শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
গুম খুন নিয়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য

‘আমাকে যে জিনিসটা সবচেয়ে ব্যথিত করত তা হলো আমরা সেনাবাহিনী থেকে র‌্যাবে পেশাদার অফিসার পাঠাচ্ছি আর তারা পেশাদার খুনি হয়ে ফেরত আসছে। এরপর আমি সিদ্ধান্ত দেই র‌্যাব, ডিজিএফআই এবং বিজিবিতে কোনো অফিসার পোস্টিংয়ে যাওয়ার পূর্বে ও পরে আমার ইন্টারভিউতে আসবে।’ সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় দেওয়া জবানবন্দিতে এমন আক্ষেপ করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। এ মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী হিসেবে গতকাল বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেছেন তিনি। পরে তার অসমাপ্ত জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে এই মামলায় প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে জিয়াউল আহসানের বিচার শুরু হয়। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের পক্ষে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এ সময় জিয়াউল আহসানের সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও আইনজীবী নাজনীন নাহার উপস্থিত ছিলেন। ধার্য তারিখ থাকায় সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় মামলার একমাত্র আসামি মেজর জেনারেল (চাকরিচ্যুত) জিয়াউল আহসানকে।

২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর তারেক রহমানকে উঠিয়ে এনে নির্যাতনের পর থেকে বেসামরিক ব্যক্তিদের উঠিয়ে এনে আটক রাখা অভ্যাসে পরিণত হয় উল্লেখ করে জবানবন্দিতে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সময়ে ডিজিএফআই হয়ে ওঠে দেশের মুখ্য নিয়ন্ত্রক। যেকোনো ব্যক্তিকে উঠিয়ে এনে যা ইচ্ছা তাই করা যায় মর্মে তারা ভাবতে শুরু করে। তিনি বলেন, জরুরি অবস্থায় সেনা সদস্যদের সংস্কৃতিতে কিছু পরিবর্তন আসে। তারা রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করে, তাদের মধ্যে আধিপত্যবোধের জন্ম হয়, সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যে একটি বিভাজন সৃষ্টি হয়, নগদ সংস্কৃতির উত্থান হয় এবং উপরস্থদের আদেশ অন্ধভাবে পালন করার প্রবণতা জন্ম হয়।

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া ২০১২ সালের ১৫ জুন থেকে ২০১৫ সালের ২৪ জুন পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। নিজের সামরিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে খুনের সংস্কৃতি আগে থেকেই ছিল। গুমের সংস্কৃতি পরবর্তীতে গড়ে উঠেছে। আমরা যদি ধরে নেই যে, ২০০৮ সাল থেকে খুন শুরু হয়েছে তবে সেটা ভুল বলা হবে। প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার পর থেকেই খুনের সংস্কৃতি শুরু হয়েছে।’ তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীর প্রধান কাজ হচ্ছে বহিঃশত্রু থেকে দেশকে রক্ষা করা। তবে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সামরিক বাহিনীকে তাদের সাহায্যে সময়ে সময়ে মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া দুর্যোগকালীন সময়েও সেনাবাহিনীকে মোতায়েন করা হয়। এমনকি নির্বাচনকালীন সময়েও সেনাবাহিনীকে মোতায়েন করা হয়। সবার ধারণা সেনাবাহিনীকে মোতায়েন করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে তাই এটি একটি অলিখিত নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সেনাবাহিনীকে বেসামরিক পুলিশের সঙ্গে মিশিয়ে ২০০৩ সালে র‌্যাব গঠন করা একটি মারাত্মক ও ভয়াবহ সিদ্ধান্ত ছিল উল্লেখ করে জবানবন্দিতে তিনি বলেন, প্রত্যেক সেনাসদস্যের কাছে মারণাস্ত্র থাকে এবং তাদের প্রশিক্ষণ ‘এক গুলি, এক শত্রু’ নীতির ওপর পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রশিক্ষণকালে তাদের অমানবিক করা হয়। এ ধরনের প্রশিক্ষণ না হলে তারা যুদ্ধ করতে পারবে না। তিনি বলেন, সেনা সদস্যদের যে প্রশিক্ষণ তা র‌্যাবে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ছিল না। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে কিছু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়েছে। পরবর্তীতে ক্লিন হার্টের সব সদস্যকে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়। প্রকৃতপক্ষে এ ইনডেমনিটি ছিল হত্যার লাইসেন্স প্রদান।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে বিডিআর বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। এতে ৫৭ জন সামরিক কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। এ বিদ্রোহের পর সেনা অফিসারদের মধ্যে ভারত ও আওয়ামী লীগ বিদ্বেষ তীব্রতর হয়, সিনিয়র ও জুনিয়র অফিসারদের মধ্যে বিভাজন ব্যাপক রূপ ধারণ করে। পেশাদার অফিসারদের একপাশে সরিয়ে অনুগত অফিসারদের ওপরে নিয়ে আসা হয় এবং বিভিন্ন জাতীয় প্রকল্পে সেনাবাহিনীকে নিয়োজিত করে বাহিনীটিকে দুর্নীতিগ্রস্ত করা হয়। এর বড় কারণ হলো শেখ হাসিনা ভাবতেন একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সেনাবাহিনী তার জন্য নিরাপদ।’

শেখ হাসিনা নিজের আত্মীয় মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিককে তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সচেষ্ট হন উল্লেখ করে ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, ‘তারিক সিদ্দিক অচিরেই প্রধানমন্ত্রী ও বাহিনী প্রধানদের মধ্যে সুপার চিফ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি ডিজিএফআই, এনএসআই, র‌্যাব, এনটিএমসি, আনসার, বিজিবি ইত্যাদি সংস্থাকে তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।’ র‌্যাবের বিষয়ে জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘যখন বেনজীর আহমেদ র‌্যাবের ডিজি হয়ে আসেন এবং জিয়াউল আহসান এডিজি হন তখন র‌্যাবের পরিস্থিতি আরও বদলে যায়। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার ডাইরেক্টর মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জগলুল আহসান ও কমান্ডিং অফিসার আর্মি সিকিউরিটি ইউনিট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফজল (যিনি বর্তমানে নির্বাচন কমিশার হিসেবে আছেন) কে জিয়াউল আহসানের সঙ্গে কথা বলতে বলি। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জগলুল আহসান এসে আমাকে জানান তিনি কথা বলেছেন কিন্তু কোনো ভালো প্রতিশ্রুতি তার কাছ থেকে পাননি। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফজল এসে আমাকে জানান কথা বলে কোনো লাভ হয়নি, ওর মাথা ইট ও পাথরের টুকরো দিয়ে ঠাসা।’

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘পরবর্তীতে জিয়াউল আহসান, মেজর জেনারেল সিদ্দিক ও তার কোর্সমেট এএমএসপিএম কর্নেল মাহবুবের (বর্তমানে মেজর জেনারেল) ছত্রছায়ায় আমার আদেশ অমান্য করতে শুরু করে। দুজন অফিসারকে বিভিন্ন নেতিবাচক রিপোর্টের কারণে শাস্তি দেওয়ার জন্য র‌্যাব থেকে সেনাবাহিনীতে ফেরত আনার জন্য পোস্টিং আদেশ জারি করার পরও সে তাদের ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করে। আমি জিয়াউল আহসানকে সেনানিবাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করি।’ তিনি বলেন, ‘আদেশ কার্যকরী করার জন্য লজিস্টিক এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মিজানকে দায়িত্ব দেই। পরবর্তীতে তিনি বিষয়টি মেজর জেনারেল তারিক সিদ্দিককে না জানানোর জন্য তার বিরাগভাজন হন। অচিরেই আমি এমএসপিএম মেজর জেনারেল মিয়া জয়নুল আবেদিনের কাছ থেকে ফোন পাই। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন জিয়াউল আহসানের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তা তুলে নেওয়ার জন্য। আমি না বলেছি। আমাকে তখন মেজর জেনারেল মিয়া জয়নুল আবেদিন জিজ্ঞাসা করেন কোন চাকরিতে অফিসারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা কি বিশেষ পদক্ষেপ? আমি বলি হ্যাঁ এটি বিশেষ পদক্ষেপ এবং তুমি যদি সেনাপ্রধানের আদেশ অমান্য কর তাহলে তোমারও একই অবস্থা হবে। দুই দিন পর সংঘাত এড়ানোর জন্য আমি নিজে থেকেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেই।’

এই বিভাগের আরও খবর
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
সর্বশেষ খবর
মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা দৈনিক পাবেন ৫ লিটার তেল
মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা দৈনিক পাবেন ৫ লিটার তেল

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা
গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা

১৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীসহ ওয়াসার সাবেক এমডি আব্দুস সালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
স্ত্রীসহ ওয়াসার সাবেক এমডি আব্দুস সালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

এফএ কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি–লিভারপুল
এফএ কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি–লিভারপুল

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অনিশ্চয়তায় শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ
অনিশ্চয়তায় শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহজালালে ৩৬১ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ৩৬১ ফ্লাইট বাতিল

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, টিঅ্যান্ডটি মাঠে জনতার ঢল
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, টিঅ্যান্ডটি মাঠে জনতার ঢল

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

এনএসইউ সোশ্যাল সার্ভিস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ
এনএসইউ সোশ্যাল সার্ভিস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্রকে হত্যা, গ্রেফতার ২
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্রকে হত্যা, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনপুরায় অসহায় মরিয়মের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
মনপুরায় অসহায় মরিয়মের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ইফতারে শসার স্বাস্থ্যকর সালাদ
ইফতারে শসার স্বাস্থ্যকর সালাদ

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

লাস ভেগাসে ‘মেটালিকা’ ব্যান্ডের ২৪ কনসার্ট
লাস ভেগাসে ‘মেটালিকা’ ব্যান্ডের ২৪ কনসার্ট

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কিউবা দখলের ব্যাপারে যা জানালেন ট্রাম্প
কিউবা দখলের ব্যাপারে যা জানালেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, বাংলাদেশের সামনে কী ঝুঁকি?
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, বাংলাদেশের সামনে কী ঝুঁকি?

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পর্তুগালের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পর্তুগালের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড
আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিয়াল মাদ্রিদের চোটের তালিকায় নতুন নাম কাররেয়াস
রিয়াল মাদ্রিদের চোটের তালিকায় নতুন নাম কাররেয়াস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিলেটে পেট্রোল পাম্পে হামলার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক
সিলেটে পেট্রোল পাম্পে হামলার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হারানো লাগেজ খুঁজে পেতে নতুন ফিচার আনল গুগল
হারানো লাগেজ খুঁজে পেতে নতুন ফিচার আনল গুগল

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মঞ্চ নাটক তৈরির পরিকল্পনায় টারান্টিনো
মঞ্চ নাটক তৈরির পরিকল্পনায় টারান্টিনো

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রডের দাম হঠাৎ বাড়ল কার স্বার্থে
রডের দাম হঠাৎ বাড়ল কার স্বার্থে

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রক্ষণে বাড়তি মনোযোগ ফ্লিকের
রক্ষণে বাড়তি মনোযোগ ফ্লিকের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে ছিনতাই হওয়া পুলিশের পিস্তল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩
নারায়ণগঞ্জে ছিনতাই হওয়া পুলিশের পিস্তল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার
গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল
হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)
যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের
সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা
বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে
পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

পেছনের পৃষ্ঠা