শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০১:৫৬, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

আলোচিত আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়

দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

► তিনজনের যাবজ্জীবন, ২৫ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ► আবু সাঈদের আশা ছিল সামনে মানুষ, তারা ছিল অমানুষ : ট্রাইব্যুনাল ► আপাতত সন্তুষ্ট, পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত : চিফ প্রসিকিউটর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানে প্রথম মৃত্যুবরণ করা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড    এবং তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গতকাল বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। রায়ে মামলার বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ রায় ঘোষণার সময় চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম, আবদুস সোবহান তরফদার, গাজী এম এইচ তামীম, বি এম সুলতান মাহমুদ, ফারুক আহাম্মদ, তারেক আবদুল্লাহ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আসামি বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরীফুল ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আমিনুল গণি টিটো; আমির হোসেন, সুজন চন্দ্র রায় ও আনোয়ার পারভেজ আপেলের পক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু উপস্থিত ছিলেন। আর পলাতক আসামিদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সুজাদ মিয়া।

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুপুর পৌনে ১২টায় ট্রাইব্যুনালের এজলাসে কাঠগড়ায় হাজির করা হয় গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে। কানায় কানায় পূর্ণ এজলাসে বিচারকরা ওঠেন ১২টা ১০ মিনিটে।

রায় ঘোষণার শুরুতে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাইদ। তিনি দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়েছিলেন খালি হাতে। তিনি আশা করেছিলেন মানুষ তো আমার সামনে। মানুষ আমাকে আক্রমণ করবে না। কিন্তু তাঁর সামনে তো মানুষ ছিল না, অমানুষ ছিল, সেটা উনি দেখতে পারেন নাই, বুঝতে পারেন নাই। চেয়ারম্যান বলেন, এই মামলায় ৩০ জন আসামি আর ২৫ জন সাক্ষী। রায়টা আমরা যতদূর সম্ভব শর্টকাট করে নিয়ে আসছি। সারসংক্ষেপ বলতে যা বোঝা যায়, সেগুলো পড়ব আপনাদের সামনে।

এরপর ট্রাইব্যুনালের দ্বিতীয় সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও মামলার সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন। এরপর প্রথম সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ মামলার অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণসহ বিচারিক ধারাবাহিকতা, বিচারের আইনি ভিত্তি ও ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। পূর্ণাঙ্গ রায়টি অর্ধসহস্রাধিক পৃষ্ঠার উল্লেখ করেন এই বিচারক। সবশেষে আসামিদের সাজা ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী। সাজা ঘোষণার আগে চেয়ারম্যান বলেন, ‘মামলার জাজমেন্ট (রায়) সম্পর্কে আপনারা একটা আইডিয়া (ধারণা) পাইছেন। সব ইংরেজিতে লিখতে হয়। যেহেতু এটা ইন্টারনেশনাল কোর্ট (আন্তর্জাতিক আদালত), সুতরাং তার (রায়ে) ল্যাঙ্গুয়েজ হবে ইন্টারনেশনাল ল্যাঙ্গুয়েজে। পুরো রায়টা ইংরেজিতে। তবে রায়ের অপারেটিভ পার্ট (কার্যকরী অংশ বা সাজার অংশ) অনুবাদ করে বাংলায় নিয়ে আসছি, যাতে সবাই বুঝতে পারেন।’ এরপর সাজা ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান। সবশেষে তিনি বিচারে সহযোগিতা করার জন্য প্রসিকিউশন, আসামিপক্ষ ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।

রায়ে কার কী সাজা : এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। তাদের মধ্যে ২৪ জনই পলাতক। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। তারা দুজনেই গ্রেপ্তার আছেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন রংপুর মহানগর পুলিশের সাবেক সহকারী কমিশনার মো. আরিফুজ্জামান জীবন, তাজহাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম নয়ন ও আরএমপির সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) (নিরস্ত্র) বিভূতিভূষণ রায় মাধব। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজনই পলাতক। ১০ বছর কারাদণ্ড হয়েছে পাঁচ আসামির। তারা হলেন বোরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদ বাচ্চু, আরএমপির সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামান বেল্টু, বেরোবির গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। তারা সবাই পলাতক।

পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে নয় আসামিকে। তারা হলেন আরএমপির সাবেক উপকমিশনার আবু মারুফ হোসেন টিটু, সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী সুমন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরীফুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান তুফান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী আকাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান মাসুদ, বেরোবির অফিস সহকারী মাহাবুবার রহমান বাবু এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ রংপুর শাখার সভাপতি সারোয়াত হোসেন চন্দন। এই নয় আসামির মধ্যে শরীফুল ইসলাম, রাফিউল হাসান রাসেল, এমরান চৌধুরী আকাশ গ্রেপ্তার আছেন।

তিন বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে ১০ আসামিকে। তারা হলেন বেরোবির সাবেক সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান শামীম, সহসভাপতি ফজলে রাব্বী, আখতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সেজান আহম্মেদ আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার টগর, দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেন, বেরোবির এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, কে এম আমির হোসেন আমু ও নিরাপত্তাপ্রহরী নূর আলম মিয়া। এ ছাড়া আসামি বেরোবির প্রক্টর অফিসের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেলকে কয়েকটি ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এ আসামির সাজা নিয়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, তার হাজতবাসের সময় কারাদণ্ড হিসেবে গণ্য হবে। অন্য কোনো মামলায় প্রয়োজন না হলে তার সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে বিবেচনায় তাকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হলো। সাজা ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘আসামিদের বিরুদ্ধে আরোপিত সব সাজা যুগপৎভাবে (একসঙ্গে) চলতে থাকবে।’

আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে-মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি : রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল শুরু করেন সাজাপ্রাপ্ত গ্রেপ্তার আসামিরা। সাজা ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনাল থেকে বের করার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন চিৎকার করে বলছিলেন, ‘আমি পুলিশের চাকরি করি, আমি হুকুমের গোলাম। আমাকে কেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো? আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আমি এ রায় মানি না।’ এরপর এজলাস থেকে বের করার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন ছাত্রলীগ নেতা এমরান চৌধুরী আকাশ। এ সময় গ্রেপ্তার আরেক আসামিকে বলতে শোনা যায়, আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর আপিলের সিদ্ধান্ত-চিফ প্রসিকিউটর : রায় ঘোষণার পরপরই ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর প্রথম কোনো মামলার রায় হলো। আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই আমাদের এনটিভির সেই সাংবাদিক...মঈনুল হক। তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তার ক্যামেরাম্যানসহ এই ভিডিও ধারণ করার কারণেই এই নির্মম হত্যাকাণ্ডটি সারা দুনিয়ার মানুষ, সারা পৃথিবী দেখতে পেয়েছিল।’

রায়ে সন্তুষ্ট কি না জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘ওখানে আসলে দুজনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, তিনজনের যাবজ্জীবন হয়েছে। আমাদের যে ধরনের চার্জ ছিল তাদের ভূমিকা অনুযায়ী সেই সাজাগুলো হয়েছে বলে মনে হয়। তারপরও আমরা পূর্ণাঙ্গ জাজমেন্ট পাওয়ার পর সেটা পর্যালোচনা করে যদি আমাদের কাছে মনে হয়, যেসব চার্জ থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে। সেগুলো পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি পাওয়া সাপেক্ষে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা সন্তুষ্ট বলতে আমরা তো ৩০ জনকে আসামি করেছিলাম। ৩০ জনকেই দণ্ডিত করা হয়েছে। কেউ কিন্তু এ মামলায় খালাস পায়নি। ট্রাইব্যুনালের মাননীয় বিচারপতিগণ তাঁরা সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে হয়তো সেই সেনটেন্সটা দিয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেব আমরা আপিল করব কি না।’

আপিলে খালাসের আশা আসামিপক্ষের : রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিন আসামির পক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। মামলার গুরুত্বপূর্ণ নানা প্রশ্নের উত্তর অজানা রয়ে গেছে উল্লেখ করে আপিলে নতুনভাবে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আসামি আনোয়ার পারভেজ, এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়ের পক্ষে লড়েছেন আইনজীবী দুলু। তিনি বলেন, মামলায় আমরা লিখিত ও মৌখিক যুক্তিতর্কে যেসব ভিত্তিতে আসামিদের খালাস চেয়েছিলাম সেসব বিষয় পরিষ্কার হয়নি। কারণ আজ ‘সাবস্ট্যান্স অব ফাইন্ডিং’ এবং ‘অপারেটিভ পার্ট অব দ্য জাজমেন্ট’ ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থাৎ রায়ের ডিগ্রি ও শাস্তির অংশ শুনেছি আমরা। পূর্ণাঙ্গ রায় পেলে আপিল করব। আশা করি সেখানে আমার আসামিরা খালাস পাবেন।

রায়ে সংক্ষুব্ধ আবু সাঈদের পরিবার : তবে রায়ে সংক্ষুব্ধ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যরা। রায় শুনতে সকালেই ট্রাইব্যুনালে আসেন আবু সাঈদের বাবা ও এ মামলার প্রথম সাক্ষী মকবুল হোসেন এবং আবু সাঈদের দুই ভাই রমজান আলী ও আবু হোসেন। রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আবু হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘যে দুজন আবু সাঈদকে গুলি করেছিল তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যারা গুলি করেছিল তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে এটা করেছেন। অথচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে আমাদের অসন্তুষ্টি আছে।’

মামলার বৃত্তান্ত : বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন শহীদ আবু সাঈদ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলার মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কোটা সংস্কার আন্দোলন আরও তীব্র হয়। এক পর্যায়ে তা সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। রক্তক্ষয়ী সেই আন্দোলনে ওই বছর ৫ আগস্ট পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের।

গত বছর ১৩ জানুয়ারি ২৫ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসে অভিযোগ দেন শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যরা। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। গত বছর ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এ প্রতিবেদনে মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়। প্রতিবেদন দাখিলের পর তা ৩০ জুন আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

পলাতক আসামিদের পক্ষে গত বছর ২২ জুলাই রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের শুনানি নিয়ে গত বছর ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে এ মামলার ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মামলার বিচারকাজ। আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ ২৫ জন সাক্ষী এ মামলায় সাক্ষ্য দেন। গত ২১ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। শেষ হয় ২৫ জানুয়ারি। এরপর গতকাল রায় ঘোষণা করা হলো।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্মাণ করা হবে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু
নির্মাণ করা হবে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু
প্যারোলে মুক্ত সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন
প্যারোলে মুক্ত সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন
সীমান্ত স্বাভাবিক রাখতে সতর্ক বিজিবি
সীমান্ত স্বাভাবিক রাখতে সতর্ক বিজিবি
অরক্ষিত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে ভারত
অরক্ষিত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে ভারত
জামায়াতের নিবন্ধনের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
জামায়াতের নিবন্ধনের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
মেয়েদের এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে
মেয়েদের এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে হবে
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে হবে
জলাতঙ্ক টিকার সংকটে বিপাকে রোগীরা
জলাতঙ্ক টিকার সংকটে বিপাকে রোগীরা
দুধের শিশুসহ মা কারাগারে
দুধের শিশুসহ মা কারাগারে
ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করে নিরাপত্তাহীনতায় বাবা
ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করে নিরাপত্তাহীনতায় বাবা
হামে কেন এত মৃত্যু
হামে কেন এত মৃত্যু
যুদ্ধ পরিস্থিতি ফের জটিল হচ্ছে!
যুদ্ধ পরিস্থিতি ফের জটিল হচ্ছে!
সর্বশেষ খবর
দুই গণ্ডারের মুখোমুখি সংঘর্ষ ধরা পড়ল ক্যামেরায়
দুই গণ্ডারের মুখোমুখি সংঘর্ষ ধরা পড়ল ক্যামেরায়

১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

যাদের বিরুদ্ধে ছিল ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ, তারাই এখন শুভেন্দুর সেনাপতি
যাদের বিরুদ্ধে ছিল ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ, তারাই এখন শুভেন্দুর সেনাপতি

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সুযোগে ডালপালা মেলছে সোমালিয়ার দস্যুরা
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সুযোগে ডালপালা মেলছে সোমালিয়ার দস্যুরা

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্ট’, মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্ট’, মন্তব্য ট্রাম্পের

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতলক্ষ্যা নদী থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
শীতলক্ষ্যা নদী থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সংঘর্ষের পর ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে গেল দ্রুতগতির মোটরসাইকেল!
সংঘর্ষের পর ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে গেল দ্রুতগতির মোটরসাইকেল!

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মোদি ম্যাজিক নাকি বিভাজনের রাজনীতি?
মোদি ম্যাজিক নাকি বিভাজনের রাজনীতি?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত
বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস
মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল
চাঁদাবাজি-ছিনতাই-মাদক ঠেকাতে যাদের ফোন দিই তারাই গডফাদার : এডিসি জুয়েল

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে নামার আগে ১০ শর্ত, আসলে কী চাইছে ইরান
বিশ্বকাপে নামার আগে ১০ শর্ত, আসলে কী চাইছে ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মার্কিন চুক্তির প্রভাব আমদানিনীতিতে
মার্কিন চুক্তির প্রভাব আমদানিনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার হামলা মাজারের খাদেমের ওপর
এবার হামলা মাজারের খাদেমের ওপর

পেছনের পৃষ্ঠা

ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ
ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

পেছনের পৃষ্ঠা

চুরির অভিযোগে যুবককে গাছে বেঁধে মারধর
চুরির অভিযোগে যুবককে গাছে বেঁধে মারধর

পেছনের পৃষ্ঠা

হঠাৎ মৌয়ালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল বাঘ
হঠাৎ মৌয়ালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল বাঘ

পেছনের পৃষ্ঠা

চারজনকে গলা কেটে একজনকে শ্বাস রোধে হত্যা করা হয়েছে
চারজনকে গলা কেটে একজনকে শ্বাস রোধে হত্যা করা হয়েছে

পেছনের পৃষ্ঠা

অটোরিকশাচালক হত্যা, গ্রেপ্তার ২
অটোরিকশাচালক হত্যা, গ্রেপ্তার ২

দেশগ্রাম

গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করলেই এগোবে বাংলাদেশ
গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করলেই এগোবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

আফজাল নাছের ফের রিমান্ডে
আফজাল নাছের ফের রিমান্ডে

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তার মৃত্যু
গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ গৃহকর্তার মৃত্যু

নগর জীবন

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না
গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না

পেছনের পৃষ্ঠা

শেনজেন ভিসায় প্রবেশে সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেন ভিসায় প্রবেশে সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হরিণ
শিকারিদের কাছ থেকে উদ্ধার হরিণ

দেশগ্রাম

স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপে গোলাগুলি
স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপে গোলাগুলি

পেছনের পৃষ্ঠা

জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ নিজ বাড়ির সামনে
জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ নিজ বাড়ির সামনে

পেছনের পৃষ্ঠা

২৫০ টাকায় শনাক্ত করা যাবে সবজিতে বিষাক্তের মাত্রা
২৫০ টাকায় শনাক্ত করা যাবে সবজিতে বিষাক্তের মাত্রা

পেছনের পৃষ্ঠা

জ্বালানিসংকট সমাধান ছাড়া আস্থা ফিরবে না বিনিয়োগকারীদের
জ্বালানিসংকট সমাধান ছাড়া আস্থা ফিরবে না বিনিয়োগকারীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

রত্নগর্ভা সম্মাননা পেলেন ৩৫ মা
রত্নগর্ভা সম্মাননা পেলেন ৩৫ মা

নগর জীবন

বাজারে অপরিপক্ব লিচু
বাজারে অপরিপক্ব লিচু

দেশগ্রাম

গর্ত-খানাখন্দে মারণফাঁদ
গর্ত-খানাখন্দে মারণফাঁদ

দেশগ্রাম

অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে
অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে

দেশগ্রাম

গ্যাস লাইনে লিকেজে বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের চারজন
গ্যাস লাইনে লিকেজে বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের চারজন

দেশগ্রাম

বন্ধুকে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা
বন্ধুকে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা

নগর জীবন

পচা ডিম দিয়ে তৈরি হচ্ছিল খাদ্যপণ্য
পচা ডিম দিয়ে তৈরি হচ্ছিল খাদ্যপণ্য

দেশগ্রাম

পানিতে ডুবে প্রাণ গেল পাঁচ শিশুর
পানিতে ডুবে প্রাণ গেল পাঁচ শিশুর

দেশগ্রাম

দুদকের গণশুনানিতে শতাধিক অভিযোগ
দুদকের গণশুনানিতে শতাধিক অভিযোগ

দেশগ্রাম

প্রাকৃতিকভাবে পাকলেই মিলবে চাঁপাইয়ের আম
প্রাকৃতিকভাবে পাকলেই মিলবে চাঁপাইয়ের আম

দেশগ্রাম

তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ আহত ৮
তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ আহত ৮

দেশগ্রাম