শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০২:১১, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভোটের উৎসব চাই শান্তির দেশ চাই

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
ভোটের উৎসব চাই শান্তির দেশ চাই

আগামীকাল ভোটের দিন। ভোট গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। ভোটের মাধ্যমেই একটা দেশের নাগরিকরা জানিয়ে দেন যে তারাই প্রজাতন্ত্রের মালিক। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় আয়োজন হোক উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ এবং আনন্দময়। কাল দিনভর আমরা কোনো সহিংসতার খবর শুনতে চাই না। ভোট কেন্দ্র দখল, কারচুপির অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ চাই না। এ দেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে চায়। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাহীন জীবন চায়। নির্ভয়ে তাদের মতপ্রকাশের অধিকার চায়। অবাধে চলাফেরা করতে চায়। এই নির্বাচন যেন হয় সেই স্বপ্নযাত্রার সূচনা।

বাংলাদেশের মানুষ বড়ই দুর্ভাগা। এ দেশের মানুষ কঠিন পরিশ্রম করে সোনালি স্বপ্ন বুকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে চায়, কিন্তু রাজনৈতিক বিভেদ আর হানাহানির কারণে সেই স্বপ্ন ধূসর হয়ে যায়। বেদনায় নীল      হয় সবুজ জমিন। স্বাধীনতার ৫৫ বছরে রাজনীতির নামে এদেশকে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিহিংসার আগুনে পুড়েছে নিরীহ মানুষ। বাংলাদেশ পৌঁছতে পারেনি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। বিভাজন আর ঘৃণার রাজনীতি আমাদের উন্নয়নকে করেছে বাধাগ্রস্ত। রাজনৈতিক বিভাজন পিছিয়ে দিয়েছে শিক্ষা, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং সমাজকে। এই নির্বাচন সব বিভাজনের অবসান ঘটাক। শুরু হোক নতুন বাংলাদেশের পথচলা।

নানা কারণে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ঐতিহাসিক পট পরিবর্তনের ১৮ মাস পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের নির্বাচন। এই নির্বাচন তাই কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি নয়, নতুন পথের সূচনা। যে পথের জন্য ২৪ এর জুলাইয়ে রাস্তায় নেমেছিল হাজারো মানুষ। ছাত্র-জনতার এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। দুর্নীতি মুক্ত দেশ। এমন একটি দেশ যেখানে সব মানুষের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ১৮ মাসে আমরা সেই আকাঙ্ক্ষার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারিনি। বরং নতুন অস্থিরতা আমাদের নিয়ে গেছে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। একজন কৃষক আশা করেছিল ২৪ এর আগস্টের পর নতুন বাংলাদেশে তিনি ফসলের ন্যায্য মূল্য পাবেন। সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি থাকতে হবে না তাকে।

একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আশায় বুক বেঁধেছিলেন যে, তার সামান্য লাভের টাকায় চাঁদাবাজদের থাবা বন্ধ হবে। একজন মাঝারি ব্যবসায়ী আশা করেছিলেন সরকারি অফিসে কাজের জন্য তাকে আর ঘুষ দিতে হবে না।

লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন যে শিল্প উদ্যোক্তা, তিনি ভেবেছিলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ হবে। ব্যবসা করার জন্য সরকারের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না। বন্ধ হবে পদে পদে বাধা আর হয়রানি। সহজেই গ্যাস বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে, ব্যাংকগুলো হবে বিনিয়োগবান্ধব। রাজনৈতিক কারণে হয়রানি বন্ধ হবে, বৈষম্যহীন বাংলাদেশে। একজন শিক্ষার্থী স্বপ্ন দেখেছিলেন, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, মাস্তানি বন্ধ হবে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হবে। বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হবে। একজন বেকার যুবক ভেবেছিলেন তার দুঃখের দিন শেষ হবে। স্বৈরাচার মুক্ত দেশ তার চাকরির ব্যবস্থা করবে। ঘুষ কিংবা তদবির ছাড়াই মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পাবেন। একজন নারী আশা করেছিলেন, নতুন দেশে বন্ধ হবে নারীর প্রতি সহিংসতা। রাস্তাঘাটে নারীরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন। সমাজ মাধ্যমে নোংরা ভাষায় নারীদের অবমাননা বন্ধ হবে। একজন সাংবাদিক আশাবাদী হয়েছিল, মন খুলে সত্য প্রকাশ করতে পারবে ভেবে। ২৪ এর আগস্ট আমাদের স্বপ্নের পরিধি অনেক বিস্তৃত করেছিল। আমরা আশা করেছিলাম, রাতে নিরাপদে বাড়িতে ঘুমাতে পারব। বাজারে সাধ্যের মধ্যে থাকবে জিনিসপত্রের দাম। হাসপাতালে গিয়ে সুচিকিৎসা পাব। আমাদের সন্তানরা বেড়ে উঠবে মাদকমুক্ত সমাজে।

এদেশের মানুষের চাওয়া-পাওয়া খুবই কম। আমরা কেউই আশা করিনি যে, সব স্বপ্নের ফুল একসঙ্গে প্রস্ফুটিত হবে। আমাদের আশা ছিল, এসব স্বপ্ন পূরণের পথে যাত্রা শুরু হবে।

কিন্তু কী পেলাম আমরা?

গত ১৮ মাসে বাংলাদেশের বুকজুড়ে আশাহতের হাহাকার। নতুন বাংলাদেশ বিভক্ত হয়েছে, আর এই বিভক্তির প্রকাশ ঘটেছে বীভৎসভাবে। পেশিশক্তির উন্মত্ততার কাছে পরাজিত হয়েছে মানবিক মূল্যবোধ। নতুন বাংলাদেশে বৈষম্য বন্ধ হয়নি, বরং নতুন শোষকের সৃষ্টি হয়েছে। মব বাহিনীর কাছে অসহায় মানুষ বিচার পায়নি। বেকার তরুণ চাকরি পায়নি। নতুন করে বেকার হয়েছে আরও অনেকে। চাকরির জন্য এখনো ঘুষ দিতে হচ্ছে, করতে হচ্ছে তদবির।

চাঁদাবাজির কবল থেকে মুক্ত হয়নি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে বড় শিল্পপতি, কেউই। বরং চাঁদাবাজি বেড়েই চলেছে। ব্যবসায়ীদের দোসর বানিয়ে নির্বিচারে হয়রানি করা হচ্ছে। বহু শিল্পপ্রতিষ্ঠান মব সন্ত্রাসীরা আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করেছে। ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটেছে বহু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে। মামলা-বাণিজ্য করে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। ঘুষ দুর্নীতি বন্ধ হয়নি। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন, ঘুষের রেট বেড়েছে।

নতুন বাংলাদেশে কৃষক তার ফসলের ন্যায্য মূল্য পায়নি। শিক্ষার্থীরা পায়নি শিক্ষার পরিবেশ। শিক্ষাঙ্গনে মারামারি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। শিক্ষকরা ভয় পান শিক্ষার্থীদের। বহু শিক্ষক মবের শিকার হয়েছেন। চরম অপমানিত হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে গেছেন বহু শিক্ষক। নারীদের জন্য নিরাপদ হয়নি এই দেশ। দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীরা লাঞ্ছিত হয়েছেন, মবের শিকার হয়েছেন। নারী নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা এখন ভয়েই কেউ বলে না। স্বাধীন মতপ্রকাশ এখন ঝুঁকিপূর্ণ। গণমাধ্যমে বিরাজ করছে আতঙ্ক। আক্রান্ত হয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, ডেইলি সান, নিউজ টোয়েন্টিফোর, প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম। বহু সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন ভিন্নমতের কারণে।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বহু দেশ এখন বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসা দিচ্ছে না। সর্বত্র মব সন্ত্রাস। কথায় কথায় দাবি আদায়ের নামে রাস্তা বন্ধ করে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তোলা হচ্ছে। অন্তর্র্বর্তী সরকারের অনেক চুক্তি এবং কেনাকাটায় অসচ্ছতার অভিযোগ করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

এরকম একটি দমবন্ধ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য নির্বাচনই একমাত্র পথ। একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব বলে মনে করেন সবাই। তাই এই নির্বাচন অন্য যেকোনো সময়ের নির্বাচনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। তাই এদেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। ক্ষমতা দখলের চেয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত, দেশে একটি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা। উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, আতঙ্ক এবং হতাশা থেকে জনগণকে মুক্ত করা। দেশকে বাঁচানোই হওয়া উচিত এই নির্বাচনের মূল লক্ষ্য।

এ কারণেই জনগণ প্রত্যাশা করে, রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের অভিপ্রায় অনুধাবন করবে। ভোটের দিন কোনো রাজনৈতিক দল যেন জনগণের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা না করে। ভোট কেন্দ্র দখল, জাল ভোট কিংবা অন্য যেকোনো কারচুপি থেকে বিরত থাকে।

ভোটারদের উপস্থিতি এবং উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে হলে প্রার্থীদের সংযত আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণ যাকে খুশি ভোট দিক, এই মানসিকতা থাকতে হবে সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের। আজ যদি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হয়, তাহলেই কেবল শান্তির পথে এগোবে দেশ। জনগণের রায় নিয়ে যারাই ক্ষমতায় আসবে, তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বুঝতে পারবে। নতুন সরকার দেশকে নিয়ে যাবে শান্তি, সহিষ্ণুতা এবং সমৃদ্ধির পথে। আর বিভক্তি নয়, আর প্রতিহিংসা নয়।

এই নির্বাচনের মাধ্যমে শুরু হোক গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়। আমরা ভোটের উৎসব চাই। নির্বাচনের পর শান্তির মাতৃভূমি চাই।

এই বিভাগের আরও খবর
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
সর্বশেষ খবর
রংপুরে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রংপুরে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

তিনদিন ব্যাপী ঈদ উৎসব আয়োজন করবে এনসিপি
তিনদিন ব্যাপী ঈদ উৎসব আয়োজন করবে এনসিপি

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে মাদকের টাকার জন্য বাবাকে নির্যাতন, ছেলের ২ মাসের কারাদণ্ড
শ্রীপুরে মাদকের টাকার জন্য বাবাকে নির্যাতন, ছেলের ২ মাসের কারাদণ্ড

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেমন আছে ইরান?
কেমন আছে ইরান?

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির ইমেজ নষ্ট করতে একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে: চসিক মেয়র
বিএনপির ইমেজ নষ্ট করতে একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে: চসিক মেয়র

৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টঙ্গীতে বিশেষ অভিযানে ৩৫ ছিনতাইকারি ও মাদকসেবি গ্রেপ্তার
টঙ্গীতে বিশেষ অভিযানে ৩৫ ছিনতাইকারি ও মাদকসেবি গ্রেপ্তার

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

বরিশাল নগরীতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নারী নিহত
বরিশাল নগরীতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নারী নিহত

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,১২৩ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,১২৩ মামলা

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল আধুনিকায়নে কঠোর সিদ্ধান্ত
অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল আধুনিকায়নে কঠোর সিদ্ধান্ত

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন, পুড়ে মারা গেল ৪টি ছাগল
গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন, পুড়ে মারা গেল ৪টি ছাগল

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘মাদকের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ, জিরো টলারেন্স’
‘মাদকের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ, জিরো টলারেন্স’

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ৪ কর্মকর্তার রদবদল
পুলিশের ৪ কর্মকর্তার রদবদল

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

পাংশায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
পাংশায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে : সিপিডি
ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে : সিপিডি

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো
যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

খুলেছে বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসের সেই ‘বন্ধ দরজা’
খুলেছে বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসের সেই ‘বন্ধ দরজা’

৩৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষের ১০ দিন পর ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষের ১০ দিন পর ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের মৃত্যু

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রৌমারীতে সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচারের অভিযোগে স্টোরকিপার আটক
রৌমারীতে সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচারের অভিযোগে স্টোরকিপার আটক

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বড় চমক নিয়ে আসছে ‘ওয়েলকাম ফোর’
বড় চমক নিয়ে আসছে ‘ওয়েলকাম ফোর’

৫৩ মিনিট আগে | শোবিজ

৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাবরক্ষক গ্রেফতার
৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাবরক্ষক গ্রেফতার

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের
চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’
‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’

৫৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?
প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প
কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা