শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ১৬:৪৬, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
উড়ন্ত আশিক কি ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার?

২০২৪ সালের ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের মেমফিসে ৪১ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ন্ত বিমান থেকে লাফ দেন চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। বাংলাদেশের পতাকা হাতে নিয়ে তাঁর ওই স্কাইডাইভ গিনেস বুকে বিশ্ব রেকর্ডের স্বীকৃতি পায় গত বছরের ১ জুলাই। এর কয়েক মাস পর ১২ সেপ্টেম্বর চৌধুরী আশিক বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। আত্মবিশ্বাসে ভরপুর আশিক চৌধুরী নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর বিনিয়োগ বিষয়ে একের পর এক প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডে উদ্যোগী হন।

১৮ মাস আগে যখন ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার বিদেশ থেকে আশিক চৌধুরীকে ডেকে এনে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান বানাল, তখন তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল এক অদ্ভুত রকমের ভক্তিবাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ইংরেজি বলার ঢং, স্মার্ট চেহারা আর আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হয়ে গেল ‘আশিক ম্যাজিক’-এর  গল্প। বলা হচ্ছিল, এই মানুষটাই নাকি বিদেশি বিনিয়োগের বন্যায় ভাসিয়ে দেবে দেশ। কিন্তু দেড় বছর পার হয়ে যাওয়ার পর এখন প্রশ্ন উঠছে, সেই ম্যাজিকের বেলুনটা কি আদৌ কখনো হাওয়ায় ভেসেছিল, নাকি শুরু থেকেই সেটা ছিল একটা ফাঁপা প্রচার? অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিডার চেয়ারম্যান যতটা না দেশের স্বার্থে কাজ করেছেন, তারচেয়ে অনেক বেশি দৌড়ঝাঁপ করেছেন, ড. ইউনূসের ইমেজ বৃদ্ধি এবং সামাজিক ব্যবসা সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান যেন হয়ে ওঠেন গ্রামীণের বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং ম্যানেজার। আশিক মাহমুদের বিডার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তথ্যের দিকে তাকালে হতাশ হতেই হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে মাত্র ৫৫ কোটি ডলার, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। করোনাকালেও এর চেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছিল। নিট এফডিআই বেড়ে ১৬৯ কোটি ডলার হলেও সেটার বড় অংশ এসেছে আগে থেকে থাকা কোম্পানিগুলোর পুনর্বিনিয়োগ আর ঋণ থেকে, নতুন বিনিয়োগকারী আসেনি বললেই চলে। বিডায় নিবন্ধিত বিনিয়োগ প্রস্তাব কমেছে ৫৮ শতাংশ। করোনার সময়ে যেখানে ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব নিবন্ধিত হয়েছিল, সেখানে গত অর্থবছরে হয়েছে মাত্র ৬৬ হাজার কোটি টাকার। আর চলতি বছরের ১০ মাসে নিবন্ধিত প্রকল্পের সংখ্যা নেমে এসেছে ৮১৪টিতে, যেখানে আগের বছর ছিল ১ হাজার ১১৩টি। মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে ১৯ শতাংশ। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ছয় মাস ধরে ৭ শতাংশের নিচে, যেখানে আগে ছিল ১০ শতাংশের বেশি। গত বছর এপ্রিলে বড় ধুমধাম করে বিনিয়োগ সম্মেলন হলো। ৫০টি দেশের চার শতাধিক প্রতিনিধি এলেন, ঘোষণা এলো প্রায় ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাবের। সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে গেল প্রশংসায়। কিন্তু সেই ঘোষিত বিনিয়োগ এখন কোথায়? দেশের যেকোনো বড় উদ্যোক্তা একাই তিন-চার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন, কিন্তু তাদের তো আহ্বানই জানানো হলো না ঠিকমতো। যাদের নিয়ে এত গর্জন, তারা কেউই এখনো টাকা নিয়ে হাজির হননি। গর্জনটা তীব্র ছিল, বর্ষণ হয়নি মোটেই। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আসল সমস্যাগুলো তো সমাধান হয়নি একটুও। ব্যাংক খাত ধসে আছে, বেশ কিছু ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। ঋণের সুদের হার ১৫ শতাংশের বেশি, যেখানে ভিয়েতনাম বা ভারতে এটা অনেক কম। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট এখনো প্রকট, মানসম্মত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠানামার সময় বেশি, ডিজিটাইজেশন সীমিত। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তীব্র। হামলা-মামলা চলছে দেশের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে, আস্থা একেবারে তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরাই তাদের পুঁজি ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন, তারা অপেক্ষা করছেন একটা নির্বাচিত সরকারের, যেটা তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা দিতে পারবে। সেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কেন আসবেন? বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, নির্বাচিত সরকার ও স্থিতিশীলতা ছাড়া বড় বিনিয়োগ আসা কঠিন।

২০২৪ সালে ভারত পেয়েছে ২৭ বিলিয়ন ডলার, ইন্দোনেশিয়া ২১ বিলিয়ন, ভিয়েতনাম ২০ বিলিয়ন। আর বাংলাদেশ পেয়েছে মাত্র দেড় বিলিয়ন। এমনকি পাকিস্তানও বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে। দুই বছর আগে যে পাকিস্তান বাংলাদেশের পেছনে ছিল, তারাই এখন এগিয়ে। এই তুলনা করলে আশিক চৌধুরীর ‘মিরাকল’-এর দাবি কতটা ফাঁপা, সেটা পরিষ্কার হয়ে যায়।

বিডার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অতীতে অনেক ভুয়া বা অকার্যকর নিবন্ধন হতো, সেগুলো বন্ধ করায় সংখ্যা কমেছে। কিন্তু এটা তো একটা দায় এড়ানোর চেষ্টা মাত্র। প্রকৃত বিনিয়োগ না এলে নিবন্ধনের মান উন্নত করার দাবিতে কোনো মূল্য নেই। মানুষ চায় কাজ, চায় কর্মসংস্থান, চায় কারখানা চালু হোক। শিল্প-কারখানা বন্ধ হচ্ছে, কর্মসংস্থান কমছে, এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে।

আশিক চৌধুরীর তৎপরতা মূলত ঘিরে আছে বড় বড় অবকাঠামো চুক্তি আর বন্দর লজিস্টিকসের চুক্তি নিয়ে। চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার বিতর্ক তাকে তাড়া করছে। দেশের সম্পদ যেভাবে হাতবদল হচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে দেশটা বিক্রির নীল নকশা বাস্তবায়ন করতেই তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নীতিগত সংস্কার বা ব্যবসায়িক পরিবেশের প্রকৃত উন্নতির চেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে ‘হাই-ভ্যালু ডিল’ আর চমকপ্রদ ঘোষণায়। প্রচারে গর্জন তীব্র, বাস্তবে বর্ষণ শূন্য।

মাসরুর রিয়াজ বলেছেন, আমলাদের বাইরে থেকে একজনকে আনা হয়েছিল সাহসী সংস্কারের আশায়। কিন্তু দেড় বছরে কোনো বড় কাঠামোগত সংস্কার হয়নি। উদ্যোগ ছিল, কর্মস্পৃহাও ছিল, কিন্তু সেগুলোকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়া হয়নি। আর এখন আশিক চৌধুরী নিজেই একটা প্রশ্নবিদ্ধ ব্যক্তিত্ব। তার আনা বিনিয়োগ কোথায় গেল? সেই ঘোষিত তিন হাজার কোটি টাকা কোথায়? দেশে কোনো নতুন কারখানা, কোনো নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হলো না, কিন্তু তার নিজের ‘বেলুন’ বেশ ভালোই ভরছে বলে মনে হচ্ছে। বিনিয়োগ আসছে না, অর্থনীতি ধসছে, মানুষের কষ্ট বাড়ছে। আর আশিক চৌধুরীর মতো মানুষ শুধু প্রচারের কারিগর হয়ে বসে আছেন।

এখন প্রশ্ন ওঠা উচিত, এতদিনে আশিক চৌধুরী দেশ থেকে কত টাকা লুটপাট করেছেন? কোথায় গেল সেই বিনিয়োগ? কোন প্রকল্পে কত টাকা এসেছে, সেটার স্বচ্ছ হিসাব কোথায়?

বিনিয়োগ আকৃষ্টের হিটম্যাপ তৈরিসহ যার মধ্যে রয়েছে ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজন, স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা পেতে ইলোন মাস্কের স্টারলিংকের নিবন্ধন, শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক মহাকাশ অনুসন্ধানে নাসার সঙ্গে চুক্তি, সব বিনিয়োগ প্রচার সংস্থাকে একই ছাদের নিচে নিয়ে আসা। এ তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন লজিস্টিক অবকাঠামো শক্তিশালী করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ডেনমার্কভিত্তিক এপি মোলার মায়ের্স্কের বিনিয়োগ। তবে বিনিয়োগ অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রচারণামূলক ওইসব কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন প্রকৃত বিনিয়োগ আকৃষ্টে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের সূচক হিসেবে বিডায় নিবন্ধিত বিনিয়োগ প্রস্তাবের সংখ্যা যেমন নিম্নমুখী, তেমনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) নিট প্রবাহও কমেছে। অন্যদিকে শিল্পের মূলধনি যন্ত্র আমদানিও নিম্নমুখী। সব মিলিয়ে বিনিয়োগ আকৃষ্টে চৌধুরী আশিকের প্রচার বা তৎপরতা যতটা আলোচিত হচ্ছে, প্রকৃত বিনিয়োগ পরিস্থিতি তার ঠিক বিপরীত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যালান্স অব পেমেন্টের (বিওপি) পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাস জুলাই থেকে মার্চে এফডিআইয়ের নিট প্রবাহ ছিল ৮৬ কোটি ১০ লাখ ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের একই সময়ে নিট এফডিআই প্রবাহ ছিল ১১৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এ হিসেবে চলতি অর্থবছরের নয় মাসে এফডিআইয়ের নিট প্রবাহ কমেছে ২৬ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উইকলি সিলেকটেড ইকোনমিক ইন্ডিকেটরসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত অর্থবছরে মূলধনি যন্ত্র আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি বা আমদানি বাবদ অর্থ পরিশোধ হয়েছে ১৫২ কোটি ১৫ লাখ ৫০ হাজার ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়েছিল ২১৩ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের। অর্থাৎ মূলধনি যন্ত্র আমদানি কমেছে ২৮ দশমিক সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপির তুলনায় বেসরকারি বিনিয়োগের হার কমে দাঁড়িয়েছে ২২.৪৮ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২৩.৫১ শতাংশ। একই সময়ে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ছয় মাস ধরে ৭ শতাংশের নিচে রয়েছে, যেখানে এর আগে তা ১০ শতাংশের বেশি ছিল।

প্রশ্ন হলো, কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে আশিক মাহমুদ কে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, সদ্য বিদায়ি প্রধান উপদেষ্টার একক ইচ্ছায় আশিক কে এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আশিক ড. ইউনূসের পূর্ব পরিচিত। ইউনূসের গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পর্ক পুরোনো। সামাজিক ব্যবসার নামে ইউনূসের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য অতীতে তিনি পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিদেশ থেকে ব্যবসা এনেছেন। এটাই তার একমাত্র যোগ্যতা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভবান করার জন্যই ড. ইউনূস আশিক মাহমুদকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান পদে বসিয়েছিলেন। দেশের জন্য তিনি কিছু না করলেও গ্রামীণ এন্টারপ্রাইজ, গ্রামীণ টেলিকম ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিদেশে প্রচারণাটা ভালোই করেছেন। অনেকেই মনে করেন, তিনি বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান না, ছিলেন গ্রামীণ এবং ড. ইউনূসের মার্কেটিং ম্যানেজার। এখন ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে বিদায় নিয়েছেন, তাহলে আশিক মাহমুদকে কী দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এরকম একটি পদে রাখা উচিত। দেশি উদ্যোক্তাদের অভিমত, বিডার চেয়ারম্যান পদে অবিলম্বে একজন দক্ষ, যোগ্য এবং বিনিয়োগবান্ধব ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া উচিত।

এই বিভাগের আরও খবর
ডাকাতদের কবল থেকে নিউজিল্যান্ডের পরিবার উদ্ধার
ডাকাতদের কবল থেকে নিউজিল্যান্ডের পরিবার উদ্ধার
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
বিএনপির ৫ শতাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
বিএনপির ৫ শতাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
আওয়ামী লীগের লুটপাটে ধ্বংস অর্থনীতি
আওয়ামী লীগের লুটপাটে ধ্বংস অর্থনীতি
নতুন দায়িত্বে প্রণয় ভার্মা
নতুন দায়িত্বে প্রণয় ভার্মা
আওয়ামী লীগের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে
আওয়ামী লীগের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে
জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম দিয়েছে
জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম দিয়েছে
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
আরও চার শিশুর মৃত্যু হাসপাতালে ১৩৪৫
আরও চার শিশুর মৃত্যু হাসপাতালে ১৩৪৫
সর্বশেষ খবর
জ্বালানি নিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে কাজ করছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি নিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে কাজ করছে সরকার : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

লিটারপ্রতি ২০০ টাকা দরে পেট্রোল বিক্রি, অতঃপর...
লিটারপ্রতি ২০০ টাকা দরে পেট্রোল বিক্রি, অতঃপর...

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পটুয়াখালীতে জাটকা নিধন রোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সভা
পটুয়াখালীতে জাটকা নিধন রোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সভা

১০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলকভাবে আলোচনা করবে, আশা পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলকভাবে আলোচনা করবে, আশা পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় মোসলেম স্মৃতি টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
বগুড়ায় মোসলেম স্মৃতি টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২৬
রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২৬

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

চার বছর পর মঞ্চে ফিরছেন জাস্টিন বিবার
চার বছর পর মঞ্চে ফিরছেন জাস্টিন বিবার

২৯ মিনিট আগে | শোবিজ

সিলেট বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
সিলেট বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

৩০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক
চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি বিষয়ক সভা
বসুন্ধরা শুভসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি বিষয়ক সভা

৩৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ৩
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ৩

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগুনে আট দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষতি
আগুনে আট দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষতি

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সব পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা : শিক্ষামন্ত্রী
সব পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা : শিক্ষামন্ত্রী

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট
যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ মিশরের প্রধান গোলকিপার
নিষিদ্ধ মিশরের প্রধান গোলকিপার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে মজুদকৃত অকটেন ও সার জব্দ
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে মজুদকৃত অকটেন ও সার জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে মানববন্ধন
হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ
ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন
লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি
লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী
আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা
স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন
যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার
থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার

১৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন
ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং
চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা
২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে
ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ
কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদ থেকে আকবর হোসেনের পদত্যাগ
লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদ থেকে আকবর হোসেনের পদত্যাগ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক
গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক

শনিবারের সকাল

উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা
উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা
বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ
যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস
বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন
ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন

পেছনের পৃষ্ঠা

খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প
খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

দূষণে মহাবিপদে সাত শহর
দূষণে মহাবিপদে সাত শহর

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!
বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!

শোবিজ

জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

নগর জীবন

ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান
হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ
ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

কেমন আছেন শবনম
কেমন আছেন শবনম

শোবিজ

নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়
নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়

শোবিজ

এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা
এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

নগর জীবন

রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট
রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট

মাঠে ময়দানে

প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!
প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!

মাঠে ময়দানে

বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা
বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা

পেছনের পৃষ্ঠা

থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস

প্রথম পৃষ্ঠা

এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া
এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া

পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল
ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল

দেশগ্রাম

যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন
যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন

পূর্ব-পশ্চিম

শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি
শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি

পূর্ব-পশ্চিম

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম

পূর্ব-পশ্চিম