শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী আইন প্রণয়নের মূল হোতা
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার তার ১৮ মাসের মেয়াদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করে। অর্থাৎ প্রতি বছর গড়ে ৮৮টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছে, যা সংসদীয় আইন প্রণয়নের গড় হারের তুলনায় ১৩২ শতাংশ বেশি। সদ্য বিদায়ি অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে ‘সুপারসনিক গতিতে’ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। প্রায় দুই দশক আগে ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন জরুরি অবস্থার সরকারের রেকর্ডকেও এটি ছাড়িয়ে গেছে। সরকারের শেষদিকে বিশেষ করে শেষ দেড় মাসে আইন প্রণয়নের গতি ‘সুপারসনিক’ মাত্রাকেও ছাড়িয়ে যায়। মাত্র ৪৭ দিনে ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। সাপ্তাহিক ছুটি বাদ দিলে প্রতিদিন গড়ে অন্তত একটি করে অধ্যাদেশ জারির নজির তৈরি হয়। ২০২৫ সালে মোট ৮০টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। অন্যদিকে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সরকার গঠনের পর প্রথম পাঁচ মাসে প্রণীত আইনের সংখ্যা ছিল মাত্র ১৯।

অধ্যাদেশের মাধ্যমে একদিকে নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, অন্যদিকে বিদ্যমান বহু আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। এ বিষয়ে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেছেন, এটি ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার মূলে থাকা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের’ অংশ ছিল।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া বিদায়ি ভাষণে মুহাম্মদ  ইউনূস তাঁর সরকারের ‘আইন প্রণয়নে সুপারসনিক গতির’ কৃতিত্বের কথা উল্লেখ করেন। সরকারি সংস্কার উদ্যোগের দিকটি তুলে ধরে ইউনূস বলেন, তাঁর অন্তর্র্বর্তী প্রশাসন প্রায় ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন করেছে [যদিও আইন মন্ত্রণালয়ের নোটে এ সংখ্যা ১৩৩টি উল্লেখ করা হয়েছে] এবং প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি করেছে। সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব নির্বাহী আদেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। ড. ইউনূস বলেন, ‘এ সংস্কারগুলো নাগরিক অধিকার সুসংহত করেছে, বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করেছে এবং গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সংস্কৃতি যাতে আর ফিরে না আসে তা নিশ্চিত করেছে।’তবে তাঁর সরকারের আইন প্রণয়নের রেকর্ড ততটা উজ্জ্বল নয় যতটা তিনি দাবি করেছেন। কারণ একাধিক অধ্যাদেশের বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব আইন জাতীয় ও জনগণের স্বার্থবিরোধী।

নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশই উপস্থাপন করতে হবে। এখন পর্যন্ত এসব অধ্যাদেশের নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ নেই। তবে প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত হওয়ার পর এগুলোর কার্যকারিতা থাকবে মাত্র ৩০ দিন। অধ্যাদেশের মাধ্যমে আগেই বাতিল করা না হলে, ৩০ দিন পূর্তির সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে। সংসদ কোনো অধ্যাদেশ অনুসমর্থন করতে পারে না; তবে ৩০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে যেকোনো অধ্যাদেশ বাতিল বা অননুমোদন করতে পারে। ফলে অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে। আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসছে। মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশের বিধানসংবলিত সমসংখ্যক বিল পাস করে ১৩৩টি আইন বহাল রাখা সংসদের জন্য নিঃসন্দেহে দুঃসাধ্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। সিনিয়র আইনজীবী শাহ্দীন মালিক বলেছেন, অল্প সময়ে এত অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে; সেক্ষেত্রে প্রতিটি অধ্যাদেশের জন্য গড়ে পাঁচ দিনের কম সময় লেগেছে। শাহ্দীন মালিক উল্লেখ করেন, সংসদ বসা থেকে ৩০ দিনের মধ্যে যে অধ্যাদেশগুলোর আইনি ভিত্তি দেওয়া সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘মৃত’ বা বাতিল হয়ে যাবে। বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশগুলো তারা যাচাইবাছাই করছে।

কিন্তু কতটি বা কোন অধ্যাদেশগুলোর আইনি ভিত্তি দেবে তারা, সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময়ে করা বিভিন্ন অধ্যাদেশের মধ্যে একটি বিতর্কিত এবং সর্বনাশা অধ্যাদেশ হলো ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬’। অধ্যাদেশটি গত ১৯ জানুয়ারি তড়িঘড়ি করে জারি করা হয়। নির্বাচনের ঠিক আগে কেন এরকম একটি বিতর্কিত আইন প্রণয়ন করার প্রয়োজন হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধারের জন্য এ কালো আইন প্রণয়ন করেছেন। এ আইনকে বলা হচ্ছে কৃষকবিরোধী, পরিকল্পনা ও উন্নয়নবিনাশী অধ্যাদেশ। এ আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যাদেশে বলা হয়, অনুমোদন ছাড়া কোনো ভূমির জোন পরিবর্তন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। অনুমোদন ছাড়া কৃষিভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। কৃষিভূমি, জলাধার বা জলাভূমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কারখানা বা অনুরূপ স্থাপনা কিংবা অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

ইটভাটায় বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য কৃষিভূমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল), পাহাড় ও টিলা অথবা জলাধারের পাড়ের মাটি ক্রয়, বিক্রয়, অপসারণ, পরিবহন বা ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

বিশেষ কৃষি অঞ্চলের ভূমির ক্ষতিসাধন, ভূমিরূপ পরিবর্তন বা কৃষি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া যাবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে জলাধার, জলাভূমি, পাহাড় ও টিলা এবং বন ও বনভূমির ক্ষতিসাধন ও ভূমিরূপ পরিবর্তনের অপরাধগুলোকে অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও অ-আপসযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনের একই প্রকৃতির অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের বিধান অনুসরণ করা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্তভাবে ক্ষতিপূরণ আদায়, ভূমির প্রকৃতি পুনর্¯’াপন, অবৈধভাবে ভরাট করা মাটি ও স্থাপনা অপসারণ এবং বৃক্ষরোপণসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।

কিন্তু এ আইনের পদে পদে স্ববিরোধিতা এবং দেশের ও জনগণের স্বার্থবিরোধী তৎপরতা লক্ষ করা যায়। এ অধ্যাদেশে বাস্তবসম্মত ও বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড উপেক্ষা করে কেবল প্রথাগত কিছু নামের তালিকা দিয়ে কৃষিভূমি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরিকল্পিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। অধ্যাদেশে কৃষি ভূমির অর্থ এমনভাবে বাড়ানো হয়েছে যে, ভিটা, ভিটি, ডাঙ্গা, নার্সারি, রাস্তার পাশের এলাকা, ভাগাড়, এমনকি বসতবাড়িসংলগ্ন পরিত্যক্ত জমিকেও কৃষিজমি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এটা অযৌক্তিক ও অবাস্তব। কৃষকদের বসতবাড়ি কীভাবে কৃষিজমি হয়? এরকম আইন থাকলে কৃষকরা প্রতিনিয়ত হয়রানি এবং আইনি জটিলতার সম্মুখীন হবেন। লঙ্ঘিত হবে কৃষকের মৌলিক অধিকার। ভবিষ্যতে নিজেদের ভিটায় ঘর তোলা সংস্কারের ক্ষেত্রে চরম আইনগত ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মধ্যে পড়বে কৃষক। নিজেদের ভূমির অধিকার হারাবে কৃষকরা।

ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬ আইনের কৃষিজমির ত্রুটিপূর্ণ ও অস্পষ্ট সংজ্ঞার কারণে ভূমি নিয়ে দুর্নীতি বাড়বে। সামান্য সংস্কারের জন্য প্রশাসনিক গোলকধাঁধায় পড়বে নিরীহ কৃষকরা।

অধ্যাদেশে নদীর চরের জমি বা রাস্তার ঢালকেও কৃষিজমির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব জমি প্রাকৃতিকভাবেই অস্থিতিশীল। এসব জমি পরিবেশ সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব জমি ঢালাওভাবে কৃষিজমি বলায় পরিবেশ নীতি তৈরি ও বাস্তবায়নে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

যদি প্রায় সব ধরনের খোলা বা অনির্দিষ্ট জমিকে কৃষিভূমি হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে পরিকল্পিত শহর সম্প্রসারণ, শিল্পায়ন বা সরকারি বড় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো অযৌক্তিক বাধার মুখে পড়বে। অন্যদিকে নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, প্রায় সব ধরনের খোলা জমিকে কৃষি ভূমি হিসেবে চিহ্নিত করলে শহরের পরিকল্পিত সম্প্রসারণ, শিল্পায়ন ও বড় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো অযৌক্তিক বাধার মুখে পড়বে।

গেজেটে এক ফসলি, দুই ফসলি বা তিন ফসলি শ্রেণিবিন্যাসকে কৃষি ভূমির ‘মৌলিক সংজ্ঞার’ অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু পদ্ধতিগতভাবে এটি সঠিক নয়। ফসলের সংখ্যা হলো জমির উৎপাদনশীলতা বা ব্যবহারের একটি বিশ্লেষণাত্মক পদ্ধতি মাত্র, এটি ভূমির মৌলিক সংজ্ঞা হতে পারে না। ভূমির ‘স্থায়ী বৈশিষ্ট্য আর সাময়িক ব্যবহারিক বৈশিষ্ট্যকে এক করে দেখা একটি পদ্ধতিগত ভুল। আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনায় কৃষি ভূমি নির্ধারণের ক্ষেত্রে মাটির উর্বরতা, টপোগ্রাফি (ভূমির উচ্চতা), জলবায়ু, সেচ সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদন সক্ষমতাকে (খধহফ ঈধঢ়ধনরষরঃু) গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এই গেজেটে মাটির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ বা সক্ষমতাকে তোয়াক্কা না করে কেবল ঐতিহ্যগত বা স্থানীয় কিছু নাম ব্যবহার করে ভূমি নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ বসতভিটার মাটি সাধারণত অনুর্বর থাকে, যা বৃহৎ পরিসরে কৃষিকাজের উপযোগী নয়। সংজ্ঞাটিতে ‘উদ্যান ফসলি’ (ফল, ফুল, সবজি) এবং ‘মাঠ ফসলি (ধান, গম, ভুট্টা) জমিকে একই কাতারে রাখা হয়েছে। বাস্তবে এ দুটি কৃষি ব্যবস্থাপনার ভিন্ন ভিন্ন শাখা। এ দুই ধরনের জমিকে একইভাবে সংজ্ঞায়িত করলে কৃষি পরিসংখ্যান এবং উৎপাদন পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দেবে। কৃষি ভূমির একটি সঠিক সংজ্ঞা হওয়া উচিত সংক্ষিপ্ত, বৈজ্ঞানিক এবং বাস্তবভিত্তিক। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ থাকা প্রয়োজন যে, যে ভূমি মূলত কৃষি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় এবং যার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কৃষিকাজের উপযোগী, কেবল সেটিই কৃষি ভূমি। বসতভিটা, অবকাঠামো বা নদীর চরকে ঢালাওভাবে এ সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা যৌক্তিক নয়। এ অধ্যাদেশটি একটি উদাহরণ মাত্র। এরকম প্রচুর গণবিরোধী, অগণতান্ত্রিক অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে গত ১৮ মাসে। যেসব অধ্যাদেশ জারির মূল হোতা ছিলেন আসিফ নজরুল এবং রিজওয়ানা হাসান।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জাতীয় সংসদের উচিত হবে, প্রতিটি অধ্যাদেশের যৌক্তিকতা যাচাই করা। কোনটা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে তা বিবেচনা করা। যেসব অধ্যাদেশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও জনস্বার্থবিরোধী, সেগুলোকে আমলে না নেওয়া। জাতীয় সংসদ গণবিরোধী অধ্যাদেশগুলো বিবেচনায় না নিলে, এমনিতেই এসব বাতিল হয়ে যাবে। জনগণ কালো আইনের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাবে।

এই বিভাগের আরও খবর
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছে বিএনপি
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছে বিএনপি
জ্বালানি সংকটে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
জ্বালানি সংকটে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
দুই দিনে বিএনপির সহস্রাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
দুই দিনে বিএনপির সহস্রাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ইসরায়েলের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
ইসরায়েলের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই নিহত আরও ৩৩
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই নিহত আরও ৩৩
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
সর্বশেষ খবর
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রবাসীর মৃত্যু

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মুরগি বিতরণ
গাইবান্ধায় দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে মুরগি বিতরণ

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন
সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইমনের বদলি হিসেবে লাহোর কালান্দার্সে আসালাঙ্কা
ইমনের বদলি হিসেবে লাহোর কালান্দার্সে আসালাঙ্কা

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাঙ্গলকোটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
নাঙ্গলকোটে ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ২ ঘর
মুন্সীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ২ ঘর

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশার জীবনের অজানা অধ্যায়
ছোট্ট শহর থেকে বিশ্বমঞ্চে, গিনেস রেকর্ড —আশার জীবনের অজানা অধ্যায়

২০ মিনিট আগে | শোবিজ

আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ করতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী
আইনগুলোকে আরও বেশি স্বচ্ছ করতে চায় সরকার : আইনমন্ত্রী

২০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড
'বেস্ট বিজনেস পার্টনার অ্যাওয়ার্ড' দিলো আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড

২০ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি
১১ এপ্রিল পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি

২২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩২
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩২

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, শাস্তি পেলেন নীতীশ রানা
আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, শাস্তি পেলেন নীতীশ রানা

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল

২৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

পহেলা বৈশাখে তিন কনসার্টে ঢাকা মাতাবে ‘চিরকুট’
পহেলা বৈশাখে তিন কনসার্টে ঢাকা মাতাবে ‘চিরকুট’

৩২ মিনিট আগে | শোবিজ

সিরাজগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু
সিরাজগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হিরণ কিরণ থিয়েটারের ‘সিডর’-দেড় যুগের পথচলা
হিরণ কিরণ থিয়েটারের ‘সিডর’-দেড় যুগের পথচলা

৩৩ মিনিট আগে | শোবিজ

হবিগঞ্জে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
হবিগঞ্জে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ শিগগিরই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে : ইরানি রাষ্ট্রদূত
আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ শিগগিরই হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে : ইরানি রাষ্ট্রদূত

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

জয়পুরহাটে অ্যাপের মাধ্যমে তেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু
জয়পুরহাটে অ্যাপের মাধ্যমে তেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

দুর্ঘটনা রোধে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে: সেতুমন্ত্রী
দুর্ঘটনা রোধে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে: সেতুমন্ত্রী

৪৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আন্তঃবাহিনী আযান ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা শুরু
আন্তঃবাহিনী আযান ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা শুরু

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

হজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা অনুষ্ঠিত
হজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা অনুষ্ঠিত

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কেরানীগঞ্জের সড়কে বর্জ্য-আবর্জনার স্তূপ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য
কেরানীগঞ্জের সড়কে বর্জ্য-আবর্জনার স্তূপ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল রাজনীতি করতে চাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১০৬০ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১০৬০ ফ্লাইট বাতিল

৫৭ মিনিট আগে | এভিয়েশন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বগুড়ায় নেতাকর্মীদের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি
বগুড়ায় নেতাকর্মীদের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘদিন পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এলো গম
দীর্ঘদিন পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এলো গম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ
সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়