শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৭, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরকে বাঁচাতে হবে

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
চট্টগ্রাম বন্দরকে বাঁচাতে হবে

বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফলাইন চট্টগ্রাম বন্দর। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এ বন্দরে অচলাবস্থা চলছে। শত শত জাহাজ আটকে আছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ ছিল মাল ওঠানামাসহ সব ধরনের কাজ। শত শত কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। বিদেশি জাহাজ কোম্পানিগুলো দিনের পর দিন অপেক্ষায় থেকে অতিষ্ঠ। ভবিষ্যতে এ বন্দরে তারা আসবে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চট্টগ্রাম বন্দর অচল হলে এ দেশের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। এটি একটি জরুরি সেবা। প্রশ্ন উঠেছে, আন্দোলন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তো নৌপরিবহন উপদেষ্টার তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তিনি নেননি। নৌপরিবহন উপদেষ্টার ঘুম ভাঙল ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ প্রকাশের পর। টানা কর্মবিরতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে সৃষ্ট অচলাবস্থায় উদ্বেগ জানান বন্দর ব্যবহারকারীরা। এ নিয়ে গত বুধবার সন্ধ্যায় আগ্রাবাদে একটি হোটেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে ব্যবহারকারীদের পক্ষে বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি এম এ সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বসেছিলাম এবং বিশদ আলোচনা হয়েছে প্রায় ৪ ঘণ্টা। আপনারা জানেন যে সামনে ইলেকশন, তিন দিনের ছুটি। ঠিক এর সাত-আট দিন পর রমজান। রমজানের পণ্যগুলো কীভাবে ডেলিভারি হবে সেগুলো নিয়ে আমরা চিন্তিত। গার্মেন্টস সেক্টর বিশেষ করে ফেব্রুয়ারিতে কাজ করবে মাত্র ১৮ দিন, মার্চে কাজ করবে মাত্র ১৬ থেকে ১৭ দিন। এভাবে যদি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকে, তাহলে প্রেজেন্ট পণ্যগুলো যাবে না আবার ভবিষ্যৎ পণ্যগুলো আসবে না। আমরা অসম্ভব ক্ষতির মুখে আছি, বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টর এবং রমজানের উসিলায় পুরো দেশবাসী।’ তিনি বলেন, বন্দর যদি এভাবে বন্ধ থাকে, বন্দরের যে চার্জেসগুলো আসবে এগুলোর সব দায়ভার ব্যবসার ওপর আসবে। ব্যবসার ওপর এলে তো আর ব্যবসায়ীরা দেবেন না, আলটিমেটলি এটা কনজ্যুমারের ওপর যাবে। সেজন্যই আমরা ওরিড।’ বন্দরকে বাংলাদেশের লাইফলাইন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বন্দর চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করব ৯০ পারসেন্ট এক্সপোর্ট ইমপোর্ট, যেটা চিটাগাং পোর্টের মাধ্যমে হয়, এটা দিনের পর দিন বন্ধ থাকতে পারে না।

চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে সরকারের উদাসীনতার তীব্র সমালোচনা করেন ব্যবসায়ী নেতারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের ঘুম ভাঙে ছয় দিন পর। গত বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন অবশেষে যান বন্দর পরিদর্শনে। তিনি আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনের মধ্যে এসে শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বন্দরের ৪ নম্বরে ফটকের বাইরে তিনি আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের তোপের মুখে পড়েন। অবশেষে আলোচনার মাধ্যমে দুই দিনের জন্য কর্মবিরতি স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু এটা সমাধান নয়। চট্টগ্রাম বন্দরকে সচল রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। কনটেইনার টার্মিনাল ইজারার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চলমান আন্দোলন ঘিরে চট্টগ্রাম বন্দরে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেছেন, সংসদ নির্বাচনের আগে এসে বন্দরের এ অচলাবস্থা ‘মহাবিপর্যয়’ ডেকে আনতে পারে। এখনই সমাধান না হলে সংকট থেকে উত্তরণ কারও পক্ষেই সম্ভব হবে না বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার দেশের ১০ বাণিজ্য সংগঠনের যৌথ বিবৃতিতে এসব পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। সংগঠনগুলো বলেছে, বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলে রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নাগালের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিবৃতি দেওয়া সংগঠনের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, বিসিআই, এমসিসিআই, ডিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিটিটিএলএমইএ, বিজিএপিএমইএ এবং বিজিবিএ।

চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে অচলাবস্থা বর্তমান সরকারের সৃষ্টি। চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু হয় লাগাতার আন্দোলন। শ্রমিক সংগঠনগুলোর কর্মসূচির কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে অপারেশনাল কাজ। কনটেইনার ডেলিভারি একেবারেই কমে গেছে। প্রাইভেট আইসিডি থেকে রপ্তানি কনটেইনার জাহাজে তোলা হচ্ছে সীমিতভাবে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর বহির্নোঙরে বড় বড় জাহাজে আটকা পড়েছে লাখ লাখ টন ভোগ্যপণ্য। বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, এনসিটি পরিচালনায় অপারেটর কে তা নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নেই। আমরা চাই যেভাবে হোক এনসিটিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে পণ্য ওঠানামা শেষ করতে। বন্দরকে গতিশীল করতে। অন্যদিকে শ্রমিক নেতারা বলছেন, আমরা চেয়েছিলাম ডিপি ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে এনসিটি পরিচালনার বিষয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হোক। কিন্তু আমাদের কোনো পাত্তাই দিচ্ছে না সরকার কিংবা বন্দর কর্তৃপক্ষ। এখন আমাদের কর্মসূচি থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই।

দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় নিউমুরিং কনটেইনার (এনসিটি) ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। চলতি মাসেই চুক্তির পর বিদেশি অপারেটর দ্বারা এনসিটি পরিচালনা শুরুর কথা। এর মধ্যে নতুন একটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ এবং একটি পুরোনো টার্মিনাল হ্যান্ডলিং করার চুক্তি স্বাক্ষরও করা আছে আগেই। গত বছরের ১৭ নভেম্বর ঢাকার একটি হোটেলে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। পৃথক অনুষ্ঠানে চুক্তি দুটি স্বাক্ষর হয়। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নিয়ে চুক্তিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং এপিএম টার্মিনালসের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টেইন ভ্যান ডোঙ্গেন স্বাক্ষর করেন। পানগাঁও আইসিটি নিয়ে করা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মেডলগ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম আনিসুল মিল্লাত। চুক্তি অনুযায়ী এপিএম টার্মিনালস চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ এবং পরিচালনায় ৩৩ বছরের জন্য দায়িত্ব পেয়েছে। এ সময়ের প্রথম তিন বছরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরবর্তী ৩০ বছর পরিচালনার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাবলিক-পার্টনারশিপের (পিপিপি) চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া চরে টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বা ৫৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে এপিএম। চুক্তি স্বাক্ষরের দিনই সাইনিং মানি হিসেবে ২৫০ কোটি টাকা পেয়েছে বাংলাদেশ। এখন চলছে এনসিটি পরিচালনার চুক্তি প্রক্রিয়া। এনসিটি পরিচালনা দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে এনসিটির পরিচালনার মেয়াদ শেষ হয় বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারের সঙ্গে। এরপর থেকে এনসিটি পরিচালনা করছে নৌবাহিনীর চিটাগাং ড্রাইডক লিমিটেড (সিডিডিএল)। বেশ দক্ষভাবে পরিচালনা করছে ড্রাইডক। উৎপাদনশীলতায় গড়েছে রেকর্ড। এর মধ্যে দাবি উঠেছে ড্রাইডকের মাধ্যমে পরিচালনা অব্যাহত রাখার। কিন্তু সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ডিসেম্বরেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছিল। নৌ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন একাধিকবার বলেছিলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি পরিচালনার কাজ দেওয়া হবে। গত জুন মাস থেকে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি ছেড়ে না দিতে গড়ে উঠেছে শ্রমিক সংগঠনগুলোর আন্দোলন। এর মধ্যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতার প্রশ্নে রিট হয় উচ্চ আদালতে। চূড়ান্ত রায়ে বিদেশি অপারেটরের সঙ্গে চুক্তির বাধা কেটে যাওয়ার পরই ক্ষেপে যান শ্রমিক নেতারা। এরপর এক সপ্তাহ ধরে দফায় দফায় আন্দোলন করে বন্দর কার্যক্রম অচল করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যেহেতু দেশে এখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত এখন নেওয়া উচিত নয়। একটি রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। মেয়াদের শেষ প্রান্তে এসে চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে সরকারের অতি আগ্রহ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এর ফলে নানামুখী ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশ। একদিকে অচলাবস্থার কারণে আমদানি রপ্তানির বিপুল ক্ষতি হচ্ছে। অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ ক্ষতির ভার বহন করা কঠিন হয়ে যাবে। অন্যদিকে, এর ফলে অনেক বিদেশি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসতে চাইবে না। দিনের পর দিন অপেক্ষার কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে কালো তালিকাভুক্ত হবে। এরকম পরিস্থিতি চট্টগ্রাম বন্দরের অকালমৃত্যু ঘটাতে পারে। তাই অবিলম্বে সরকারের উচিত, একগুঁয়েমি থেকে বের হয়ে আসা। পুরো বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের হাতে ছেড়ে দেওয়া। মনে রাখতে হবে, চট্টগ্রাম বন্দর না বাঁচলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বাঁচবে না।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
হরমুজে আটকা ২০ হাজার নাবিক
হরমুজে আটকা ২০ হাজার নাবিক
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি
বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল
বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ পুলিশের জলকামানে ছত্রভঙ্গ
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ পুলিশের জলকামানে ছত্রভঙ্গ
সর্বশেষ খবর
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ
শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়
মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা
ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস
কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল
জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক
শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার
১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু
নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি
৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা
অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার
বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট
২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের
শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?
ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প
অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম
আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি
মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?
মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা
তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত
একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?
ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?
সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের
শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন
ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন
হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিশাল ক্ষতি চাপে ট্রাম্প
বিশাল ক্ষতি চাপে ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

বেরিয়ে আসছে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য
বেরিয়ে আসছে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ফেনীতে ফিলিপাইনের তরুণী
প্রেমের টানে ফেনীতে ফিলিপাইনের তরুণী

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পোস্টালে জয়পরাজয়
পোস্টালে জয়পরাজয়

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে যাওয়া আসার রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে যাওয়া আসার রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইফতার পার্টিতে জমজমাট চট্টগ্রামের রাজনীতি
ইফতার পার্টিতে জমজমাট চট্টগ্রামের রাজনীতি

নগর জীবন

অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর

প্রথম পৃষ্ঠা

কোরিয়ার বিপক্ষেও নির্ভার নারীরা
কোরিয়ার বিপক্ষেও নির্ভার নারীরা

মাঠে ময়দানে

ব্যাংক হিসাব দেখে কি দুর্নীতিবাজ চেনা যায়?
ব্যাংক হিসাব দেখে কি দুর্নীতিবাজ চেনা যায়?

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, থানায় মামলা
শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, থানায় মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

২০০ রোগের উৎস স্থূলতা
২০০ রোগের উৎস স্থূলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাজেট ভাবনায় যুদ্ধের প্রভাব
বাজেট ভাবনায় যুদ্ধের প্রভাব

পেছনের পৃষ্ঠা

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’

প্রথম পৃষ্ঠা

ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়াসিমের পেটে ঢুকছিল জোঁক
ওয়াসিমের পেটে ঢুকছিল জোঁক

শোবিজ

ভারত আবারও ফাইনালে
ভারত আবারও ফাইনালে

মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরায় নারীদের অন্যতম পছন্দ মারিয়াবি, সারারা
বসুন্ধরায় নারীদের অন্যতম পছন্দ মারিয়াবি, সারারা

নগর জীবন

২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল

প্রথম পৃষ্ঠা

সব যেন আগের মতো ঠিক হয়ে যায়
সব যেন আগের মতো ঠিক হয়ে যায়

শোবিজ

নদী দূষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন
নদী দূষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন

খবর

হেক্সা মিশনে বসুন্ধরা কিংস
হেক্সা মিশনে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

জ্বালানি সাশ্রয়ে বাড়বে লোডশেডিং
জ্বালানি সাশ্রয়ে বাড়বে লোডশেডিং

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন টিটি তারকা লিনু
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন টিটি তারকা লিনু

মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্দোষ শিল্পা শেঠি
নির্দোষ শিল্পা শেঠি

শোবিজ

স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

পেদ্রোর প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল ভিলা
পেদ্রোর প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল ভিলা

মাঠে ময়দানে