শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৪, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নতুন সরকারের সামনে কঠিন পথ

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
নতুন সরকারের সামনে কঠিন পথ

অবশেষে গণতন্ত্রের দরজা খুলে গেল। একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় পেয়ে সরকার গঠনের জন্য প্রস্তুত। সোমবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। তার পরই গঠিত হবে নির্বাচিত সরকার। সবকিছু ঠিক থাকলে, চলতি সপ্তাহেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কিন্তু নতুন সরকারের যাত্রাপথ কঠিন। অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকারকে। বিএনপি কি পারবে?

এ নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপির পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে। সংগত কারণেই নতুন সরকারের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা বেশি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার এ প্রত্যাশার চাপ কতটা সামাল দিতে পারবে?

নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁদের সরকারের অগ্রাধিকারগুলো সঠিকভাবেই চিহ্নিত করেছেন। আমরা জানি যে, কোনো সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সমস্যার কারণ চিহ্নিত করা। বিএনপি কি বাংলাদেশে বিদ্যমান সংকটের উৎস খুঁজে বের করতে পেরেছে?

বাংলাদেশের এখন প্রধান সমস্যা হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। দেশের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা এক কথায় ভয়াবহ। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম নেতিবাচক দিক হলো দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা। মব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ জনজীবন। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর। কিন্তু ’২৪-এর পাঁচ আগস্টের পর বেশকিছু দিন পুলিশ ছাড়াই চলেছে দেশ। এ সময়ে সশস্ত্র বাহিনী দেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। সেনাবাহিনী যদি মাঠে না থাকত তাহলে দেশের পরিস্থিতি কি হতো তা ভাবলেই গা শিউরে ওঠে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ বাহিনী নতুন করে কাজ শুরু করে। গত ১৮ মাসে পুলিশ বাহিনীর মনোবল পুরোপুরি ফিরে আসেনি। এখনো পুলিশ বাহিনীর সদস্যের মধ্যে এক ধরনের নিষ্ক্রিয়তা লক্ষ করা যায়। গত ১৮ মাসে সেনাবাহিনীই ছিল মানুষের আশা-ভরসার প্রধান জায়গা। এমনকি ১২ ফেব্রুয়ারির শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রধান কৃতিত্ব সেনাবাহিনীর। নতুন সরকার গঠিত হলে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে। সেনাপ্রধান একাধিকবার একথা বলেছেন। সেনাবাহিনী ব?্যারাকে ফিরে গেলে কি এ হতোদ?্যম পুলিশ বাহিনী পারবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে?

গত ১৮ মাসে সারা দেশে গড়ে উঠেছে মব বাহিনী। এরা একসঙ্গে মিলেমিশে বাড়িঘর, দোকানপাট, ব?্যবসাপ্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানায় হামলা করছে। চাঁদা দাবি করছে। এদের হাতে দেশের জনগণ রীতিমতো জিম্মি। নতুন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হবে এ মব সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজদের নির্মূল করা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।

এ সময়ে হাজার হাজার মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক হত্যা মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় লাখ লাখ মানুষ আসামি। মামলাবাণিজ্য হচ্ছে প্রকাশ্যে। বড় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক- কে নয় হত্যা মামলার আসামি? অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সময়ে আশ্বাস দিলেও এসব মামলা প্রত্যাহারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। মামলাবাণিজ্যে মানুষ অসহায়। যারা সত্যিকারের অপরাধী তাদের বিচার অবশ্যই হতে হবে। মামলাবাণিজ্য করলে ন্যায়বিচারের পথও বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষ বিচারের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলবে। তাই নতুন সরকারের অন্যতম কাজ হলো মামলাবাণিজ্যের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করা। দেশের শিক্ষাঙ্গনে স্বাভাবিক পরিবেশ নেই। কথায় কথায় মারামারি, ক্লাস বন্ধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। শিক্ষার্থীরা ক্লাস না করে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করছে। এ নৈরাজ্য বন্ধ করতে হবে। নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ হবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা। শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে।

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংকিং খাতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারলেও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ। বেকারত্ব বেড়েছে। বহু কলকারখানা বন্ধ হয়ে আছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সবচেয়ে উপেক্ষিত ছিল দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড বেসরকারি খাত। বেসরকারি উদ্যোক্তারা অনিশ্চয়তা আর উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকই ব্যবসা বন্ধ রেখেছেন। অনেকেই সীমিত আকারে ব্যবসা করে নতুন সরকারের অপেক্ষায় আছেন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, চাঁদাবাজির ঘটনায় বেসরকারি খাতে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেক শিল্পোদ্যোক্তার বিরুদ্ধে বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়েছে। অনেককে আওয়ামী লীগের দোসর বানিয়ে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। বহু স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও শিল্পপতির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে তাদের মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে ইমেজ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। নতুন সরকারকে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই বেসরকারি খাতকে আস্থায় নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, ব্যবসায়ীদের কোনো দল নেই। তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। গত ১৮ মাসে বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল রেমিট্যান্স-নির্ভর। এভাবে একটা দেশের অর্থনীতি সচল থাকতে পারে না। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে খেলাপি ঋণ বেড়েছে, রপ্তানি কমেছে, বেসরকারি বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় বের করতে হবে নতুন সরকারকে। গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের আমলে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে তা উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।

আন্তর্জাতিক পরিম লে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বহু দেশ বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করেছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশ এখন ইমেজসংকটে। এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার সম্পর্ক তৈরি করতে হবে এখনই। জনশক্তি রপ্তানির কূটনীতির ওপর জোর দিতে হবে।

জুলাই আন্দোলনে আমাদের নারীসমাজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। কিন্তু গত ১৮ মাসে নারীদের অধিকার সংকটাপন্ন। দেশজুড়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। নারীরা মব সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। নতুন সরকারকে নারীবান্ধব সমাজ তৈরি করতে হবে খুব তাড়াতাড়ি।

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এখন হতাশা আর অনিশ্চয়তা। বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে। ক্রীড়া ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বন্ধু বাড়াতে হবে। খেলাধুলাকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে হবে বিএনপি সরকারকে।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমে চলছে আতঙ্ক আর ভয়। গত ১৮ মাসে বহু গণমাধ্যম আক্রান্ত হয়েছে। মবের শিকার হয়েছেন বহু সংবাদকর্মী। অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। অনেকেই কারাগারে আছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো এনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি পর্যন্ত দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টাকে। কিন্তু গণমাধ্যমের পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারকে অবশ্যই মুক্ত গণমাধ্যমের পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তরিক হতে হবে। সরকারের শুধু প্রশংসা করা গণমাধ্যমের কাজ নয়। সরকারের যে কোনো সমালোচনার সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে। এটা শেষ পর্যন্ত সরকারকেই সাহায্য করবে। এবারের নির্বাচনেও বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী বিরোধী দল পায়নি। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার প্রধান স্থান তাই গণমাধ্যম। ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধা, সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা গণতন্ত্রকেই কেবল সংহত করবে না বরং সরকারকেও জনপ্রিয় করবে।

এবারের নির্বাচনে বিএনপির মূল স্লোগান ছিল- সবার আগে বাংলাদেশ। অন্যদিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক উক্তি হলো- ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’। এ কথাটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে হবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের। মনে রাখতে হবে বিএনপি দলের সরকার নয়, জনগণের সরকার। যারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছে, যারা দেয়নি, সবার জন্য নিরাপদ বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে হবে এ সরকারকে। ক্ষমতায় এসেছি তাই সবকিছু আমাদের। আমরা যা খুশি তাই করব, এ ধরনের সর্বনাশা মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দলের ভিতরে অতি উৎসাহীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কিছু দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজ আছে যারা যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলে ভিড়ে যায়। এরাই ক্ষমতাসীন দলের বদনামের কারণ হয়। এদের কারণেই সরকারের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিএনপিকে এদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী কোনো দলের হতে পারে না। বাংলাদেশের অতীত ইতিহাস বলে, সবসময় ক্ষমতাসীন দলে কিছু চাটুকার তৈরি হয়। এদের অতিকথন কেবল জনবিরক্তি তৈরি করে না, সরকারকেও বিব্রত করে। লক্ষ রাখতে হবে, নতুন প্রধানমন্ত্রীকে যেন এসব চাটুকাররা জনবিচ্ছিন্ন না করতে পারে। অতীতের দিকে তাকিয়ে না থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে নতুন সরকারকে। প্রতিহিংসার রাজনীতির কবর রচনা করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। গণতন্ত্র সত্যিই মুক্ত হবে। যে গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছে বিএনপি।

এই বিভাগের আরও খবর
রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অনেক মানুষ কারাগারে ধুঁকছে
রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অনেক মানুষ কারাগারে ধুঁকছে
অপচয় অপব্যয় পরিহার
অপচয় অপব্যয় পরিহার
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকরের দাবি
সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকরের দাবি
থার্ড টার্মিনাল চালুতে ৯ মাস সময়
থার্ড টার্মিনাল চালুতে ৯ মাস সময়
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক
সর্বশেষ খবর
কমল স্বর্ণের দাম
কমল স্বর্ণের দাম

এই মাত্র | অর্থনীতি

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে থাকছে যেসব কার্যসূচি
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে থাকছে যেসব কার্যসূচি

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

গোলশূন্য মেসি, ন্যাশভিলের সঙ্গে মায়ামির ড্র
গোলশূন্য মেসি, ন্যাশভিলের সঙ্গে মায়ামির ড্র

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদের প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার নির্বাচন
সংসদের প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার নির্বাচন

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ
মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
চীন-ইরানের বন্ধুত্বে ব্যর্থ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক
পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি ইরানের, মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড
চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে তেহরানে দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে সিটিকে উড়িয়ে দিল রিয়াল
ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে সিটিকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ মার্চ)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকের বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় নিহত ১
ইরাকের বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শ্রীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন, দগ্ধ তিন
শ্রীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন, দগ্ধ তিন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমিরাত কারো সহজ শিকার নয়, প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ানের হুঁশিয়ারি
আমিরাত কারো সহজ শিকার নয়, প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ানের হুঁশিয়ারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভির পর্দায় আজকের যত খেলা
টিভির পর্দায় আজকের যত খেলা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা
১৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন
আজ রাজধানীর যেসব সড়ক এড়িয়ে চলবেন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ মার্চ ২০২৬

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দেড় লাখ টন ডিজেল
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দেড় লাখ টন ডিজেল

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সংকট সমাধানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব নেতাদের সাক্ষাৎ
সংকট সমাধানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব নেতাদের সাক্ষাৎ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটন বর্জ্য গবেষণায় ১.৫ কোটি টাকার অনুদান পেল বিইউএফটি গবেষণা দল
কটন বর্জ্য গবেষণায় ১.৫ কোটি টাকার অনুদান পেল বিইউএফটি গবেষণা দল

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পুনর্বাসন ও জীবিকা উন্নয়নে সিআরপি ও ডিআরআরএর পাশে ইউনিলিভার
পুনর্বাসন ও জীবিকা উন্নয়নে সিআরপি ও ডিআরআরএর পাশে ইউনিলিভার

৫ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

রমজান উপলক্ষ্যে ইউএই এইড ও জায়েদ ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
রমজান উপলক্ষ্যে ইউএই এইড ও জায়েদ ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জরুরি মজুদ থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ের ঘোষণা
জরুরি মজুদ থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ের ঘোষণা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইরানে সরকার পতন হচ্ছে না, ‘হার মেনে নিয়েছে’ ইসরায়েল: রয়টার্সের প্রতিবেদন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান
দুবাইকে যে কারণে 'চুরমার' করছে ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় অপরাগতা প্রকাশ মার্কিন নৌবাহিনীর

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের ‌‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে মহা আতঙ্কে ইসরায়েল

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?
অতি অহংকারে ইরানে হামলা, পতনের মুখে নেতানিয়াহু?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প
৪০ বছর ধরে ইরানের যে দ্বীপ দখলের স্বপ্ন দেখছেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল
ইরানি হামলায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন, মুখ খুলল ইসরায়েল

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব, পালালেন কর্মকর্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান
যুদ্ধ শেষ করতে তিন শর্ত দিল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প
ইরানে ‘আঘাতের মতো আর কিছু নেই’, যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার
ইরানের তোপে সুর নরম : আঞ্চলিক দেশগুলো তেহরানের শত্রু নয়, জানাল কাতার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: ৩৭তম ধাপে ইরানের অভিনব হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো
মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিল দুর্ধর্ষ নোপো কমান্ডো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা
হরমুজ প্রণালিতে কার্গো জাহাজে হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
ইসফাহান ঘাঁটিতে বেশ কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’
‘যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হরমুজ প্রণালীর সব জাহাজে কর বসাতে পারে ইরান’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার দাবি ইরানি হ্যাকারদের, বিশ্বজুড়ে পরিষেবা ব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান
মার্কিনি ও ইহুদিবাদিদের গোপন আস্তানা প্রকাশে মুসলিমদের প্রতি ইরানের আহ্বান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?
রাশিয়ার পরামর্শ আর কৌশলেই হামলা চালাচ্ছে ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি
গুগলসহ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পৃক্ত প্রযুক্তি কোম্পানি টার্গেট করবে আইআরজিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের
ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন হামলার ছক ছিল তেহরানের, দাবি এফবিআইয়ের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কেমন আছেন জানালেন প্রেসিডেন্টের ছেলে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
দুবাইয়ের বাসিন্দাদের খোলা জায়গা ও দরজা-জানালা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট বৃষ্টি, লণ্ডভণ্ড একাধিক বসতি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক
সংসদ অধিবেশনে আমন্ত্রণ পেলেন গুলিবিদ্ধ নাফিজকে বহনকারী রিকশাচালক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের
দুইজনকে অধিনায়ক করে দল ঘোষণা নিউজিল্যান্ডের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের
বিক্ষোভে নামলে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার হুঁশিয়ারি ইরান পুলিশের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি
আমরা শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
থাকছে না গণভোট : আগের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায়  প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার
১০ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় প্রতারক রাজিব গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসুন, চাঁদাবাজদের ধরুন

সম্পাদকীয়

কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন
কাউনিয়ার টুপিতে বদলে যাচ্ছে নারীর জীবন

পেছনের পৃষ্ঠা

যানজটে আটকে গেল ট্রেন
যানজটে আটকে গেল ট্রেন

নগর জীবন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংসদে কলমা তাইয়্যেবা

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে
জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রথম পৃষ্ঠা

জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা
জরিমানার টাকায় ঈদ সহায়তা

দেশগ্রাম

বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত
বগুড়ায় ভুয়াদের চোটপাটে প্রকৃত সাংবাদিকরা বিব্রত

নগর জীবন

ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি
ইমোশনাল ডোনারে বিপত্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে চট্টগ্রাম

নগর জীবন

হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি
হরমুজে যুদ্ধের প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট
ধীরে ধীরে কমছে ফ্লাইটজট

পেছনের পৃষ্ঠা

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পেলে আইনি ব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসা মৌচাক নিউমার্কেট

নগর জীবন

নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ
নাহিদ জাদুতে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি
কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার
স্ক্যান্ডালেই ডুবেছে ক্যারিয়ার

শোবিজ

পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের
পেট্রোল পাম্প বন্ধের হুঁশিয়ারি মালিকদের

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা
অপহরণকাণ্ডে ছেলে গ্রেপ্তার, পদ ছাড়লেন বিএনপি নেতা

নগর জীবন

সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ
সব আমলেই সুবিধা পেয়েছেন উপাচার্য ডা. জাওয়াদ

নগর জীবন

আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই
আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাতে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার
বাংলাদেশের প্রতি আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে ভারতকে পরামর্শ শ্রিংলার

নগর জীবন

বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা
বেড়েছে নগদ টাকার চাহিদা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি
ঈদ ‘ইত্যাদি’তে তমা মির্জা-হিমি

শোবিজ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু

নগর জীবন