শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০১:২৩, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় দেশবাসী

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় দেশবাসী

আজকের বাংলাদেশের ভোরটা অন্যরকম। আজকের বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ একটি নতুন দিনের প্রত্যাশায় দিন শুরু করবে। আজকের দিনে মানুষ হতাশার অন্ধকার থেকে নতুন সূর্যোদয়ের অপেক্ষা করবে। আজ এ দেশের প্রতিটি মানুষ নতুন বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করবে। দেশবাসীর প্রত্যাশা, আজকের নির্বাচনে যারাই জয়ী হোক না কেন, তারা মব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ষড়যন্ত্র আর বিভক্তি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে কাজ শুরু করবে প্রথম দিনই।

এ দেশের মানুষ বারবার প্রতারিত হয়েছে। বারবার তাদের আশাহত করা হয়েছে। মানুষ আর আশাভঙ্গের বেদনায় মলিন হতে চায় না। মানুষ আর প্রতারিত হতে চায় না।

আজ নির্বাচনে যে দল বিজয়ী হবে, তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকবে একটাই-তারা বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে সামনের দিকে, সব ক্ষেত্রে।

’২৪-এর জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পরও এ দেশের মানুষ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল। বৈষম্যহীন এক ঐক্যের বাংলাদেশ চেয়েছিল। শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসও আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন, ‘আর বিভক্তি নয়, বাংলাদেশ হবে এক পরিবার।’ তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ হবে বিশ্বের উদাহরণ।’ কিন্তু গত ১৮ মাসে এসব সুন্দর কথার বাস্তবায়ন হয়নি। বরং হিংসার আগুনে দগ্ধ হয়েছে বাংলাদেশ। অদূরদর্শিতা আর ভুল সিদ্ধান্তের কারণে প্রায় সব ক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।

শুরু থেকেই মব সংস্কৃতি এমনভাবে চলেছে এবং তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে একটি শক্তির কাছে সরকার আত্মসমর্পণ করেছে।

বাংলাদেশে গত দেড় বছরের বেশি সময়ে মানবাধিকার সংগঠক ও সংস্থাগুলোর কাছে বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া, কারা ও নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যু আর মব সন্ত্রাস। এ সময়ে বারবার সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা আলোচনায় এসেছে।

এমনকি এবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরে বসতবাড়িতে আগুন, ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে ভালুকায় পিটিয়ে আগুন দিয়ে দীপুচন্দ্রকে হত্যা এবং পরপর কয়েকজন হিন্দু ব্যবসায়ী খুন হওয়ার ঘটনা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করেছে।

দেশের মানুষ প্রত্যাশা করে, আজ নির্বাচনের মাধ্যমে যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাবেন, তারা মব সন্ত্রাস থেকে জাতিকে মুক্ত করবেন। সন্ত্রাসমুক্ত এক বাংলাদেশের যাত্রা হবে আজ।

অন্তর্র্বর্তী সরকারের শুরু থেকেই সারা দেশে ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও সুফি-দরবেশ-বাউলদের মাজার আক্রান্ত হতে শুরু করে। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও ১৮ মাসে বারবার আলোচনায় এসেছে।

এক বছর আগে ২০২৫ সালের শুরুতেই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ২০২৪ সালের ৪ আগস্টের পর থেকে পরবর্তী পাঁচ মাসে দেশের ৪০টি মাজারে (মাজার/সুফি কবরস্থান, দরগা) ৪৪ বার হামলা চালানোর অভিযোগ পেয়েছিল পুলিশ।

এর পরেও সেই পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। উল্টো নভেম্বরে মানিকগঞ্জে বাউলশিল্পী আবুল সরকারকে গ্রেপ্তার নিয়ে তুলকালাম ঘটেছে। জনগণের আশা, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেই এসব অরাজকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে। এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্তর্র্বর্তী সরকারের পুরো সময়ই বিভিন্ন সময়ে নারীদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে নারী সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট ঘিরে নারীদের আক্রমণের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় নারীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে।

গত বছর মার্চে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই বলেছিলেন, ‘সম্প্রতি নারীদের ওপর যে জঘন্য হামলার খবর আসছে, তা গভীর উদ্বেগজনক। এটি নতুন বাংলাদেশ-এর যে স্বপ্ন আমরা দেখছি তার সম্পূর্ণ বিপরীত।’

কিন্তু তার পর থেকে সেই পরিস্থিতির আদৌ উত্তরণ হয়েছে কি না, সে প্রশ্ন আছে।

নারীর সমতার ক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কাই এসেছে এ সরকারের সময়ে। কারণ সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

আজ এ দেশের নারীদের আশা, নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেই তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, দেশকে নারীদের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য করবে।

মানবাধিকার সংস্থা অধিকার-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তর্র্বর্তী সরকারের ১৪ মাসে দেশে অন্তত ৪০টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ এসেছে। দেশের মানুষ বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ চায়। সেই আশা নিয়েই আজ তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।

বিচারের ক্ষেত্রে ‘বিচার নাকি প্রতিশোধ’ সেই প্রশ্ন ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সরকারের শুরু থেকেই ঢালাও হত্যা মামলা এবং এসব মামলায় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে জড়িত করা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে অনেক হত্যা মামলা হয়েছে যা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং প্রশ্নবিদ্ধভাবেও অনেককে আটক রাখা হয়েছে, যার স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই। যেসব মামলায় বিচার হচ্ছে, তা-ও কতটা প্রভাবহীন ও স্বচ্ছ সেই প্রশ্নও আছে। দেশবাসীর প্রত্যাশা, মামলা বাণিজ্যের ভয়াবহ ব্যাধি থেকে জাতিকে মুক্তি দেবে নতুন সরকার।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এ সরকার নিজেদের সফল দাবি করে। অর্থ উপদেষ্টা নিজেই নিজেকে ৭০ নম্বর দিয়েছেন। কিন্তু বাস্তব চিত্র তেমন সাফল্যের নয়।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২২ সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার যেখানে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল, সেটি এখন বেড়ে ২১ শতাংশের ওপর চলে গেছে।

আর বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) বলছে, দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে এখন ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে পৌঁছেছে। দেশে বেকারত্ব বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে।

উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে গিয়ে দারিদ্র্যের হার বেড়ে গেছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। এ সময়ে খেলাপি ঋণ রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ২০২৫ সাল নাগাদ খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা দেশটির মোট ঋণের ৩৩ শতাংশের বেশি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন করেছে অধ্যাপক ইউনূসের সরকার। ব্যাংকঋণ নিরুৎসাহ করতে বাড়ানো হয় সুদের হার। সরকারের এমন নীতির কারণে গত দেড় বছরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগে খুব একটা আগ্রহ দেখাননি। বেসরকারি খাত এখন সবচেয়ে সংকটকাল অতিক্রম করছে। একে তো মামলা-হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের বিরুদ্ধে ঢালাও মিথ্যা হত্যা মামলা করা হয়েছে। কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই অনেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে হয়রানি করা হয়েছে শুধু প্রতিহিংসার কারণে। জ্বালানিসংকট, উচ্চ সুদের হার কঠিন করে তুলছে ব্যবসা। হয়রানি আর মিডিয়া ট্রায়ালের কারণে বেসরকারি খাতে সৃষ্টি হয়েছে আস্থার সংকট। শিল্পোদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীরা যখন সরকারের দ্বারা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তখন আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এটা কেবল একজন ব্যবসায়ীকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করছে। ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা এখন চরম সংকটে।

দেশবাসীর প্রত্যাশা, আজকের দিনটি অর্থনৈতিক সংকট থেকে মুক্তির সূচনা দিন হবে। নতুন সরকার এসে বেসরকারি খাতকে আস্থায় নিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন পথে যাত্রা করবে।

গত ১৮ মাসে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। শিক্ষাঙ্গনে ক্লাস হয় না। শিক্ষাঙ্গনে মারামারি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। শিক্ষকরা ভয় পান শিক্ষার্থীদের। বহু শিক্ষক মবের শিকার হয়েছেন। চরম অপমানিত হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে গেছেন বহু শিক্ষক। সবাই আশায় বুক বেঁধে আছেন যে নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হবে শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা।

আন্তর্জাতিক পরিম লে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বহু দেশ এখন বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসা দিচ্ছে না। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক এখন তলানিতে। বাংলাদেশে পররাষ্ট্রনীতি যেন পথহারা। বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আজ চরম সংকটে। নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা, তারা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলভিত্তি-সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়-ফিরিয়ে আনবে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদার সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট হবে।

১৮ মাসে ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ছিল হতাশার চিত্র। রাজনীতির বিষবাষ্প থেকে খেলাধুলা মুক্ত রাখতে পারেনি অন্তর্র্বর্তী সরকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আজ দেশের মানুষ আশা করে নতুন সরকার এসে ক্রীড়াঙ্গনে ফিরিয়ে আনবে শৃঙ্খলা। খেলাধুলাকে রাজনীতিমুক্ত রাখা হবে নতুন বাংলাদেশে।

অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও ছিল আতঙ্ক আর উদ্বেগ। উগ্রবাদীদের হুমকির মুখে বাতিল হয়েছে কনসার্ট, নাটক। হেনস্তার শিকার হয়েছেন শিল্পীরা। এ দমবন্ধ অবস্থার অবসান চান দেশের সাংস্কৃতিক কর্মীরা। আজ সকালে দেশের সব সাংস্কৃতিক কর্মী কামনা করবেন, নতুন সরকার হোক সংস্কৃতিবান্ধব।

স্বাস্থ্য খাতে বিরাজ করছে নৈরাজ্য। সরকারি হাসপাতালে চলছে অস্থিরতা। ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন। এ পরিস্থিতি বদলে যাবে নতুন বাংলাদেশে, এ আশা নিয়েই আজ ভোট দিতে যাবেন ভোটাররা।

১৮ মাস ধরে গণমাধ্যমে আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে হামলা ঘটেছে। মবের শিকার হয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। ভিন্নমতের ওপর প্রকাশ্যে আক্রমণের ঘটনায় সরকার ছিল নীরব। দেশের মানুষ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চায়। মুক্ত গণমাধ্যম চায়। গণমাধ্যমকর্মীরা প্রত্যাশা করেন, আজ হবে গণমাধ্যম মুক্তির দিন।

আমরা এক ঐক্যের দেশ চাই, দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ চাই। আমরা এমন এক দেশ চাই, যেখানে আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত হবে প্রত্যেক নাগরিকের। আজকের দিনটি হোক সেই প্রত্যাশা পূরণের।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
হরমুজে আটকা ২০ হাজার নাবিক
হরমুজে আটকা ২০ হাজার নাবিক
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি
বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল
বাড়তি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ পুলিশের জলকামানে ছত্রভঙ্গ
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ পুলিশের জলকামানে ছত্রভঙ্গ
সর্বশেষ খবর
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ
শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়
মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা
ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস
কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল
জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক
শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার
১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু
নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি
৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা
অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার
বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট
২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের
শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?
ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প
অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম
আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?
মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি
মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত
একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ক্ষমতার শীর্ষে উঠছেন যিনি, তাকে কেন চেনেন না অনেক ইরানি?
ইরানের ক্ষমতার শীর্ষে উঠছেন যিনি, তাকে কেন চেনেন না অনেক ইরানি?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা
তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?
ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইভী-বদিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত
আইভী-বদিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?
সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের
শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন
ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিশাল ক্ষতি চাপে ট্রাম্প
বিশাল ক্ষতি চাপে ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

বেরিয়ে আসছে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য
বেরিয়ে আসছে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ফেনীতে ফিলিপাইনের তরুণী
প্রেমের টানে ফেনীতে ফিলিপাইনের তরুণী

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে
মার্কিন আদালত দণ্ড দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মনসুরকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পোস্টালে জয়পরাজয়
পোস্টালে জয়পরাজয়

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে যাওয়া আসার রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে যাওয়া আসার রাষ্ট্রাচার পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইফতার পার্টিতে জমজমাট চট্টগ্রামের রাজনীতি
ইফতার পার্টিতে জমজমাট চট্টগ্রামের রাজনীতি

নগর জীবন

অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর
অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা বাংলার নতুন মীরজাফর

প্রথম পৃষ্ঠা

কোরিয়ার বিপক্ষেও নির্ভার নারীরা
কোরিয়ার বিপক্ষেও নির্ভার নারীরা

মাঠে ময়দানে

ব্যাংক হিসাব দেখে কি দুর্নীতিবাজ চেনা যায়?
ব্যাংক হিসাব দেখে কি দুর্নীতিবাজ চেনা যায়?

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, থানায় মামলা
শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, থানায় মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

২০০ রোগের উৎস স্থূলতা
২০০ রোগের উৎস স্থূলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাজেট ভাবনায় যুদ্ধের প্রভাব
বাজেট ভাবনায় যুদ্ধের প্রভাব

পেছনের পৃষ্ঠা

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’

প্রথম পৃষ্ঠা

ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা
ডেপুটি স্পিকার নিয়ে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়াসিমের পেটে ঢুকছিল জোঁক
ওয়াসিমের পেটে ঢুকছিল জোঁক

শোবিজ

ভারত আবারও ফাইনালে
ভারত আবারও ফাইনালে

মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরায় নারীদের অন্যতম পছন্দ মারিয়াবি, সারারা
বসুন্ধরায় নারীদের অন্যতম পছন্দ মারিয়াবি, সারারা

নগর জীবন

সব যেন আগের মতো ঠিক হয়ে যায়
সব যেন আগের মতো ঠিক হয়ে যায়

শোবিজ

নদী দূষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন
নদী দূষণের অভিযোগ ভিত্তিহীন

খবর

২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল
২১টি রাইফেল গর্জে উঠতেই পালিয়ে গেল হানাদারের দল

প্রথম পৃষ্ঠা

হেক্সা মিশনে বসুন্ধরা কিংস
হেক্সা মিশনে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

জ্বালানি সাশ্রয়ে বাড়বে লোডশেডিং
জ্বালানি সাশ্রয়ে বাড়বে লোডশেডিং

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন টিটি তারকা লিনু
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন টিটি তারকা লিনু

মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর
ট্রাম্পের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ইকুয়েডর

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্দোষ শিল্পা শেঠি
নির্দোষ শিল্পা শেঠি

শোবিজ

স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া
স্বাধীনতা পুরস্কারে খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি
রোজাদারের আনন্দ সাময়িক তৃপ্তি থেকে চিরস্থায়ী প্রাপ্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

পেদ্রোর প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল ভিলা
পেদ্রোর প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল ভিলা

মাঠে ময়দানে