শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩০, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬

মহাভোগান্তিতে বিমানযাত্রীরা

♦ শাহজালাল ও শাহপরানে ১৮২ ফ্লাইট বাতিল ♦ দেশে ফিরেছেন দুবাইয়ে আটকে পড়া ৩৯ পাইলট ও কেবিন ক্রু
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
মহাভোগান্তিতে বিমানযাত্রীরা

চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে গতকাল পর্যন্ত চার দিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও শাহ আমানত বিমানবন্দরে ১৮২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল ঢাকায় ৩৮ এবং শাহ আমানতে ৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ ছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্যের ছয় রুটের সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। রুটগুলো হলো দাম্মাম, দোহা, দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ এবং কুয়েত। বিমান জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিমানের এ ফ্লাইটগুলো স্থগিত থাকবে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থায় আকাশপথের চরম অস্থিতিশীলতার মধ্যে দুবাইয়ে আটকে পড়া ৩৯ জন পাইলট ও কেবিন ক্রুকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় মহাভোগান্তিতে পড়েছেন বিমানযাত্রীরা। বিমানবন্দরে হাজার হাজার প্রবাসী দীর্ঘ প্রতীক্ষায় থাকছেন। সঙ্গে আছেন তাঁদের পৌঁছে দিতে আসা স্বজনরাও। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত যাত্রীরা ঢাকায় থাকবেন নাকি নিজ জেলায় ফিরবেন, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। সরকারের পক্ষ থেকে যাত্রীদের জন্য নানান ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সংকট কাটছে না। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িক বন্ধসহ উদ্ভূত নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে। গতকাল দুপুরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যগামী অনেক যাত্রীকে বাড়ি ফেরত যেতে দেখা যায়। আবার অনেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁরা বলছিলেন, বাতিল হওয়া ফ্লাইট আবার কবে কখন চালু হবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু জানেন না। তাই অপেক্ষা করছেন।

এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ভারতের মুম্বাই, ওমানের মাসকাট হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে যাওয়ার কথা ছিল বাংলা?দে?শি অনেক যাত্রীর। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের ফ্লাইট ধরতে ভো?রে চ?লে আসা যাত্রী?দের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। বিমানবন্দরে বোর্ডিং পাসের সময় বলা হয়-যাওয়া যাবে না।

এ সময় দুবাইগা?মী যাত্রী দীপু চন্দ্র শীল সাংবা?দিক?দের বলেন, ‘মৌলভীবাজার ট্রাভেলস থেকে টিকিট নিয়েছি। সোমবার রাতেও তারা বলেছে, যাওয়া যাবে। কিন্তু এখানে আসার পর আমাকে বলা হয়েছে, যাওয়া যাবে না। আমার ফ্লাইট নাকি ইন্ডিয়ার পর আর মাসকাট যাবে না। ফ্লাইট বাতিল বলতেছে।’

একই অবস্থা কাতার এয়ারলাইনসের ফ্লাইটেও। কাতার হয়ে যাঁরা সৌদি আরবের রিয়াদ যাওয়ার কথা, তাঁদের ফ্লাইট বাতিল করা হ?য়ে?ছে। এ সময় রফিকুল ইসলাম না?মে কাতার এয়ারলাইনসের এক যাত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবে কাজ ক?রি, ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশে এসেছিলাম। ১৭ মার্চ পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ আছে। আসার সময় আপ-ডাউন টিকিট কেটে দিয়েছিল কোম্পানি। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এখন কোম্পানির পক্ষ থেকে রিয়াদগামী বিকল্প উড়োজাহাজে টিকিটের ব্যবস্থার চেষ্টা চলছে। শেষ পর্যন্ত যেতে পারি কি না জা?নি না।’

এভাবে ইরানের স?ঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। ফ্লাইট বাতিলের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা। আগাম ফ্লাইট শি?ডিউল বাতিল ঘোষণা না করায় এক ?দিন আগে টিকিট কি?নেও যাত্রীরা বিপা?কে পড়ছেন। তাঁ?দের অভি?যোগ, ফ্লাইট বা?তিল হ?লে আগে ঘোষণা করা উচিত। হয়রা?নি ব?ন্ধে তাঁরা বিমান কর্তৃপ?ক্ষের হস্ত?ক্ষেপ কামনা ক?রে?ছেন।

জানা গেছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দেয়। ফলে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়। বিমানবন্দর সূত্র জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়। ১ মার্চ এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪০-এ। ২ মার্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়। আর গতকাল মধ্যরাতের পর বিভিন্ন এয়ারলাইনস আরও ৩৮টি ফ্লাইট বাতিল করেছে।

