বিএনপির বিজয়ের ব্যাপারে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ইনশাল্লাহ আমরা বিজয়ী হব। সারা দেশে বিএনপির পক্ষে যে জনজোয়ার তৈরি হয়েছে, আর মানুষের মাঝে যে উচ্ছ্বাস দেখেছি, আল্লাহর রহমতে জনগণের রায়ে বিজয়ী হয়ে বিগত আন্দোলনের শরিক ও সমমনা দলসহ ‘কম-বেশি’ আরও রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে আমরা দেশ পরিচালনা করতে চাই। গতকাল রাজধানীর বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্র ঘুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, যে সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, আমরা চাই কম-বেশি তাদের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে দেশ পরিচালনা করতে। এদিন ঢাকা সেনানিবাসের আদমজী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মহাখালী, পান্থপথ, ভাসানটেক, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ধানমন্ডির ২৭ নম্বর সড়ক, সোহানবাগ ঘুরে নিজের কার্যালয়ে যান তিনি। এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। এ সময় সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও তাঁর সঙ্গে ছিলেন এবং ভোট দেন। কেন্দ্র ঘুরে দেখে এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারেক রহমান ভোটারদের উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই দিনকে স্মরণীয় হিসেবেও তুলে ধরেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, ভোটার উপস্থিতি যতটুকু ঢাকা শহরে দেখেছি মনে হচ্ছে, মানুষ অত্যন্ত উৎসাহ ভরে তার ভোট প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন। গত দুই দিনে যেভাবে দেখেছি মানুষজন লঞ্চ, স্টিমারে, ট্রেনে, বাসে করে বিভিন্ন উৎসাহ নিয়ে যার যার এলাকায় ফিরে গিয়েছে ভোট দেওয়ার জন্য। আমরা প্রত্যাশা করি, ইনশাল্লাহ আজকে সেই প্রত্যাশা নিশ্চয়ই থাকবে।
‘কত সংখ্যক আসন প্রত্যাশা করছেন?’- এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, অন্তত এতটুকু অবশ্যই প্রত্যাশা করছি- যেখানে খুব সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করতে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। দেশজুড়ে এখনো ‘অপ্রত্যাশিত’ কিছু ঘটনা ঘটছে- উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভোটের পাঁচ ঘণ্টা অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু আমি তো ঘুরছিলাম বিভিন্ন জায়গায়। কাজেই খবর নিতে পারিনি। তবে খবর দেখলাম- বিভিন্ন জায়গায় এখনো কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটছে। কোনো একটি রাজনৈতিক দল এখনো কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা বারবার ঘটিয়ে যাচ্ছে। কাজেই আমরা চাই না- এসব ঘটনা ঘটুক। যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের প্রতি তো মানুষের বিরূপ ধারণা হবে বলে বিশ্বাস করি। কারণ ঘটনাগুলো-তো ভালো না। তারা তো বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করার বা অনৈতিক কাজ করার চেষ্টা করেছেন।