শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০৮:৪৫, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আত্মপ্রত্যয়ী বিএনপি

শফিউল আলম দোলন
প্রিন্ট ভার্সন
আত্মপ্রত্যয়ী বিএনপি

আজ ঐতিহাসিক ১২ ফেব্রুয়ারি। ১৮ কোটি মানুষের প্রতিক্ষিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ উন্মুক্তির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আজকের এ সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক মোড় ও আপামর জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনে ইচ্ছেমতো ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সারা দেশের ভোটাররা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। দেশকে শোকসাগরে ভাসিয়ে আপসহীন এক দেশনেত্রীর মহাপ্রয়াণ ও আরেক নেত্রীর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর নেত্রীবিহীন এ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এ নির্বাচনে বিজয়ের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী ও আত্মপ্রত্যয়ী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির কর্ণধার তারেক রহমান নিজেই দেশবাসীর ওপর সবচেয়ে বেশি আস্থাশীল ও বিশ্বাসী। নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ের ব্যাপারে এ আত্মপ্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ইনশাআল্লাহ সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক আসন আমাদের থাকবে। ইনশাআল্লাহ আমরা মেজরিটি পাব এবং বিএনপিই সরকার গঠন করবে।’ একই বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ নির্বাচনে তাঁর দলের পক্ষে ভূমিধস বিজয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, গণতন্ত্রের উত্তরণ ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য এ নির্বাচন হলো ‘গেট ওয়ে’। এ গেটওয়ে পার হলে আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে যেতে পারব। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে রাষ্ট্র ও সমাজে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাই এ নির্বাচনকে আমরা অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।

এদিকে বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহলের সদস্যদের প্রত্যাশা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে দলটি। তবে নির্বাচন ও ভোটের বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক ও সজাগ দলটি। ভোট কেন্দ্রে যে কোনো রকমের কারসাজি, জালিয়াতি কিংবা ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক রয়েছে দেশের বৃহত্তম এ রাজনৈতিক দলটি।

‘তারুণ্যের প্রথম ভোট হবে ধানের শীষে’- এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বিএনপি নেতারা বলেন, আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেও তারুণ্যের প্রতীক। সমাজে তরুণদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ওপর তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন- অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাঁর দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি প্রতিপক্ষ দল বা জোটের পক্ষ থেকে একটি ভালো বিরোধী দল পাবে দেশের মানুষ।

বিশেষ করে গতকাল ঠাকুরগাঁও, মাদারীপুর, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লার মুরাদনগর ও চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের কাছে বিতরণের সময় বিপুল পরিমাণের টাকা নিয়ে জনতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা ধরা পড়েছেন। এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। তিনি বলেন, এত পরিমাণের কালো টাকার ছড়াছড়ির মাঝে কীভাবে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব? এসব অনিয়মের ব্যাপারে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। নির্বাচনে কালো টাকাসহ জামায়াত নেতাদের ধরা পড়ার বিষয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, যাদের নীতি-কথায় আমরা আপ্লুত হই, তাদের নেতাদের এহেন ‘কালো টাকা বহন ও বিতরণের’ কর্মকা দেখে আমরা বিস্মিত। ধর্মের দোহাই দিয়ে এত কথাবার্তা শুনলাম, আর শেষ পর্যন্ত এই ছিল তাদের মনে? আশা করি, দেশের জনগণই বিচার করবেন এবং তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। দেশ ও মানুষকে বাঁচাতে ধানের শীষকেই মানুষ বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন বলে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী নজরুল ইসলাম খান।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহলের সদস্যরা বলছেন, নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় লাভের বিষয়ে তারা আশাবাদী। অর্থাৎ ২ শতাধিক আসনে জয়লাভের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা। এ নির্বাচনে ২৯২টি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাকি আসনগুলোতে তাঁদের জোটের শরিক ও সমমনা দলের প্রার্থীরা লড়ছেন।

বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। এবারের নির্বাচনকে বিএনপি অনেক সিরিয়াসলি নিয়েছে। দলীয় প্রধান সারা দেশের পথসভাগুলোতে বক্তব্য রাখায় দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা আরও উজ্জীবিত হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ ভোটাররাও ধানের শীষকে জয়ী করতে ভোট দেওয়ার জন্য মনস্থির করে ফেলেছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারা দেশে বিএনপির পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, দেশি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদন, বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান ও জরিপের ফল এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা- সবকিছু মিলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় অনিবার্য।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ গণতন্ত্রের উত্তরণে বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে। আজ ইনশাআল্লাহ আমরা তার প্রতিফলন দেখব। আমরা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন দেখেছি। পরবর্তী সময়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ১৯৯০-এর সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে জনতার বিপ্লবের ফলে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা দেখেছি। এবার আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে পুনরায় গণতন্ত্রের উত্থান দেখব ইনশাআল্লাহ।

গণভোট প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান : বিএনপি গণভোটে ‘হ্যা’-এর পক্ষে। জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি জনগণের মাধ্যমে নির্ধারিত হোক, সেটাই বিএনপির প্রস্তাব ছিল এবং এখনো সেই অবস্থানেই আছে দলটি। ?নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করবে জনগণই। পরিবেশ ও মাঠের পরিস্থিতি বিবেচনায় বিএনপি আশাবাদী। এ প্রসঙ্গে বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহলের সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি একটি ভূমিধস বিজয়ের দিকে এগোচ্ছে। এ মুহূর্তে যে ধরনের নির্বাচনি পরিবেশ থাকার কথা, আমার মতে বাংলাদেশে সেই পরিবেশই বিরাজমান রয়েছে। ?কিছু রাজনৈতিক তর্কবিতর্ক থাকবেই। সেটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। নির্বাচনি মাঠে তর্কবিতর্ক না থাকলে নির্বাচনের আমেজ আসে না। তবে কোথাও কোথাও এর ব্যতিক্রম কিছু কিছু ঘটনা ঘটছে। এসব ব্যাপারে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

সব জরিপেই এগিয়ে বিএনপি : সাম্প্রতিক সময়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এ নির্বাচন ও ভোট নিয়ে যত রকমের জরিপ হয়েছে সব জনমত জরিপেই বিএনপি জয়ী হওয়ার আভাস পাওয়া গেছে। তবে তাদের জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে বলেও দু-একটি জরিপে এসেছে। অন্যদিকে তরুণদের নেতৃত্বে হাসিনাবিরোধী আন্দোলন থেকে উঠে আসা জেন-জিদের দল (এনসিপি) জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি ঐক্যে যুক্ত হয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে পরিচিত জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে এনসিপি নেতাদের মাথাগোঁজার ফলে বেশির ভাগ জেন-জি সদস্যের মাঝে তরুণদের নেতৃত্বাধীন এ নতুন রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রার্থীদের প্রতি বিরূপ ধারণাও তৈরি হয়েছে।

আত্মবিশ্বাসের মধ্যেও আছে উদ্বেগ-আশঙ্কা : নির্বাচনে আত্মবিশ্বাসী হলেও বিএনপির পক্ষ থেকে ভোট ও ফলাফলের বিষয়ে উদ্বেগ ও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। খোদ দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই সম্প্রতি তার প্রতিটি নির্বাচনি জনসভায় পরিষ্কারভাবে বলেছেন, এ নির্বাচন নিয়ে একটি মহল তাদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। এ চক্রান্তের বিষয়ে দলীয় নেতা-কর্মী ও জনসাধারণকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এমনকি ষড়যন্ত্র রুখতে ভোটের দিন ভোরবেলায় ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ পড়ার জন্যও অনুরোধ জানিয়েছেন তারেক রহমান।

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন গতকাল বলেন, নির্বাচনি প্রচারণায় সারা দেশে যে গণজোয়ার দেখা গেছে, তাতে বিএনপির বিজয় ইনশা-আল্লাহ অনিবার্য। সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ রয়েছে। আশা করি, সবাই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেবেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়ে বিএনপির নাম কখনো আসেনি। তিনি গুরুতর অভিযোগ করে বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল নানাভাবে জালভোটের ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। গতকাল বুধবার ঠাকুরগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে এই দলের নেতারা টাকা বিতরণ করতে গিয়ে ধরাও পড়েছেন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপির সরকার গঠনের ব্যাপারে কোনো আশঙ্কা নেই। তবে অনেক এলাকাতেই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিপক্ষ কীভাবে সেই ইঞ্জিনিয়ারিংটা করবে তা তো আমাদের জানা নেই। সেজন্য আমাদের সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা আশা করি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। তবে সবাইকে এ ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। যাতে ভোট নিয়ে কোনো ধরনের জাল-জালিয়াতি কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিং না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
সংশোধন
সংশোধন
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত
জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত
ইতিবাচক সম্পর্ক চাই
ইতিবাচক সম্পর্ক চাই
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
সাবেক দুই মুখ্য সচিবের ব্যাংক হিসাব তলব
সাবেক দুই মুখ্য সচিবের ব্যাংক হিসাব তলব
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়
তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম
সর্বশেষ খবর
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের নারী জাগরণের প্রতিকৃত : মিফতাহ্ সিদ্দিকী
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের নারী জাগরণের প্রতিকৃত : মিফতাহ্ সিদ্দিকী

৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

খালে মাছের চাষ, খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে : ত্রাণমন্ত্রী
খালে মাছের চাষ, খালপাড়ে গাছ লাগানো হবে : ত্রাণমন্ত্রী

১৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ভোটের ফল নিয়ে আইনি লড়াই, চার বছর পর শপথ নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান
ভোটের ফল নিয়ে আইনি লড়াই, চার বছর পর শপথ নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ক্ষমতায় থাকা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ক্ষমতায় থাকা নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: শামা ওবায়েদ
নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ: শামা ওবায়েদ

২৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত ২
সৌদি আরবে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত ২

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল
খেলাফত যুব মজলিসের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

৪০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে
দেশজুড়ে উদযাপিত হলো এএফসি উইমেন্স ফুটবল ডে

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া
১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে
হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ
উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি
বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন
গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ
চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান
কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে
নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি
ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’
তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?
সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

সংশোধন
সংশোধন

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে