবেন, তার পর পরবর্তী পাঁচ বছর জনগণ আপনাদের পা ধরবে। তারেক রহমান বলেন, এই কথা থেকে প্রমাণিত হয় কী তাদের মেন্টালিটি, কোন পর্যায়ের মানুষ হলে তারা জনগণকে নিয়ে এরকম তুচ্ছতাচ্ছিল্য কথা বলতে পারে। তিনি বলেন, এসব লোক যদি নির্বাচিত হয়, যদি দায়িত্ব পায়, তাহলে আজকেই আমাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে, জনগণের ভাগ্যের কী দুর্বিষহ অবস্থা হবে।

বরিশালের ভোটারদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, এসব গুপ্তদের বিরুদ্ধে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে, সজাগ থাকতে হবে। যারা দেশের মানুষকে সম্মান করতে জানে না, যারা পরিকল্পনা করে রাখে যে- ১২ তারিখের পর থেকে তারা জনগণকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাবে, তাদের উচিত শিক্ষা আপনাদের দিতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, দেশ যদি গড়তে হয় প্রতিটি নারী-পুরুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে আজকে। তা না হলে এ দেশকে আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারব না। সেজন্যই আমরা নারীদের, বিশেষ করে গ্রামের ও শহরের খেটে খাওয়া নারী, কর্মজীবী নারী যারা, তারাসহ সব গৃহিণীর কাছে, সব পরিবারের মায়েদের কাছে আমরা ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যার মাধ্যমে আমরা এই নারীদের ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারি। যেন তারা পুরুষের পাশাপাশি পরিবারে, সমাজে, দেশে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে। ১৯৯৩ সালে তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বরিশালকে বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে তাঁর ছেলে তারেক রহমান বলেন, আমরা এই এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কাজ করেছি। কিন্তু আরও বহু কাজ করা বাকি।

আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচিত হলে বরিশাল-ভোলা ব্রিজ নির্মাণ, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের উন্নয়ন, ভোলায় মেডিকেল কলেজ করা, নদীভাঙন সমস্যার সমাধানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন। পাশাপাশি রাস্তাঘাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, কৃষকদের জন্য হিমাগার নির্মাণ, কৃষি কার্ড চালু, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান, ভোলার গ্যাস কাজে লাগিয়ে শিল্প গড়ে তুলতে হবে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এসব সমস্যার সমাধান বিএনপি তখনই করতে পারবে যখন আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়যুক্ত করবেন।

তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিউজে আমরা কিছু খবর দেখতে পাচ্ছি। ওই যে যারা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যাদের বাংলাদেশের মানুষ গুপ্ত হিসেবে চেনে, আমরা দেখেছি কীভাবে তাদের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় ভুয়া সিল তৈরি করছে, আমরা বিভিন্নভাবে শুনতে পাচ্ছি যে তাদের পরিচিত যেসব প্রেস আছে, সেখানে তারা ব্যালট পেপার ছাপাচ্ছে। যেটি তারা পকেটে করে নিয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, আমরা এর মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় দেখেছি, বিশেষ করে নিরীহ মা-বোন যারা আছেন, তাদের কাছে গিয়ে তারা এনআইডি নম্বর নিচ্ছে, তাদের কাছে গিয়ে তারা বিকাশ নম্বর নিচ্ছে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই গুপ্তের দল, এই জালেমের দল বলে, তারা নাকি স  মানুষের শাসন কায়েম করবে। আরে ভাই, নির্বাচনের আগেই তো শুনলাম, আপনারা জাল ব্যালট পেপার ছাপাচ্ছেন, নির্বাচনের আগেই তো দেখলাম আপনাদের লোকজন এনআইডি নম্বর নিয়ে যাচ্ছেন মা-বোনদের কাছ থেকে, বিকাশ নম্বর নিয়ে যাচ্ছেন।

প্রথমেই তো আপনারা অনৈতিক কাজ শুরু করছেন। অনৈতিক কাজ দিয়ে আপনারা মানুষের ভোটকে প্রভাবিত করতে চাচ্ছেন। যাদের ভোটের শুরুটাই অনৈতিক কাজ দিয়ে, তারা কী করে স  মানুষের শাসন দিতে পারে?

তারেক রহমান বলেন, মা-বোনদের অপমান করার পর তারা অস্বীকার করে বলছেন যে- তারা এটা করে নাই। তাদের আইডি নাকি হ্যাক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের কথা অনুযায়ী, আইডি হ্যাক হয় নাই। যখন তারা ধরা পড়ে গেছে, বিভিন্ন রকম মিথ্যা কথা তারা বলা শুরু করেছে। যারা একটি অপরাধকে ঢাকার জন্য মিথ্যা কথা বলে, আর যাই হোক তারা স  মানুষের শাসন দিতে পারে না।

কাজেই এদের এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আপনাদের সজাগ থাকতে হবে। আজ এই মাঠে লক্ষ মানুষ যারা আছেন- আপনারা স্ব স্ব এলাকায় ফিরে গিয়ে আপনার এলাকার যেসব ভাই-বোন আছেন, যারা ভোটার আছেন- তাদের সবাইকে সজাগ সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলবেন। যাতে করে ১২ তারিখে আপনার অধিকার অন্য কেউ হাইজ্যাক করে নিয়ে যেতে না পারে।

ফরিদপুরের জনসভায় তারেক রহমান বলেন, ‘এই নির্বাচনি জনসভায় আপনাদের সামনে আমি এতটুকু বলতে চাই-ফরিদপুর বিভাগ গঠন করলে যদি সমস্যার সমাধান হয় তাহলে বিএনপি এটা সমাধান করবে। আমরা শুনেছি, প্রত্যেক এলাকায় এত উন্নয়ন হয়েছে তাহলে আপনাদের প্রার্থীরা এত সমস্যার কথা বললেন কেন? বিএনপির সব ক্ষমতার উ স জনগণ। দেশে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার থাকলেই কেবল দেশ সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।’

তারেক রহমান বলেন, ‘১২ তারিখ দেশের মানুষ বিএনপিকে ভোট দিলে আমরা কী কী করব তার পরিকল্পনা করেছি। এ এলাকার অন্যতম একটি সমস্যা নদী ভাঙন। কৃষিপ্রধান এ এলাকায় নদী ভাঙন রোধ করতে পারলে এই গ্রেটার ফরিদপুরের অন্যতম সেরা ফসল পাট বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যাবে।’ তারেক রহমান বলেন, ‘কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই আমরা কৃষককে কৃষি কার্ড দেব। তার মাধ্যমে ফসল ফলাতে বীজ-সার পৌঁছে দিতে চাই। এ এলাকার একটি অন্যতম সমস্যা বেকারত্ব। আমরা ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেক এলাকায় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কলকারখানা করব, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারে। নারীদের পেছনে ফেলে আমরা এগিয়ে যেতে পারব না। এজন্য নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেব। এর মাধ্যমে খেটে খাওয়া পরিবারগুলো প্রতি মাসে সরকারের তরফ থেকে সহায়তা পাবে।’

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বৈরাচারমুক্ত করতে জুলাই যোদ্ধারা অনেক কিছু হারিয়েছেন। আমরা সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি এবং স্বাধীনতা রক্ষা পেয়েছে।’ বেলা ২টা ৪০ মিনিটের দিকে তারেক রহমান সমাবেশস্থলের পাশে ফরিদপুর স্টেডিয়ামের মাঠে হেলিকপ্টার থেকে নামেন। এরপর গাড়িতে করে ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে মঞ্চে ওঠেন। ৩টা ২১ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন। সমবেত বিশাল জনতার সামনে বৃহত্তর ফরিদপুরের ১৫ সংসদীয় আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছার সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল ও মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব গোলাম মোস্তফা মিরাজের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, সহসাংগঠনিক মো. সেলিমুজ্জামান, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ইডেন কলেজের সাবেক ভিপি হেলেন জেরিন খানসহ ১৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা।

সমাবেশ কেন্দ্র করে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন্ স্থান থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী উপস্থিত হন রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে। দুপুরেই গোটা জনসভাস্থল লোকারণ্য হয়ে পড়ে। স্মরণকালের বিশাল এ জনসভায় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ অংশ নেয়।

এই বিভাগের আরও খবর
সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ইইউ রাষ্ট্রদূতের
সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ইইউ রাষ্ট্রদূতের
টিআইবির প্রতিবেদন বাস্তবতাবিবর্জিত
টিআইবির প্রতিবেদন বাস্তবতাবিবর্জিত
চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে
চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে
উপদেষ্টা পরিষদ ও সচিবদের শেষ বৈঠক আজ
উপদেষ্টা পরিষদ ও সচিবদের শেষ বৈঠক আজ
নানান প্রশ্ন নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি আজ
নানান প্রশ্ন নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি আজ
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য
সুবিধাভোগীরা পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাঠে
সুবিধাভোগীরা পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাঠে
সন্ত্রাস লুটপাটমুক্ত রাষ্ট্র গড়তেই ঐক্য
সন্ত্রাস লুটপাটমুক্ত রাষ্ট্র গড়তেই ঐক্য
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে
নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে
ইসি ও সরকারের সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে জুলাইয়ের মূল লক্ষ্য
ইসি ও সরকারের সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে জুলাইয়ের মূল লক্ষ্য
সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
সর্বশেষ খবর
ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?
ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বরিশালে খাল থেকে লাশ উদ্ধার
বরিশালে খাল থেকে লাশ উদ্ধার

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনি জনসভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনি জনসভা

৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া দেশ বিপর্যয়ে পড়বে: প্রিন্স
ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া দেশ বিপর্যয়ে পড়বে: প্রিন্স

৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নওগাঁ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী বাবুলের ইশতেহার ঘোষণা
নওগাঁ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী বাবুলের ইশতেহার ঘোষণা

৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

এপস্টেইন-কাণ্ডের জেরে টলমল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর গদি!
এপস্টেইন-কাণ্ডের জেরে টলমল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর গদি!

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ জুলুম করলে হাত-পা বেঁধে পুলিশে সোপর্দ : কায়কোবাদ
কেউ জুলুম করলে হাত-পা বেঁধে পুলিশে সোপর্দ : কায়কোবাদ

৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠীকে রুখে দেওয়ার আহ্বান আরিফুর রহমান দোলনের
স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠীকে রুখে দেওয়ার আহ্বান আরিফুর রহমান দোলনের

১০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

চাঁদপুরের সকল সমস্যা সবাইকে নিয়ে সমাধান করবো: শেখ ফরিদ আহমেদ
চাঁদপুরের সকল সমস্যা সবাইকে নিয়ে সমাধান করবো: শেখ ফরিদ আহমেদ

১৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

দুই ঘণ্টা পরপর ভোট পড়ার হার জানানোর নির্দেশ ইসির
দুই ঘণ্টা পরপর ভোট পড়ার হার জানানোর নির্দেশ ইসির

১৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য মিডিয়া সেন্টার ও হটলাইন সেবা চালু
বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য মিডিয়া সেন্টার ও হটলাইন সেবা চালু

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সাভারে সাবেক ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩
সাভারে সাবেক ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৩

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কারাগারের জন্য ১৩ হাজার ধর্মীয় বই দিলেন ধর্ম উপদেষ্টা
কারাগারের জন্য ১৩ হাজার ধর্মীয় বই দিলেন ধর্ম উপদেষ্টা

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?
টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাদিনের চেরাগ নয়, আমাদের আছে উন্নয়নের সদিচ্ছা: নওশাদ জমির
আলাদিনের চেরাগ নয়, আমাদের আছে উন্নয়নের সদিচ্ছা: নওশাদ জমির

৩১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিবেন: মোশারফ হোসেন
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিবেন: মোশারফ হোসেন

৩২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের সফর ঘিরে অস্ট্রেলিয়ায় হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের সফর ঘিরে অস্ট্রেলিয়ায় হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

৩৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জয়পুরহাট-১ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনি জনসভা
জয়পুরহাট-১ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনি জনসভা

৪০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে হত্যা: আটক হয়নি কেউ, মামলাও হয়নি
রায়পুরায় ব্যবসায়ীকে হত্যা: আটক হয়নি কেউ, মামলাও হয়নি

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে প্রতিহত করা হবে : মির্জা আব্বাস
ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে প্রতিহত করা হবে : মির্জা আব্বাস

৪৩ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ওসির পক্ষপাতমূলক আচরণ তদন্ত করছে এসএমপি
ওসির পক্ষপাতমূলক আচরণ তদন্ত করছে এসএমপি

৪৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

‘দেশ দুই ভাগে বিভক্ত, একদিকে মদিনার ইসলাম অন্যদিকে মওদূদীবাদী ইসলাম’
‘দেশ দুই ভাগে বিভক্ত, একদিকে মদিনার ইসলাম অন্যদিকে মওদূদীবাদী ইসলাম’

৪৯ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

লেবানন থেকে এক নেতাকে অপহরণ করল ইসরায়েলি বাহিনী
লেবানন থেকে এক নেতাকে অপহরণ করল ইসরায়েলি বাহিনী

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণ এবারও বিএনপিতে আস্থা রাখবে: আমীর খসরু
জনগণ এবারও বিএনপিতে আস্থা রাখবে: আমীর খসরু

৫০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষের ছবি তোলা যাবে না: ইসি সচিব
ভোট দেওয়ার গোপন কক্ষের ছবি তোলা যাবে না: ইসি সচিব

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?
ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে মানুষ উন্মুখ হয়ে আছেন: আলী নেওয়াজ
ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে মানুষ উন্মুখ হয়ে আছেন: আলী নেওয়াজ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষে ভোট দেন: মান্নান
ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষে ভোট দেন: মান্নান

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রভাবশালীদের বাঁচাতে আগেই তৈরি করে রাখা হয় এপস্টেইনের ডেথ স্টেটমেন্ট?
প্রভাবশালীদের বাঁচাতে আগেই তৈরি করে রাখা হয় এপস্টেইনের ডেথ স্টেটমেন্ট?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভিকে বুলবুলের ধন্যবাদ, যেসব বিষয়ে হলো আলোচনা
পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভিকে বুলবুলের ধন্যবাদ, যেসব বিষয়ে হলো আলোচনা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দূরপাল্লার বাস চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত
দূরপাল্লার বাস চলাচলে নতুন সিদ্ধান্ত

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোট উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ কখন থেকে?
ভোট উপলক্ষে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ কখন থেকে?

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং
৪ দিন বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঘরে বসে জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন সেই তথ্য
ঘরে বসে জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন সেই তথ্য

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ, তেহরানে একাই হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ তিন শর্ত মানলেই ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণসহ তিন শর্ত মানলেই ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল
‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ
পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৯ বছর নিষিদ্ধ থাকার পর পাকিস্তানে ফিরল ঘুড়ি উৎসব
১৯ বছর নিষিদ্ধ থাকার পর পাকিস্তানে ফিরল ঘুড়ি উৎসব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদের পক্ষে ভোট চাওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি
ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে নাহিদের পক্ষে ভোট চাওয়া নারীকে নিয়ে বিভ্রান্তি

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিএনপি ক্ষমতায় এলে মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: জুবাইদা রহমান
বিএনপি ক্ষমতায় এলে মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে: জুবাইদা রহমান

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বৈঠকের পরও কাটেনি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অনিশ্চয়তা
বৈঠকের পরও কাটেনি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অনিশ্চয়তা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা
যৌন হয়রানির প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট জাহানারা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬১৫০ কোটি টাকার ক্ষতি ঠেকাতে বিসিবিকে বড় ছাড় দিতে চলেছে আইসিসি
৬১৫০ কোটি টাকার ক্ষতি ঠেকাতে বিসিবিকে বড় ছাড় দিতে চলেছে আইসিসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ
হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি
ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার
থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা
নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…
মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, দেখুন তালিকা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির
সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ
অস্বীকার করেননি বুবলী শাকিব নিশ্চুপ

শোবিজ

বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা
বাউফলে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ নলছিটিতে যোগদান নিয়ে হাঙ্গামা

পেছনের পৃষ্ঠা

মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য
মাঠে সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন
আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন

নগর জীবন

নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে
নারীর নিরাপত্তায় আচরণবিধি থাকা উচিত প্রতিটি দলে

প্রথম পৃষ্ঠা

‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন
‘সংস্কার সংহতির’ নিঃশব্দ পতন

সম্পাদকীয়

সংসদ নির্বাচনে টানা তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
সংসদ নির্বাচনে টানা তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

খবর

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন আহসান হাবীব

নগর জীবন

জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর
জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে ১০ ফ্যাক্টর

খবর

নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ
নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন ৫০ শতাংশ মানুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু
সেনা হেফাজতে যুবকের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী
ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী

প্রথম পৃষ্ঠা

শেষ সময়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
শেষ সময়ে উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

নগর জীবন

চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে
চর্যাপদ থেকে শুরু করে ভাষা বিবর্তিত হয়ে আসছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিকাশ রকেট নগদে ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না
বিকাশ রকেট নগদে ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার
শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
নির্বাচনি ইশতেহার : প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা

সম্পাদকীয়

প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া
প্রকৃতিতে বসন্তের ছোঁয়া

পেছনের পৃষ্ঠা

জানুয়ারিতে অর্থনীতির গতি কমেছে
জানুয়ারিতে অর্থনীতির গতি কমেছে

নগর জীবন

গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা পাঁচ দিনের ছুটি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা পাঁচ দিনের ছুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোটের মাঠে কালোটাকা
ভোটের মাঠে কালোটাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার
ধর্মঘটে অচল বন্দর পিছু হটেছে সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক লুটেরাদের নিয়ে দুর্নীতি দমন হাস্যকর
ব্যাংক লুটেরাদের নিয়ে দুর্নীতি দমন হাস্যকর

পেছনের পৃষ্ঠা

উপদেষ্টা পরিষদ ও সচিবদের শেষ বৈঠক আজ
উপদেষ্টা পরিষদ ও সচিবদের শেষ বৈঠক আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’
নির্বাচনি নাটক ‘ঢাকা ২৬’

শোবিজ

সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
সনদ জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু
দেড় বছরের লড়াই শেষে জুলাই যোদ্ধা আশরাফুলের মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা