শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৬

৬০০ লাশের কী পরিচয়

► খুন করে ফেলা হয় নদীতে ► পাঁচ বছরে উদ্ধার ২০৬৪টি
মাহবুব মমতাজী
প্রিন্ট ভার্সন
৬০০ লাশের কী পরিচয়

সারা দেশে নদী থেকে লাশ উদ্ধারের সংখ্যা বাড়ছে। উদ্ধারকৃত বেশির ভাগ লাশের ক্ষেত্রে দেখা গেছে খুন হয়েছে অন্যখানে, লাশ এনে ফেলা হয়েছে নদীতে। পুলিশ বলছে, হত্যার পর প্রমাণ লোপাট ও আইনের চোখ ফাঁকি দিতেই লাশ ফেলে দেওয়ার জন্য অপরাধীরা নদীকে বেছে নিচ্ছে। গত বছর দেশজুড়ে নদী থেকে লাশ উদ্ধার হয় অন্তত ৩০১ নারী-পুরুষ ও শিশুর। ২০২৪ সালে নদী থেকে উদ্ধার হয় অন্তত ৪৪০টি লাশ। গত পাঁচ বছরে দুই হাজারের বেশি লাশ উদ্ধার হয়েছে নদী থেকে। এর মধ্যে ৬০০-এর বেশি লাশের পরিচয় মেলেনি। এসব লাশের বিপরীতে দেড় শর বেশি হত্যা মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বছর ২৮ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যায় একটি মস্তকহীন লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সহায়তায় আঙুলের ছাপ মিলিয়ে লাশের পরিচয় পাওয়া যায়। তার নাম হাবিব (২৭)। তিনি সোনারগাঁ উপজেলার মধ্য কাঁচপুর এলাকার বাসিন্দা। তবে এখনো মাথা পাওয়া যায়নি। পরিচয় জানার পরই মামলাটির তদন্তভার পিবিআই নিয়ে যায়। এ মামলায় অন্তত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তবে গত বছরের ২৩ আগস্ট বুড়িগঙ্গা নদী থেকে অজ্ঞাত নারী ও শিশুর লাশ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায় শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ দুটি নদীতে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সদরঘাট নৌ থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। ঘটনার ৬ মাস পার হলেও লাশের পরিচয় মেলেনি। আঙুলের ছাপ মুছে যাওয়ায় নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তারা নিহত দুজনের ডিএনএ সংরক্ষণ করে রেখেছে। কেউ লাশ শনাক্ত করতে এলে মিলিয়ে দেখবে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সঙ্গে ওই নারী ও শিশুর তথ্য মিলিয়ে দেখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা এখনো পরিচয় জানতে পারিনি। পরিচয় জানা সম্ভব না হলে তদন্তে অগ্রগতি হয় না। নদী থেকে উদ্ধার লাশ শনাক্ত করতে প্রায়ই পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। সাধারণ গ্রেপ্তার এড়াতে অপরাধীরা লাশ নদীতে ফেলে দেয়। নৌ পুলিশের হেডকোয়ার্টার্সের পুলিশ সুপার (ইন্টেলিজেন্স) মারুফা ইয়াসমিন জানান, ২০২১ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত সারা দেশের নদী এলাকা থেকে ২ হাজার ৬৪টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২৫টির পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। ৬৩৯টির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। শনাক্ত না হওয়া লাশগুলোর বিপরীতে ১৫৪টি হত্যা মামলা হয়েছে। নৌপুলিশের তথ্যানুসারে, শুধু গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশজুড়ে অন্তত ৩০১ নারী-পুরুষ ও শিশুর লাশ উদ্ধার হয়। ২০২৪ সালে নদী থেকে অন্তত ৪৪০টি লাশ উদ্ধার হয়। এসব লাশ উদ্ধারের পর বিভিন্ন থানায় অন্তত ৪১টি হত্যা মামলা হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পানিতে লাশ ফেলে দিলে তা পচে যায়, প্রমাণ নষ্ট হয়ে যায়। কখনো কখনো মাছের কামড় বা জাহাজের আঘাতে সৃষ্ট ক্ষতের কারণে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফরেনসিক চিকিৎসকরা বিভ্রান্ত হন। প্রাথমিক তদন্তে হত্যা মনে না হলে লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ সাধারণত অস্বাভাবিক মৃত্যুর (ইউডি) মামলা করে। তদন্তে বা ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেলে পরে সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, অপরাধীরা প্রমাণ নষ্ট করতে ও আইনের চোখ ফাঁকি দিতে হত্যার পর লাশ ফেলার জন্য নদী ও রেলপথ বেছে নেয়। মূলত সংঘবদ্ধ অপরাধের ক্ষেত্রে এ রকম ঘটে। অপরাধীরা হত্যার আগেই নির্ধারণ করে নদী এলাকার কোথায় লাশ ফেলা হবে। ঢাকা জেলা নৌপুলিশ সুপার (এসপি) আবদুল্লাহ আল মামুন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যখন আমরা পরিচয় শনাক্ত করতে পারি না, তখন আদালতে ঘটনা সত্য কিন্তু পরিচয় এবং ঘটনা জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি জানিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আমরা ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করে রাখি। পরবর্তীতে কোনো ক্লু পেলে মামলা পুনর্জীবিত করি।

এই বিভাগের আরও খবর
ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা
নববর্ষের শুভেচ্ছা
নববর্ষের শুভেচ্ছা
ইলিশ মাছ খেতে খুব ভালো লাগে
ইলিশ মাছ খেতে খুব ভালো লাগে
পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা
পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা
দুই দেশের আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী
দুই দেশের আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী
অবরোধ ইরানের সব নৌবন্দর
অবরোধ ইরানের সব নৌবন্দর
জ্বালানি সংকটে জরুরি স্থায়ী সমাধান
জ্বালানি সংকটে জরুরি স্থায়ী সমাধান
হজযাত্রীদের নুসুক কার্ড বিতরণ
হজযাত্রীদের নুসুক কার্ড বিতরণ
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন
গণভোটের রায় না মানলে ঘোর সংকটে পড়বে দেশ
গণভোটের রায় না মানলে ঘোর সংকটে পড়বে দেশ
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বেগম জিয়া ও তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের চাপ দেন দুই সম্পাদক
বেগম জিয়া ও তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের চাপ দেন দুই সম্পাদক
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
কুমিল্লায় যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো
ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ
আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে: গুতেরেস
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে: গুতেরেস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব
নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব

২ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা
বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢামেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু
ঢামেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড
‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড

৩ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা আমাদের বড় দায়িত্ব’
‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা আমাদের বড় দায়িত্ব’

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নববর্ষে মাদারীপুরে দাড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত
নববর্ষে মাদারীপুরে দাড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে : নাহিদ
সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে : নাহিদ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাঞ্ছারামপুরে মেঘনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অভিযানে আটক ১২
বাঞ্ছারামপুরে মেঘনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অভিযানে আটক ১২

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!
দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে নোয়াখালীতে বিএনপির নানা আয়োজন
পহেলা বৈশাখে নোয়াখালীতে বিএনপির নানা আয়োজন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের
লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলসান সোসাইটির উদ্যোগে লেকপার্কে মেলা
গুলসান সোসাইটির উদ্যোগে লেকপার্কে মেলা

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোদি দেশভক্ত নয়, দেশদ্রোহী: রাহুল গান্ধী
মোদি দেশভক্ত নয়, দেশদ্রোহী: রাহুল গান্ধী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ফোনালাপ, কোন বিষয়ে আলোচনা?
ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ফোনালাপ, কোন বিষয়ে আলোচনা?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের দাবি ভ্যান্সের
ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের দাবি ভ্যান্সের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ার্নের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন আসেন্সিও
বায়ার্নের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন আসেন্সিও

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর জন্য দায়ী করোনা টিকা, দাবি ছেলের
শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর জন্য দায়ী করোনা টিকা, দাবি ছেলের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
যে কারণে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিতে চায় রাশিয়া
যে কারণে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিতে চায় রাশিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ অতিক্রম করল চীনের মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ অতিক্রম করল চীনের মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন হুঁশিয়ারির মধ্যে হরমুজ পাড়ি দেওয়া চার জাহাজ নিয়ে যা জানা গেল
মার্কিন হুঁশিয়ারির মধ্যে হরমুজ পাড়ি দেওয়া চার জাহাজ নিয়ে যা জানা গেল

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের
সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী অ্যান্টোইন হে
বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী অ্যান্টোইন হে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের
ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব
যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’
‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর চাপ তৈরি করবে চীন, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর চাপ তৈরি করবে চীন, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ম্যাক্রঁনের সঙ্গে ফোনালাপে যা বললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
ম্যাক্রঁনের সঙ্গে ফোনালাপে যা বললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা
রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান
পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শি জিনপিংয়ের ‘চার প্রস্তাব’, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটকে কটাক্ষ
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শি জিনপিংয়ের ‘চার প্রস্তাব’, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটকে কটাক্ষ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী
বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি
ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর পর সরাসরি ইসরায়েল-লেবানন বৈঠক, বড় চুক্তির লক্ষ্যে নেতানিয়াহু
৪০ বছর পর সরাসরি ইসরায়েল-লেবানন বৈঠক, বড় চুক্তির লক্ষ্যে নেতানিয়াহু

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করছে না ট্রাম্পের শুল্ক কৌশল, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি
ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করছে না ট্রাম্পের শুল্ক কৌশল, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হবে কি না তা ঠিক করবে ইরান : জেডি ভ্যান্স
যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হবে কি না তা ঠিক করবে ইরান : জেডি ভ্যান্স

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভারতকে ধুয়ে দিল উইজডেন
বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভারতকে ধুয়ে দিল উইজডেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী
২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ আই ড্রোন প্রযুক্তিতে চীন-রাশিয়ার কাছে হারছে যুক্তরাষ্ট্র
এ আই ড্রোন প্রযুক্তিতে চীন-রাশিয়ার কাছে হারছে যুক্তরাষ্ট্র

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজার ‘আইকনিক’ স্টেশন ইজারা নিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ
কক্সবাজার ‘আইকনিক’ স্টেশন ইজারা নিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান
মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম
কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম

১৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মার্কিন অবরোধকে ‘বিপজ্জনক পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’ বললেন শিপিং ফেডারেশন প্রধান
মার্কিন অবরোধকে ‘বিপজ্জনক পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’ বললেন শিপিং ফেডারেশন প্রধান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক