শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:৪৬, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?

১২ ফেব্রুয়ারি বহুলপ্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত নির্বাচন হবে এই ভোটের লড়াই। এ নির্বাচনে কে জিতবে, জয়পরাজয়ের হিসাবনিকাশ চলছে সর্বত্র। আগামী পাঁচ বছরের জন্য জনগণ কাকে দেবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব? এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ভোট গণনার পর। কিন্তু আমরা সাধারণ নাগরিকরা উৎকণ্ঠিত অন্য কারণে। নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব রাজনৈতিক দল? ফলাফল যদি পরাজিত দল মেনে না নেয়, তাহলে কি আবারও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হবে? আবারও কি সহিংসতা শুরু হবে নতুন করে? এ ধরনের আতঙ্কের কারণ আছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোনো নির্বাচনের ফলাফল পরাজিত পক্ষ মেনে নেয়নি। ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১২টি সংসদ নির্বাচনের কোনোটিই সব রাজনৈতিক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। তিনটি সংসদ নির্বাচনকে মনে করা হয় মোটামুটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। এগুলো হলো ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১-এর নির্বাচন। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ তিনটিকে ভালো নির্বাচন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এ তিনটি নির্বাচনের ফলাফল নিয়েও পরাজিত দল প্রশ্ন তুলেছিল। ’৯১-এর নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সূক্ষ্ম কারচুপির অভিযোগ তোলে। ’৯৬-এর নির্বাচনে পরাজিত হয়ে বিএনপি অভিযোগ করে, নির্বাচনে কারচুরি হয়েছে। ২০০১-এর নির্বাচনের পর পরাজিত আওয়ামী লীগ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ করে। এবার নির্বাচনের পর কী হবে? এবারের নির্বাচনি প্রচার ছিল উত্তেজনাপূর্ণ, আক্রমণাত্মক। নির্বাচনে প্রধান দুই দলই কারচুপির শঙ্কা প্রকাশ করেছে। বিএনপি এবং জামায়াত উভয় দলই ভোট কেন্দ্র পাহারা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জনগণকে। দুই দলই সতর্ক করে দিয়েছে যে নির্বাচনে কারচুপি হলে বরদাশত করা হবে না। তাই নির্বাচনের ফলাফল পক্ষে না গেলে পরাজিত দলের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এ রকম পরিস্থিতি কল্পনাও করা যায় না। উত্তপ্ত ও উত্তেজনাপূর্ণ নির্বাচনি প্রচার শেষে ফলাফল ঘোষণা হলে সব পক্ষ তা মেনে নেয়। এক পক্ষ অন্য পক্ষকে অভিনন্দন জানায়। নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন পরাজিত দলের নেতারা। কিন্তু বাংলাদেশে সেই সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। তাই নির্বাচনের পর শুরু হয় নতুন করে বিতর্ক এবং অস্থিরতা। পরাজিত দল নিত্যনতুন ইস্যু তৈরি করে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত করে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের অর্থনীতি। সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। এবারের নির্বাচনের পর আমরা তেমন কিছু চাই না। আমরা চাই নির্বাচনের পর পরাজিত দল বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানাবে। পরাজিত দলের কাছে ফুল নিয়ে যাবেন বিজয়ী দলের নেতা। নতুন বাংলাদেশে এ সংস্কৃতির চর্চা শুরু হোক, এটাই সবার প্রত্যাশা।

আর এ সংস্কৃতি তখনই শুরু করা সম্ভব হবে যখন নির্বাচন কমিশন একটি দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারবে। এজন্য নির্বাচন কমিশনকে পক্ষপাতহীনভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনকে বিপুল ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করতে কমিশনকে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। অতীতের নির্বাচনকেন্দ্রিক বিতর্কগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কমিশনের অদক্ষতা, পক্ষপাতিত্ব এবং মাঠপর্যায়ে অতি উৎসাহী নির্বাচন কর্মকর্তাদের কারণে নির্বাচন বিতর্কিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বিশেষ একটি দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেছে। বিশেষ দলকে জেতানোর জন্য মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি ইঙ্গিত দেওয়ারও নজির আছে অতীতে। এসব বিষয়ে এবার কমিশনকে সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ, এটা কাজে প্রমাণ করতে হবে। সাধারণত পাঁচটি কারণে নির্বাচন বিতর্কিত হয়। প্রথমত নির্বাচনের দিন সহিংসতা। জোরপূর্বক কেন্দ্র দখল, সাধারণ ভোটারদের ভোট প্রদানে বাধা দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন। দ্বিতীয়ত জাল ভোট প্রদান ও কারচুপি। তৃতীয়ত প্রিসাইডিং অফিসারসহ অন্য কর্মকর্তাদের কোনো বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে প্রভাবিত হয়ে কাজ করা। চতুর্থত ভোটের ফলাফল গণনায় কারচুপি এবং ভোট গণনায় বিলম্ব। এবং নির্বাচনের পর ব্যালট বাক্স ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারা। নির্বাচন কমিশন যদি দৃঢ় অবস্থান নেয় তাহলে এ ধরনের পরিস্থিতি সহজেই এড়ানো সম্ভব। এবার নির্বাচন কমিশন বারবার বলেছে তারা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে নির্বাচন পরিচালনা করবে। এ দেশের মানুষ এটা দেখতে চায়। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থাকলেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। আর নির্বাচন যদি জনগণের কাছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুষ্ঠু হিসেবে স্বীকৃত হয়, তাহলে পরাজিত দলের কারচুপির অভিযোগ ধোপে টিকবে না। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তারা আন্দোলন করতে চাইলেও জনগণ তাতে সাড়া দেবে না। এ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোরও দায়িত্ব আছে। হারলেই কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করার পুরোনো সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে তাদের। দলগুলো নির্বাচনের বিষয়ে অত্যন্ত উৎসাহী হলেও পরাজয় মেনে নিতে ভীষণ অনিচ্ছুক। পরাজিতদের দুটি শ্রেণি-প্রার্থীর পরাজয় এবং সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আসন না পেয়ে দলীয় পরাজয়। সাধারণত দল সরকার গঠন করতে না পারলেই পুরো নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়াকে অস্থিতিশীল করে তোলা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেও সব নির্বাচনে এমনটা দেখা গেছে। জিতলে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু আর হারলে কারচুপি-এ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এ নির্বাচন যেন গণতন্ত্রের অভিযাত্রার নবসূচনা করে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে, দেশের অবস্থা ভালো নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে মানুষ চরম উদ্বিগ্ন। মবসন্ত্রাস, চাঁদাবাজির কারণে মানুষ রীতিমতো আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। গত ১৮ মাসে বেকারত্ব বেড়েছে, হাজার হাজার কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন বিনিয়োগ নেই। ব্যবসায়ী, শিল্পোদ্যোক্তারা অপেক্ষা করছেন। তাঁদের আশা নির্বাচনের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। কিন্তু নির্বাচনের পর যদি পরাজিত পক্ষ নতুন করে আন্দোলন শুরু করে, তাহলে দেশের মানুষের কষ্ট আরও বাড়বে। অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে। বাংলাদেশে জরুরি ভিত্তিতে স্থিতিশীলতা, মবতন্ত্রের অবসান, প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা আশা করি নির্বাচনের ফলাফলের পর সবাই জনগণের রায় মেনে নেবেন। বিজয়ী দল এবং বিরোধী দল সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করবে। মনে রাখতে হবে, গণতন্ত্রে সরকারি দলের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হলো বিরোধী দল। একটি কার্যকর এবং শক্তিশালী বিরোধী দল যেমন সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখে, তেমন সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে। উন্নত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছায়া সরকার গঠন করে। যার মাধ্যমে সরকারের সমস্ত কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করা হয়। সরকারের ভুলত্রুটির সমালোচনা করা ছায়া সরকারের কাজ। এর ফলে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়। মানুষ সরকারের কাজকর্ম মূল্যায়ন করার সুযোগ পায়। শক্তিশালী বিরোধী দল থাকলে গণমাধ্যমও স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে। সরকারের যৌক্তিক সমালোচনা করতে পারবে। গোটা দেশে একটি মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হবে। তাই এ নির্বাচনে যারা বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, তাদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শক্তিশালী বিরোধী দল সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। এর ফলে দেশ এগিয়ে যাবে। তাই সরকার গঠন না করতে পারলেই সবশেষ, এমনটি ভাবার কারণ নেই। সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেই মানি না, মানব না বলার প্রয়োজন নেই। দরকার নেই নির্বাচন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করার। বরং সত্যিকারের একটি শক্তিশালী বিরোধী দল চায় জনগণ। যারা সরকার গঠন করবে আর যারা বিরোধী দল হবে তারা সবাই জয়ী। আসল বিজয়ী জনগণ।

এ দেশের মানুষ আর প্রতিহিংসা চায় না, আর হানাহানি চায় না। আতঙ্ক আর ঘৃণার রাজনীতির অবসান হোক এ নির্বাচনের মাধ্যমে। আমাদের মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তার প্রকাশ হতে হবে শালীনতার মধ্যে। আমরা ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হব। সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। ১২ ফেব্রুয়ারিতে হোক নতুন বাংলাদেশের শুরু।

 

এই বিভাগের আরও খবর
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
স্থলবাহিনী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!
স্থলবাহিনী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!
সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলন : জামায়াত
সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলন : জামায়াত
সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে আইএমএফ
সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে আইএমএফ
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
সাংবাদিকরা সত্য থেকে সরলে দুর্বল হয় রাষ্ট্র
সাংবাদিকরা সত্য থেকে সরলে দুর্বল হয় রাষ্ট্র
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাকাতের ভূমিকা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাকাতের ভূমিকা
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
পিলখানা দিয়েই খুনের রাজনীতি শুরু
পিলখানা দিয়েই খুনের রাজনীতি শুরু
সর্বশেষ খবর
শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়
শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি
ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮
হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা
হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা
৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত
কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল

৩৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা
লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

৪২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত

৪৯ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক
বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে
ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক
ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০
ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার
অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা
আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়
নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন-সৌদি আরবে ফর্মুলা ওয়ান বাতিল
ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন-সৌদি আরবে ফর্মুলা ওয়ান বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির
রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা