শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫৪, সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬

ধেয়ে আসছে মহাসংকট

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
ধেয়ে আসছে মহাসংকট

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ বিমান হামলা শুরু করে তখন অনেকেই হয়তো ভেবেছিলেন, এটি আরেকটি একতরফা যুদ্ধ-সহসাই শেষ হবে। যেখানে ইরানের পতন ঘটবে খুব সহজেই। কিন্তু যুদ্ধের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ার পর এখন এটা স্পষ্ট যে ইরান আক্রমণ সম্ভবত মার্কিন প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্তগুলোর একটি। ইরান যুদ্ধ নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সহজে যুদ্ধ জয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না। যুদ্ধ ক্রমে ছড়িয়ে পড়ছে। আর যুদ্ধ বন্ধ করলেও কৌশলগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে। ফলে ট্রাম্পের সামনে এখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। এখনো পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায়নি, অতীতের মতো বড় ব্যর্থতা বলা যায়, যেমনটা হয়েছিল ট্রাম্পের পূর্বসূরি জনসন ও বুশের ক্ষেত্রে। তবে কিছু সতর্কসংকেত দেখা যাচ্ছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই যুদ্ধের সময় যত বাড়ছে ততই গোটা বিশ্ব এক জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে। নানামুখী  অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মানবিক সংকট ক্রমশ প্রকট আকার ধারণ করছে।

কম ক্ষেত্রেই যুদ্ধে কোনো এক পক্ষ স্পষ্টভাবে জয়ী হয় না, আর বেশির ভাগ সময়েই সব থেকে বেশি মূল্য চুকাতে হয় সাধারণ মানুষকে। ইরানের ওপরে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চল এবং সারা বিশ্বজুড়েই নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে, আর মধ্যপ্রাচ্যজুড়েই হাজার হাজার মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

তবে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অনেক দূরেও এর প্রভাব পড়ছে। কোথাও তেলের দাম বেড়ে গেছে, কোথাও আবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় সাধারণ ক্রেতা এবং ব্যবসায়ীদের খরচও বেড়ে গেছে।

প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দূরে চলমান যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব বাংলাদেশে না এলেও এর ছাপ যে এখানেও পড়ছে সেটি স্পষ্ট। কারণ বিশ্ববাজারের অস্থিরতা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক পরীক্ষা বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই যুদ্ধ পরিস্থিতি ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। ওই অঞ্চল বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম হাব হওয়ায় এই যুদ্ধের বিস্তৃত প্রভাব এরই মধ্যে পড়তে শুরু করেছে গোটা বিশ্বে।

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে একটি ‘চেইন রিঅ্যাকশন’ তৈরি করছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা হলো, জ্বালানি তেল নিয়ে যে দেশে অস্থিরতা চলছে তা পেট্রোল পাম্পের অবস্থা দেখলেই বোঝা যায়। যদিও সরকার বারবার বলছে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। কিন্তু বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেলে সরকারকে মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি ভাবতেই হবে। কারণ এই চাপ বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন নিতে পারবে না।

জ্বালানি তেল বা গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিতে বাস-ট্রাকের ভাড়া যেমন বাড়তে পারে, তেমনি বৃদ্ধি পেতে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কিংবা সারের দামও। ফলে কৃষি উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে, যার প্রভাব পড়তে পারে চাল, ডাল আর সবজির বাজারেও।

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে পারে আমদানি করা ভোজ্য তেল, গম কিংবা চিনির দাম। যার ধারাবাহিক প্রভাব পড়তে পারে অন্যান্য প্রয়োজনীয় কিংবা শৌখিন পণ্যে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব পৌঁছে যেতে পারে এ দেশের সাধারণ মানুষের রান্নাঘর পর্যন্ত।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার কারণে দেশের অর্থনীতি হঠাৎই অনিশ্চয়তার মুখে পড়ার বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। ইরানের ড্রোন আঘাত হেনেছে আরব আমিরাতের মজুত রাখা জ্বালানি ট্যাঙ্কারে। নিজেদের বেশ কয়েকটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি স্থাপনায় ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর জানিয়েছে কাতার। হামলা হয়েছে সৌদি আরবের তেল শোধনাগারেও। সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি ইতোমধ্যে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড।

তারা সতর্ক করেছে যে হরমুজ প্রণালি ‘কেউ পার করার চেষ্টা করলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হবে।’

সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অস্থির সময় পার করছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা। ইতোমধ্যে যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানিমূল্যে।

তেলের দামের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড বৃহস্পতিবার ব্যারেলপ্রতি ৮৩ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। হামলার প্রথম দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারির সঙ্গে তুলনা করলে ওই দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থনীতিবিদ এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি চলমান থাকলে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য শিগগিরই ১০০ ডলারে পৌঁছাবে।

এমন প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য ভয়াবহ বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

তাঁরা বলছেন, অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা না থাকায় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেই আসে। যার বড় জোগানদাতা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার ও ওমান।

এই দেশগুলো থেকেই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে এলএনজি আমদানি করে বাংলাদেশ। এ ছাড়া স্পট মার্কেট থেকেও প্রয়োজন অনুযায়ী এলএনজি কেনা হয়।

কিন্তু ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় ইতোমধ্যে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ, যার বেশির ভাগই ভারতের ওপর নির্ভরশীল। তাদের জ্বালানিও আসে এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই। অর্থাৎ জ্বালানির কারণে বিদ্যুৎসংকট এবং সেখান থেকে কলকারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সব মিলিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তেলের দাম বাড়লে সরকারকে একই পরিমাণ জ্বালানি কিনতে অনেক বেশি ডলার খরচ করতে হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের টান পড়ে, যা মুদ্রার বিনিময়হার বা ডলারের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক এবং কৃষিপণ্য রপ্তানির একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের বাজারে যায়। বিশেষ করে পোশাক খাতের ওপর ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, যুদ্ধের কারণে লোহিত সাগর কিংবা সুয়েজ খালের মতো রুটগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হলে জাহাজ কোম্পানিগুলো ‘ওয়ার রিস্ক সারচার্জ’ আরোপ করে। এতে পণ্য পরিবহনের খরচ কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

তারা বলছেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে ইতোমধ্যে অর্ডার সংকুচিত করেছে অনেক দেশ। এ ছাড়া জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে।

নিরাপদ রুটে পণ্য পাঠাতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়, যা রপ্তানির লিড টাইম বাড়িয়ে দেয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে স্বল্প এবং দীর্ঘ মেয়াদি দুই ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে। কেবল পোশাক রপ্তানি নয়, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে অন্যতম কৃষি উপকরণ সারের ওপরও। কারণ বাংলাদেশ তার প্রয়োজনীয় সারের একটি বড় অংশ আমদানি করে কাতার ও সৌদি আরব থেকে। এ ছাড়া দেশীয় কারখানায় সার উৎপাদনের জন্যও জ্বালানি গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানিসংকটের কারণে অভ্যন্তরীণ সার উৎপাদনও প্রভাবিত হতে পারে।

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস হলো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ মেয়াদে প্রবাসী আয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমানে এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি বিদেশে কর্মরত, যাঁর সিংহভাগই রয়েছেন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও ওমানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, দেশের বাইরে বসবাস করা বাংলাদেশি অভিবাসীর অন্তত ৬০ লাখেরই গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এরই মধ্যে নানা সংকট তৈরি হয়েছে এই প্রবাসীদের। ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যেতে ইচ্ছুক অনেক বাংলাদেশি নিজ দেশেই থেকে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এ ছাড়া যুদ্ধাবস্থা চলমান থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশই অন্য দেশ থেকে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের নীতি পরিবর্তন করতে পারে। এতে করে নতুন কর্মী নিয়োগ বন্ধের শঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়াসহ নানা জটিলতায় পরবর্তী সময়ে আর দেশগুলোতে যাওয়া হবে কি না, এমন শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। অতীতে কুয়েত যুদ্ধের সময় হাজার হাজার বাংলাদেশিকে শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হয়েছিল। এমন পরিস্থিতি পুনরায় তৈরি হলে তা দেশের বেকারত্ব সমস্যার ওপর পাহাড়সম চাপ তৈরি করবে। সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধ বাংলাদেশের জন্য এক কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের দিকে যেন ধেয়ে আসছে এক মহাসংকট।

মাত্র এক মাস আগেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সরকার উত্তরাধিকার সূত্রেই নানা রকম জটিল অর্থনৈতিক সংকট পেয়েছে। গত দেড় বছর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বর্তী সরকার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গেছে। এ সময় বাংলাদেশ বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে বেতন-ভাতা দিয়েছে। হাজার হাজার কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কয়েক লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে গেছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ। মব সন্ত্রাস, মামলা বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির কারণে বেসরকারি উদ্যোক্তারা হতাশ। তাঁরা ব্যবসাবাণিজ্যে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। বিভিন্ন শিল্প গ্রুপ অন্তর্র্বর্তী সরকারের প্রতিহিংসার শিকার। তাঁদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। অনেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে চরিত্রহননের নোংরা খেলা হয়েছে। অর্থনীতিতে নেতিবাচক যত কাজ করা যায়, তার সবই করেছে বিগত অন্তর্র্বর্তী সরকার। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। একজন ব্যবসাবান্ধব অর্থমন্ত্রী নিয়োগের মাধ্যমে এই সরকার তার অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৌশল স্পষ্ট করেছে। এরপর অর্থনীতি ধ্বংসের অন্যতম খলনায়ক বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক দুর্নীতিবাজ গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সরিয়ে দিয়ে, এই সরকার জানিয়ে দিয়েছে যে তারা বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়তে চায়। বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে চায়। সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেই অতিদরিদ্র মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের কম সময়ের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কর্মসূচি বড় ধরনের ধাক্কা খাবে ইরান যুদ্ধের কারণে। এর ফলে ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি নতুন চাপে পড়বে। বিশেষ করে গত দেড় বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি পুরোপুরি রেমিট্যান্সনির্ভর হয়ে পড়েছে। এই যুদ্ধ রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় প্রভাব ফেলবে। তা ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তির কারণে বাংলাদেশ রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে না। সব মিলিয়ে একটা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সরকারকে লড়াই করতে হবে। আর এই লক্ষ্যে এখন থেকেই সরকারকে প্রস্তুতি নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, সরকারের একার পক্ষে এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই অর্থনীতির সব স্টেকহোল্ডারের মতামত নিতে হবে সরকারকে। সবাইকে আস্থায় নিয়ে কাজ করতে হবে সংকট মোকাবিলায়। এখন কে কোন পক্ষ তা দেখার সুযোগ নেই। যারা বিনিয়োগকারী, তারা যে মত ও পথের হোক না কেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। বিগত সরকারের আমলে বেসরকারি খাত ধ্বংসের যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, যেমন ব্যবসায়ীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ, দুদকে হয়রানিমূলক মামলা, মিথ্যা হত্যা মামলা, এসব দ্রুত বাতিল করে বেসরকারি খাতের আস্থা অর্জন করতে হবে। বেসরকারি খাত পাশে থাকলে সরকারের জন্য সংকট মোকাবিলা সহজ হবে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরকারকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগে সংকট মোকাবিলায় জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি গঠন সময়ের দাবি। ইতোমধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এই আতঙ্ক দূর করতে হবে। জনগণকে বাস্তবতা উপলব্ধি করাতে হবে সরকারকে। এজন্য সরকারকে স্বচ্ছতার সঙ্গে সত্য প্রকাশ করতে হবে। জ্বালানিসংকট কিংবা আসন্ন অর্থনৈতিক সংকট সরকারের সৃষ্ট না। তাই সব নাগরিকের মধ্যে সহনশীলতা ও কৃচ্ছ্র মনোভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

এই কঠিন সময়ে সরকারকে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে সবার আগে। যেমন আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎসংকট হবেই। লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা কেমন হবে- জনতুষ্টির জন্য সাধারণ নাগরিকদের বিদ্যুৎ দিয়ে কী শিল্প কলকারখানায় লোডশেডিং করা হবে? তেমনটা করা হলে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে। অর্থনৈতিক সংকট বাড়বে। শহরে বিদ্যুৎ বেশি দিয়ে গ্রাম অন্ধকার রাখলে আসন্ন বোরো মৌসুমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। তাই সরকারকে জনগণের সন্তুষ্টির চেয়ে দেশের বাস্তবতা ও চাহিদা বিবেচনা করতে হবে। সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক ভর্তুকি দিচ্ছে। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ভর্তুকি দেওয়া উচিত কি না, তা বিবেচনায় নিতে হবে। এই সংকটের সময়ে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে সব অনুৎপাদনশীল খাতের ব্যয় কমাতেই হবে। একটি নতুন নির্বাচিত সরকার প্রথম দিকে দেশের স্বার্থে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এখন সরকারকে অবশ্যই কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দেশের মানুষের জন্য এসব সিদ্ধান্ত আপাত দৃষ্টিতে অজনপ্রিয় মনে হলেও শেষ বিচারে এই বৈশ্বিক সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর বিবেচিত হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছে বিএনপি
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছে বিএনপি
জ্বালানি সংকটে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
জ্বালানি সংকটে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
দুই দিনে বিএনপির সহস্রাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
দুই দিনে বিএনপির সহস্রাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ইসরায়েলের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
ইসরায়েলের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই নিহত আরও ৩৩
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই নিহত আরও ৩৩
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
সর্বশেষ খবর
ইডেন কলেজ-ঢাকা মেডিকেলসহ বিলুপ্ত হলো ছাত্রদলের যেসব কমিটি
ইডেন কলেজ-ঢাকা মেডিকেলসহ বিলুপ্ত হলো ছাত্রদলের যেসব কমিটি

এই মাত্র | রাজনীতি

ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে আজ
ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে আজ

১১ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

ঢাকায় বাড়তে পারে গরম
ঢাকায় বাড়তে পারে গরম

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ৭০০ ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার
রাজধানীতে ৭০০ ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি, চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন ভ্যান্স
২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি, চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন ভ্যান্স

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ এপ্রিল ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১২ এপ্রিল ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ
সেই মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে উত্তাল রূপগঞ্জ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা
অর্থনীতির দুর্দিনে ভালো বাজেটের অপেক্ষা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১২ এপ্রিল)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামাবাদে সংবাদ সম্মেলন করবেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, আসতে পারে ‌‘গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা’
ইসলামাবাদে সংবাদ সম্মেলন করবেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, আসতে পারে ‌‘গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের পারিবারিক ঝামেলায় জড়ালেন হানসিকা, ভাইয়ের সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা
ফের পারিবারিক ঝামেলায় জড়ালেন হানসিকা, ভাইয়ের সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত
হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

কেরানীগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বান্দরবান সীমান্তে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত অকটেন ও সার জব্দ
বান্দরবান সীমান্তে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত অকটেন ও সার জব্দ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাজিতপুরে ফেরিতে উঠতে গিয়ে ট্রাক নদীতে, পথচারী নিহত
বাজিতপুরে ফেরিতে উঠতে গিয়ে ট্রাক নদীতে, পথচারী নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তির ৩৯ দিন আগেই ‘এক দিন’-এর টিকিট বুকিং
মুক্তির ৩৯ দিন আগেই ‘এক দিন’-এর টিকিট বুকিং

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট নিজার আমেদি
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট নিজার আমেদি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বক্স অফিসে ১০০০ কোটির ইতিহাস ‘ধুরন্ধর ২’, মন্দিরে প্রার্থনায় সারা
বক্স অফিসে ১০০০ কোটির ইতিহাস ‘ধুরন্ধর ২’, মন্দিরে প্রার্থনায় সারা

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এস্পানিওলকে উড়িয়ে শীর্ষস্থান মজবুত করল বার্সেলোনা
এস্পানিওলকে উড়িয়ে শীর্ষস্থান মজবুত করল বার্সেলোনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন
যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন: সিএনএন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট
যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ
কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উগান্ডায় শিম্পাঞ্জিদের গৃহযুদ্ধ, ৮ বছরে বহু প্রাণহানি
উগান্ডায় শিম্পাঞ্জিদের গৃহযুদ্ধ, ৮ বছরে বহু প্রাণহানি

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার
দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে ন্যাটোর কবর খুঁড়ছেন ট্রাম্প!
যেভাবে ন্যাটোর কবর খুঁড়ছেন ট্রাম্প!

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি, চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন ভ্যান্স
২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও সমঝোতা হয়নি, চুক্তি ছাড়াই দেশে ফিরছেন ভ্যান্স

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

বাঁশ-বেতের পণ্য প্রদর্শনী
বাঁশ-বেতের পণ্য প্রদর্শনী

দেশগ্রাম

উল্টে যাওয়া সিএনজিতে বিপুল মাদক
উল্টে যাওয়া সিএনজিতে বিপুল মাদক

দেশগ্রাম

পরিচালনা পর্ষদ গঠন
পরিচালনা পর্ষদ গঠন

দেশগ্রাম

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

অবৈধ বালু তোলায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা
অবৈধ বালু তোলায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা

দেশগ্রাম