শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৭, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
ইউনূস সরকারকে কীভাবে মনে রাখবে বাংলাদেশ

সুন্দর সকাল সব সময় সুন্দর দিনের বার্তা দেয় না। তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ সম্ভবত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার। আগামীকাল মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব নিতে চলেছে। ড. ইউনূসের অন্তর্র্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই। বিদায় নেবে সুশীলদের অনির্বাচিত সরকার। ১২ ফেব্রুয়ারির শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে মানুষ যত আনন্দিত, তার চেয়েও বেশি খুশি এ সরকার বিদায় নিচ্ছে, এ কারণে। মনে হচ্ছে বাংলাদেশ মুক্ত হবে একটি দমবন্ধ পরিবেশ থেকে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর, ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বিপুল জনপ্রিয়তা ও আন্তর্জাতিক সমর্থন নিয়েই যাত্রা শুরু করেছিল অন্তর্র্বর্তী সরকার। বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্য কোনো সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এত বিপুল জনসমর্থন পায়নি। দেশের মানুষ ড. ইউনূসের দিকে তাকিয়ে ছিল, তিনি দেশকে এগিয়ে নেবেন। বিশ্বের দরবারে নতুন বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর হবেন ড. ইউনূস- এটাই ছিল দেশবাসীর প্রত্যাশা।

বাংলাদেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে। দেশের মানুষ মুক্ত হবে। সবাই মন খুলে কথা বলতে পারবে। প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে। অর্থনীতিতে গতি আসবে। বিশ্ব বাংলাদেশকে দেখবে একটি উন্নত, আধুনিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে। এমন স্বপ্ন বুকে নিয়ে দেশের জনগণ ড. ইউনূসের সরকারকে বরণ করে নিয়েছিল।

কিন্তু গত ১৮ মাসে ড. ইউনূসের শাসনামলে বাংলাদেশের মানুষ আশাহত হয়েছে। অন্তর্র্বর্তী সরকার কাজ করেছে মানুষের স্বপ্নের বিপরীত। ড. ইউনূস জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেননি। বরং দেশ আরও বিভক্ত হয়েছে। প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলেছে দেশ।

ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেল জয়ী, বিশ্ব বরেণ্য ব্যক্তিত্ব। সবাই আশা করেছিল যে তিনি জাতির অভিভাবক হবেন। দেশের স্বার্থ দেখবেন সবার আগে। কিন্তু তাঁর শাসনামলে তিনি দেশের চেয়ে নিজের প্রতি বেশি মনোযোগী ছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন মামলা প্রত্যাহার হতে থাকে। অর্থ পাচার, শ্রম আইন লঙ্ঘনসহ একাধিক মামলা থেকে এত দ্রুত অব্যাহতির ঘটনা নজিরবিহীন। যেখানে সাধারণ নাগরিকদের বছরের পর বছর কোর্টে ঘুরতে হয়, সেখানে তাঁর মামলাগুলো এভাবে নিষ্পত্তি জনমনে প্রশ্ন তৈরি করে।

গ্রামীণ ব্যাংকের বিপুল অঙ্কের বকেয়া কর মওকুফ করা হয় এই সময়ে। শুধু তাই নয়, গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যতের আয়ও করমুক্ত করে নেওয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী কোনো সরকারের আমলে সম্ভব হয়নি। অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে, গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা কমিয়ে আনা হয়েছে।

২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে সরকারের অংশীদারি। অনুমোদন পেয়েছে ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’। গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের মাধ্যমে শ্রমবাজারে প্রবেশের পথ প্রশস্ত হয়েছে ড. ইউনূসের নিজস্ব লোকদের। গ্রামীণ টেলিকম পেয়েছে ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতি।

৭০০ কোটি টাকার সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল হস্তান্তর করা হয়েছে গ্রামীণ ট্রাস্টকে। কোনো টেন্ডার বা প্রতিযোগিতা ছাড়াই সোসাইটি ফর সোশ্যাল সার্ভিস (এসএসএস) পদ্ধতিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থ ট্রান্সফার করা হয়েছে গ্রামীণ ট্রাস্টে। একাধিক উপদেষ্টা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ লোকজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে, ছাত্র উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেও তার তদন্ত হয়নি।

উপদেষ্টাদের একান্ত ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শতশত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও তা নিয়ে লোক দেখানো তদন্ত ছাড়া কিছুই হয়নি। অভিযুক্তরা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অন্তর্র্বর্তী সরকার শেষ বেলায় এসে বোয়িং কেনাসহ বিভিন্ন অস্বচ্ছ ও দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি করেছে বলে অভিযোগ আছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, নিয়মনীতিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি করা হচ্ছে। উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীর মুখোশ পরিয়ে এই সরকারে ইউনূস সাহেব (প্রধান উপদেষ্টা) প্রকৃতপক্ষে বিদেশি কোম্পানি এবং বিদেশি রাষ্ট্রের লবিস্টদের নিয়োগ করেছেন।’ অন্তর্র্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হস্তান্তরের আগেই এদের কয়েকজন দেশ ত্যাগ করেছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এসব সুযোগসুবিধা নিয়ে প্রশ্ন উঠত না যদি দেশের জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারত। গত ১৮ মাস জনজীবন ছিল আতঙ্কের। মব সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি হয়েছিল মানুষ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্তর্র্বর্তী সরকারের বড় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। মব সহিংসতা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, নারী নির্যাতন ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি দেখা যায়নি। অনেক ক্ষেত্রেই এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৬-এ বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কিংবা প্রতিশ্রুত মানবাধিকার সংস্কারে ব্যর্থ হয়েছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বর্তী সরকার।

বাংলাদেশে গত দেড় বছরের বেশি সময়ে মানবাধিকার সংগঠক ও সংস্থাগুলোর কাছে বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া, কারা ও নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যু, আর মব সন্ত্রাস। এই সময়কালে বারবার সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা আলোচনায় এসেছে।

অন্তর্র্বর্তী সরকারের শুরু থেকেই সারা দেশে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও সূফি-দরবেশ-বাউলদের মাজার আক্রান্ত হতে শুরু করে।

অন্তর্র্বর্তী সরকারের পুরো সময়জুড়েই বিভিন্ন সময়ে নারীদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে নারী সংস্কার কমিশনের রিপোর্টকে ঘিরে নারীদের আক্রমণের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় নারীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে।

গত বছর মার্চে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই বলেছিলেন, ‘সম্প্রতি নারীদের ওপর যে জঘন্য হামলার খবর আসছে, তা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। এটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ এর যে স্বপ্ন আমরা দেখছি তার সম্পূর্ণ বিপরীত’।

নারীর সমতার ক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কাই এসেছে এ সরকারের সময়ে। কারণ সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

সরকারের শুরু থেকেই ঢালাও হত্যা মামলা এবং এসব মামলায় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে জড়িত করা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে অনেক হত্যা মামলা হয়েছে যা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং প্রশ্নবিদ্ধভাবেও অনেককে আটক রাখা হয়েছে, যার স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই। যেসব মামলায় বিচার হচ্ছে, তাও কতটা প্রভাবহীন ও স্বচ্ছ- সেই প্রশ্নও আছে।

অর্থনৈতিক সংকট গত ১৮ মাসে আরও গভীর হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে। আগের দুই মাসেও মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী ছিল। আট মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ঘরেই আটকে রয়েছে, যা মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। প্রকৃত আয় কমে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২২ সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার যেখানে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল, সেটি এখন বেড়ে ২১ শতাংশের ওপর চলে গেছে।

আর বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) বলছে, দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে এখন ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে পৌঁছেছে। দেশে বেকারত্ব বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে।

উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে গিয়ে দারিদ্র্যের হার বেড়ে গেছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। এই সময়ে খেলাপি ঋণ রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ২০২৫ সাল নাগাদ খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা দেশটির মোট ঋণের ৩৩ শতাংশেরও বেশি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন করেছে ড. অধ্যাপক ইউনূসের সরকার। ব্যাংক ঋণকে নিরুৎসাহিত করতে বাড়ানো হয় সুদের হার। সরকারের এমন নীতির কারণে গত দেড় বছরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগে খুব একটা আগ্রহ দেখাননি। বেসরকারি খাত এখন সবচেয়ে সংকটকালীন সময় অতিক্রম করছে। একে তো মামলা-হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে মিথ্যা হত্যা মামলা করা হয়েছে। কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই অনেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে হয়রানি করা হয়েছে, শুধু প্রতিহিংসার কারণে। জ্বালানিসংকট, উচ্চ সুদের হার কঠিন করে তুলছে ব্যবসা। হয়রানি আর মিডিয়া ট্রায়ালের কারণে বেসরকারি খাতে সৃষ্টি হয়েছে আস্থার সংকট। শিল্পোদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীরা যখন সরকারের দ্বারা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তখন আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এটা কেবল একজন ব্যবসায়ীকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করছে। ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা এখন চরম সংকটে।

গত ১৮ মাসে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। শিক্ষাঙ্গনে ক্লাস হয় না। শিক্ষাঙ্গনে মারামারি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। শিক্ষকরা ভয় পান শিক্ষার্থীদের। বহু শিক্ষক মবের শিকার হয়েছেন। চরম অপমানিত হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে গেছেন বহু শিক্ষক।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বহু দেশ এখন বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসা দিচ্ছে না। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক এখন তলানিতে। বাংলাদেশে পররাষ্ট্রনীতি যেন পথহারা। বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আজ চরম সংকটে।

গত ১৮ মাসে ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ছিল হতাশার চিত্র। রাজনীতির বিষবাষ্প থেকে খেলাধুলা মুক্ত রাখতে পারেনি অন্তর্র্বর্তী সরকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশের ক্রিকেটে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময়ে, সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও ছিল আতঙ্ক আর উদ্বেগ। উগ্রবাদীদের হুমকির মুখে বাতিল হয়েছে কনসার্ট, নাটক। হেনস্তার শিকার হয়েছেন শিল্পীরা।

গত ১৮ মাসে গণমাধ্যমে এক আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, ডেইলি সান, প্রথম আলো, ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মবের শিকার হয়েছেন গণমাধ্যম কর্মীরা। হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে বহু সাংবাদিককে। শুধু সরকারের সমালোচনা করার কারণে আনিস আলমগীরসহ অনেকেই কারাগারে। ভিন্নমতের ওপর প্রকাশ্যে আক্রমণের ঘটনায় সরকার ছিল নীরব।

ড. ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের আগে বলেছিলেন, বাংলাদেশ হবে একটি পরিবার। তিনি মন খুলে সরকারের সমালোচনা করতে বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিশ্ব আসবে আমাদের কাছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশ পরিবার হয়নি। কিছু মানুষের স্বেচ্ছাচারিতার কাছে জিম্মি হয়ে ছিল আঠারো মাসে। বিশ্বের দরজা বাংলাদেশের জন্য এখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

জুলাই আন্দোলন বাংলাদেশের মানুষের জন্য যে সুযোগ সৃষ্টি করেছিল, অন্তর্র্বর্তী সরকার তা নষ্ট করেছে। এই সরকারকে এদেশের অনেকেই মনে রাখবে দুঃস্বপ্নের কাল হিসেবে।

এই বিভাগের আরও খবর
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব
নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে
নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
সর্বশেষ খবর
তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা লাপোর্তার
তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যৎ গড়ার পরিকল্পনা লাপোর্তার

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
ঝিনাইদহে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ
শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা, নারী গুলিবিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
পাকুন্দিয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে ভুট্টাক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে কাঠুরিয়ার পা বিচ্ছিন্ন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়
মাদকের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: নিপুণ রায়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা
ইতিহাসের সেরা টি-টুয়েন্টি অলরাউন্ডার হলেন যারা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন পরবর্তী দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় মেতেছে জামায়াত: নবীউল্লাহ নবী

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস
কারও নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বদনামী করা বড় পাপ: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে সাত দিনে বাতিল ২৪৫টি ফ্লাইট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল
জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় হুমকি, নিরাপত্তা চায় ইরান নারী ফুটবল দল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লার ১৩ কলেজের পাঠদান স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক
শাবিপ্রবিতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৪ নির্মাণ শ্রমিক আটক

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার
১০ হাজার মানুষের সঙ্গে এমপি আনিসুর রহমানের ইফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল
তেহরান ও ইসফাহানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে জিরো টলারেন্স : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু
নিউমার্কেটে ছুরি দিয়ে নিজ গলায় আঘাত, যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি
৪২টি দাঁত নিয়ে গিনেস রেকর্ড গড়লেন মালয়েশিয়ার ব্যক্তি

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা
অভিনয়ে আসায় মেয়ের সঙ্গে এক বছর কথা বলেননি পাকিস্তানি অভিনেত্রীর বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
সিদ্ধিরগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার
বগুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট
২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও
মাঝ আকাশে উধাও ভারতের যুদ্ধবিমান, পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল
খুররমশাহর-৪: ইরানি এক ক্ষেপণাস্ত্রেই ‘৮০’ ওয়ারহেড, বিভ্রান্ত ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের
শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌ সেনাদের হত্যার বদলা নিতে হামলা ইরানের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?
ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা
বেঁধে দেওয়া হয়েছে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প
অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বৈঠক ডাকলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম
আগে উঠে সিট দখল, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে নতুন নিয়ম

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি
মিসাইল-ড্রোন হামলা থেকে পবিত্র দুই নগরীকে যেভাবে রক্ষা করে সৌদি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা
তিন ‘ভয়ংকর’ মিসাইল দিয়ে ২২তম ধাপে ইরানি হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?
মার্কিন রণতরীর মৃত্যু কি ঘনিয়ে আসছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত
একাই লড়লেন বেথেল, শেষ মুহূর্তে যেভাবে ম্যাচ জিতে নিল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে বেকায়দায় ৩ ইরানি জাহাজ, চাইল প্রবেশের অনুমতি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?
ইরানের মাটিতে আঁকা হেলিকপ্টারে হামলা চালিয়ে ধোঁকা খেয়েছে ইসরায়েল?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার সপ্তম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?
সব বিমান শক্তি ব্যয় করেও জিততে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রলীগও যে সাহস করেনি তা প্রকাশ্যে শিবির করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে মাঝ আকাশ থেকেই ফিরে গেল ফরাসি বিমান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের
শিগগির নতুন প্রজন্মের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসি মুখপাত্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন
ইরানের ইসফাহানে টিকতেই পারল না ইসরায়েলি ড্রোন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?
ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলোর খবর কি?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ
উইমেন’স এশিয়ান কাপ : উত্তর কোরিয়ার কাছেও হারলো বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে এক ডজন অভিযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন
হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় চীন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প
সম্ভাবনার রানি পর্যটনশিল্প

সম্পাদকীয়

উপদেষ্টাদের দুর্নীতি
উপদেষ্টাদের দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ
সচেতন মানুষের চাহিদায় সেঞ্চুরি এগ

সম্পাদকীয়

খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান
খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ সম্মান

সম্পাদকীয়

অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র

সম্পাদকীয়

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরাকে বাবা ছেলেসহ মৃত্যু তিন বাংলাদেশির
ইরাকে বাবা ছেলেসহ মৃত্যু তিন বাংলাদেশির

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানের তৃতীয় জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লির ঢল
রমজানের তৃতীয় জুমায় বায়তুল মোকাররমে মুসল্লির ঢল

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫ লাখ টাকার জাল নোটসহ মাইলস্টোনের দুই ছাত্র আটক
২৫ লাখ টাকার জাল নোটসহ মাইলস্টোনের দুই ছাত্র আটক

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক সচিব খায়রুল ও কাউন্সিলর বাপ্পির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা
সাবেক সচিব খায়রুল ও কাউন্সিলর বাপ্পির বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা

পেছনের পৃষ্ঠা

টিকিটের জন্য বাস কাউন্টারে নেই চিরচেনা ভিড়
টিকিটের জন্য বাস কাউন্টারে নেই চিরচেনা ভিড়

পেছনের পৃষ্ঠা

লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ দগ্ধ ১০
রাজধানীতে গ্যাস বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ দগ্ধ ১০

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের প্রশ্ন
আজকের প্রশ্ন

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে
নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব
নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব

প্রথম পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

সভাপতি মুমু সম্পাদক বিনয়
সভাপতি মুমু সম্পাদক বিনয়

দেশগ্রাম

ইয়াবার চালানসহ তিনজন গ্রেপ্তার
ইয়াবার চালানসহ তিনজন গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম