শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০২:০৩, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি

ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় তারেক রহমান
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
সম্প্রীতির নতুন রাজনীতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির এক নতুন রাজনীতি শুরু হয়েছে। ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গতকাল জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়ে সৌহার্দ ও সৌজন্যমূলক রাজনীতির এক অনুকরণীয় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। দেশের রাজনীতিতে এই প্রথম এমন সৌহার্দ ও শিষ্টাচারের নজির গড়লেন তিনি।

গতকাল সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমে যান বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত জামায়াত আমিরের বাসভবনে। এ সময় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান খুশিমনে ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে বরণ করে  নেন। তিনি বিএনপি চেয়ারম্যানকে মিষ্টিমুখও করান। এরপর দুই নেতা কুশলাদি বিনিময় ও দেশের রাজনীতির সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধের আশ্বাস দেন তারেক রহমান। এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানান জামায়াত আমির। এ সময় অন্যদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।

এরপর তারেক রহমান যান এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায়। রাজধানীর বেইলি রোডে (পুরোনো সার্কিট হাউসের পাশে) অবস্থিত নিজ বাসায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান নাহিদ ইসলাম। এরপর তাঁরা কুশলাদি বিনিময় করেন। উভয় নেতা আগামী দিনে দেশ পরিচালনায় নতুন সরকারের কার্যক্রমে কী কী বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন সেসব বিষয়ে আলোচনা করেন। তারেক রহমান তাঁদের নতুন সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। এ সময় নাহিদ ইসলাম সরকারের যেকোনো ইতিবাচক কাজে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, ময়মনসিংহ-১০ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান বাচ্চু, বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও দলের মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন। অন্যদিকে এনসিপির অন্য নেতাদের মধ্যে দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস : এদিকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। এতে তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানাচ্ছি। তিনি আজ আমার আবাসিক কার্যালয়ে এসেছিলেন। তাঁর এ আগমন আমাদের জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আমি তাঁর এ আগমনকে স্বাগত জানাই এবং প্রত্যাশা রাখি- সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।’ জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘আমি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি, যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। জামায়াত ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে মিলে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক শাসনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে।’ 

ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন, ‘আমাদের আলোচনায় তিনি (তারেক রহমান) আশ্বস্ত করেছেন যে, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। আমি এ আশ্বাসকে সাধুবাদ জানাই। আমাদের প্রত্যাশা, কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।’ বিপরীতে জাতীয় স্বার্থে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাসও দেন শফিকুর রহমান। তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে ১১-দলীয় জোট সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সব সময় আপসহীন থাকবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে আমাদের সমর্থন থাকবে, কিন্তু যেখানেই জবাবদিহির প্রয়োজন হবে, সেখানে আমরা সোচ্চার থাকব। আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয় বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয় বরং পর্যবেক্ষণ। দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এবং স্থিতিশীলতার সঙ্গে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

সরেজমিন দেখা যায়, গতকাল সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের আবাসিক কার্যালয়ে এলে বাসার নিচে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। পরে কার্যালয়ে প্রবেশ করলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। এরপর দুই শীর্ষনেতার বৈঠক শেষে গণমাধ্যমে কথা বলেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। এ সময় তিনি বলেন, অতীতে দুই দল একসঙ্গে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করলেও এবারের নির্বাচনে তারা আলাদাভাবে অংশগ্রহণ করেছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সরকার এবং বিরোধী দল সমন্বিতভাবে দেশের কল্যাণমূলক কাজ এবং একটি ‘গঠনমূলক ভবিষ্যৎ’ নিশ্চিত করতে পারবে। তারা একত্রে একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। তিনি জানান, আলোচনা যেসব বিষয় অগ্রাধিকার পায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং মানুষের নিরাপত্তা ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অর্থনীতি সচল রাখা এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা যেমন- খাদ্য ও শিক্ষার দিকে সরকারের নজর দেওয়া। তিনি আরও বলেন, সরকারের ইতিবাচক কাজে তারা সহযোগিতা করবেন, তবে জনস্বার্থবিরোধী কোনো ভূমিকা থাকলে তার প্রতিবাদ করবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘটা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ও হামলার বিষয়ে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে সরকার এ ব্যাপারে কঠোর ভূমিকা পালন করবে।

এই বিভাগের আরও খবর
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
সর্বশেষ খবর
বরিশাল নগরীতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নারী নিহত
বরিশাল নগরীতে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নারী নিহত

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,১২৩ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,১২৩ মামলা

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল আধুনিকায়নে কঠোর সিদ্ধান্ত
অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ ও টার্মিনাল আধুনিকায়নে কঠোর সিদ্ধান্ত

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন, পুড়ে মারা গেল ৪টি ছাগল
গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন, পুড়ে মারা গেল ৪টি ছাগল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘মাদকের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ, জিরো টলারেন্স’
‘মাদকের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ, জিরো টলারেন্স’

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ৪ কর্মকর্তার রদবদল
পুলিশের ৪ কর্মকর্তার রদবদল

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

পাংশায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
পাংশায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে : সিপিডি
ফ্যামিলি কার্ড নারীর ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে : সিপিডি

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো
যুদ্ধের ছায়া বিশ্বকাপে, তবু ‘বিশাল উৎসব’ দেখছেন ইনফান্তিনো

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

খুলেছে বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসের সেই ‘বন্ধ দরজা’
খুলেছে বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসের সেই ‘বন্ধ দরজা’

২১ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষের ১০ দিন পর ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষের ১০ দিন পর ইউনিয়ন জামায়াত আমিরের মৃত্যু

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রৌমারীতে সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচারের অভিযোগে স্টোরকিপার আটক
রৌমারীতে সরকারি ওষুধ ও সরঞ্জাম পাচারের অভিযোগে স্টোরকিপার আটক

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বড় চমক নিয়ে আসছে ‘ওয়েলকাম ফোর’
বড় চমক নিয়ে আসছে ‘ওয়েলকাম ফোর’

৩৮ মিনিট আগে | শোবিজ

৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাবরক্ষক গ্রেফতার
৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হিসাবরক্ষক গ্রেফতার

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের
চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন
ইরানের তোপে ফাঁকা মার্কিন টমাহক ভান্ডার, সংকটে পেন্টাগন

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’
‘ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে সুবিধাভোগী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কোনো দল বিবেচনা করা হয়নি’

৪৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও এক ইসরায়েলি নিহত

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২
কেরানীগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সহকর্মীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?
প্রতি গান রেকর্ডের জন্য কত টাকা নেন শ্রেয়া ঘোষাল?

৫৩ মিনিট আগে | শোবিজ

ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের
ওসি প্রদীপের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প
কুড়িগ্রামে দুর্গম চরাঞ্চলে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
টেকনাফে দুই ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা
চিলমারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ইটভাটাকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত
কুড়িগ্রামে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন
প্রথম ধাপে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড পেল ৪৯৬ জন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা
বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে ১৩১ কোটি রুপির পুরস্কার ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহু এখন কোথায়?
নেতানিয়াহু এখন কোথায়?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর
ঈদের ছুটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিল এনবিআর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে আরও একটি দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের
আলোচনা নয়, শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুঙ্কার ইরানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০
পূর্ব তেহরানে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় আহত ১৯১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক গভর্নরের পিএস কামরুলসহ দুজনের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক গভর্নরের পিএস কামরুলসহ দুজনের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা