শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

আলজাজিরার বিশ্লেষণ

ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

প্রতিদিন ডেস্ক
প্রিন্ট ভার্সন
ইরান নিয়ে ভুল হিসাবে ট্রাম্প!

ইরাকে ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বহুজাতিক বাহিনীর অভিযানের দুই দশকের বেশি সময় পর ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ যুদ্ধ এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। ইরানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছেই। তার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য বারবার বদলাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া নিয়ে বক্তব্যগুলো হচ্ছে পরস্পরবিরোধী। এতে একটি প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসছে-ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত লক্ষ্য আসলে কী? এ প্রশ্ন নিয়ে আলজাজিরা একটি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর মার্কিন বাহিনী ইরানে প্রায় ২ হাজারটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। তেহরানে হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, বেসামরিক এলাকা এবং তেল শোধনাগার ও পানি শোধনকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতেও হামলা হয়েছে। জবাবে ইসরায়েল ও প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান, হাজার হাজার ড্রোনও পাঠিয়েছে। তেহরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো, মার্কিন দূতাবাস ও বেসামরিক এলাকাগুলো তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু। এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ১ হাজার ২০০-এর বেশি ইরানি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬০ এর বেশি শিশু নিহত হয় একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায়। সাতজন মার্কিন সেনাও নিহত হন। তবু বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ট্রাম্প আসলে কীভাবে এ যুদ্ধ শেষ করতে চান, তা তিনি কিংবা তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কথায় কখনো স্পষ্ট হয়নি। ট্রাম্প প্রশাসন কখনো খোলাখুলিভাবে ইরানে ‘শাসকগোষ্ঠীকে পরিবর্তন’ করতে চাওয়ার আকাক্সক্ষা প্রকাশ করেনি। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এ কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য ছিল ইরানের ক্ষমতাশালী পক্ষকে ভেঙে দেওয়া। পাকিস্তান-চায়না ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মুস্তফা হায়দার সায়েদ বলেন, এ হামলার লক্ষ্য ছিল শাসনব্যবস্থাকে তাৎক্ষণিকভাবে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা এবং গণবিদ্রোহ সৃষ্টি করা। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহানাদ সেলুমের মতে, ট্রাম্পের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে একটি ‘অঘোষিত কৌশল’ কাজ করেছিল বলে মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, ধরে নেওয়া হয়েছিল যে ইরানের প্রধান নেতাসহ শাসকগোষ্ঠীর বড় অংশকে শেষ করে দিতে পারলে পুরো ব্যবস্থা হয় ধসে পড়বে, নয়তো এতটাই দুর্বল হয়ে যাবে যে পরে যা-ই গড়ে উঠুক, তা ইরানকে যুদ্ধপূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে পারবে না। তবে বাস্তবে, অনেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও নেতা নিহত হলেও খামেনি ছাড়া ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি ধরে রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভিতরে বড় ধরনের ভাঙনের তেমন প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। রবিবার খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর ৫৬ বছর বয়সি ছেলে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করেছে ইরান। সায়েদ বলেন, ‘আমার মনে হয়, এখানে ট্রাম্পের হিসাবে ভুল ছিল। কারণ, তাঁরা ধারণা করেননি বা বুঝতে পারেননি যে ইরানের দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতা আছে।’ ‘ট্রাম্প ও তাঁর সহযোগীরা বারবারই বলেছেন যে যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে একটি যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামোতে হামলা হয়েছে। দুই দেশই দাবি করেছে, তারা এখন ইরানের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ করছে। সেলুম বলেন, ‘কেবল সামরিক শক্তি ব্যবহার করেই ওয়াশিংটনের কাক্সিক্ষত রাজনৈতিক সাফল্য পাওয়া সম্ভব নয়।’

সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস প্রসঙ্গ : এদিকে অভিযান শুরুর পর ট্রাম্প ইরানের জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ হলে আপনারা আপনাদের সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিন। এ দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে।’ তারপর ট্রাম্প আরও বলেন, যুদ্ধের পর সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেশটির ভিতরের কারও হাতে থাকা উচিত। এর মধ্য দিয়ে ইরানে সাবেক শাহর ছেলে রেজা পাহলভির ক্ষমতাসীন হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। রেজা পাহলভি যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তাঁর বহু বছরের আশা, ইরানে ফিরে দেশের শাসনভার হাতে নেওয়া। তবে ট্রাম্প আবার এটাও বলেছেন যে তিনি মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন নেতা হিসেবে স্বীকার করছেন না। ইরানে নেতা নির্বাচন করার বিষয়ে ট্রাম্প তাঁর নিজের সরাসরি সিদ্ধান্ত থাকা উচিত বলে মনে করেন। এরপর ৬ মার্চ ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইরানের শাসকদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ না করলে ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না!’ তিনি আরও বলেন, শাসকগোষ্ঠীর আত্মসমর্পণের পর গ্রহণযোগ্য নেতা নির্বাচিত করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে জবাব ছিল একই। তারা আত্মসমর্পণ করবে না, বোমা হামলা চলার মধ্যে কোনো আলোচনা হবে না এবং বাইরের চাপের মাধ্যমে কোনো নেতা নির্বাচিত হবেন না।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করার মধ্য দিয়ে ইরান ওয়াশিংটনের প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করল।

সেলুম বলেন, ট্রাম্প মোজতবাকে গ্রহণযোগ্য নয় বলেছিলেন। কিন্তু ইরানের শাসকেরা তাঁকেই বেছে নিয়েছেন। কারণ, শত্রুপক্ষ তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। যদি শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তনই লক্ষ্য (যুক্তরাষ্ট্রের) হয়, তাহলে এই নিয়োগই প্রমাণ করে যে রাজনৈতিকভাবে সেই পরিকল্পনা এরই মধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে।

 

ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য একটি পরিকল্পনাও আছে। তা হলো ইরানের সামরিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা চালাতে কুর্দি বাহিনীকে কাজে লাগানো, যেন দেশটির শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বড় আকারে বিদ্রোহের পথ প্রশস্ত হয়। ইরাকের কুর্দি গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, কুর্দি যোদ্ধাদের ইরানের ভিতরে পাঠানোটা অনেক বেশি জটিল হবে। কুর্দি নেতারা অবশ্য নিশ্চিত করেছেন যে ট্রাম্প তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এমন পদক্ষেপ অঞ্চলজুড়ে আরও বড় উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিউ লাইন্স ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসির জ্যেষ্ঠ পরিচালক কামরান বোখারি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে যুদ্ধবিরোধী একটি অবস্থান নিয়ে তিনি জিতেছেন, ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন যুদ্ধের দীর্ঘ প্রভাব বিবেচনায় নিলে ইরানে স্থল হামলা চালানোটা তাঁর জন্য কঠিন হবে।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু বলে বিবেচনা করে আসছে। কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের গালফ স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালক মাহবুব জোয়েইরি বলেন, ইসরায়েল বর্তমান যুদ্ধ একটি বিস্তৃত প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ অঞ্চল পুনর্বিন্যাসের চেষ্টা করছে, যা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হয়েছে। মাহবুব জোয়েইরির ভাষ্যে, ‘ইসরায়েল যা করার পরিকল্পনা করছে, তা মূলত ৭ অক্টোবরকে একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্য পুনর্গঠন। ঠিক যেমন যুক্তরাষ্ট্র নাইন ইলেভেনের পর করেছিল।’ মাহবুব জোয়েইরি আরও বলেন, ইসরায়েল সম্ভাব্য সব প্রতিপক্ষকে নির্মূল, কোণঠাসা ও পরাজিত করতে চায়, যারা দেশটিকে চ্যালেঞ্জ দিতে সক্ষম। এর মধ্যে ইরানও আছে।

চূড়ান্ত লক্ষ্য কী : কিংস কলেজ লন্ডনের নিরাপত্তা অধ্যয়নবিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রিয়াস ক্রিগ বলেন, যুদ্ধের উদ্দেশ্য নিয়ে ট্রাম্প ও তাঁর দল যেসব ভিন্ন সত্য প্রকাশ করেছেন, তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বিকল্প হলো ইরানকে সমঝোতার জন্য চাপ দেওয়া। স্থলযুদ্ধ চালানোটা বাস্তবসম্মত বিকল্প নয়।

আন্দ্রিয়াস ক্রিগ বলেন, ‘ওয়াশিংটনের এখনো ইরানের শাসকগোষ্ঠীর কিছু অংশের সঙ্গে বোঝাপড়ার সুযোগ আছে। এর মধ্যে আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও থাকবে, যদি তারা রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে রাজি থাকে এবং ক্ষেপণাস্ত্র, পারমাণবিক সীমাবদ্ধতা ও আঞ্চলিক আচরণে যথেষ্ট ছাড় দিয়ে ট্রাম্পকে সাফল্য দাবি করার সুযোগ দেয়।’

পাকিস্তান-চায়না ইনস্টিটিউটের সায়েদের মতে, ট্রাম্পের মনোভঙ্গি চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তারা বলেন, ট্রাম্প খুবই বাস্তববাদী। তিনি চুক্তি করতে চাইবেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে বলে ঘোষণা করবেন এবং যুদ্ধ শেষ করবেন।

সায়েদ মনে করেন, ট্রাম্প বিজয় নিয়ে নতুন বয়ানও উপস্থাপন করতে পারেন। বলতে পারেন, খামেনি নিহত হয়েছেন, সশস্ত্র বাহিনী ধ্বংস হয়েছে, ফলে যুদ্ধ শেষ। সায়েদের ধারণা, ইরানে স্থল অভিযান চালানো হলে তা অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দেখা দিতে পারে, তাঁর দলকে হারতে হতে পারে মধ্যবর্তী নির্বাচনে।

এই বিভাগের আরও খবর
ডাকাতদের কবল থেকে নিউজিল্যান্ডের পরিবার উদ্ধার
ডাকাতদের কবল থেকে নিউজিল্যান্ডের পরিবার উদ্ধার
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
বিএনপির ৫ শতাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
বিএনপির ৫ শতাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
আওয়ামী লীগের লুটপাটে ধ্বংস অর্থনীতি
আওয়ামী লীগের লুটপাটে ধ্বংস অর্থনীতি
নতুন দায়িত্বে প্রণয় ভার্মা
নতুন দায়িত্বে প্রণয় ভার্মা
আওয়ামী লীগের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে
আওয়ামী লীগের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে
জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম দিয়েছে
জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম দিয়েছে
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
আরও চার শিশুর মৃত্যু হাসপাতালে ১৩৪৫
আরও চার শিশুর মৃত্যু হাসপাতালে ১৩৪৫
সর্বশেষ খবর
ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগুনে আট দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষতি
আগুনে আট দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষতি

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সব পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা : শিক্ষামন্ত্রী
সব পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা : শিক্ষামন্ত্রী

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট
যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ মিশরের প্রধান গোলকিপার
নিষিদ্ধ মিশরের প্রধান গোলকিপার

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে মজুদকৃত অকটেন ও সার জব্দ
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অবৈধভাবে মজুদকৃত অকটেন ও সার জব্দ

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ.লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে মানববন্ধন
হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে মানববন্ধন

৩২ মিনিট আগে | নগর জীবন

২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ
ভালুকায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন
লাকসামে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেশন

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে
পহেলা বৈশাখে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়বে, তবে ব্যয়ে চাই সঠিক অগ্রাধিকার : শিক্ষামন্ত্রী

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি
লিগ্যাল এইডে ২ লাখেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী
আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ছিলেন, তারা মনোনয়ন পাবেন: রিজভী

৪৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

বল টেম্পারিং ইস্যুতে মত দিলেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার
বল টেম্পারিং ইস্যুতে মত দিলেন সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার
দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি
ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া অমার্জনীয় পরিণতি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ
কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সূর্যবংশীকে অটোগ্রাফসহ ক্যাপ উপহার দিলেন কোহলি
সূর্যবংশীকে অটোগ্রাফসহ ক্যাপ উপহার দিলেন কোহলি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন আর্টেমিসের নভোচারীরা
পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন আর্টেমিসের নভোচারীরা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে এখনও দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগ
জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে এখনও দীর্ঘ লাইন, দুর্ভোগ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসারাঙ্গার চোটে আইপিএলে সুযোগ পেলেন লিন্ডা
হাসারাঙ্গার চোটে আইপিএলে সুযোগ পেলেন লিন্ডা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের সঙ্গে আলোচনা: পাকিস্তানে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইরানের সঙ্গে আলোচনা: পাকিস্তানে পৌঁছেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ
হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’
‘মিস্টার আব্দুল্লাহ দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট’

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা
স্ত্রী ও প্রেমিক মিলে ডাকাতির নাটক, ভাড়াটে খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ
সারা দিনে হরমুজ পার হলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা একমাত্র তেলবাহী জাহাজ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ
ইরান যুদ্ধে জয়ের কথা বিশ্বাস করেন না ইসরায়েলের অধিকাংশ নাগরিক: জরিপ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া
হঠাৎ কেন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আয়োজন পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য গর্বের : শাহবাজ শরিফ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার
থাইল্যান্ডের রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেফতার

১৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয় : ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন
যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন
ইতিহাস গড়লেন সুনীল নারাইন

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদল, যোগ দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?
সুয়েজ খালে মিশরের মাশুল নেয়া বৈধ, হরমুজে ইরান নিলে আপত্তি কেন?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন
হরমুজে উধাও ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ
ডট বলের রেকর্ডে এলিটদের ক্লাবে মুস্তাফিজ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, দাবি রিপোর্টে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান
ইরানের এক ধাক্কায় ডলারের রেকর্ড পতন, উড়ছে চীনের ইউয়ান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে শারজাহে ফিরছে বাংলাদেশি জাহাজ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী
সীমান্ত এলাকা সম্প্রসারণের কথা বলে নিজ দেশেই তোপের মুখে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং
চীনা ও তাইওয়ানি জনগণ এক হবে : তাইওয়ানের বিরোধী নেতাকে শি জিনপিং

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
পাকিস্তানে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা
২৪ ঘণ্টার ভেতর বোঝা যাবে চুক্তি হবে কিনা, ট্রাম্পের বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান
ইউরোপের বেহাল দশা ফাঁস করে দিল ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে
ডলার ছাড়াই হরমুজে টোল, বিশ্ব বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, অগ্নিপরীক্ষায় পাকিস্তান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদ থেকে আকবর হোসেনের পদত্যাগ
লন্ডন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদ থেকে আকবর হোসেনের পদত্যাগ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা
এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য
গুরু ইলিয়াসের ভাগ্য কি বরণ করলেন তিন শিষ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক
গ্রামীণ জীবনে মুগ্ধ ভিনদেশি পর্যটক

শনিবারের সকাল

উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা
উৎকণ্ঠায় শান্তি আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা
বন নিধনে মেতেছে রোহিঙ্গারা

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ
যুদ্ধ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস
বৈশাখের আগমনে ইলিশে নাভিশ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন
ফেলে রাখা হয়েছে হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন

পেছনের পৃষ্ঠা

দূষণে মহাবিপদে সাত শহর
দূষণে মহাবিপদে সাত শহর

পেছনের পৃষ্ঠা

খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প
খরচের বোঝায় খাদের কিনারে পোলট্রিশিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!
বলিউড নায়িকাদের পছন্দ বিবাহিত পুরুষ!

শোবিজ

জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
জ্বালানি তেল সংকটের অজুহাতে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

নগর জীবন

ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট
ভয়ংকর অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান
হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ
ডট বলের বোলারদের শীর্ষ পাঁচে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়
নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনবার ফেল অক্ষয়

শোবিজ

কেমন আছেন শবনম
কেমন আছেন শবনম

শোবিজ

রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট
রেফারি প্যানেলে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমান দাপট

মাঠে ময়দানে

বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা
বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে ছোবল মারতে চায় : মমতা

পেছনের পৃষ্ঠা

এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা
এমডি ছাড়াই চলছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

নগর জীবন

প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!
প্রিমিয়ার ক্রিকেট শুরু ৫ মে!

মাঠে ময়দানে

থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

১৩ দিনে ৯১ বিল পাস
১৩ দিনে ৯১ বিল পাস

প্রথম পৃষ্ঠা

এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া
এপস্টেইনকাণ্ডে মুখ খুললেন মেলানিয়া

পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল
ভারত থেকে আসা পাথরের ট্রাকে মিলল মর্টার শেল

দেশগ্রাম

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ শতাংশ : এডিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন
যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া ও ইউক্রেন

পূর্ব-পশ্চিম

শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি
শাহবাজ ও মুনিরকে নোবেল দেওয়ার দাবি

পূর্ব-পশ্চিম

হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গ ত্যাগ করল দানিশ আজিজের এআইএমআইএম

পূর্ব-পশ্চিম