গতকাল বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, গালফ এয়ার, ফ্লাইদুবাই এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চারটি করে ফ্লাইট। এ ছাড়া কুয়েত এয়ারওয়েজের দুটি, জাজিরা এয়ারওয়েজের চারটি এবং এয়ার অ্যারাবিয়ার ১২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে। উপসাগরীয় অঞ্চলের রুটগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা ইউরোপ, আমেরিকা ও অন্যান্য গন্তব্যে ভ্রমণকারী বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য প্রধান ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৩৯ পাইলট ও কেবিন ক্রুকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থায় আকাশপথের চরম অস্থিতিশীলতার মধ্যে দুবাইয়ে আটকে পড়া ৩৯ জন পাইলট ও কেবিন ক্রুকে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে এনেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।

দীর্ঘ ৪৮ ঘণ্টার বেশি অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকার পর একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাঁদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা হয়। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা এটিই ছিল একমাত্র বাংলাদেশি ফ্লাইট।

জানা গেছে, আকাশপথের সীমাবদ্ধতার কারণে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৩৭ (ফ্লাইট ইঝ৩৪৪) দুবাইয়ে অবস্থান করতে বাধ্য হয়। সে সময় দুবাই বিমানবন্দরের কার্যক্রম সীমিত থাকায় ৩৯ জন পাইলট ও কেবিন ক্রু সেখানে আটকা পড়েন। পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় ইউএস-বাংলার দুবাই স্টেশন ও ঢাকা প্রধান কার্যালয় দুবাই বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে একটি নিরাপদ করিডর নিশ্চিত করার চেষ্টা চালায়।

অবশেষে স্বল্প সময়ের জন্য বিশেষ অনুমতি পাওয়া গেলে, সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় যাত্রীবিহীন ফ্লাইটে ওই ৩৯ জনকে নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে বিমানটি। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিকূল ও অনিশ্চিত সময়েও যাত্রী, পাইলট ও ক্রুদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সঠিক সমন্বয় ও অকুতোভয় দায়িত্ববোধের কারণেই এ উদ্ধার অভিযান সফল হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
আসন নয়, মানুষের অধিকারের জন্য রাজনীতি করি
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
সরকারের বৈধতার ভিত্তি হলো জুলাই গণ অভ্যুত্থান
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াতের তাহের ও রফিকুলের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
সর্বশেষ খবর
কয়েক দিনের মধ্যে ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
কয়েক দিনের মধ্যে ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু
মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জ্বালানি তেলের সংকট বেশি এশিয়ায়
জ্বালানি তেলের সংকট বেশি এশিয়ায়

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে শেকৃবিতে ইফতার
গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে শেকৃবিতে ইফতার

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প
মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাঙামাটিতে এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ
রাঙামাটিতে এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চকরিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে ২ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু
চকরিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে ২ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন
নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টঙ্গীতে বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
টঙ্গীতে বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খাগড়াছড়িতে ফিলিং স্টেশন ও ফলের বাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান
খাগড়াছড়িতে ফিলিং স্টেশন ও ফলের বাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ থেকে মালাক্কা: প্রণালীই কেন আধিপত্যের হাতিয়ার?
হরমুজ থেকে মালাক্কা: প্রণালীই কেন আধিপত্যের হাতিয়ার?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী
জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনগণের কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে: নিপুণ রায় চৌধুরী
জনগণের কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে: নিপুণ রায় চৌধুরী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরই প্রথম যে পদক্ষেপ নিলেন মোজতবা খামেনি
নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরই প্রথম যে পদক্ষেপ নিলেন মোজতবা খামেনি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার
গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ চলবে আর কত দিন? মুখ খুললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ চলবে আর কত দিন? মুখ খুললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ আপডেট
ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ আপডেট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল
হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)
যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের এক সপ্তাহ পরে ইরানের বাসিন্দারা যেভাবে আছেন, যা বলছেন
যুদ্ধের এক সপ্তাহ পরে ইরানের বাসিন্দারা যেভাবে আছেন, যা বলছেন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যা বললেন ট্রাম্প
লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যা বললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের
সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইসরায়েলের দিকে ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইসরায়েলের দিকে ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজ ভূখণ্ডে যুদ্ধবিমান উড়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সৌদি আরব
নিজ ভূখণ্ডে যুদ্ধবিমান উড়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সৌদি আরব

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন
ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা
বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের
সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদি হত্যা : গ্রেফতার দুজনকে দেশে ফেরানো প্রসঙ্গে যা বললেন আইজিপি
হাদি হত্যা : গ্রেফতার দুজনকে দেশে ফেরানো প্রসঙ্গে যা বললেন আইজিপি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে
পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

রিহানার বাড়িতে গুলি
রিহানার বাড়িতে গুলি

শোবিজ

কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

পেছনের পৃষ্ঠা

ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ
ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ

পেছনের পৃষ্ঠা

ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর ছিনতাই
ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা