শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৯, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে

প্রিন্ট ভার্সন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস হতে যাচ্ছে। জনগণ আপনাকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। মাত্র দুই মাস সময় আপনার সরকারকে মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট নয়। কিন্তু আপনি জানেন একটি সকাল গোটা দিনের পূর্বাভাস দেয়। সবকিছুর শুরুটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের সূচনা আশাজাগানিয়া। শুরুতেই আপনার কাজের প্রতি অখণ্ড মনোযোগ, বিভিন্ন বিষয়ে আপনার দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই জনগণকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে আপনি কাজ করতে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর পদ একটি গুরুদায়িত্ব, শুধু ক্ষমতা উপভোগ নয়।

এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে আপনার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার একটি ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে শপথ নিয়েছে। দেশের অর্থনীতি গভীর সংকটে, মব সন্ত্রাসসহ নানান অসহিষ্ণুতায় সামাজিক জীবন বিপন্ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো না, চারদিকে ষড়যন্ত্র-এ রকম এক বাস্তবতার মধ্যে আপনার হাতে দেশের দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল জনগণ। বিএনপি সরকার গঠিত হওয়ার পরপরই ইরান যুদ্ধ গোটা বিশ্বকে এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এটি আরও চ্যালেঞ্জিং। গত দুই মাসে এটা বোঝাতে পেরেছেন যে এ কঠিন চ্যালেঞ্জ আপনি গ্রহণ করেছেন। দায়িত্ব পালনে আপনি পিছপা হবেন না।

এ স্বল্প সময়ে আপনি বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, যা সবাইকে আশাবাদী করে তুলেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর আপনার সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত হলো, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়াননি। এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ ছিল না। বিশেষ করে যখন দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো না। কিন্তু জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেই মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যেত উদ্বেগজনক হারে। জিনিসপত্রের দাম বাড়ত হুহু করে। ব্যাংকঋণে সুদের হার বাড়ত। গোটা অর্থনীতি টালমাটাল হয়ে যেত। মানুষের দুর্ভোগ পৌঁছে যেত চরমে। দেশজুড়ে হাহাকার সৃষ্টি হতো। এ ক্ষেত্রে আপনার সরকার বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা জানি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি না করার কারণে বিপুল অঙ্কের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। কিন্তু এটা শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট সংকট। এখানে বিএনপি সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ যখন জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করার সহজ সমাধানের পথে হাঁটছে, তখন বিএনপি সরকার সামষ্টিক অর্থনীতির কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আপনার সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে মব সন্ত্রাস কমে এসেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মব সন্ত্রাস প্রতিহত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। আশা করি জনগণ খুব শিগগিরই ইউনূস সরকারের সৃষ্ট এ মব সন্ত্রাসের ভয়াবহ ব?্যাধি থেকে মুক্তি পাবে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পথ অবরোধ সন্ত্রাসও কমেছে। ইউনূস সরকারের আমলে কথায় কথায় তুচ্ছ দাবি আদায়ের জন্য সড়ক অবরোধ করার এক নিকৃষ্ট সংস্কৃতি চালু হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রেই সরকার এ সড়ক অবরোধ প্রশ্রয় দিত। আপনার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই সড়ক বন্ধ করে দাবি আদায়ের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। ড. ইউনূস সরকারের চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। দেড় শতাধিক শিশুর অকালমৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আশার কথা বিএনপি সরকার হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে টিকা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সরকারের ত্বরিত পদক্ষেপ জনগণের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।

ড. ইউনূস সরকারের আমলে চাঁদাবাজি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছিল। চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল সাধারণ মানুষ। অতীতেও আমরা দেখেছি, যারা যখন ক্ষমতায় এসেছে তাদের ছত্রছায়ায় চাঁদাবাজরা বেপরোয়া হয়ে উঠত। কিন্তু গত দুই মাসে চাঁদাবাজি কিছুটা হলেও কমেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতায় চাঁদাবাজি এখন দেখা যাচ্ছে না।

ইউনূস সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। বিএনপি সরকার সেখান থেকে শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা শুরু করেছে। শিক্ষামন্ত্রী অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি সংস্কৃতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন, যা ইতিবাচক।

আর এ কারণেই অনলাইনভিত্তিক ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়েও সরকার সেখান থেকে সরে আসে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এ রকম ধীরস্থির পদক্ষেপ জরুরি। দায়িত্বশীল সরকারের কাছ থেকে এটাই জনগণ প্রত্যাশা করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে সরকার যেভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ঠিক সেভাবে হকার উচ্ছেদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। ঢাকা মহানগরীসহ সব নগর-মহানগরে হকার থাকা বেমানান। কিন্তু হকার উচ্ছেদের আগে তাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে এভাবে উচ্ছেদ নতুন সংকট সৃষ্টি করবে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না।

ইউনূস সরকারের দেড় বছরে কয়েক লাখ মানুষ বেকার হয়েছে। হাজার হাজার কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ইউনূস সরকারের আমলে মব বাহিনীর অত্যাচারে বেসরকারি বিনিয়োগকারী, শিল্পপতি, ব্যবসায়ীরা হাত-পা গুটিয়ে ছিলেন। দেশে গত দেড় বছরে কোনো কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি। এ রকম একটি সময়ে এখনই হকার উচ্ছেদ কতটা জরুরি ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তা ছাড়া বিএনপি যখন তার নির্বাচনি ইশতেহারে ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির অঙ্গীকার করেছে, তখন বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে হকার উচ্ছেদ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না ভেবে দেখা দরকার। সরকার যেখানে ফ?্যামিলি কার্ডের মতো দারিদ্র্যমোচন কর্মসূচি সরকার গঠনের পরপরই বাস্তবায়ন শুরু করেছে, সেখানে এখনই এভাবে পরিকল্পনাহীন হকার উচ্ছেদ কতটা জরুরি ছিল?

বিএনপি সরকারকে তার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। হকার উচ্ছেদের চেয়েও বেশি প্রয়োজন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বেসরকারি খাতকে সহায়তা দিতে হবে। ইউনূস সরকার বেসরকারি খাত ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছিল। মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করা হয়েছিল বড় বড় শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। অর্থ পাচারের কাল্পনিক অভিযোগ এনে ১১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে হয়রানি করা হয়। কীসের ভিত্তিতে এই ১১ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যা নেই। এক-এগারোর অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই ইউনূস সরকার বেসরকারি খাতের বিরুদ্ধে স্টিমরোলার চালিয়েছিল। এখন বিএনপি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত বেসরকারি খাতকে আস্থায় নেওয়া। কে অতীতে কী করেছে, কে কার পক্ষে তা না খুঁজে কারা দেশের জন্য কতটা অবদান রাখতে পারে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করতে হবে। এটা সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

শুধু ব্যবসায়ী নয়, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে অনেক নিরীহ মানুষের ব?্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে শুধু হয়রানির করার জন্য। এসব হয়রানি ও প্রতিহিংসা বন্ধ করতে হবে। ১৮ মাসে যে আতঙ্কের পরিবেশ দেশে তৈরি হয়েছিল, তা থেকে মুক্ত করতে হবে দেশকে।

সরকার দুই মাসের মধ্যেই এক-এগারো ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু এক-এগারোর মূল কুশীলবরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাঁরা আগের চেয়েও শক্তিশালী। এক-এগারো ষড়যন্ত্রকারীদের দেখা গেছে ইউনূস সরকারের মধ্যেও। এঁরা নতুন সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র করছে। সরকার যদি চোখ-কান খোলা রাখে তা হলেই দেখতে পারবে ২০০২ থেকে ২০০৬ সালে সুশীল সমাজের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত দুটি সংবাদপত্র যেভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করেছিল, এখন আবার সেই একই রকম চেষ্টা শুরু করেছে। তাই গভীর সংকটে থাকা দেশ, বিরূপ বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বিএনপিকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশ পরিচালনায় তাই অনেক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নিজের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ব্যর্থ হলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে।

-অদিতি করিম : লেখক ও নাট্যকার

এই বিভাগের আরও খবর
নির্মাণ করা হবে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু
নির্মাণ করা হবে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু
প্যারোলে মুক্ত সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন
প্যারোলে মুক্ত সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন
সীমান্ত স্বাভাবিক রাখতে সতর্ক বিজিবি
সীমান্ত স্বাভাবিক রাখতে সতর্ক বিজিবি
অরক্ষিত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে ভারত
অরক্ষিত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে ভারত
জামায়াতের নিবন্ধনের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
জামায়াতের নিবন্ধনের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
মেয়েদের এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে
মেয়েদের এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে হবে
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে হবে
জলাতঙ্ক টিকার সংকটে বিপাকে রোগীরা
জলাতঙ্ক টিকার সংকটে বিপাকে রোগীরা
দুধের শিশুসহ মা কারাগারে
দুধের শিশুসহ মা কারাগারে
ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করে নিরাপত্তাহীনতায় বাবা
ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করে নিরাপত্তাহীনতায় বাবা
হামে কেন এত মৃত্যু
হামে কেন এত মৃত্যু
যুদ্ধ পরিস্থিতি ফের জটিল হচ্ছে!
যুদ্ধ পরিস্থিতি ফের জটিল হচ্ছে!
সর্বশেষ খবর
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপর্টে’, মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপর্টে’, মন্তব্য ট্রাম্পের

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতলক্ষ্যা নদী থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
শীতলক্ষ্যা নদী থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সংঘর্ষের পর ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে গেল দ্রুতগতির মোটরসাইকেল!
সংঘর্ষের পর ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে গেল দ্রুতগতির মোটরসাইকেল!

২৩ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

মোদি ম্যাজিক নাকি বিভাজনের রাজনীতি?
মোদি ম্যাজিক নাকি বিভাজনের রাজনীতি?

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত
বাঞ্ছারামপুরে গুলিবিদ্ধ তরুণের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস
মঙ্গলের উপগ্রহ ঘিরে নতুন আশঙ্কা, নিজের ধ্বংসাবশেষেই ভেঙে যেতে ফোবোস

৪১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় প্রভাব ফেলেছে ‘এসআইআর’, সর্বোচ্চ আদালতে অভিযোগ মমতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?
ট্রাম্পের ওপর হামলা কি সাজানো নাটক?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি
ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগিবাহী গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
টঙ্গীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া প্রসঙ্গে শ্রাবন্তী বললেন ‌‘শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
ড্রেনে জমে থাকা পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী
তরুণদের কর্মসংস্থানে ব্যাপক শিল্পায়ন প্রয়োজন : ত্রাণমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি
ইসরায়েলি পরিকল্পনা রুখে মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছে সৌদি: প্রিন্স তুর্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী
প্রেমের গুঞ্জনে ঘি ঢাললেন তৃষা, বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর
যেভাবে বারান্দার গ্রিলে আটকে গেল চোর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইয়েমেন থেকেও এলো কড়া হুঁশিয়ারি, বিপদে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিপক্ব হলেই আম বাজারে নেওয়া যাবে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু
বরিশালে নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের সেবা সপ্তাহ শুরু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ
৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং
১২ বছর পর খুলছে তুরস্ক-সিরিয়া আকচাকালে সীমান্ত ক্রসিং

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে: নিপুণ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু
জয়পুরহাটে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু
মেঘনায় গোসলে নেমে কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?
বিশ্বকাপের ময়দানে নামার আগে কেমন ছন্দে আছেন মেসি-রোনালদো?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ
বায়তুল মোকাররমের সামনে ফুটপাতে পড়ে ছিল মরদেহ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা
কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধে খুনের ঘটনায় মামলা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি
শাবির সাবেক ভিসির পিএসসহ দু’জনকে শাস্তি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ
ঢাবির সহকারী প্রক্টর মোনামির পদত্যাগ

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সরিয়ে নেওয়া’ নিয়ে মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের
চীনের চার দফা প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?
‘মন্ত্রী না হলে’ সাক্ষাৎ নয়, দিল্লিকে কী বার্তা দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী
উত্তর কোরিয়ার সংবিধানে নজিরবিহীন সংশোধনী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর, রেটিং বাড়ল বাংলাদেশের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট
গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান
মার্কিন প্রস্তাবের কড়া জবাব : হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে: সৌদি রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত
বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং
নিজের জেনারেলদের ওপর কেন আস্থা হারালেন শি জিনপিং

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার
ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!
ইরানের ইন্টারনেট 'বোমা', মুহূর্তেই অচল পুরো বিশ্ব!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন
কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় উড়োজাহাজের চাকায় আগুন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা
বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?
শুরুতেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর, মমতার অভিযোগ ঠিকই ছিলো?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল
মিরপুর থানার হত্যাচেষ্টা মামলা : ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ থেকে যে বড় শিক্ষা নিচ্ছে চীন: সিএনএন’র বিশ্লেষণ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ
শেনজেনে প্রবেশ করতে ভ্রমণকারীদের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক