শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০০:১৭, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সরকারের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হোক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা!

ইকবাল হোসেন চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
সরকারের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হোক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা!

জাতীয় নির্বাচনের পর একটি নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়। প্রত্যাশা হলো রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শনে দৃশ্যমান পরিবর্তন, নীতির অগ্রাধিকারে স্পষ্টতা এবং শাসনব্যবস্থায় জবাবদিহির পুনঃপ্রতিষ্ঠা। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন অর্থনীতি বহুমাত্রিক চাপে, মূল্যস্ফীতি দীর্ঘস্থায়ী, ব্যাংকিং খাতে আস্থাহীনতা প্রকট, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপের মুখে এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য গভীর, তখন নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিন হয়ে ওঠে একটি নীতিগত রিসেটের সময়।

এ সময় সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কিন্তু এ সময়ই বলে দেয় সরকার কোন পথে হাঁটবে, কাদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে এবং ভবিষ্যতের রাষ্ট্রদর্শন কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দায়িত্বশীল হবে। প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেবল বাজার তদারকি বা ভ্রাম্যমাণ আদালত যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন একটি সমন্বিত ইকোনমিক স্ট্যাবিলাইজেশন ফ্রেমওয়ার্ক,      যেখানে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও কৃষি খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ চেইনের দুর্বলতা আমদানি থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত ডেটাভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে।

সীমিত সময়ের জন্য শুল্ক-ভ্যাট সমন্বয়, কৃষি উৎপাদনে প্রণোদনা, সংরক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি মূল্যস্ফীতি কমাতে বাস্তব ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে সংকোচনমূলক কিন্তু ভারসাম্যপূর্ণ মুদ্রানীতি বাজারে তারল্য শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। সুদের হার নীতিতে ভারসাম্য আনতে হবে- একদিকে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অন্যদিকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান রক্ষা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সুদ হ্রাস কর্মসূচি অর্থনীতিতে গতি আনতে পারে।

ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। খেলাপি ঋণ, দুর্বল তদারকি এবং করপোরেট গভর্ন্যান্সের অভাব এ খাতকে দীর্ঘদিন ঝুঁকিপূর্ণ করে রেখেছে। প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই একটি স্বাধীন ব্যাংকিং সংস্কার কমিশন গঠন, প্রকৃত খেলাপি ঋণের পূর্ণ চিত্র প্রকাশ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বোর্ড কাঠামো গড়ে তোলা গেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি শক্ত বার্তা যাবে। অর্থনীতি শেষ পর্যন্ত জিডিপির সংখ্যায় নয়, আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। আর সেই আস্থাই এখন পুনর্গঠনের মূল চাবিকাঠি।

কর ব্যবস্থায় সংস্কারও বিলম্বিত হওয়ার সুযোগ নেই। বিলাসদ্রব্যে কর বাড়িয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে করছাড়, কর প্রশাসনের পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন এবং করজালের পরিধি সম্প্রসারণ রাজস্ব বাড়ানোর পাশাপাশি করদাতার হয়রানি কমাতে পারে। একই সঙ্গে বন্দর ব্যবস্থাপনায় অটোমেশন ও ২৪/৭ অপারেশন নিশ্চিত করা গেলে রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্ব ও আস্থার প্রশ্নটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ব্যবসা ও শিল্প খাতের মাদার সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি দীর্ঘদিন ধরে নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু যদি ব্যবসায়ী সমাজ মনে করে তাদের প্রতিনিধিত্ব প্রশ্নবিদ্ধ বা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দুর্বল, তাহলে অর্থনীতিতেও আস্থার সংকট তৈরি হয়। নতুন সরকারের উচিত প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই এফবিসিসিআইসহ সব বাণিজ্য সংগঠনের নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলকভাবে সম্পন্ন করা। এটি কেবল সাংগঠনিক বিষয় নয়, এটি একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক বার্তা।

স্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য আজ সামাজিক স্থিতিশীলতার বড় ঝুঁকি। শহরকেন্দ্রিক বিশেষায়িত সেবা বাড়লেও গ্রামীণ জনগোষ্ঠী এখনো মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। প্রথম ১০০ দিনেই উপজেলা পর্যায়ে টেলিমেডিসিন সংযোগ বাধ্যতামূলক করা, সরকারি হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহ ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা এবং একটি জাতীয় স্বাস্থ্য বিমা কাঠামোর খসড়া প্রকাশ করা গেলে দ্রুত ফল পাওয়া সম্ভব। স্বাস্থ্য খাত কেবল সামাজিক সেবা নয়; এটি উৎপাদনশীল অর্থনীতির ভিত্তি।

একইভাবে, ডিজিটাল রূপান্তরের পরবর্তী ধাপে বাংলাদেশকে শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারকারী নয়, প্রযুক্তি নির্মাতা রাষ্ট্রে পরিণত হতে হবে। জাতীয় সাইবার রেসপন্স কাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সাইবার অডিট এবং একটি সমন্বিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামোর কর্মপরিকল্পনা ছাড়া এ রূপান্তর নিরাপদ হবে না। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রস্তুতির জন্য উদ্ভাবন, গবেষণা, স্টার্টআপ ও দক্ষতা উন্নয়নকে একীভূত করে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন সময়ের দাবি।

সবশেষে, রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্প্রীতি ছাড়া কোনো সংস্কার টেকসই হয় না। প্রথম ১০০ দিনেই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া হলে বিভাজনের বদলে সমঝোতার বার্তা যাবে। নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে এ বিশ্বাস রাষ্ট্র সবার, নীতিও সবার জন্য।

প্রথম ১০০ দিন কোনো জাদুকরী সমাধানের সময় নয়। কিন্তু এটি একটি শক্ত ভিত নির্মাণের সুযোগ। যদি সরকার এ সময়টিকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র ও প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কারের সূচনা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, তবে জনগণের আস্থা পুনর্গঠিত হবে। বাংলাদেশ আজ সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সঠিক দিকনির্দেশনা ও দৃঢ় বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ ১০০ দিনই হতে পারে একটি দায়িত্বশীল ও টেকসই রাষ্ট্র নির্মাণের নতুন যাত্রাপথের সূচনা।

এ সময়ের মধ্যেই অর্থনীতির মৌলিক বিষয় ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ভিত্তি তৈরি করা প্রয়োজন। তাছাড়া ও প্রথম ১০০ দিনের কার্যক্রম এ নির্বাচনি মেনুফেস্টোর প্রতিফলন জনগণের জন্য আশার সঞ্চার করবে।

লেখক : ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাজুস; পরিচালক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক ও এমডি, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড।

এই বিভাগের আরও খবর
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব
নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে
নৈতিকতা ও সদাচরণ গড়তে হবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
সর্বশেষ খবর
‘স্বাগতিক ভারতকে ভয় পায় না নিউজিল্যান্ড’
‘স্বাগতিক ভারতকে ভয় পায় না নিউজিল্যান্ড’

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

টেকনাফে গাঁজাসহ আটক ৯
টেকনাফে গাঁজাসহ আটক ৯

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ
শাবিপ্রবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

উপসাগরে প্রবেশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ সাগরের নিচে যাবে, হুমকি ইরানের
উপসাগরে প্রবেশ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ সাগরের নিচে যাবে, হুমকি ইরানের

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের
২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত, দাবি ইরানের

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন
কৃষি সচিবের বারি পরিদর্শন

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন
নারীর অদৃশ্য শ্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে: ফারজানা শারমীন

২৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত
নির্বাচন নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই : ডা. শাহাদাত

২৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান
ইরানের নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আহ্বান

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ফুলগাজীতে মাদরাসা ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭
দিনাজপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এতিম শিশুদের নিয়ে এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের ইফতার মাহফিল
এতিম শিশুদের নিয়ে এসএসসি-১৯৮১ ব্যাচের ইফতার মাহফিল

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত
ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালো আরব আমিরাত

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের
ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা
চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার সিলগালা, জরিমানা

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস
রবিবার দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক
বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক

৩৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড
গাজীপুরে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ
ফাইনালে অভিষেককে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিলেন কাইফ

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা বললেন এরদোয়ান

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ফেনীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান
ক্রিকেটারদের জরিমানা নিয়ে যা বললেন রিজওয়ান

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
বাউবির বিএমএড ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন

৪৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৪৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার
গণতান্ত্রিক-স্থিতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত: হাইকমিশনার

৪৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট
কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্ট্যান্ডে তীব্র যানজট

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল
নারায়ণগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক
চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
ইরান সংঘাত: ব্রিটিশ ঘাঁটিতে নামল মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ
চীনকে দোলাচলে ফেলছে ইরান যুদ্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ
নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের বিরল ফোনালাপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?
ইরানি ২১তম ধাপের মিসাইল হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি হলো কতোটা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দীর্ঘ যুদ্ধের বার্তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির
২৩তম ধাপের হামলা শুরুর ঘোষণা আইআরজিসির

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান
যেসব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর
ফোর স্টারের নিয়ন্ত্রণে মিরপুর

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি
মাহফুজ-তাজনুভার নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অলটারনেটিভস-এর কমিটি

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন
ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুতিন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’
‘প্রতিবেশী দেশ থেকে হামলা না হলে আর আক্রমণ করবে না ইরান’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে হারাতে না পারলেও যেভাবে টিকে থাকার পরিকল্পনা ইরানের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ
‘ইরানি হামলার’ বিষয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লীগ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই
ইসরায়েলি হামলাকে পাত্তাই দিচ্ছে না ইরানীরা: খুলছে অফিস, হচ্ছে স্বাভাবিক সবকিছুই

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের
কারা নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?
ইরানি সেই জাহাজের কাউকে ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চাপ যুক্তরাষ্ট্রের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অসাধারণ ভুল’ : পেদ্রো সানচেজ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
আশা করি ইরান ‘ভুল হিসাব’ করা থেকে বিরত থাকবে: সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত
ইরানে ভূমিকম্প অনুভূত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে ইউরোপীয়রা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
টানা পাঁচ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক
ইরানে স্থল অভিযান ‘সুস্থ মানুষের কাজ নয়’: মার্কিন বিশ্লেষক

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি
বাংলাদেশি হোটেল বন্ধ করে দিল আবুধাবি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা
ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিলেন শীর্ষ কুর্দি নেতা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়
সাইরেন বাজলেই দৌড়: মাটির নিচে বন্দিদশায় কাটছে ইসরায়েলিদের সময়

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?
ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার অষ্টম দিনে কী ঘটছে?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?
ইরানের ভেতর থেকে এখনো কোন কোন বিদেশি গণমাধ্যম কাজ করছে?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল
পরিবেশের ইতিহাসে ‘কুখ্যাত’ এক শাসনকাল

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি
জামায়াতকে উদারতা দেখিয়েছি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা
বিদ্যুতে উপদেষ্টা ফাওজুলের চরম স্বেচ্ছাচারিতা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?
বিশ্বকাপে সেরার দৌড়ে কারা?

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই
যুদ্ধের ভয়াবহতা বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলন রাজপথে গড়াবে
আন্দোলন রাজপথে গড়াবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা
প্রথা ভেঙে নারী পুরোহিত তমা ও সমাদৃতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প
দাদনে নিঃস্ব প্রান্তিক পোলট্রি শিল্প

নগর জীবন

বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই
বাড়ছে নৃশংসতা ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’
আজব বৃক্ষ ‘জোশুয়া’

পরিবেশ ও জীবন

খননেও পানি নেই নদীতে
খননেও পানি নেই নদীতে

নগর জীবন

আট উপদেষ্টার কী হবে
আট উপদেষ্টার কী হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি
বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে
বগুড়ার সেমাইয়ের কদর বাড়ছে দেশজুড়ে

নগর জীবন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্র ফিরেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি
পাখি তাড়াতে ভিন্ন পদ্ধতি

শনিবারের সকাল

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা
ইরানের পর ট্রাম্পের টার্গেট কিউবা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো
ক্ষণিক সৌন্দর্যের অনন্ত আলো

পেছনের পৃষ্ঠা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশিকে নিয়ে গেছে এফবিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স
ছুটির দিনে জমজমাট বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স

নগর জীবন

তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি
তালপাতায় শিক্ষার হাতেখড়ি

শনিবারের সকাল

প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ
প্রেস জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

দেশগ্রাম

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা
পরিকল্পনায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

প্রথম পৃষ্ঠা