শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:১৮, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শেষবেলায় কেন ইমেজ সংকটে সরকার

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
শেষবেলায় কেন ইমেজ সংকটে সরকার

১৮ মাস বয়সি অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের আয়োজন চলছে। গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেছেন, নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণের পরপরই ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে এবং এ প্রক্রিয়া কোনোভাবেই ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পর যাবে না। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, অনেক উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। কিন্তু সরকারের বিদায়বেলায় যেন অস্বস্তির সুর বাজছে। অন্তর্বর্তী সরকার যখন ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমর্থক আনু মুহাম্মদ অন্তর্বর্তী সরকার সম্পর্কে সবচেয়ে কঠিন কথাটি বললেন। তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের (ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন) মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় আসবে, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার কেন ও কীসের বিনিময়ে জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তিগুলো করছে, তার একটা শ্বেতপত্র প্রকাশ করা এবং এর মধ্যে যারা দায়ী, তাদের বিচারের সম্মুখীন করা। সেটা করার জন্য এই সরকারের মধ্যে যারা এসব তৎপরতা চালাচ্ছে, তারা যেন দেশ থেকে বের হতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, ‘নিয়মনীতি বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি করা হচ্ছে। উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীর মুখোশ পরিয়ে এই সরকারে ইউনূস সাহেব (প্রধান উপদেষ্টা) প্রকৃতপক্ষে বিদেশি কোম্পানি এবং বিদেশি রাষ্ট্রের লবিস্টদের নিয়োগ করেছেন।’ আনু মুহাম্মদ একা নন, জুলাই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এমন অনেকেই এখন ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের কট্টর সমালোচক।

জুলাই আন্দোলনের উজ্জ্বল তারকা ছিলেন আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক। অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে প্রথমে সংবিধান সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। কিন্তু তিনি নিজেই সেই দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন। সারা জীবন নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন মতপ্রকাশের জন্য আলোচিত এই সংবিধান বিশেষজ্ঞ অন্তর্বর্তী সরকারের মূল্যায়ন সেকেন্ড ডিভিশন আর থার্ড ডিভিশনের মাঝামাঝি বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আসন্ন গণভোটকেও বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তামাশা হিসেবে উল্লেখ করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার ছিল টিআইবি। দুর্নীতিবিরোধী এ সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জুলাই আন্দোলনে ঝুঁকি নিয়ে সামনে এসে দাঁড়ান। অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক সংস্কারকাজে তিনি সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেরও একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তিনি। সেই ইফতেখারুজ্জামানই সরকারের বিরুদ্ধে এখন সবচেয়ে বেশি সোচ্চার। তাঁর ভাষ্য, এ সরকারের ইতিবাচক যে অর্জন হয়েছে, তারচেয়ে ‘ঘাটতি বা পথভ্রষ্ট হওয়ার’ উপাদানের ‘পাল্লাটা তুলনামূলক ভারী’। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে অবাধ তথ্যের প্রবাহ, যেটি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ব্যাপকভাবে প্রত্যাশিত ছিল মানুষের। সরকারের অঙ্গীকারের মধ্যে ছিল, জাতির কাছে সরকার প্রধানের প্রথম যে ভাষণ ছিল, সেই ভাষণে পরিষ্কারভাবে বিষয়টির ওপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।

‘কিন্তু সরকারি দপ্তরে আমরা দেখেছি, সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নীতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতা ছিল, অংশগ্রহণমূলক হয়নি এবং গোপনীয়তার সংস্কৃতি কাজ করেছে।’ সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে ঘোষণা ছিল, উপদেষ্টা পরিষদ তাদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত যে সেটি করা হয়নি তা মনে করিয়ে দেন তিনি।

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন নিয়ে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘সেখানে সরকারের নির্লিপ্ততা বরং প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় যে, নারী কমিশনের প্রতিবেদন তাদের সরকারের প্রতিবেদন নয়। এই ন্যারেটিভের ফলে একদিক থেকে প্রতিবেদনের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। অন্যদিক থেকে যারা নারী ক্ষমতায়নের প্রতিরোধক শক্তি, তাদের অতি ক্ষমতায়িত করেছে সরকার।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ‘সবচেয়ে দুর্বল’ জায়গা ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেষ সময়ে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন এবং সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশকে ‘বিদায়ি পরিহাস’ আখ্যা দিয়ে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এটি একটা লোকদেখানো পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়। লোকদেখানো পদক্ষেপের মাধ্যমে মিডিয়াকে আরও বেশি সরকারি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পাঁয়তারা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ তবে সবচেয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য তিনি করেন দুদক সংস্কার বিষয়ে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘আমাদের বলা হয়েছে, শুধু আমলাতন্ত্রের একাংশ সংস্কার চায় না। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদের অন্তত সাতজন সদস্য তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ বিষয়টি আমাদের অত্যন্ত আশাহত করেছে। সংস্কার কমিশনের জমা দেওয়া দু-একটি সুপারিশ বাস্তবায়ন হলেও এর ফলে কোনো অগ্রগতি হয়নি। বরং কিছু কৌশলগত সুপারিশ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাতিল করা হয়েছে।’ সম্প্রতি নিউজটোয়েন্টিফোরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘তাদের মনে রাখা উচিত, তারা কোনো নির্বাচিত সরকার না। বৈধ সরকার হয়তো, কিন্তু তারা নির্বাচিত সরকার না। একটি অনির্বাচিত সরকারের শাসন করার যোগ্যতা-ক্ষমতা থাকে ততক্ষণ, যখন তার নৈতিক বৈধতা থাকে। বর্তমান সরকার তার নৈতিক বৈধতা অনেক ক্ষেত্রেই হ্রাস করে ফেলেছে। জনগণ পরিষ্কারভাবে বর্তমান সরকারের ওপর আস্থার অভাবের কথা বলেছেন। বর্তমান সরকার, তার প্রশাসন, তার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে নিরাপত্তা দিতে পারবে, এটাতে তাদের আস্থার অভাব।’ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জুলাই আন্দোলনের পক্ষে সামনের সারিতে থাকা অর্থনীতিবিদ। তিনি অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান ছিলেন।

শুধু এসব বিশিষ্টজন নন, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কার্যক্রম নিয়ে এরকম সমালোচনা এখন জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সুশীল সমাজের প্রায় সবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে উন্নয়নকর্মী, বেসরকারি উদ্যোক্তা থেকে আইনজীবী সবার কণ্ঠে হতাশার সুর। আশাহতের বেদনা সবার মাঝে। কেউ প্রকাশে?্য বলছেন, কেউবা নীরবে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন।

শুধু বাংলাদেশের সুশীল সমাজ নয়, জুলাই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমে হতাশ। বাংলাদেশের মানবাধিকারের নানা দিক নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৬-এ বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কিংবা প্রতিশ্রুত মানবাধিকার সংস্কারে ব্যর্থ হয়েছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার।

শেষ বেলায় এসে অন্তর্বর্তী সরকারের তাড়াহুড়ো করে বিভিন্ন চুক্তি করা নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের যেখানে মাত্র আর কয়েক দিন বাকি রয়েছে, তখন শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি এবং চীন-জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতার উদ্যোগ নিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাড়াহুড়ো করছে কি না এমন প্রশ্ন উঠেছে।

এই সময় একটি বিদায়ি সরকারের এমন সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত না নিয়ে নির্বাচিত একটি সরকারের জন্য অপেক্ষা করা যেত কি না এমন আলোচনাও চলছে।

অথচ এ সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল বিপুল জনসমর্থন নিয়ে। সব শ্রেণির মানুষ ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করেছিল। আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম। কিন্তু এই আশা এখন হতাশায় রূপ নিয়েছে। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এই সরকার বিদায় নিচ্ছে নানা প্রশ্ন নিয়ে। এক ধরনের ইমেজ সংকটে। তবে এ সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটাই এ সরকারের শেষ পরীক্ষা। শেষ পর্যন্ত যদি সরকার একটি বিতর্কহীন, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সফল হয়, তাহলে এ দেশের মানুষ সব ভুলে যাবে। সব ভালো যার শেষ ভালো তার- এ কথাটি অন্তর্বর্তী সরকারের বেলায় সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। প্রধান উপদেষ্টা বারবার দেশের জনগণের কাছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বলেছেন, এ নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা নির্বাচন। সত্যিই যদি তিনি সেটি করতে পারেন, তাহলে এই সরকারের বিদায় হবে রাজসিক, গৌরবের। কিন্তু সেটি না করতে পারলে এ সরকারকেও ইতিহাস ক্ষমা করবে না। কারণ ইতিহাস বড় নিষ্ঠুর, নির্মম।

এই বিভাগের আরও খবর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
হরমুজে আটকা ২০ হাজার নাবিক
হরমুজে আটকা ২০ হাজার নাবিক
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি
বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল
বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ পুলিশের জলকামানে ছত্রভঙ্গ
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ পুলিশের জলকামানে ছত্রভঙ্গ
সর্বশেষ খবর
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

৩৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ
শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়
মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা
ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস
কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল
জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক
শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার
১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু
নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি
৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা
অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার
বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট
২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের
শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?
ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প
অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম
আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি
মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?
মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত
একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা
তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?
ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইভী-বদিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত
আইভী-বদিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?
সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের
শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন
ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিশাল ক্ষতি চাপে ট্রাম্প
বিশাল ক্ষতি চাপে ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

বেরিয়ে আসছে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য
বেরিয়ে আসছে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ফেনীতে ফিলিপাইনের তরুণী
প্রেমের টানে ফেনীতে ফিলিপাইনের তরুণী

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পোস্টালে জয়পরাজয়
পোস্টালে জয়পরাজয়

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে যাওয়া আসার রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে যাওয়া আসার রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইফতার পার্টিতে জমজমাট চট্টগ্রামের রাজনীতি
ইফতার পার্টিতে জমজমাট চট্টগ্রামের রাজনীতি

নগর জীবন

অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর

প্রথম পৃষ্ঠা

কোরিয়ার বিপক্ষেও নির্ভার নারীরা
কোরিয়ার বিপক্ষেও নির্ভার নারীরা

মাঠে ময়দানে

ব্যাংক হিসাব দেখে কি দুর্নীতিবাজ চেনা যায়?
ব্যাংক হিসাব দেখে কি দুর্নীতিবাজ চেনা যায়?

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, থানায় মামলা
শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, থানায় মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

২০০ রোগের উৎস স্থূলতা
২০০ রোগের উৎস স্থূলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাজেট ভাবনায় যুদ্ধের প্রভাব
বাজেট ভাবনায় যুদ্ধের প্রভাব

পেছনের পৃষ্ঠা

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’

প্রথম পৃষ্ঠা

ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়াসিমের পেটে ঢুকছিল জোঁক
ওয়াসিমের পেটে ঢুকছিল জোঁক

শোবিজ

ভারত আবারও ফাইনালে
ভারত আবারও ফাইনালে

মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরায় নারীদের অন্যতম পছন্দ মারিয়াবি, সারারা
বসুন্ধরায় নারীদের অন্যতম পছন্দ মারিয়াবি, সারারা

নগর জীবন

২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল

প্রথম পৃষ্ঠা

সব যেন আগের মতো ঠিক হয়ে যায়
সব যেন আগের মতো ঠিক হয়ে যায়

শোবিজ

নদী দূষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন
নদী দূষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন

খবর

হেক্সা মিশনে বসুন্ধরা কিংস
হেক্সা মিশনে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

জ্বালানি সাশ্রয়ে বাড়বে লোডশেডিং
জ্বালানি সাশ্রয়ে বাড়বে লোডশেডিং

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন টিটি তারকা লিনু
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন টিটি তারকা লিনু

মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্দোষ শিল্পা শেঠি
নির্দোষ শিল্পা শেঠি

শোবিজ

স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

পেদ্রোর প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল ভিলা
পেদ্রোর প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল ভিলা

মাঠে ময়দানে