শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৮, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দুই চুক্তি নিয়ে নানান প্রশ্ন

জাপানের চুক্তি প্রভাব রাখবে কূটনীতিতে

রুকনুজ্জামান অঞ্জন
প্রিন্ট ভার্সন
জাপানের চুক্তি প্রভাব রাখবে কূটনীতিতে

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে যে ইপিএ (ইকোনমিক কম্প্রিহেনসিভ এগ্রিমেন্ট) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা শুধু অর্থনীতি-বাণিজ্য নয়, রাজনীতি ও কূটনীতিতেও প্রভাব রাখবে। চুক্তির ভূমিকায় বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এ চুক্তি শুধু পক্ষগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে না বরং তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে, যা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অর্থনীতির পাশাপাশি শান্তি ও স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

গতকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে চুক্তিপত্রের কপি প্রকাশ করা হয়েছে। ১ হাজার ২৭২ পৃষ্ঠার এ চুক্তিতে ২২টি অধ্যায় রয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের সঙ্গে ইপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ, যেটিকে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন এবং যুগান্তকারী চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ চুক্তির ফলে জাপান এবং বাংলাদেশ একে অপরের বাজারে পণ্য ও সেবা বাণিজ্যে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে। চুক্তির দিন থেকে বাংলাদেশ ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্যে জাপানের বাজারে এবং জাপান ১ হাজার ৩৩৯টি পণ্যে বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুল্ক সুবিধা ছাড়াও বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় এ চুক্তিতে এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটেও ভূমিকা রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এতে বলা হয়েছে, এ চুক্তি পক্ষগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং প্রবৃদ্ধি অর্জনে মুক্ত, ন্যায্য এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক শৃঙ্খলাকে স্বীকার করে। একই সঙ্গে বাজারবহির্ভূত নীতি ও অনুশীলন এবং এ ধরনের শৃঙ্খলাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে-এমন জোরপূর্বক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিরোধিতা করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই ‘জোরপূর্বক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’ বলতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের চাপিয়ে দেওয়া শুল্কব্যবস্থাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এটিকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

থাকছে না ভর্তুকি সুবিধা : চুক্তির ধারা ২.৬-তে বলা হয়েছে, প্রতিটি পক্ষই অন্য পক্ষের কাছে রপ্তানি করা পণ্যের ওপর তার শুল্ক কমানোর চেষ্টা করবে। ধারা ২.৭-এ বলা হয়েছে, কোনো পক্ষই অন্য পক্ষের জন্য নির্ধারিত পণ্যের ওপর কোনো রপ্তানি ভর্তুকি চালু বা বজায় রাখবে না, যা ভর্তুকি এবং প্রতিপালন চুক্তির সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

দেশীয় শিল্পে গুরুতর ক্ষতি হলে ন্যূনতম শুল্ক : এ চুক্তির ফলে চুক্তিবদ্ধ দেশ দুটির কোনো একটির দেশীয় শিল্প গুরুতর ক্ষতির মুখে পড়লে সুরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে এর সমন্বয় সহজতর করার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম পরিমাণে একটি দ্বিপক্ষীয় সুরক্ষাব্যবস্থা প্রয়োগ করতে পারবে। এ সুরক্ষাব্যবস্থা ৩ বছরের বেশি হবে না। তবে উচ্চঝুঁকি বা অনিবার্য কারণে তা সর্বোচ্চ ৬ বছর প্রয়োগ করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘বাংলাদেশের গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলো আগে থেকে শ্রম খাতের কমপ্লায়েন্স অনুসরণ করে ইউরোপ-আমেরিকায় পণ্য রপ্তানি করছে। ফলে জাপানের ক্ষেত্রে এসব শর্ত আমাদের জন্য কোনো সমস্যা সৃষ্টি করবে না।’

অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং যুদ্ধের সরঞ্জাম পরিবহন সম্পর্কিত তথ্য চাওয়া যাবে না : চুক্তিতে গোপনীয়তার একটি অংশ রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে-এ চুক্তির অধীনে কোনো পক্ষকে এমন কোনো তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য করা যাবে না, যা প্রকাশের বিষয়টি তার অপরিহার্য নিরাপত্তা স্বার্থের পরিপন্থি বলে মনে করে। এ ছাড়া কোনো পক্ষকে তার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বলে মনে করা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে: অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং যুদ্ধের সরঞ্জাম পরিবহন সম্পর্কিত এবং অন্যান্য পণ্য ও উপকরণ পরিবহন সম্পর্কিত, অথবা সামরিক প্রতিষ্ঠান সরবরাহ বা ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পরিচালিত পরিষেবা সরবরাহ সম্পর্কিত; গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক অবকাঠামো, যা সরকারি মালিকানাধীন বা ব্যক্তিগত মালিকানাধীন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জল অবকাঠামোসহ জাতীয় জরুরি অবস্থা বা যুদ্ধ বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অন্যান্য জরুরি অবস্থার সময় নেওয়া; অথবা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য জাতিসংঘ সনদের অধীনে তাদের বাধ্যবাধকতা অনুসরণে কোনো পক্ষকে কোনো পদক্ষেপ নিতে বাধা দেওয়া যাবে না। চুক্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি পক্ষ, তার আইন ও বিধি অনুসাওে, এ চুক্তি অনুসারে অন্য পক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখবে।

এই বিভাগের আরও খবর
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
সর্বশেষ খবর
রংপুরে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রংপুরে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

তিনদিন ব্যাপী ঈদ উৎসব আয়োজন করবে এনসিপি
তিনদিন ব্যাপী ঈদ উৎসব আয়োজন করবে এনসিপি

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে মাদকের টাকার জন্য বাবাকে নির্যাতন, ছেলের ২ মাসের কারাদণ্ড
শ্রীপুরে মাদকের টাকার জন্য বাবাকে নির্যাতন, ছেলের ২ মাসের কারাদণ্ড

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেমন আছে ইরান?
কেমন আছে ইরান?

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির ইমেজ নষ্ট করতে একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে: চসিক মেয়র
বিএনপির ইমেজ নষ্ট করতে একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে: চসিক মেয়র

৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টঙ্গীতে বিশেষ অভিযানে ৩৫ ছিনতাইকারি ও মাদকসেবি গ্রেপ্তার
টঙ্গীতে বিশেষ অভিযানে ৩৫ ছিনতাইকারি ও মাদকসেবি গ্রেপ্তার

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

বরিশাল নগরীতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নারী নিহত
বরিশাল নগরীতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নারী নিহত

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,১২৩ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,১২৩ মামলা

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল আধুনিকায়নে কঠোর সিদ্ধান্ত
অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল আধুনিকায়নে কঠোর সিদ্ধান্ত

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন, পুড়ে মারা গেল ৪টি ছাগল
গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন, পুড়ে মারা গেল ৪টি ছাগল

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘মাদকের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ, জিরো টলারেন্স’
‘মাদকের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ, জিরো টলারেন্স’

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ৪ কর্মকর্তার রদবদল
পুলিশের ৪ কর্মকর্তার রদবদল

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

পাংশায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
পাংশায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে : সিপিডি
ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে : সিপিডি

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো
যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

খুলেছে বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসের সেই ‘বন্ধ দরজা’
খুলেছে বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসের সেই ‘বন্ধ দরজা’

৩৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষের ১০ দিন পর ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষের ১০ দিন পর ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের মৃত্যু

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রৌমারীতে সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচারের অভিযোগে স্টোরকিপার আটক
রৌমারীতে সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচারের অভিযোগে স্টোরকিপার আটক

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বড় চমক নিয়ে আসছে ‘ওয়েলকাম ফোর’
বড় চমক নিয়ে আসছে ‘ওয়েলকাম ফোর’

৫৩ মিনিট আগে | শোবিজ

৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাবরক্ষক গ্রেফতার
৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাবরক্ষক গ্রেফতার

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের
চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’
‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’

৫৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?
প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প
কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা