শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৭, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান

সহিংসতা প্রতিশোধ নয়, ঐক্য

♦ আজ আমরা স্বাধীন, এবার দেশ গড়ার পালা ♦ বিজয় বাংলাদেশের, বিজয় গণতন্ত্রের ♦ যেকোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে ♦ বিভাজন আমাদের দুর্বলতা, জাতীয় ঐক্য শক্তি ♦ জনগণকে কনভিন্স করাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং ♦ দেশিবিদেশি সাংবাদিকদের নানান প্রশ্ন
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
সহিংসতা প্রতিশোধ নয়, ঐক্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ের পর ‘দেশ গড়তে ঐক্যের ডাক’ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপিকে বিজয়ী করায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এ বিজয় বাংলাদেশের। এ বিজয় গণতন্ত্রের। এই বিজয় গণতন্ত্রকামী জনগণের। তিনি বলেন, আজ আমরা সবাই স্বাধীন। এবার দেশ গড়ার পালা। দেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গতকাল বিকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিজয়ের পর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি।

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উপস্থিত দেশিবিদেশি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সমাপনী বক্তব্য দেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান। সংবাদ সম্মেলনে মঞ্চে অন্যদের মধ্যে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর অব. হাফিজউদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করে দলীয় নেতা-কর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান বিএনপির কর্ণধার তারেক রহমান। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে হবে এবং কোনো ধরনের সহিংসতা, প্রতিশোধ, অন্যায় বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে কোথাও কোথাও ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে তা যেন কোনোভাবেই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়।

ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই বিজয় সমগ্র বাংলাদেশের, গণতন্ত্রের ও গণতন্ত্রকামী জনগণের। পথ-মত ভিন্ন থাকতে পারে, তবে দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপিপ্রধান বলেন, আমার বক্তব্য স্পষ্ট। যেকোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো রকমের অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড কিছুতেই বরদাশত করা হবে না। দলমত, ধর্মবর্ণ কিংবা ভিন্নমত যা-ই হোক-কোনো অজুহাতেই দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ন্যায়পরায়ণতাই হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে সব প্রচেষ্টা বৃথা যেতে বাধ্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি কিংবা বিরোধী দল, অন্য মত কিংবা ভিন্নমত-প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের জন্যই আইন সমান। আইনের প্রয়োগ হবে বিধিবদ্ধ নিয়মে। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এটি ছিল তারেক রহমানের প্রথম সংবাদ সম্মেলন। জনাকীর্ণ এই সংবাদ সম্মেলনে দেশিবিদেশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করবে। তারেক রহমান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে গণতন্ত্র কখনোই টেকসই হবে না। সরকারি বা বিরোধী দল-সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন-উত্তর পরিস্থিতিতে কেউ যেন সুযোগ নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি-এমন একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে পুনরায় জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের কাছে দায়বদ্ধতামূলক সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। আর কোনো অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান তারেক রহমান। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশ গঠনে আপনাদের চিন্তাভাবনাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পথ এবং মত ভিন্ন থাকতে পারে কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা। তারেক রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে রাজনৈতিক দলগুলোই মূলত গণতন্ত্রের বাতিঘর। সরকার এবং বিরোধী দল যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে অবশ্যই দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে।

সব সংশয় কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত দেশে শান্তিপূর্ণভাবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও অন্তর্বর্তী সরকারসহ নির্বাচনের অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান বিএনপির চেয়ারম্যান। রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, জনগণের রায় পেলে বিএনপি রাষ্ট্র মেরামত করবে বলে যে রূপরেখা উপস্থাপন করেছিল, অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল এবং সারা দেশে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ৩১ দফা প্রণয়ন করেছিল। ৩১ দফার আলোকে ঘোষণা করা হয়েছিল দলীয় ইশতেহার। একই সঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে বিএনপি জুলাই সনদেও স্বাক্ষর করেছিল। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রত্যাশিত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব।

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, সারা দেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক ছাড়াও দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের সামনে আজকের এই সময়টি ভীষণ আনন্দের। এমন এক আনন্দঘন পরিবেশে আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি আমাদের ভারাক্রান্ত করে। রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এমন একটি গণতান্ত্রিক সময়ের প্রত্যাশায় তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়েছিলেন। স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে কখনোই আপস করেননি। দেশ এবং জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে বরাবরই তিনি ছিলেন অটল-অবিচল। আমরা আল্লাহর দরবারে মরহুম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করছি।

তারেক রহমান আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত বিএনপিকে দেশের জনগণ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে-এবার জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজের মাধ্যমে জনগণের এই বিশ্বাস এবং ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।

বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, শত নির্যাতন-নিপীড়নের পরও আপনারা রাজপথ ছাড়েননি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটুট-অনড় ছিলেন। এবার দেশ গড়ার পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় আপনি, আমি, আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই বিজয়কে শান্তভাবে দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে উদ্‌যাপন করেছি। নির্বাচন-উত্তর বাংলাদেশে যাতে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, এজন্য শত উসকানির মুখেও আমি সারা দেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের শান্ত এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। বিএনপি চেয়ারম্যান তাঁর বক্তব্যে বলেন, নির্বাচনের পর আমরা শান্তভাবে বিজয় উদ্‌যাপন করেছি। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আমি দল এবং জোটের নেতা-কর্মীদের আনন্দ মিছিল করতে নিষেধ করেছি। আমরা দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে বিজয়ের শুকরিয়া আদায় করেছি।

সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করবে : সার্ক ইস্যুতে প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশই সার্কের উদ্যোক্তা ছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমরা চাইব সার্ক পুনরুজ্জীবিত হোক। আশিক দশকের শুরুতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সার্ক গঠনের উদ্যোগ নেন। নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে একাধিক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ সামনে রেখেই দেশের পররাষ্ট্রনীতি ঠিক হবে।

বিদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থই সব থেকে আগে, তাদের স্বার্থের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রেখেই পররাষ্ট্রনীতি ঠিক করব আমরা। এ সময় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কোনো একক দেশের প্রতি আনুগত্য নয়- পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং বিশ্বাসের ভিত্তিতেই ঠিক হবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি- এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে দিল্লি থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে বিএনপি সরকার কী ধরনের উদ্যোগ নেবে? বিদেশি সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, সেটি দেশের আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

এই বিভাগের আরও খবর
রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অনেক মানুষ কারাগারে ধুঁকছে
রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অনেক মানুষ কারাগারে ধুঁকছে
অপচয় অপব্যয় পরিহার
অপচয় অপব্যয় পরিহার
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকরের দাবি
সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকরের দাবি
থার্ড টার্মিনাল চালুতে ৯ মাস সময়
থার্ড টার্মিনাল চালুতে ৯ মাস সময়
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
সর্বশেষ খবর
মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ
মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড
চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে সিটিকে উড়িয়ে দিল রিয়াল
ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে সিটিকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ মার্চ)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকের বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় নিহত ১
ইরাকের বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শ্রীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন, দগ্ধ তিন
শ্রীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন, দগ্ধ তিন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমিরাত কারো সহজ শিকার নয়, প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ানের হুঁশিয়ারি
আমিরাত কারো সহজ শিকার নয়, প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ানের হুঁশিয়ারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভির পর্দায় আজকের যত খেলা
টিভির পর্দায় আজকের যত খেলা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা
১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন
আজ রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ মার্চ ২০২৬

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দেড় লাখ টন ডিজেল
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দেড় লাখ টন ডিজেল

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সংকট সমাধানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব নেতাদের সাক্ষাৎ
সংকট সমাধানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব নেতাদের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটন বর্জ্য গবেষণায় ১.৫ কোটি টাকার অনুদান পেল বিইউএফটি গবেষণা দল
কটন বর্জ্য গবেষণায় ১.৫ কোটি টাকার অনুদান পেল বিইউএফটি গবেষণা দল

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পুনর্বাসন ও জীবিকা উন্নয়নে সিআরপি ও ডিআরআরএর পাশে ইউনিলিভার
পুনর্বাসন ও জীবিকা উন্নয়নে সিআরপি ও ডিআরআরএর পাশে ইউনিলিভার

৪ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

রমজান উপলক্ষ্যে ইউএই এইড ও জায়েদ ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
রমজান উপলক্ষ্যে ইউএই এইড ও জায়েদ ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জরুরি মজুদ থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ের ঘোষণা
জরুরি মজুদ থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ের ঘোষণা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এইআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ‘ফাঁকা’ বই প্রকাশ করলেন ১০ হাজার লেখক
এইআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ‘ফাঁকা’ বই প্রকাশ করলেন ১০ হাজার লেখক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান
পোশাক রপ্তানিতে ভাটার টান

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন র‍্যাপার ফ্লিপারচি

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে পৌঁছবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপন, ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’
‘ইরান আক্রান্ত হলে সমগ্র বিশ্বকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে’

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত
বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত

নগর জীবন

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি
ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট

নগর জীবন

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

প্রথম পৃষ্ঠা

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন

সংসদ অধিবেশন
সংসদ অধিবেশন

সম্পাদকীয়