শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৪, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

দুই সম্পাদক এক-এগারো ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড

জিজ্ঞাসাবাদে মামুন খালেদ
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
দুই সম্পাদক এক-এগারো ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্রের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে। এক-এগারো ষড়যন্ত্রের অন্যতম কুশীলব কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিমান্ডে এনে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁদের           মধ্যে অন্যতম সাবেক সেনা গোয়েন্দাপ্রধান মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ। মামুন খালেদকে তিন দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান যে এক-এগারো ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড দুই সম্পাদক ও সুশীল সমাজের কিছু লোক। গত ২৫ মার্চ রাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পর দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ এ মামলায় তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

৩১ মার্চ দ্বিতীয় দফায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাঁর ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দ্বিতীয় দফার রিমান্ড শেষে ৬ এপ্রিল তাঁকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তৃতীয় দফায় তাঁকে চার দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তাঁর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছেন, রিমান্ডে মামুন খালেদ এক-এগারো ষড়যন্ত্রের মূলহোতাদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। রিমান্ডে তাঁর কাছে মূলত জানতে চাওয়া হয়-কেন, কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এক-এগারো সংঘটিত করে? উত্তরে মামুন খালেদ জানিয়েছিলেন, সুশীল সমাজের একটি অংশের ষড়যন্ত্রের ফসল ছিল এক-এগারো। এই সুশীল সমাজ বাংলাদেশে একটি অনির্বাচিত সরকারকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ধরনা দেয়। তাদের একাংশের তৎপরতায় বাংলাদেশে সৃষ্টি করা হয় ভয়াবহ রাজনৈতিক অস্থিরতা। একই সঙ্গে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি বিতর্কিত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা হয়। মামুন খালেদ দাবি করেন, এক-এগারো ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সেনাবাহিনী যুক্ত হয়েছে শেষ পর্যায়ে। তাঁর মতে শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ বন্ধ হয়ে যাবে, এ বার্তা পাওয়ার পরই সশস্ত্র বাহিনী এক-এগারো ষড়যন্ত্রের অংশ হয়। রিমান্ডে মামুন দাবি করেন যে সশস্ত্র বাহিনী এক-এগারো পরিকল্পনার অংশ ছিল না। বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছিল।

তদন্ত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সাবেক ডিজিএফআইয়ের প্রধান জানান, এক-এগারোর মূল পরিকল্পনাকারী ছিল সুশীল সমাজের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত দুটি সংবাদপত্র। এ দুই পত্রিকা অনির্বাচিত সরকারকে কীভাবে ক্ষমতায় আনা যায়, কীভাবে রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে বিতর্কিত এবং নিষ্ক্রিয় করা যায়, সর্বোপরি কীভাবে বিদেশি সহায়তায় একটি শক্তিশালী সুশীল সরকারকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রাখা যায় তার নীলনকশা প্রণয়ন করেছিল। মামুন বলেন, এক-এগারোর আগে এবং এক-এগারোর সময় সংবাদপত্র দুটির সংবাদ, সম্পাদকীয় এবং মন্তব্য প্রতিবেদন পড়লেই এ ষড়যন্ত্রের আদ্যোপান্ত জানা যাবে।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একটি বিশেষ চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। ২০০৬ সালের শুরু থেকে দেশের প্রভাবশালী একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি দৈনিক সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার চালিয়ে যায়। তথাকথিত ‘যোগ্য প্রার্থী’ বাছাইয়ের নামে এনজিও ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে দেশব্যাপী সেমিনার এবং গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল রাজনীতিবিদদের প্রতি সাধারণ মানুষের ঘৃণা সৃষ্টি করা। মামুন খালেদ দাবি করেন, ওই সময় কিছু প্রভাবশালী মহল দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্দিষ্ট দিকে নিয়ে যেতে কাজ করেছিল। তাঁর ভাষ্যমতে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি দৈনিক তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সমালোচনার আড়ালে এমন একটি জনমত তৈরি করেছিল, যেখানে রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়। তিনি অভিযোগ করেন, এ প্রক্রিয়ায় ‘বিরাজনীতিকরণ’ ধারণাটি সামনে আনা হয় এবং সেটি জনপ্রিয় করতে সংবাদ পরিবেশন ও বিশ্লেষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ‘ওয়ার অ্যাগেইনস্ট টেরর’ সুযোগকে কাজে লাগিয়েছিল এ দুষ্টচক্র।

এক-এগারো-পরবর্তী দুই বছর দেশের ওই প্রভাবশালী দুটি পত্রিকা কেবল সংবাদমাধ্যম হিসেবেই কাজ করেনি, বরং তারা ছিল ডিজিএফআইয়ের অঘোষিত মুখপত্র। গোয়েন্দা সেলে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর নির্যাতনের মাধ্যমে আদায় করা বানোয়াট ও কল্পিত তথ্যগুলো কোনোপ্রকার যাচাইবাছাই ছাড়াই ‘বিশেষ প্রতিবেদন’ হিসেবে ছেপে দেওয়া হতো। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ওয়ান-ইলেভেন সরকার আসার পর আগের ধারাবাহিকতায় পত্রিকা দুটি এমন পরিবেশ তৈরি করেছিল, যাতে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক নেত্রীকে রাজনীতি থেকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ বাস্তবায়ন করা সহজ হয়। পরিকল্পনাকে জনসমর্থনযোগ্য করে তুলতে বিভিন্ন প্রতিবেদন, কলাম ও টকশোতে ধারাবাহিকভাবে একটি নির্দিষ্ট বয়ান প্রচার করা হয়েছিল। মামুন দাবি করেন, মিডিয়াতে কী যাবে না যাবে, তা ঠিক করে দিতেন এ পত্রিকা দুটির সম্পাদকরা। সূত্র বলছেন, পত্রিকা দুটি কেবল নেতিবাচক খবরই ছাপত না, বরং তারা রাজনৈতিক দলের ভিতর বিভেদ তৈরির কারিগর হিসেবেও কাজ করেছিল। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী ও তথাকথিত ‘সংস্কারপন্থি’ নেতাদের ব্যাপকভাবে প্রমোট করা হতো ওই দুই পত্রিকায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের যখন রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছিল, তখন এ পত্রিকাগুলো মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বিরাজনীতিকরণের নীলনকশা বাস্তবায়নে ব্যস্ত ছিল। ‘তারেক রহমানের বিচার হতেই হবে’ শিরোনামে এক সম্পাদক প্রথম পৃষ্ঠায় কলাম লেখেন। রিমান্ডে খালেদ মামুন বলেছেন, বিভিন্ন সরকারের কঠোর সমালোচনা করলেও কোনো সরকারই তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে আঘাত করেনি, বরং তাদের সম্পদ ও প্রভাব ক্রমে জ্যামিতিক হারে বেড়েছে।

মইনের চায়ের দাওয়াতে দুই সম্পাদক : গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে মামুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এগুলো তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন। মামুন জানিয়েছেন, ক্ষমতা দখলের তিন দিন আগে ৮ জানুয়ারি দুই সম্পাদক সেনা সদরে সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁরা সেখানে দুই ঘণ্টার বেশি অবস্থান করেন বলে জানান মামুন। মামুন দাবি করেছেন, এ বৈঠকেই ক্ষমতা দখলের খুঁটিনাটি বিষয় চূড়ান্ত হয়।

ইয়াজ উদ্দিনের বক্তৃতা লিখে দেন বাংলা দৈনিকের সম্পাদক : তদন্ত কর্মকর্তাদের মামুন জানিয়েছেন, মইন এবং তাঁর সঙ্গীরা যখন বঙ্গভবনে যান তখন তাঁদের সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান এবং রাষ্ট্রপতির একটি লিখিত ভাষণ ছিল। এ ভাষণেই ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। জানা গেছে, এ ভাষণটি লিখে দিয়েছিলেন সুশীল সমাজের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত বাংলা দৈনিকের সম্পাদক। মামুন জানান, তৎকালীন সেনাপ্রধান নিজেই তাঁকে এ তথ্য দিয়েছিলেন। মামুন তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, এক-এগারোর সবকিছু জানেন দুই সম্পাদক। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই এক-এগারোর রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব।

এই বিভাগের আরও খবর
হজ কাফেলার প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান
হজ কাফেলার প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান
জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে
জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে
হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কার্যক্রম শুরু
হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কার্যক্রম শুরু
ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার
ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডে আজ
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডে আজ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি সম্ভব নয়
গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি সম্ভব নয়
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ
শান্তি হুমকিতে ফেলছে প্রভাবশালীরা
শান্তি হুমকিতে ফেলছে প্রভাবশালীরা
২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
সর্বশেষ খবর
আঙুল ট্রিগারেই আছে, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানি সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি
আঙুল ট্রিগারেই আছে, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানি সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ
বগুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ

৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সিডনিতে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে ‘বাংলা হানড্রেড লিগ’
সিডনিতে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে ‘বাংলা হানড্রেড লিগ’

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা

১১ মিনিট আগে | পরবাস

স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা দিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা দিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

২০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘পূর্ণ সমর্থনের’ প্রতিশ্রুতি পর্তুগালের
লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘পূর্ণ সমর্থনের’ প্রতিশ্রুতি পর্তুগালের

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ
গাইবান্ধায় মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে দমাতে গিয়ে ফুরাচ্ছে মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডার, বিপদে ইউরোপ
ইরানকে দমাতে গিয়ে ফুরাচ্ছে মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডার, বিপদে ইউরোপ

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদ্রিদ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন জোকোভিচ
মাদ্রিদ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন জোকোভিচ

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পাম্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহের দাবি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের
পাম্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহের দাবি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নাটোরে মালামালসহ ১৩ ডাকাত গ্রেফতার
নাটোরে মালামালসহ ১৩ ডাকাত গ্রেফতার

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হুথি আতঙ্কে পথ বদলালো মার্কিন রণতরী?
হুথি আতঙ্কে পথ বদলালো মার্কিন রণতরী?

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তা-খাল দখলের অভিযোগ
লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তা-খাল দখলের অভিযোগ

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যস্থতায় ‘কার্যকর ভূমিকার’ জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
মধ্যস্থতায় ‘কার্যকর ভূমিকার’ জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইফের পর ফিরলেন লিটন
সাইফের পর ফিরলেন লিটন

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফোন ব্যবহার করে শাস্তি পেলেন রাজস্থানের ম্যানেজার
ফোন ব্যবহার করে শাস্তি পেলেন রাজস্থানের ম্যানেজার

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শনিবার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শনিবার

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

আড়াইহাজারে বসতবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
আড়াইহাজারে বসতবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে তিনহাজার পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার
সোনারগাঁয়ে তিনহাজার পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিপদে রাহুল গান্ধী
‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিপদে রাহুল গান্ধী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসপাতালে চাঁদা দাবি; রিমান্ড শেষে মঈনসহ ৭ জন কারাগারে
হাসপাতালে চাঁদা দাবি; রিমান্ড শেষে মঈনসহ ৭ জন কারাগারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফিফটি করে ফিরলেন সাইফ
ফিফটি করে ফিরলেন সাইফ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘তেল দিতে দেরি হওয়ায়’ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ
‘তেল দিতে দেরি হওয়ায়’ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের
আবারও রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নটিংহ্যামশায়ারের সঙ্গে ইংলিশ পেসারের নতুন চুক্তি
নটিংহ্যামশায়ারের সঙ্গে ইংলিশ পেসারের নতুন চুক্তি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অবরোধের মাঝেই হরমুজ পার হলো পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ
মার্কিন অবরোধের মাঝেই হরমুজ পার হলো পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটোরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
নাটোরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-লেবানন: ট্রাম্প
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-লেবানন: ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে
শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তেহরান সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
তেহরান সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের
রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সাকিব-মাশরাফিকে ফোনে দাওয়াত দিয়েছেন তামিম, বুলবুল করেছেন ব্লক
সাকিব-মাশরাফিকে ফোনে দাওয়াত দিয়েছেন তামিম, বুলবুল করেছেন ব্লক

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের
চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি
বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি
নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুষ্টিমেয় স্বৈরশাসকের হাতে বিধ্বস্ত হচ্ছে গোটা বিশ্ব: পোপ
মুষ্টিমেয় স্বৈরশাসকের হাতে বিধ্বস্ত হচ্ছে গোটা বিশ্ব: পোপ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি হরমুজের এক প্রান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে ইরান?
সত্যিই কি হরমুজের এক প্রান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু
ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল
অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি
স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২
মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে
নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যতক্ষণ দখলদার থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে হিজবুল্লাহ
যতক্ষণ দখলদার থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে হিজবুল্লাহ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?
বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশানে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক
গুলশানে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩২ অধিনায়ক পেলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’, আজীবন সুবিধা দেবে বিসিবি
৩২ অধিনায়ক পেলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’, আজীবন সুবিধা দেবে বিসিবি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর

৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?
হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে গোপন চক্র!
যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে গোপন চক্র!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পদ্মার বুকে দ্বিতীয় সেতুর অপেক্ষায় কোটি মানুষ
পদ্মার বুকে দ্বিতীয় সেতুর অপেক্ষায় কোটি মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

পদ্মার এক কাতলার দাম অর্ধলাখ টাকা
পদ্মার এক কাতলার দাম অর্ধলাখ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

তালাবদ্ধ স্কুল ভবনে আটকা শিশু শিক্ষার্থী
তালাবদ্ধ স্কুল ভবনে আটকা শিশু শিক্ষার্থী

পেছনের পৃষ্ঠা

তারল্যে জোয়ার ঋণে ভাটা
তারল্যে জোয়ার ঋণে ভাটা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জয় দিয়ে শুরু চান মিরাজ
জয় দিয়ে শুরু চান মিরাজ

মাঠে ময়দানে

চলচ্চিত্রের সেই শিশুশিল্পীরা
চলচ্চিত্রের সেই শিশুশিল্পীরা

শোবিজ

চাওয়া-পাওয়ার দুই মাস
চাওয়া-পাওয়ার দুই মাস

প্রথম পৃষ্ঠা

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে শান্তির আশা
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে শান্তির আশা

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে চট্টগ্রাম, ইন্টারনেটে ঢাকা
স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে চট্টগ্রাম, ইন্টারনেটে ঢাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের লাইনেই রাত-দিন
তেলের লাইনেই রাত-দিন

পেছনের পৃষ্ঠা

গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?
গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?

সম্পাদকীয়

মন ভালো নেই মৌসুমীর
মন ভালো নেই মৌসুমীর

শোবিজ

নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা

সম্পাদকীয়

আদর আজাদের উচ্ছ্বাস
আদর আজাদের উচ্ছ্বাস

শোবিজ

ঝুঁকিতে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম
ঝুঁকিতে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি
স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক
মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক

পেছনের পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা কিংসের সামনে রহমতগঞ্জ
বসুন্ধরা কিংসের সামনে রহমতগঞ্জ

মাঠে ময়দানে

ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার
ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার

প্রথম পৃষ্ঠা

জয়ার খাদ্যাভ্যাস
জয়ার খাদ্যাভ্যাস

শোবিজ

৪ মেডেন ওভারে রাফিনের ৬ শিকার
৪ মেডেন ওভারে রাফিনের ৬ শিকার

মাঠে ময়দানে

নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী
নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী

পেছনের পৃষ্ঠা

১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

নগর জীবন

২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

নগর জীবন

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে
জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে

প্রথম পৃষ্ঠা