শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৬, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জাতির উদ্দেশে ভাষণে ডা. শফিকুর রহমান

তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা তরুণদের হাত ধরতে চাই। এই তরুণরা প্রযুক্তি বোঝে এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে জানে। তারাই পারবে নতুন বাংলাদেশ গড়তে। তাদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই। বাংলাদেশ টেলিভিশনে গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে সঙ্গী হতে চাই। প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। দেশটা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকুক, মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই। এমন বাংলাদেশ যেখানে কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না। এমন বাংলাদেশ যেখানে রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের।

গণভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণ চায় নিরাপত্তা, সুশাসন, ইনসাফ। বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার আর মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই। রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এই বাস্তবায়ন সম্ভব হবে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে। সংস্কার প্রক্রিয়া পূর্ণতা পাবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এমন দেশ চাই যেখানে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর হিম্মত সবার থাকে না। এই হিম্মত আবরার ফাহাদ, আবু সাইদ, মুগ্ধ, ওসমান হাদি ও তাদের সহযোদ্ধারা দেখিয়েছে। এই দেশ সময়ের সাহসী সন্তানদের হাতে তুলে দিতে চাই। তারাই এ দেশের ভবিষ্যৎ রচনা করবে।

জামায়াত আমির বলেন, আমাদের শাসক শ্রেণি সরকারি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজেদের দেশের মালিক দাবি করেছে। ফলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ, পদ-পদবি-নীতি-প্রতিষ্ঠান, সবকিছু ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসাবে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করেছে। ফলে চুরি, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রতারিত করে জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে। উন্নয়ন প্রকল্প ব্যক্তিগত ও দলীয় লুণ্ঠনের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ব্যবস্থার অবসান ঘটানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। অতীতে জামায়াতে ইসলামীর থেকে যারা জনপ্রতিনিধি হিসাবে সংসদ, সরকার ও স্থানীয় সরকারে দায়িত্ব পালন করেছে তারা কেউই দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়নি। তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। আপনারা দেশের মানুষ আপনারাই তার সাক্ষী। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে সমাজ নারীর মর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ কখনো সমৃদ্ধ হতে পারে না। আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরের ভিতরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন সগৌরবে। করপোরেট জগৎ থেকে রাজনীতি- সবখানে তাঁদের মেধার মূল্যায়ন হবে কোনো বৈষম্য ছাড়াই। আমরা এমন এক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যেখানে কোনো মা বা বোনকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না। আপনাদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হোন। একটি উন্নত ও আধুনিক দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আমাদের নির্বাচিত করুন।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি সমাজে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে মর্যাদা দিতে হবে এবং সবার মানবাধিকার সুরক্ষা দিতে হবে। সব পরিচয় নির্বিশেষে আমরা এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি যে একটি মানবিক-উন্নত দেশ গড়ার জন্য দলমতনির্বিশেষে সবার মান-ইজ্জত-অধিকারের সুরক্ষা দেব। এই দেশ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার। কেউ ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বাস করবে না। যদি কেউ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আঘাত করার চেষ্টা করে, আমরা অতীতের মতো ভবিষ্যতেও তা প্রতিরোধ করব। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে দেশকে আগানো সম্ভব নয়। সুতরাং অর্থনীতিতে ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। বিশেষ করে ব্যাংকিং সেক্টরে এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক যেসব খাত রয়েছে সে জায়গাগুলোতে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে আমাদের হাত দিতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
স্থলবাহিনী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!
স্থলবাহিনী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!
সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলন : জামায়াত
সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলন : জামায়াত
সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে আইএমএফ
সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে আইএমএফ
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
সাংবাদিকরা সত্য থেকে সরলে দুর্বল হয় রাষ্ট্র
সাংবাদিকরা সত্য থেকে সরলে দুর্বল হয় রাষ্ট্র
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাকাতের ভূমিকা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাকাতের ভূমিকা
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
পিলখানা দিয়েই খুনের রাজনীতি শুরু
পিলখানা দিয়েই খুনের রাজনীতি শুরু
সর্বশেষ খবর
ডিজিটাল শিক্ষক বদলি ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার
ডিজিটাল শিক্ষক বদলি ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার

১ মিনিট আগে | জাতীয়

বান্দরবানে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বান্দরবানে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অসহায়দের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
ঈদ আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অসহায়দের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৯২৯ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৯২৯ মামলা

৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটে’ যোগ দিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটে’ যোগ দিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?
ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর
ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

ঝিনাইদহে কৃষক দল নেতা হত্যার বিচার দাবি
ঝিনাইদহে কৃষক দল নেতা হত্যার বিচার দাবি

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলাপাড়ায় ১৪ হাজার জাল টাকাসহ যুবক গ্রেফতার
কলাপাড়ায় ১৪ হাজার জাল টাকাসহ যুবক গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ৫০০ ফ্লাইট

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়
শেরপুরের তেরাবাজারে জমজমাট ঈদ বাজার, স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড়

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি
ইরানকে ‘শাহেদ’ ড্রোন সরবরাহ করছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮
হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১০৮

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা
হরিরামপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

৩৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা
৫৩ কেজি গাঁজা ও ৭৬ বোতল এস্কাফ রেখে পালাল কারবারিরা

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
মাদারীপুরে সাথী হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত
কোটচাঁদপুরে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে তিন পরিবর্তন

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা
লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক
বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির
রাশিয়াই ইরানকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, দাবি জেলেনস্কির

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনাদেরই রক্ষা করতে পারছে না'
যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনাদেরই রক্ষা করতে পারছে না'

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা