শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০১:৩৭, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ, ২০২৬

হুমকির মুখে শ্রমবাজার

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে অনেক দেশের দুয়ার, ফিরে আসতে হবে বহু শ্রমিককে
মানিক মুনতাসির
প্রিন্ট ভার্সন
হুমকির মুখে শ্রমবাজার

ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে ভয়, আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত বাংলাদেশি কর্মীদের। এরই মধ্যে কয়েকজনের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের চলমান অনেক প্রকল্পের কাজ বন্ধ রেখেছেন। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টেও হামলা হয়েছে একাধিকবার। কবে নাগাদ সেগুলো আবার চালু হবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মরত বাংলাদেশিরা রয়েছে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে। এতে আবার নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার। এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে অনেক দেশের দুয়ার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কভিড-১৯ এর পর আর কখনই চাঙা করা সম্ভব হয়নি মধ্যপ্রাচ্যের বাংলাদেশের শ্রমবাজার। স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর শাসনের ১৮ মাসেও এর কোনো উন্নতি করতে পারেননি। বরং এ অঞ্চলের অনেক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে সে অঞ্চলে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত নতুন সরকার দেশ পরিচালনের দায়িত্বে আসায় কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু সেখানে গুড়ে বালি ঢেলে দিয়েছে ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ। চলমান এই যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, আমিরাত, ইরাক, লিবিয়া, কাতার, কুয়েত সব কটি দেশই এই যুুদ্ধে আক্রান্ত। যার ফলে দেশগুলোতে চলছে অচলাবস্থা। ফলে আবারও হুমকির মুখে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে অনেক দেশের দুয়ার। এতে ফেরত আসতে হতে পারে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিককে। তারা আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারে।

দুবাইয়ের একটি বেসরকারি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রে কর্মরত নওরীন মেহজাবীন দীতি নামে বাংলাদেশি একজন ডেন্টিস্ট জানান, দিনরাত তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। কখন মাথার ওপর মিসাইল কিংবা ড্রোন এসে পড়বে সেই আতঙ্ক তাড়া করছে সারাক্ষণ। তিনি বলেন, দুই দিন ধরে কাজেও যেতে পারছি না। কবে যে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হবে তা কেউই বলতে পারছে না। দেশে আসব সে অবস্থাও এখন নেই বললেই চলে। সূত্রমতে, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। বর্তমানে ১ কোটির বেশি প্রবাসী শ্রমিকের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের টাকায় সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। তবে সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এই স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সংঘাতের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত ফ্লাইটগুলো স্থগিত করা হয়েছে। ছুটিতে দেশে আসা হাজার হাজার প্রবাসী এখন কর্মস্থলে ফেরা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যায়ে থাকলেও কোম্পানি মেয়াদ বাড়াচ্ছে না, যা তাদের জীবিকাকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। এর সমাধান কোথায় এবং কতদিনে মিলবে তাও বলা যাচ্ছে না। এমনকি সেসব দেশের সরকার বা কর্তৃপক্ষও এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। হামলার শিকার হলেও পাল্টা আঘাত হানতে পারছে না। কেননা পাল্টা আঘাত হানতে গেলে যুদ্ধের তীব্রতা আরও বেড়ে যেতে পারে। যার ফলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়বে এবং যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশের শ্রমবাজার এবং অভিবাসন খাতে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে চরমভাবে। যেহেতু আমাদের অর্থনীতি অনেকটা রেমিট্যান্সের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তাই প্রবাসী কর্মীরা যদি টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেয় বা গণহারে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়, তবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের টান পড়বে। এমনিতেই জ্বালানি খাতের সংকট ও খাদ্য সংকট মোকাবিলায় গত কয়েক বছরে দেশের আমদানি ব্যয় বেড়েছে হুহু করে। এ ছাড়া বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ প্রায় তিনগুণ হয়ে গেছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয়ের মাত্রা বেশি। জানা গেছে, ইতোমধ্যেই সরকার একটি বিশেষ ‘সেল’ গঠন করেছে যাতে যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তবে পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় বিমানবন্দরগুলোতে আটকে পড়া প্রবাসীরা দ্রুত এবং নিরাপদ যাত্রার নিশ্চয়তা দাবি করছেন। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকার অবশ্য বাংলাদেশ সরকারের এমন আহ্বানে এখন কোনো সাড়া দেয়নি।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশের শ্রমবাজার অনেকটাই মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক। আমাদের মোট অভিবাসীর ৬৭ শতাংশই যায় সৌদি আরবে। শ্রমবাজারের দ্বিতীয় স্থানে কাতার, চতুর্থ কুয়েত, ষষ্ঠ আরব আমিরাত এবং সপ্তম স্থানে রয়েছে জর্ডান। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি দেশেই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বড় ঝুঁকিতে পড়েছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার। বৈশ্বিক মন্দা বা অর্থনৈতিক অস্থিরতার সময়ও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে রেমিট্যান্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০২৫ সালে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩২.৮ বিলিয়ন ডলার, যা অন্য যেকোনো বছরের চেয়ে বেশি।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রাফিউদ্দীন আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এই যুদ্ধের পরিণতি কী হতে পারে সেটা এখনই বলা কঠিন। তবে যুদ্ধটা যদি আরও দুই সপ্তাহ দীর্ঘায়িত হয় তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যই অচল হয়ে পড়বে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও সংকটে পড়বে। ফলে এই যুদ্ধে যুক্ত না থেকেও ভয়াবহ ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ পড়বে বলে তিনি মনে করেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবির এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘যারা প্রবাসে আছেন, তারা আমাদের টপ মোস্ট প্রায়োরিটি। বর্তমান সংকটে যাদের টিকিট রিইস্যুর ব্যাপার আছে বা ভিসাসংক্রান্ত ব্যাপার আছে, আমরা সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেব। এই সরকার জনগণের সরকার। অ্যাফেক্টেড দেশগুলোতে আমাদের যেসব প্রবাসী আছেন, তাঁদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে যা কিছু করা দরকার, তা সরকার করবে।’

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ঝুঁকিতে পড়েছে। যাঁরা এসব দেশে কাজের জন্য অবস্থান করছেন, তাঁরা আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। এখন দেখার বিষয় যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় কি না। সেটা হলে যারা অবস্থান করছেন, তারা চাকরিচ্যুত হতে পারেন। নতুনদের সুযোগ কমে যাবে। স্বাভাবিকভাবেই রেমিট্যান্সেও বড় ধরনের ধাক্কা আসবে বলে তিনি মনে করেন।

এই বিভাগের আরও খবর
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছে বিএনপি
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছে বিএনপি
জ্বালানি সংকটে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
জ্বালানি সংকটে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
দুই দিনে বিএনপির সহস্রাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
দুই দিনে বিএনপির সহস্রাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ইসরায়েলের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
ইসরায়েলের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই নিহত আরও ৩৩
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই নিহত আরও ৩৩
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
সর্বশেষ খবর
হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়ে সংসদে কথা বলব: এসএম জিলানী
হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়ে সংসদে কথা বলব: এসএম জিলানী

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর, বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ
সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধিদলের সফর, বিনিয়োগ নিয়ে আশাবাদ

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার
কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ
ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ

২৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন
বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার
কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ
বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি
সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি

৪৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা
নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক
দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন
গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন
বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ
টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত
মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’
নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন
খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল
নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ
রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার
বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা
সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম