ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে চলছে গণনা। গতকাল রাত ১১টা পর্যন্ত অনেক আসনে ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর -
নওগাঁ : ১ আসনে মোট কেন্দ্র ছিল ১৬৬টি। এর মধ্যে ৬৪টি কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ভোট গণনার ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৭৭,৫১৮ ভোট, জামায়াতের মাহাবুবুল ইসলাম পেয়েছেন ৫২,২৩৬ ভোট; নওগাঁ-২ আসনে মোট কেন্দ্র ছিল ১২৪টি। এর মধ্যে ২৭টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির শামসুজ্জোহা খান পেয়েছেন ৩২,০২৮ ভোট এবং জামায়াতের এনামুল হক পেয়েছেন ৩০,৪৫৪ ভোট; নওগাঁ-৩ আসনে মোট কেন্দ্র ১৪২টি। এর মধ্যে ৪৯ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির ফজলে হুদা বাবুল পেয়েছেন ৫৯,৭৩২ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৪৩,৩৬৭ ভোট; নওগাঁ-৪ আসনে মোট কেন্দ্র ১১৭টি। এর মধ্যে ৭৭টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির ইকরামুল বারী টিপু পেয়েছেন ৯০,৭৮১ ভোট এবং জামায়াতের আবদুর রাকিব পেয়েছেন ৬০,৫৬৭ ভোট; নওগাঁ-৫ আসনে মোট ১১৮ কেন্দ্রের মধ্যে ২৯ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির জাহিদুল ইসলাম ধলু পেয়েছেন ৪২,৬৫৫ ভোট এবং জামায়াতের আ স ম সায়েম পেয়েছেন ২৯,৪৮৫ ভোট; নওগাঁ-৬ আসনে মোট ১১৫ কেন্দ্রের মধ্যে ৪১ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির শেখ রেজাউল ইসলাম পেয়েছেন ৩৮,৪৬৫ ভোট এবং জামায়াতের খবিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৪,১০০ ভোট।
সাতক্ষীরা : ফলাফল অনুযায়ী জেলার চারটি আসনের মধ্যে সাতক্ষীরা-১ আসনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা (সদর)-২ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম বিজয়ের দাঁরপ্রান্তে ছিলেন।
মেহেরপুর : মেহেরপুর-১ আসনে মোট ১২২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১০২ কেন্দ্রর ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির মাসুদ অরুন পেয়েছেন ৮৬,০০৩ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের তাজউদ্দীন খান পেয়েছেন ১,০৩,১৬১ ভোট; মেহেরপুর-২ আসনে মোট ৯০ কেন্দ্রের মধ্যে ৪০ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৩৬,৮১৮ ভোট এবং প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নাজমুল হুদা পেয়েছেন ৪২,৯৩৪ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে মোট ৯৮ কেন্দ্রের মধ্যে ৪৫ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির জোনায়েদ সাকি পেয়েছেন ৪৫,১৩৩ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মহসিন পেয়েছেন ১৬,৯৮৮ ভোট।
গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ-১ আসনে মোট ১৩৮ কেন্দ্রের মধ্যে ৬ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির সেলিমুজ্জামান মোল্লা পেয়েছেন ২,২৭৯ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ পেয়েছেন ১,০৯৪ ভোট; গোপালগঞ্জ-২ আসনে ১৫১ কেন্দ্রের মধ্যে ৩২ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী টেলিফোন প্রতীকের প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া পেয়েছেন ৮,৫৩৬ ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডা. কে এম বাবর পেয়েছেন ৬,৬৮৯ ভোট; গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ১০৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১২ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির এস এম জিলানী পেয়েছেন ৫,৭৬২ ভোট এবং তাঁর নিকটত প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোট ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবদুল আজিজ মাক্কী পেয়েছেন ২,৯৬১ ভোট।
লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের মোট ১৩০ কেন্দ্রের মধ্যে ১০ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি পেয়েছেন ৯,২৬০ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. রেজাউল করিম পেয়েছেন ৭,২৩৬ ভোট।
কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে মোট ১৮১ কেন্দ্রের মধ্যে প্রাপ্ত ১০ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ৭,২৯৪ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হেদায়াতুল্লাহ হাদী পেয়েছেন ৪,৪৫২ ভোট।
কক্সবাজার : কক্সবাজার-১ আসনে ১৮০ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৫ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ৭১,৫২১ ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ৩৩,৪০৮ ভোট।
কুমিল্লা : কুমিল্লা-৯ আসনের মোট ১৩৪ কেন্দ্রের মধ্যে প্রাপ্ত ১০ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির আবুল কালাম পেয়েছেন ১২,৬৭৬ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সারওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী পেয়েছেন ৬,৪৯১ ভোট; কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের ১৪৫ কেন্দ্রের মধ্যে ২০টির ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ১৬,৭৯১ ভোট এবং প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মনিরুজ্জামান বাহালুল পেয়েছেন ১৩,০৬৯ ভোট; কুমিল্লা-২ (হোমনা, তিতাস) আসনের ১১০ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া পেয়েছেন ৯,৭৬৯ এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রর এম এ মতিন খান পেয়েছেন ৬,১৬৫ ভোট; কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের ১০৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১০ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির জাকারিয়া তাহের পেয়েছেন ১২,১৮১ ভোট এবং জামায়াতের সফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ২,৪৮৭ ভোট।
কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম-১ আসনে ৩০ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী জামায়াত প্রার্থী পেয়েছেন ১৮,৩৬৬ ভোট এবং বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ১৩,৫২৩ ভোট; কুড়িগ্রাম-২ আসনে ৯৮ কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ৮১,৫২২ ভোট এবং শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৭১,৪৭৩ ভোট; কুড়িগ্রাম-৩ আসনের ১৮ কেন্দ্রে জামায়াতের প্রার্থী পেয়েছেন ১০,৮৫৮ ভোট এবং বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ৮,১৭৭ ভোট; কুড়িগ্রাম-৪ আসনের ১১ কেন্দ্রে জামায়াতের প্রার্থী পেয়েছেন ৭,৫৯২ ভোট এবং বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ৬,৬৩৭ ভোট।
হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জ-১ আসনের ১৭৭ কেন্দ্রের মধ্যে ৩০ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির ড. রেজা কিবরিয়া পেয়েছেন ১৭,৩৪৩ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়া পেয়েছেন ৬,৮২৩ ভোট; হবিগঞ্জ-২ আসনের ১৫০ কেন্দ্রের মধ্যে ১০ কেন্দ্রে বিএনপির আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান পেয়েছেন ৮,৫৫৬ ভোট এবং খেলাফত মজলিসের মাওলানা আবদুুল বাছিত আজাদ পেয়েছেন ৩,৪২৪ ভোট; হবিগঞ্জ-৩ আসনের ১৩৭ কেন্দ্রের মধ্যে ৪১ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির জি কে গউছ পেয়েছেন ৪৫,০০৫ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর কাজী মহসিন আহমেদ পেয়েছেন ১২,৩৬৫ ভোট।
শেরপুর : শেরপুর-১ আসনে ৮৭টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী জামায়াতের হাফেজ রাশেদুল ইসলাম পেয়েছেন ৮০,১৮৮ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ৪৩,৬৩৮ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ১২৯ কেন্দ্রের মধ্যে ৪৪ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ৫১,৫৯৪ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী পেয়েছেন ২৮,৪৩৩ ভোট।