শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০১:৩৪, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

► রেওয়াজের বাইরে ব্যতিক্রমীভাবে শুরু হবে আজকের অধিবেশন ► স্পিকারের চেয়ার থাকবে শূন্য ► প্রথম দিনই ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি বিরোধী দলের তীব্র প্রতিক্রিয়া
কাজী সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ

প্রস্তুতি চূড়ান্ত। আজ বেলা ১১টায় শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন অভিযাত্রা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ১৭ মাস পর নতুন সংসদের সামনে রয়েছে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ। চলছে ঐতিহাসিক নানা উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২০০৬ সালের পর এবার আবার সরকারি দলের আসনগুলোতে বসছে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপি। এ ছাড়া এবারই প্রথম সংসদের বিরোধী দলের আসনে বসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংসদ  সচিবালয় জানিয়েছে, চিরাচরিত রেওয়াজের বাইরে গিয়ে অনেকটা ব্যতিক্রমভাবে শুরু হবে আজকের অধিবেশন। স্পিকারের চেয়ার থাকবে শূন্য। অন্যদিকে এমপিদের আসন থাকবে প্রায় ভরা। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্য রাখবেন। যেহেতু স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার চূড়ান্ত হয়নি। সেজন্য কে সভাপতিত্ব করবেন, বিধি মোতাবেক তিনি উপস্থাপন করবেন, আহ্বান করবেন একজন প্রবীণ সংসদ সদস্যকে সভাপতিত্ব করার জন্য। সেই প্রস্তাব সমর্থন করবেন আরেক সংসদ সদস্য। অতঃপর তাঁর সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। তারপর সংসদের বিধি মোতাবেক রাষ্ট্রপতি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়াবেন। এরপর আবার অধিবেশন বসবে। সেই অধিবেশনের শুরুতে সভাপতিমণ্ডলীর প্যানেল চূড়ান্ত করা হবে। তারপর শোক প্রস্তাব ও এর ওপর আলোচনা হবে।  ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মোট ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। এবার তারাই সরকারি দল। আর প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮ আসনে ও তাদের জোটভুক্ত জুলাই গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসনে ও খেলাফত মজলিস একটি আসনে বিজয়ী হয়ে মোট ৭৭ জন এমপি নিয়ে সংসদে বসছে। বিরোধী দল হিসেবে সংসদে তাদের ভূমিকাও হবে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার। গতকাল সংসদ সচিবালয়ে সরকার ও বিরোধীদলীয় এমপিরা প্রথমবারের মতো সংসদীয় দলের বৈঠক করেন। সেখানে দুই দলের শীর্ষ নেতার পক্ষ থেকে সংসদে দলীয় অবস্থান ও এমপিদের কী ধরনের ভূমিকা থাকবে সেই পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে ওই বৈঠকে চলতি সংসদে কে হচ্ছেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার, কে হচ্ছেন সরকারদলীয় উপনেতা-তা খোলাসা হয়নি। সরকারি দল এ বিষয়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর ওপর পূর্ণ আস্থা সমর্পণ করেছে। এসব পদে বিক্ষিপ্তভাবে নানাজনের নাম শোনা গেলেও দলীয়ভাবে কারও নামই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে সব জল্পনাকল্পনার অবসান হবে আজ। প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনই এসব পদে কারা বসছেন তা চূড়ান্ত করা হবে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন অনুযায়ী বিরোধী দলের পক্ষ থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগ দেওয়া হবে-এমন বিধান রয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য অনুরোধও জানানো হয়। কিন্তু এ প্রস্তাবে সরাসরি রাজি হয়নি দলটি। গতকাল সংসদীয় দলের বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা চাই জুলাই সংস্কারের প্রস্তাব পুরোপুরি বাস্তবায়ন হোক। তার আলোকে বিরোধী দল যতটুকু পাবে, ততটুকুই চাই। সেখানে ডেপুটি স্পিকারের বিষয়টি রয়েছে।’

এদিকে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম বলেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার ভার সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ছেড়ে দিয়েছে বিএনপির সংসদীয় দল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এগুলো যাচাইবাছাই করার জন্য সংসদের বৈঠকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। সে কমিটিতে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলের সদস্যরাও থাকবেন। এক প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত উদারতা দেখিয়ে বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার পদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু এ বিষয়ে তাঁরা কোনো ‘পজেটিভ রেসপন্স’ পাননি। পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে দেশের সব সমস্যার সমাধান করতে চাই। দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই বিরোধী দল সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করুক। তাদের যেকোনো যৌক্তিক সমালোচনা ও সহযোগিতাকে আমরা স্বাগত জানাব। সংবাদ সম্মেলনে সরকারি দলের ছয় হুইপ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে সংসদের প্রথম অধিবেশনে ঐতিহাসিক কিছু সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের এই অধিবেশন জাতীয় জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক। দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণে আমরা উপনীত হয়েছি। দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবন কাটিয়ে রাজসিক প্রত্যাবর্তনের পর তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলের হাল ধরেন তারেক রহমান। বিএনপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে নতুন প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ করে বিপুল ভোটে দলকে নির্বাচনি বৈতরণি পার করিয়ে হয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা। নির্বাচনের শুরু থেকে সরকার গঠন পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। প্রথমবার এমপি হয়ে সংসদ নেতার গুরুদায়িত্ব এখন তাঁর কাঁধে। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত আমির নিজেও এবার প্রথমবার এমপি হিসেবে জয়লাভ করে পেয়েছেন বিরোধী দলের প্রধানের গুরুদায়িত্ব। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান থেকেই শুরু হয়ে গেছে সরকারি দল ও বিরোধী দলের দ্বন্দ্ব। সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনার মুখে বসছে সংসদ। এর ধারাবাহিকতা সংসদের প্রথম অধিবেশনে চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো হবে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া দুই দলের সামনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার বড় চ্যালেঞ্জ।

সংসদের রেওয়াজ অনুযায়ী প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে চলছে বিতর্ক। মন্তব্য-পাল্টা মন্তব্য। সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- প্রথম দিন সংসদের সব কার্যক্রমের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদে ভাষণ দেবেন। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে প্রধান বিরোধী দল জামায়াত। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্টের দোসর, সংসদে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নেই।

সংসদ সচিবালয় জানায়, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের শোক প্রস্তাবে গুরুত্ব পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া এবং চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের শহীদরা। তাঁদের ত্যাগ ও অবদান নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা শেষে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া আইনমন্ত্রী ১৩৩টি অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর রাষ্ট্রপতির ভাষণ হবে। তাঁর আগে সংসদের বিজনেস অ্যাডভাইজারি কমিটিসহ আরও কয়েকটি কমিটি হবে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর অধিবেশন মুলতবি হবে। ১৫ মার্চ সংসদের মুলতবি বৈঠকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন ও আলোচনা শুরু হবে। এরপর আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অধিবেশন ১৩ দিনের জন্য মুলতবি রাখা হতে পারে। ঈদের ছুটি শেষে ২৯ মার্চ পুনরায় সংসদের কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনকে ঘিরে সংসদ ভবনকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী। জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় সব ধরনের অস্ত্র বহন ও সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ২০২৪ সালের জুলাই গণ অভ্যুত্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয় জাতীয় সংসদ ভবন। ভাঙচুর আর লুটপাটের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টার তা বে ৫০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয় লুই আই কানের তৈরি সংসদ ভবনের। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন কেন্দ্র করে দ্রুতগতিতে মেরামতের কাজে হাত দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ভবনের ভিতরে থাকা গুরুত্বপূর্র্ণ ব্যক্তিদের অফিস কক্ষের পাশাপাশি অধিবেশন কক্ষকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি। ওই বছরের ৯ জানুয়ারি এমপিরা শপথ গ্রহণ করেন। ১১ জানুয়ারি মন্ত্রীরা শপথ নেন। তবে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেন।

একসঙ্গে ১৩৩ অধ্যাদেশ পেশ হচ্ছে আজ : অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাস মেয়াদে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য আজ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হচ্ছে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ অনুমোদন না করা হলে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।  এই অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে। এ প্রসঙ্গে সরকারি দলের চিফ হুইপ গতকাল জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

 এগুলো যাচাইবাছাই করার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। সে কমিটিতে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলের সদস্যরাও থাকবেন।

সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ১৭টি, ২০২৫ সালে ৮০টি এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। সংসদ চাইলে কোনো অধ্যাদেশ হুবহু পাস করতে পারে, সংশোধন করতে পারে অথবা বাতিলও করতে পারে।

জারি করা উল্লেখযোগ্য অধ্যাদেশের মধ্যে রয়েছে ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ-২০২৬’, ‘গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৪’ এবং নির্বাচন কমিশন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এগুলো সংসদের প্রথম অধিবেশনে পেশ করা হচ্ছে, তবে জনস্বার্থ ও সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংসদ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালনের ৫৫৯ দিনে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করে। এর আগে এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনতে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ১২২টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে গঠিত নবম সংসদে ১২২টি অধ্যাদেশকেই একসঙ্গে আলোচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়। এরপর অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিতে একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি ৫৪টি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের সুপারিশ করে। পরে সেগুলোকে প্রক্রিয়া অনুযায়ী আইনে রূপান্তর করা হয়। অন্য অধ্যাদেশগুলো সংসদ অনুমোদন না দেওয়ায় সংসদ অধিবেশন শুরুর ৩০ দিন পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অধ্যাদেশ মূলত এক ধরনের আইন, যেটি রাষ্ট্রপতি জারি করে থাকেন। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভেঙে গেলে বা সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন মনে করলে তিনি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। জরুরি পরিস্থিতিতে বিশেষ প্রয়োজনে জারি করার পর সেই অধ্যাদেশটি পরবর্তী সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই উত্থাপন করা হয়ে থাকে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার গঠনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচিত-সমালোচিত দেড় বছরের শাসনকাল। এর মধ্য দিয়ে দেশ আবার প্রবেশ করে সংসদীয় গণতন্ত্রে।

এই বিভাগের আরও খবর
ডাকাতদের কবল থেকে নিউজিল্যান্ডের পরিবার উদ্ধার
ডাকাতদের কবল থেকে নিউজিল্যান্ডের পরিবার উদ্ধার
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
বিএনপির ৫ শতাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
বিএনপির ৫ শতাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
আওয়ামী লীগের লুটপাটে ধ্বংস অর্থনীতি
আওয়ামী লীগের লুটপাটে ধ্বংস অর্থনীতি
নতুন দায়িত্বে প্রণয় ভার্মা
নতুন দায়িত্বে প্রণয় ভার্মা
আওয়ামী লীগের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে
আওয়ামী লীগের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে
জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম দিয়েছে
জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম দিয়েছে
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
আরও চার শিশুর মৃত্যু হাসপাতালে ১৩৪৫
আরও চার শিশুর মৃত্যু হাসপাতালে ১৩৪৫
সর্বশেষ খবর
ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ
ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন
লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন

৫৫ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি
লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী
আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী

৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

বল টেম্পারিং ইস্যুতে মত দিলেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার
বল টেম্পারিং ইস্যুতে মত দিলেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার
দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি
ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি

২৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ
কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ

২৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সূর্যবংশীকে অটোগ্রাফসহ ক্যাপ উপহার দিলেন কোহলি
সূর্যবংশীকে অটোগ্রাফসহ ক্যাপ উপহার দিলেন কোহলি

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন আর্টেমিসের নভোচারীরা
পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন আর্টেমিসের নভোচারীরা

৩৮ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে এখনও দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগ
জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে এখনও দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগ

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

হাসারাঙ্গার চোটে আইপিএলে সুযোগ পেলেন লিন্ডা
হাসারাঙ্গার চোটে আইপিএলে সুযোগ পেলেন লিন্ডা

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৪৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের সঙ্গে আলোচনা: পাকিস্তানে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইরানের সঙ্গে আলোচনা: পাকিস্তানে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

৪৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বান্দরবানে, দ্রুত সময়ে প্রজ্ঞাপন জারির ঘোষণা
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বান্দরবানে, দ্রুত সময়ে প্রজ্ঞাপন জারির ঘোষণা

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ইনস্টাগ্রামে ১৫ মিনিটের মধ্যে এডিট করা যাবে কমেন্ট
ইনস্টাগ্রামে ১৫ মিনিটের মধ্যে এডিট করা যাবে কমেন্ট

৫১ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ পুলিশি অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৫
যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ পুলিশি অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৫

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

একমাসে ৫৭৬ সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩২ জন নিহত
একমাসে ৫৭৬ সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩২ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৫
যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৫

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আমি এখন যে কোনো জায়গায় মানিয়ে নিতে পারব’
‘আমি এখন যে কোনো জায়গায় মানিয়ে নিতে পারব’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পিআইওকে মারধরের ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের নেতা গ্রেফতার
পিআইওকে মারধরের ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

স্কুলছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, একজন গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, একজন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা
স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া
হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার
থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন
ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন
যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং
চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা
২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে
ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা
এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘এটা কালি নয়, আমার মেয়ের রক্ত’
‘এটা কালি নয়, আমার মেয়ের রক্ত’

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক
গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক

শনিবারের সকাল

উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা
উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা
বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ
যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস
বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন
ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন

পেছনের পৃষ্ঠা

দূষণে মহাবিপদে সাত শহর
দূষণে মহাবিপদে সাত শহর

পেছনের পৃষ্ঠা

খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প
খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!
বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!

শোবিজ

জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

নগর জীবন

ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান
হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ
ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়
নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়

শোবিজ

কেমন আছেন শবনম
কেমন আছেন শবনম

শোবিজ

বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা
বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট
রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট

মাঠে ময়দানে

এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা
এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

নগর জীবন

প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!
প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!

মাঠে ময়দানে

থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস

প্রথম পৃষ্ঠা

এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া
এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া

পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল
ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল

দেশগ্রাম

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি
শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি

পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন
যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন

পূর্ব-পশ্চিম

হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম

পূর্ব-পশ্চিম