শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:৪৩, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ইএএসডির জনমত জরিপ

বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোট প্রায় ২০৮টি আসনে জয়লাভ করতে পারে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা ৪৬টি। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ৩টি, অন্যান্য দল ৪টি, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হাড্ডাহাড্ডি (ক্লোজড কনটেস্ট) হতে পারে। অন্যদিকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে সমর্থন করেছেন সর্বাধিক ৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা। শফিকুর রহমানের পক্ষে মত দিয়েছেন ১৪ শতাংশ এবং নাহিদ ইসলামের পক্ষে মত দিয়েছেন ২ শতাংশ উত্তরদাতা। এ ছাড়া ১৬ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে মত প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক বলে জানিয়েছেন।

গতকাল রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত এক ফলোআপ জনমত জরিপে এসব তথ্য জানানো হয়। এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ইএএসডি)-এর উদ্যোগে সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসন থেকে মোট ৪১ হাজার ৫০০ জনের মতামত নিয়ে জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির উপদেষ্টা ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর। জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন ইএএসডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. শামীম হায়দার তালুকদার। এ ছাড়া প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য দেন, গণতন্ত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য মীর নাদিয়া নিভিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর শামসুল আলম সেলিম, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের সহযোগী অধ্যাপক তৌফিক জোয়ার্দার, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সোহাগ আওয়াল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ প্রফেসর ড. নাহরীন আই খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ। জনমত জরিপের পদ্ধতি ও ফলাফলে জানানো হয়, আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি সুস্পষ্ট প্রতিফলন ফুটে উঠেছে এই জনমত জরিপে। জরিপটি দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনেই প্রাইমারি স্যাম্পলিং ইউনিট পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালিত হয়েছে। মোট ৪১,৫০০ জন উত্তরদাতার তথ্য ‘কোবো টুলবক্স’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। ১৮ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৫০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারী মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন।

এতে বলা হয়, রাজনৈতিক পছন্দের ক্ষেত্রে জরিপের সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের অধিকাংশ ভোটারের পছন্দ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সর্বোচ্চ ৬৬.৩ ভাগ ভোটার বিএনপিকে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এর বিপরীতে ১১.৯ ভাগ সমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ১.৭ ভাগ ও অন্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির জনসমর্থন ৪ ভাগ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২.৬ ভাগ। লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নারী ভোটারদের মধ্যে বিএনপির জনপ্রিয়তা বেশি, যেখানে ৭১.১ ভাগ নারী ভোটার বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছেন। আঞ্চলিক বিশ্লেষণে বিএনপি জোটের প্রতি সর্বোচ্চ সমর্থন পাওয়া গেছে যথাক্রমে চট্টগ্রামে ৭৬.৮ ভাগ এবং সিলেটে ৭৫.৬ ভাগ। তবে বরিশাল ও খুলনায় জামায়াতে ইসলামী জোটের শক্তিশালী অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে দলটির সমর্থন যথাক্রমে ১৭.৮ ভাগ এবং ১৮.৬ ভাগ। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের রংপুরে জাতীয় পার্টি ৩ ভাগ ভোটারের সমর্থন পেয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা বর্তমানে অত্যন্ত সুদৃঢ়। জরিপে অংশগ্রহণকারী সর্বোচ্চ ৬৬.৪ ভাগ মানুষ বিশ্বাস করেন যে আসন্ন নির্বাচনের পর বিএনপি জোট সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে এবং ৬৬.৩ ভাগ ভোটার তাদের নিজ নিজ আসনে বিএনপি প্রার্থীর জয়ের ব্যাপারে মতামত ব্যক্ত করেছেন। সামগ্রিকভাবে এই জরিপটি দেশের সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং একটি বৃহৎ পরিবর্তনের জন্য বিএনপির প্রতি প্রত্যাশাকেই জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। জরিপের তথ্য দিয়ে জানানো হয়, আগে নির্বাচনে আওয়ামী লীগে ভোট দেওয়া ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখন পরিবর্তনের পক্ষে মত দিচ্ছেন। এদের মধ্যে ৮০ ভাগ আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাবেক ভোটারদের ১৫ ভাগ জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং বাকি ৫ ভাগ অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানের প্যানেল বক্তারা এই জনমতকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। তারা বলেন, জনমতে নারী ও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক দিক। জনগণ স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করছে, যেখানে নীতিনির্ধারণে জনস্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। এই জনমত ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং সামাজিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার প্রতি জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশারই বহিঃপ্রকাশ।

এই বিভাগের আরও খবর
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
স্থলবাহিনী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!
স্থলবাহিনী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!
সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলন : জামায়াত
সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলন : জামায়াত
সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে আইএমএফ
সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে আইএমএফ
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
সাংবাদিকরা সত্য থেকে সরলে দুর্বল হয় রাষ্ট্র
সাংবাদিকরা সত্য থেকে সরলে দুর্বল হয় রাষ্ট্র
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাকাতের ভূমিকা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাকাতের ভূমিকা
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
পিলখানা দিয়েই খুনের রাজনীতি শুরু
পিলখানা দিয়েই খুনের রাজনীতি শুরু
সর্বশেষ খবর
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত
রাজবাড়ীতে আলুবোঝাই ট্রাকচাপায় চালকের সহকারী নিহত

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল
রাজশাহীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ইফতার মাহফিল

১০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা
লোকালয়ে মদের ভাটি, অবাধ বিক্রিতে কিশোর-তরুণদের আসক্তির শঙ্কা

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

১৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টিপাত

২৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক
বিশ্বকাপের প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো যাচ্ছে ইরাক

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
বিশ্বনাথে হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে
ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক
ভাঙ্গায় প্রথম জিরা চাষ, ফলনে খুশি কৃষক

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০
ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার
অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছাড়ছেন আরও তিন ইরানি নারী ফুটবলার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা
আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবসে নৌকায় আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়
নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাপড়ের বাজারে হুমড়ি খাওয়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন-সৌদি আরবে ফর্মুলা ওয়ান বাতিল
ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন-সৌদি আরবে ফর্মুলা ওয়ান বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী
নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

যুদ্ধ নিয়ে ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ালে লাইসেন্স বাতিল: মার্কিন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা
যুদ্ধ নিয়ে ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ালে লাইসেন্স বাতিল: মার্কিন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কেন চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যকে পাশে চান ট্রাম্প?
হরমুজ প্রণালিতে কেন চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যকে পাশে চান ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাংবিধানিকভাবে অধিবেশনে অংশগ্রহণ, সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব তো নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাংবিধানিকভাবে অধিবেশনে অংশগ্রহণ, সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব তো নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

‘ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি ঠেকাতে থাকছে মোবাইল কোর্ট’
‘ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি ঠেকাতে থাকছে মোবাইল কোর্ট’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনির আখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
শনির আখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, কোথায় আঘাত হানতে পারে
৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, কোথায় আঘাত হানতে পারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন
ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার
একযোগে ১০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন
এবার সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালেন পুতিন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল চীন ও যুক্তরাজ্য

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্থাপনার আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যাওয়ার আহ্বান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ
ইরান যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিল এক দম্পতির বিয়ের আনন্দ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’
‘আমি ডাকলে ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আইপিএল ছেড়ে চলে যাবে’

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ইসরায়েলের দিকে একযোগে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি
আমিরাতের তিন বিমানবন্দর খালি করতে ইরানের সতর্কতা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আমিরাতকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির
জরুরি পরিস্থিতি, নতুন সতর্কবার্তা সৌদির

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইউক্রেনেও হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক
মির্জা আব্বাসের অবস্থা নিয়ে যা জানালেন চিকিৎসক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি
ডলার নয়, চাইনিজ ইউয়ানে লেনদেন করলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি
যশোরে এক মসজিদেই ইতিকাফে বসেছেন ৯ দেশের ১৬০০ মুসল্লি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান
ক্ষতিপূরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে, তবেই যুদ্ধ থামবে; জানাল ইরান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি
আটকে গেল সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে না

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?
হরমুজ ফাঁদে ফেঁসে 'হতাশ' ট্রাম্প?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা
ইরাকে দুই মার্কিন ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় আটবার হামলা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা
বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?
১৪তম দিন শেষে যুদ্ধে এগিয়ে ইরান?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
আমিরাতে থাকা মার্কিন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুর হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস
জৈবিক ভাইরাস বনাম ডিজিটাল ভাইরাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা
আজ আবার অধিবেশন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু
বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সেই ১৮ মাস
আমাদের সেই ১৮ মাস

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত
সংকটের মুখে আমদানি-রপ্তানি খাত

পেছনের পৃষ্ঠা

দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী
দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আত্মঘাতী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা
তেল নিতে এখনো দীর্ঘ অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে
যে আগুন রাস্তায় জ্বলে উঠেছিল তার উত্তরাধিকার এখন রাষ্ট্রে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর
কেমন ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে ছিল না শিক্ষা খাত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভারসাম্য অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে
সংবাদপত্র ঢেউয়ের পক্ষে দাঁড়াবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?
কারা হচ্ছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সুতোয় বাঁধা
এক সুতোয় বাঁধা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি
নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস করিনি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়
কৃষির শক্ত ভিত ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব নয়

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা
আজ শেষ হচ্ছে বইমেলা

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু
চলে গেলেন ট্র্যাক কাঁপানো শামীমা সাত্তার মিমু

মাঠে ময়দানে

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু

প্রথম পৃষ্ঠা

গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক
আরও পাঁচ সিটিতে প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রবাসী আয় ও বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য
কূটনীতিতে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন-১

শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে
শিক্ষার্থী ধর্ষণ, শ্রমিক কারাগারে

দেশগ্রাম

‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’
‘তৌফিক ইলাহীর নেতৃত্বেই সংগঠিত হয়েছিল প্রতিরোধ’

পেছনের পৃষ্ঠা

রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু
রহস্যময় পুকুর দিয়ে শুরু

সম্পাদকীয়

হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার
হাদি হত্যা মামলায় ফিলিপ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন
এক বছরে এক বিসিএস : তারুণ্যের স্বপ্ন বাস্তবায়ন

সম্পাদকীয়

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রতিশ্রুতি

প্রথম পৃষ্ঠা