শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৪, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম

সংসদে ১৩ বিল পাস, আছে জুলাই গণ অভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন জাতির পিতার পরিবারের বিশেষ নিরাপত্তা আইন বাতিল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী গতকাল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাসের জন্য উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাস হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

এ ছাড়া জুলাই গণ অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণে জুলাই গণ অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন ও জাতির পিতার পরিবারের বিশেষ নিরাপত্তা আইন বাতিলসহ ১৩টি বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। গতকাল সংসদ অধিবেশনের ১১তম দিনে তিন দফায় বিলগুলো কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলগুলোর বিশেষ কমিটির কোনো প্রস্তাব না থাকায় সরাসরি পাস হয়।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং মন্ত্রীর পক্ষে প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করেন। এর মধ্যে তিনটি বিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা আইন, ২০২৬’, প্রোটেকশন অ্যান্ড কনসারভেশন অব ফিস (এমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি জামালপুর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিল সংসদে পাস করা হয়। এ বিলটিতে শেখ হাসিনার নাম বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়।

পাস হওয়া অপর বিলগুলো হচ্ছে- ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাষণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা রহিতকরণ আইন, ২০২৬’, স্থানীয় পরিকল্পনা আইন, ২০২৬’ পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) আইন, ২০২৬’ ও কোড অব সিভিল প্রসিডিউর (সংশোধন) বিল ২০২৬।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তিনটি বিল উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এগুলো হচ্ছে-বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) বিল ২০২৬, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল ২০২৬ ও বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অব্জল (রহিতকরণ) বিল ২০২৬।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকছে : অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাসের জন্য উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাস হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে এর ওপর আপত্তি জানান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বিলটি পর্যালোচনার জন্য সময় চেয়ে বলেন, আমরা মাত্র ২-৩ মিনিট আগে বিলটি হাতে পেয়েছি। আমাদের এটি বিস্তারিত বোঝার জন্য সময় দেওয়া উচিত। জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, বিলটি পাসের জন্য নির্ধারিত চূড়ান্ত পর্যায়ে এখন আর নতুন করে আপত্তি জানানোর বা সংশোধনী দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এরপর তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিলটি পাসের জন্য প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বলেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণহত্যার জন্য দায়ী সংগঠনগুলোর বিচার নিশ্চিত করতেই আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপি রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে এই ইস্যুতে জনমত তৈরি করেছিল। এ আইনের মাধ্যমেই তাদের (আওয়ামী লীগের) নিবন্ধন স্থগিত করা হয়েছে। তারপরও বিলে যদি কোনো পক্ষের আপত্তি থাকে, তবে তা সংশোধনী প্রক্রিয়ার প্রথম বা দ্বিতীয় ধাপেই জানানো উচিত ছিল, তখন আলোচনার সুযোগ ছিল। এরপর স্পিকার এ বিষয়ে রুলিং দেন এবং পুনরায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিলটি পাসের প্রস্তাব করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে বিলটি পাস হয়।

পাস হওয়া বিলের বিধান অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মিছিল-সভা-সমাবেশ করতে পারবে না, দলটির কার্যালয় বন্ধ থাকবে, ব্যাংক হিসাব জব্দ হবে, পোস্টার-ব্যানার প্রচার করতে পারবে না, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তা প্রকাশ করা যাবে না এবং সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না দলটি। নিষিদ্ধ সংগঠন এসব কার্যক্রম পরিচালনা করলে ৪ থেকে ১৪ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপি বলেছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয় তারা। এ বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু সরকার গঠনের পর বিএনপি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে’ আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়। অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শাস্তির বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের ভিত্তিতে কার্যকর ছিল। সংসদের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি সংশোধিত আকারে আইন হিসেবে পাসের সুপারিশ করে।

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে আইন পাস : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে জাতীয় সংসদ। সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উত্থাপিত এ-সংক্রান্ত ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল-২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। এর আগে সংসদে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য তুলে ধরেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, জুলাই গণ অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণ অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে করা সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করে প্রত্যাহার করা হবে। এ ছাড়া নতুন কোনো মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা গণ অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে করা আইনত বারিত (নিষিদ্ধ) হবে। আরও বলা হয়েছে, কোনো গণ অভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা জুলাই গণ অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করার কারণে করা হয়ে থাকলে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকার নিযুক্ত কোনো আইনজীবী এই প্রত্যয়নের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করবেন। এ আবেদনের পর আদালত ওই মামলা বা কার্যধারা সম্পর্কে আর কোনো কার্যক্রম নেবেন না। তা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অবিলম্বে অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা ক্ষেত্রমতে খালাসপ্রাপ্ত হবেন। বিলে বলা হয়, এই বিধান সত্ত্বেও কোনো গণ অভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই গণ অভ্যুত্থানকালে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের অভিযোগ থাকলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন এই অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা নেবে।

বিসিবি নিয়ে পাল্টাপাটি বক্তব্য : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপনকালে আপত্তি জানানোর জন্য ফ্লোর নেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ইনডেমনিটিটা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপরে নির্ভর করবে। অথচ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশটা ইতোমধ্যে ল্যাপস করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কমিশন যদি ২০০৯ সালের অনুযায়ী চলে, তাহলে সেটা পুরোপুরি সরকার নিয়ন্ত্রিত একটা মানবাধিকার কমিশন হবে।

বিরোধীদলীয় এই সংসদ সদস্য বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নগ্নভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে দখল করা হয়েছে। বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এটা নাই। এটা বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বায়ত্তশাসিত না করা হলে আরেকটি বাপের দোয়া কমিশন দেখতে পাব। তিনি আরও বলেন, কমিশনকে যদি আমরা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি এবং তাকেই যদি আমরা জুলাই গণ অভ্যুত্থানের কার্যক্রমগুলোকে বিচারের এবং নিরীক্ষণের দায়িত্ব দেয়, সেক্ষেত্রে এই নিরীক্ষণ কিন্তু প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ক্রিকেট বোর্ডসহ সারা দেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে সারা বাংলাদেশের জেলা কমিটিগুলোকে প্রভাবিত করেছেন। বাংলাদেশে যেগুলো নিবন্ধিত ক্লাব ছিল, সেগুলোকে সরকারি ক্ষমতার মাধ্যমে প্রভাবিত করা হয়েছে এবং হাই কোর্টে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ক্রিকেট বোর্ডের একটি বডি গঠন করা হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছে, কী কী অনিয়ম হয়েছে তা খুঁজে বের করার জন্য। সেই তদন্ত কমিটির রিপোর্ট দেওয়ার পর তারা জানাল যে এখানে যথেষ্ট অনিয়ম হয়েছে। এরপর একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনসহ অন্যান্য বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতির পিতার পরিবারের বিশেষ নিরাপত্তা আইন বাতিল করে বিল পাস : ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯’ রহিত করে জাতীয় সংসদে বিল পাস করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শেখ পরিবারের সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত বিশেষ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুবিধাদি বাতিল হলো। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশটি বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেবল একটি পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় বিশেষ সুবিধা প্রদানের জন্য আইনটি করা হয়েছিল, যা ছিল একটি সুস্পষ্ট বৈষম্য। এই বৈষম্য দূর করতে অন্তর্বর্তী সরকার আইনটি রহিত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ জারি করা হয়। সেই অধ্যাদেশটিই এখন স্থায়ী বিল আকারে সংসদে পাস করা হলো। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা এ আইনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবিত দুই কন্যা এবং তাদের সন্তানদের জন্য আজীবন বিশেষ নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় বাসভবনসহ নানা সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা ছিল। বুধবার বিলটি পাসের মাধ্যমে সেই আইনি বাধ্যবাধকতা ও সুবিধা বিলুপ্ত হলো।

এই বিভাগের আরও খবর
হজ কাফেলার প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান
হজ কাফেলার প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান
জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে
জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে
হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কার্যক্রম শুরু
হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কার্যক্রম শুরু
ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার
ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডে আজ
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডে আজ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি সম্ভব নয়
গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি সম্ভব নয়
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ
শান্তি হুমকিতে ফেলছে প্রভাবশালীরা
শান্তি হুমকিতে ফেলছে প্রভাবশালীরা
২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
সর্বশেষ খবর
গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ
বগুড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ

৩৫ সেকেন্ড আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সিডনিতে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে ‘বাংলা হানড্রেড লিগ’
সিডনিতে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে ‘বাংলা হানড্রেড লিগ’

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা

৫ মিনিট আগে | পরবাস

স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা দিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা দিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

১৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘পূর্ণ সমর্থনের’ প্রতিশ্রুতি পর্তুগালের
লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘পূর্ণ সমর্থনের’ প্রতিশ্রুতি পর্তুগালের

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ
গাইবান্ধায় মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানকে দমাতে গিয়ে ফুরাচ্ছে মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডার, বিপদে ইউরোপ
ইরানকে দমাতে গিয়ে ফুরাচ্ছে মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডার, বিপদে ইউরোপ

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদ্রিদ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন জোকোভিচ
মাদ্রিদ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন জোকোভিচ

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পাম্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহের দাবি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের
পাম্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহের দাবি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

নাটোরে মালামালসহ ১৩ ডাকাত গ্রেফতার
নাটোরে মালামালসহ ১৩ ডাকাত গ্রেফতার

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হুথি আতঙ্কে পথ বদলালো মার্কিন রণতরী?
হুথি আতঙ্কে পথ বদলালো মার্কিন রণতরী?

৩২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তা-খাল দখলের অভিযোগ
লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তা-খাল দখলের অভিযোগ

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যস্থতায় ‘কার্যকর ভূমিকার’ জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
মধ্যস্থতায় ‘কার্যকর ভূমিকার’ জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইফের পর ফিরলেন লিটন
সাইফের পর ফিরলেন লিটন

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফোন ব্যবহার করে শাস্তি পেলেন রাজস্থানের ম্যানেজার
ফোন ব্যবহার করে শাস্তি পেলেন রাজস্থানের ম্যানেজার

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শনিবার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শনিবার

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

আড়াইহাজারে বসতবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
আড়াইহাজারে বসতবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে তিনহাজার পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার
সোনারগাঁয়ে তিনহাজার পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিপদে রাহুল গান্ধী
‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিপদে রাহুল গান্ধী

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসপাতালে চাঁদা দাবি; রিমান্ড শেষে মঈনসহ ৭ জন কারাগারে
হাসপাতালে চাঁদা দাবি; রিমান্ড শেষে মঈনসহ ৭ জন কারাগারে

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ফিফটি করে ফিরলেন সাইফ
ফিফটি করে ফিরলেন সাইফ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘তেল দিতে দেরি হওয়ায়’ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ
‘তেল দিতে দেরি হওয়ায়’ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের
আবারও রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নটিংহ্যামশায়ারের সঙ্গে ইংলিশ পেসারের নতুন চুক্তি
নটিংহ্যামশায়ারের সঙ্গে ইংলিশ পেসারের নতুন চুক্তি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অবরোধের মাঝেই হরমুজ পার হলো পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ
মার্কিন অবরোধের মাঝেই হরমুজ পার হলো পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটোরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
নাটোরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইবি শিক্ষিকা হত্যা মামলায় সেই কর্মচারী দুই দিনের রিমান্ডে
ইবি শিক্ষিকা হত্যা মামলায় সেই কর্মচারী দুই দিনের রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-লেবানন: ট্রাম্প
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-লেবানন: ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে
শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তেহরান সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
তেহরান সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের
রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সাকিব-মাশরাফিকে ফোনে দাওয়াত দিয়েছেন তামিম, বুলবুল করেছেন ব্লক
সাকিব-মাশরাফিকে ফোনে দাওয়াত দিয়েছেন তামিম, বুলবুল করেছেন ব্লক

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের
চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি
বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি
নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুষ্টিমেয় স্বৈরশাসকের হাতে বিধ্বস্ত হচ্ছে গোটা বিশ্ব: পোপ
মুষ্টিমেয় স্বৈরশাসকের হাতে বিধ্বস্ত হচ্ছে গোটা বিশ্ব: পোপ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি হরমুজের এক প্রান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে ইরান?
সত্যিই কি হরমুজের এক প্রান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু
ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল
অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি
স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২
মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে
নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যতক্ষণ দখলদার থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে হিজবুল্লাহ
যতক্ষণ দখলদার থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে হিজবুল্লাহ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?
বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশানে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক
গুলশানে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩২ অধিনায়ক পেলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’, আজীবন সুবিধা দেবে বিসিবি
৩২ অধিনায়ক পেলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’, আজীবন সুবিধা দেবে বিসিবি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর

৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে গোপন চক্র!
যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে গোপন চক্র!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?
হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পদ্মার বুকে দ্বিতীয় সেতুর অপেক্ষায় কোটি মানুষ
পদ্মার বুকে দ্বিতীয় সেতুর অপেক্ষায় কোটি মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

পদ্মার এক কাতলার দাম অর্ধলাখ টাকা
পদ্মার এক কাতলার দাম অর্ধলাখ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

তালাবদ্ধ স্কুল ভবনে আটকা শিশু শিক্ষার্থী
তালাবদ্ধ স্কুল ভবনে আটকা শিশু শিক্ষার্থী

পেছনের পৃষ্ঠা

তারল্যে জোয়ার ঋণে ভাটা
তারল্যে জোয়ার ঋণে ভাটা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জয় দিয়ে শুরু চান মিরাজ
জয় দিয়ে শুরু চান মিরাজ

মাঠে ময়দানে

চলচ্চিত্রের সেই শিশুশিল্পীরা
চলচ্চিত্রের সেই শিশুশিল্পীরা

শোবিজ

চাওয়া-পাওয়ার দুই মাস
চাওয়া-পাওয়ার দুই মাস

প্রথম পৃষ্ঠা

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে শান্তির আশা
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে শান্তির আশা

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে চট্টগ্রাম, ইন্টারনেটে ঢাকা
স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে চট্টগ্রাম, ইন্টারনেটে ঢাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের লাইনেই রাত-দিন
তেলের লাইনেই রাত-দিন

পেছনের পৃষ্ঠা

গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?
গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?

সম্পাদকীয়

মন ভালো নেই মৌসুমীর
মন ভালো নেই মৌসুমীর

শোবিজ

নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা

সম্পাদকীয়

আদর আজাদের উচ্ছ্বাস
আদর আজাদের উচ্ছ্বাস

শোবিজ

ঝুঁকিতে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম
ঝুঁকিতে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি
স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক
মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক

পেছনের পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা কিংসের সামনে রহমতগঞ্জ
বসুন্ধরা কিংসের সামনে রহমতগঞ্জ

মাঠে ময়দানে

ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার
ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার

প্রথম পৃষ্ঠা

জয়ার খাদ্যাভ্যাস
জয়ার খাদ্যাভ্যাস

শোবিজ

৪ মেডেন ওভারে রাফিনের ৬ শিকার
৪ মেডেন ওভারে রাফিনের ৬ শিকার

মাঠে ময়দানে

নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী
নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী

পেছনের পৃষ্ঠা

১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

নগর জীবন

২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

নগর জীবন

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে
জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে

প্রথম পৃষ্ঠা