শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:৩৬, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পথসভায় তারেক রহমান

ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী

তৈরি হবে ৪০ খেলার মাঠ, রাস্তা হবে প্রশস্ত
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
ঢাকা হবে নিরাপদ মহানগরী

বিএনপি জনরায়ে সরকারে গেলে রাজধানী ঢাকায় ৪০টি খেলার মাঠ তৈরি এবং সড়কগুলো প্রশস্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নগরবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আল্লাহর রহমতে আপনাদের সমর্থন নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশ পুনর্গঠনের কাজ শুরু করবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি দায়িত্ব নিলে এই রাজধানী ঢাকা হবে সবচেয়ে ‘নিরাপদ মহানগরী’।

গতকাল দুপুরের পর নিজের নির্বাচনি (আসন ঢাকা-১৭) এলাকার ইসিবি চত্বর, ঢাকা-১৬ আসনের পল্লবী, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১১ আসনের অধীন ছয়টি নির্বাচনি পথসভায় বক্তব্যে এসব প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজের অঙ্গীকারও তিনি করেন। এসব পথসভায় সংশ্লিষ্ট আসনের বিএনপিদলীয় প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ তুলে দিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। প্রতিটি পথসভা বিরাট জনসভায় রূপ নেয়। গতকাল ও আজ সোমবার দুই দিনে অন্তত ১৪টি স্থানে তিনি পথসভায় অংশ নেবেন। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনাদের দোয়ায় বিএনপি ১২ তারিখের নির্বাচনের জনরায়ে সরকার গঠন করলে ঢাকাকে একটি সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যেখানে মানুষ বুকভরে শ্বাস নিতে পারবে। সমগ্র ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ তৈরি করব আমরা। যাতে আমাদের সন্তানেরা খোলা মাঠে খেলাধুলা করতে পারে এবং মুরুব্বি ও মা-বোনেরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিকালে বা অন্য সময়ে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা করতে পারেন।’ ঢাকা-১৭ আসনের ইসিবি চত্বরে তারেক রহমান উপস্থিত হলে বিএনপির উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা তাঁকে স্বাগত জানান। এখানে তিনি নিজেকে এলাকার সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে ছোটবেলা থেকে এই এলাকায় বড় হওয়ার স্মৃতিচারণা করেন এবং তাঁকে ভোট দিতে ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানান। গুলশান, বনানী, ঢাকা সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি যেহেতু এই এলাকারই সন্তান, এই এলাকায় ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে আপনাদের কাছে ১২ তারিখে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাই।’ অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘ইসিবি চত্বর থেকে জসীমউদ্দীন সড়ক পর্যন্ত বিদ্যমান রাস্তাটি আরও প্রশস্ত করা হবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে মানুষের উন্নত জীবনযাপন ও সহজ যাতায়াতের কথা চিন্তা করে এই এলাকার রাস্তার প্রসার ঘটানো হবে। নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে ইসিবি চত্বরের পর ঢাকা-১৬ আসনে পল্লবী ২ নম্বর ওয়ার্ডের লাল মাঠ, ঢাকা-১৫ আসনে মিরপুর-১০ গোলচত্বরসংলগ্ন সেনপাড়া আদর্শ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকা-১৪ আসনে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চবিদ্যালয় ফটক, ঢাকা-১৩ আসনে শ্যামলী ক্লাব মাঠ এবং ঢাকা-১১ আসনে বাড্ডার সাঁতারকুলের সানভ্যালি মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন তারেক রহমান।

পথসমাবেশগুলোতে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এক যুগের বেশি সময় ধরে দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ১২ তারিখ সেই কেড়ে নেওয়া অধিকার ফিরে পাওয়ার দিন। ১২ তারিখের নির্বাচন দেশ গঠন ও দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। তারেক রহমান পরিষ্কার ভাষায় বলেন, ক্ষমতায় গেলে ’৭১ ও ’২৪ জুলাইয়ের শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করবে বিএনপি। দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে কাজ করবে বিএনপি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। স্বাস্থ্যসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে দেশব্যাপী এক লাখ হেলথকেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে। নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে ঢাকার যেসব আসনে হাসপাতাল নেই, সেসব এলাকায় দ্রুত একটি করে হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। বিএনপি সরকারে গেলে ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ অন্য ধর্মাবলম্বী ধর্মগুরুদের সহায়তা প্রদান করা হবে। এ সময় তিনি বলেন, ধর্মের কথা বলে একটি গোষ্ঠী মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। দেশের সরল মা-বোনদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে তাদের বিভ্রান্ত করছে। নকল সিল তৈরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে একটি দলের লোকজন।

রাজধানী ঢাকাকে সবচেয়ে নিরাপদ ও সুন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই শহরে মারাত্মক বায়ুদূষণ সমস্যা রয়েছে। এ মহানগরীকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যেন মানুষ বুকভরে নিশ্বাস নিতে পারে। এ সময় তিনি ঢাকা মহানগরীতে ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণেরও আশ্বাস দেন। বেলা সাড়ে ৩টায় ক্যান্টনমেন্ট থানার ইসিবি চত্বর থেকে শুরু হয় পথসভার কার্যক্রম। ইসিবি চত্বরের পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৭ নির্বাচনি কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, যুগ্ম সমন্বয়ক ফরহাদ হালিম ডোনার, সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম, কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম, মুস্তাফিজুর রহমান সেগুনসহ দলের ক্যান্টনমেন্ট ও ভাষানটেক থানার নেতারা। তারেক রহমান ইসিবি চত্বরের পথসভায় এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘আমি আপনাদেরই সন্তান। আপনাদের এই এলাকায় আমি, আমার ছোট ভাই, আমার সন্তান এবং আমার ভাইয়ের সন্তানদের জন্ম। আমি বড় হয়েছি, বিয়েও করেছি এখানে। সুতরাং আপনাদের কাছে আমার অনেক বেশি অধিকার। আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার সুযোগ দেবেন।’

তিনি ইসিবি চত্বর থেকে মানিকদির ভিতর দিয়ে উত্তরার জসীমউদ্দীন রোড পর্যন্ত রাস্তাটিকে চার লেনে পরিণত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ওই এলাকায় খেলার মাঠ নেই। তাই মাঠের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। তিনি ঢাকা-১৭ নির্বাচনি এলাকার মানুষের কাছে দোয়া চান যেন সারা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারেন।

ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হকের নির্বাচনি এলাকা পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের লাল মাঠে নির্বাচনি পথসভায় তারেক রহমান বলেন, দেশ পুনর্গঠন ও দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করার জন্য কাজ করছে বিএনপি। তিনি বলেন, বিপক্ষ দলের সমালোচনা করলে গিবত গাইলে জনগণের কোনো লাভ হবে না। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে। সুদসহ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষকদের কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে। ঢাকা-১৬ নির্বাচনি এলাকার মানুষের চিকিৎসা জন্য একটি হাসপাতাল তৈরি করা হবে। চাকরির জন্য যারা বিদেশ যেতে চাইবে তাদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে। পানি সমস্যা দূর করতে সমগ্র বাংলাদেশে খালখনন করা হবে। সরকার গঠন করতে পারলে ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে সবার আগে ঢাকার খালখনন কর্মসূচি চালু করা হবে। জনগণের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সবার আগে ঠিক করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে থাকবে বিএনপি। তিনি বলেন, সবার আগে দেশ। তাই যেকোনো মূল্যে দেশকে গড়ে তুলতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় ৪৭টি মাথার খুলি ও হাড়-কঙ্কালসহ গ্রেফতার ৪
ঢাকায় ৪৭টি মাথার খুলি ও হাড়-কঙ্কালসহ গ্রেফতার ৪

এই মাত্র | নগর জীবন

ইরানের আরেকটি স্কুলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত
ইরানের আরেকটি স্কুলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ, নোংরা পানির স্রোত সড়কে
বগুড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ, নোংরা পানির স্রোত সড়কে

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া
গোপালগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেনাপোলে আমদানি নিষিদ্ধ পাটবীজ জব্দ
বেনাপোলে আমদানি নিষিদ্ধ পাটবীজ জব্দ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা দৈনিক পাবেন ৫ লিটার তেল
মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা দৈনিক পাবেন ৫ লিটার তেল

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৩৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা
গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা

৪০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীসহ ওয়াসার সাবেক এমডি আব্দুস সালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
স্ত্রীসহ ওয়াসার সাবেক এমডি আব্দুস সালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

এফএ কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি–লিভারপুল
এফএ কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি–লিভারপুল

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অনিশ্চয়তায় শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ
অনিশ্চয়তায় শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহজালালে ৩৬১ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ৩৬১ ফ্লাইট বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, টিঅ্যান্ডটি মাঠে জনতার ঢল
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, টিঅ্যান্ডটি মাঠে জনতার ঢল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনএসইউ সোশ্যাল সার্ভিস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ
এনএসইউ সোশ্যাল সার্ভিস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্রকে হত্যা, গ্রেফতার ২
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্রকে হত্যা, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনপুরায় অসহায় মরিয়মের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
মনপুরায় অসহায় মরিয়মের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ইফতারে শসার স্বাস্থ্যকর সালাদ
ইফতারে শসার স্বাস্থ্যকর সালাদ

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

লাস ভেগাসে ‘মেটালিকা’ ব্যান্ডের ২৪ কনসার্ট
লাস ভেগাসে ‘মেটালিকা’ ব্যান্ডের ২৪ কনসার্ট

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কিউবা দখলের ব্যাপারে যা জানালেন ট্রাম্প
কিউবা দখলের ব্যাপারে যা জানালেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, বাংলাদেশের সামনে কী ঝুঁকি?
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, বাংলাদেশের সামনে কী ঝুঁকি?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পর্তুগালের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পর্তুগালের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড
আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিয়াল মাদ্রিদের চোটের তালিকায় নতুন নাম কাররেয়াস
রিয়াল মাদ্রিদের চোটের তালিকায় নতুন নাম কাররেয়াস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিলেটে পেট্রোল পাম্পে হামলার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক
সিলেটে পেট্রোল পাম্পে হামলার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হারানো লাগেজ খুঁজে পেতে নতুন ফিচার আনল গুগল
হারানো লাগেজ খুঁজে পেতে নতুন ফিচার আনল গুগল

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার
গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল
হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)
যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের
সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা
বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে
পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

পেছনের পৃষ্ঠা