দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে এবার ঢাকা-১১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে হাই কোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। নাহিদ ইসলাম এনসিপির আহ্বায়ক। গত রবিবার হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শামীম আহমেদ। আজ বিচারপতি ফাতেমা নজিব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের দ্বৈত বেঞ্চে রিট আবেদনটিতে শুনানি হতে পারে বলে জানান আইনজীবী মোহাম্মদ মজনু মোল্লা।
পরে আইনজীবী মজনু মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, ‘এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে কমনওয়েলথ অব ডমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। তাঁর পাসপোর্টে ডমিনিকার নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু নির্বাচনি হলফনামায় তিনি এ তথ্য গোপন করেছেন। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২(গ) অনুচ্ছেদ অনুসারে বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী কেউ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।’ সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২(গ) অনুচ্ছেদ অনুসারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা এবং তাঁকে বরাদ্দ দেওয়া ‘শাপলা কলি’ প্রতীক কেন বাতিল করা হবে না, জানতে রুল চাওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শুনানির পর আদালত এই রুল জারি করলে, রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা স্থগিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনি হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাই কোর্টে রিট করেন নাহিদ ইসলাম। পরদিন প্রাথমিক শুনানির পর রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন হাই কোর্ট। পরে তিনি হাই কোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) আবেদন করেন। লিভ টু আপিলটি আজ মঙ্গলবার শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যতালিকায় রয়েছে।