শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০২:২৪, রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

মুখ খুলতে শুরু করেছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ। টানা ১৫ দিন রিমান্ডের পর গত বৃহস্পতিবার তাঁকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে জিজ্ঞাসাবাদে মামুন খালেদ এক-এগারোর ষড়যন্ত্র, এর মূল পরিকল্পনাকারী ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিচ্ছেন। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মামুনের দেওয়া তথ্য যাচাইবাছাই করছেন। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, মামুন খালেদ এক-এগারোর সময় ক্ষমতাবান এগারোজনের নাম বলেছেন।

সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা দাবি করেন, তিনি এক-এগারোর ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন না, ছিলেন একজন বাস্তবায়নকারী। তিনি সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার কমান্ড মান্য করার কোনো বিকল্প নেই সেনাবাহিনীতে। মামুন দাবি করেন, তাঁকে ডিজিএফআইয়ে বদলি করা হয় এক-এগারোর মাঝামাঝি সময়ে। প্রথমে তিনি সেখানে পরিচালক মিডিয়া হিসেবে যোগদান করেন। পরে ফখরুদ্দীন সরকার যখন নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে তখন তাঁকে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। মামুন খালেদ বলেন, ফখরুদ্দীন সরকারে প্রধান উপদেষ্টাসহ বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ছিলেন নামমাত্র। তাঁরা পুতুল ছিলেন। তিনি দাবি করেন, মিডিয়া পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের নেতৃত্বে একটি কোর গ্রুপ এক-এগারোর সরকার পরিচালনা করত। মইন সেনা সদরে তাঁদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৈঠক করতেন বলেও দাবি করেন মামুন। তাঁর মতে, সরকার কীভাবে চলবে, কাকে গ্রেপ্তার করা হবে, কার বিরুদ্ধে নিউজ করা হবে ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো এই বৈঠকে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এই কোর কমিটিতে কারা ছিলেন, গোয়েন্দাদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মামুন যাঁদের নাম উল্লেখ করেছেন তাঁরা হলেন জেনারেল মইন উ আহমেদ, জেনারেল মাসুদ উদ্দিন, ব্রিগেডিয়ার বারী, ব্রিগেডিয়ার আমিন, দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন, তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, সুজনের নির্বাহী পরিচালক বদিউল আলম মজুমদার, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের প্রেস সচিব ফাহিম মুনয়েম। উল্লেখ্য ফাহিম মুনয়েম প্রেস সচিব হওয়ার আগে ডেইলি স্টারের ম্যানেজিং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মামুন জানান, কোন রাজনীতিবিদ বা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কখন কী লেখা হবে, তা ঠিক করে দিতেন প্রয়াত ফাহিম।

মামুন জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ওই বৈঠকগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে তাঁর ধারণা হয়েছে, এক-এগারোর পুরো পরিকল্পনা কোর কমিটির দুই সম্পাদকের তৈরি। কীভাবে তাঁর এই ধারণা হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে মামুন গোয়েন্দাদের বলেন, তিনি যে কটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, তার সবগুলোতেই মইন প্রথমেই এই দুই সম্পাদককে বলতেন, আপনারা বলুন আমাদের করণীয় কী। এমন একটি বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মামুন বলেন, তারেক রহমান এবং দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলা দৈনিকের সম্পাদক। তাঁর সঙ্গে সম্মতি জানিয়েছিলেন ইংরেজি দৈনিকের সম্পাদক। মামুন দাবি করেন, কোর কমিটির অধিকাংশ সদস্যই এই গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করেছিলেন। অনেকেই বলেছিলেন, এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে। কিন্তু মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনাম তাঁদের গ্রেপ্তারের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। তাঁরা দুজনেই দাবি করেন, এই তিনজনকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে না পারলে, বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক সংস্কার সম্ভব নয়। মামুন দাবি করেন, ওই বৈঠকে দুই নেত্রী এবং তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের আগে জনমত তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। জনমত তৈরির জন্য দুই সম্পাদক এবং তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের প্রেস সচিব দায়িত্ব নেন। এরপরই প্রথম আলোর সম্পাদক তাঁর নিজের নামে প্রথম পাতায় ‘দুই নেত্রীকে সরে যেতে হবে’ শিরোনামে মন্তব্য প্রতিবেদন লেখেন।

মামুন দাবি করেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভাঙন সৃষ্টির পরিকল্পনাও দুই সম্পাদকের। তাঁর মতে, বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার সঙ্গে মতিউর রহমানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। দুজনই বাম রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেই সুবাদে মান্নান ভূঁইয়াকে সংস্কারের পক্ষে রাজি করাতে ভূমিকা রাখেন মতিউর রহমান। এক-এগারোর পরপরই প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার বিএনপিতে বেগম জিয়ার বিরোধীদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে তাঁদের লাইমলাইটে আনার চেষ্টা করেন। মামুনের মতে, আওয়ামী লীগের তোফায়েল আহমেদ ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর সঙ্গেও মইনের যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছেন মতিউর রহমান। সেই সময় তাঁরাও সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

মামুন দাবি করেন, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন এই দুই সম্পাদক। তাঁর মতে, মইন সে সময় ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন না নেওয়ার পক্ষে ছিলেন। কিন্তু এই দুই সম্পাদক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে মিটিংয়ে আসতেন। দুই সম্পাদকই সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজদের তালিকা তৈরি করেছিলেন বলে মামুন জানিয়েছেন। মামুন বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক্সিট প্ল্যান নিয়ে মইনের সঙ্গে বারী ও আমিনের বিরোধ হয়। এ সময়ে সেনাবাহিনীর মধ্যেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেনাসদস্যরা ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। মামুন বলেন, জেনারেল মইনের ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সফরের পর এক-এগারো সরকারের পরিকল্পনা পরিবর্তন হতে শুরু করে। এই সময়ে উপদেষ্টা পদ থেকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচনের পথে হাঁটতে শুরু করে।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
সবার স্বার্থ রক্ষায় হচ্ছে গণমাধ্যম কমিশন
সবার স্বার্থ রক্ষায় হচ্ছে গণমাধ্যম কমিশন
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক ফায়ার ফাইটাররা
আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক ফায়ার ফাইটাররা
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
জয়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
জয়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
প্রাদুর্ভাব রোধের ব্যর্থতা তদন্তে কেন কমিশন গঠন নয় : হাই কোর্ট
প্রাদুর্ভাব রোধের ব্যর্থতা তদন্তে কেন কমিশন গঠন নয় : হাই কোর্ট
সর্বশেষ খবর
আচরণবিধি ভঙ্গে শাস্তি পেলেন সালমান আগা
আচরণবিধি ভঙ্গে শাস্তি পেলেন সালমান আগা

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

কুবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে প্রসেনজিত–হিমু
কুবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে প্রসেনজিত–হিমু

১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান
নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম
বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আবার হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: হুঁশিয়ারি আইআরজিসি’র
আবার হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: হুঁশিয়ারি আইআরজিসি’র

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিবি পুলিশের পোশাক পরে গরু ডাকাতির প্রস্তুতি, অতঃপর...
ডিবি পুলিশের পোশাক পরে গরু ডাকাতির প্রস্তুতি, অতঃপর...

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিউইয়র্কে ম্যানহোলে পড়ে প্রাণ গেল নারীর
নিউইয়র্কে ম্যানহোলে পড়ে প্রাণ গেল নারীর

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণ-হত্যা-সহিংসতা বন্ধে কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ধর্ষণ-হত্যা-সহিংসতা বন্ধে কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লিথুয়ানিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশ, নাগরিকদের আশ্রয়স্থলে যাওয়ার নির্দেশ
লিথুয়ানিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশ, নাগরিকদের আশ্রয়স্থলে যাওয়ার নির্দেশ

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন
খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিয়ন্ত্রিত হাম বাংলাদেশে যেভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠল
নিয়ন্ত্রিত হাম বাংলাদেশে যেভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠল

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহায় জনসাধারণকে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ
ঈদুল আজহায় জনসাধারণকে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

জামালপুরে প্রান্তিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ধান ও সবজি বীজ বিতরণ
জামালপুরে প্রান্তিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ধান ও সবজি বীজ বিতরণ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে ২ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৯
রাজশাহীতে ২ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৯

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১২
যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১২

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

হামের প্রাদুর্ভাব কমেছে, দ্রুত সময়ে স্বাভাবিক হয়ে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের প্রাদুর্ভাব কমেছে, দ্রুত সময়ে স্বাভাবিক হয়ে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পঞ্চগড়ে টমেটো চাষিদের হাহাকার, বিদেশি টমেটো আমদানি বন্ধের দাবি
পঞ্চগড়ে টমেটো চাষিদের হাহাকার, বিদেশি টমেটো আমদানি বন্ধের দাবি

২০ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

শিক্ষার্থীদের শতভাগ নির্ভুল পাঠ্যবই দেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা সচিবের
শিক্ষার্থীদের শতভাগ নির্ভুল পাঠ্যবই দেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা সচিবের

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ‘ফায়ার সপ্তাহ’ উদ্বোধন
গাইবান্ধায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ‘ফায়ার সপ্তাহ’ উদ্বোধন

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিরপুরে অবৈধ বস্তি উচ্ছেদে গিয়ে হামলার মুখে পুলিশ
মিরপুরে অবৈধ বস্তি উচ্ছেদে গিয়ে হামলার মুখে পুলিশ

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক
লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

‘ফায়ার সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা জনগণের সেবায় নিয়োজিত’
‘ফায়ার সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা জনগণের সেবায় নিয়োজিত’

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আরও ২ মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
আরও ২ মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের কারণে লোকসানের মুখে ইসরায়েলের এল আল এয়ারলাইন
ইরান যুদ্ধের কারণে লোকসানের মুখে ইসরায়েলের এল আল এয়ারলাইন

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি
যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজামুখী ফ্লোটিলায় আবারও ইসরায়েলের গুলি, আটক অর্ধশত নৌযান
গাজামুখী ফ্লোটিলায় আবারও ইসরায়েলের গুলি, আটক অর্ধশত নৌযান

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল

৩৮ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

‘সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে’
‘সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে’

৩৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন
পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন

৩৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম
আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা
বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান
‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?
ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি
এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?
স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন দেখালো আমেরিকার দিন ফুরাচ্ছে
চীন দেখালো আমেরিকার দিন ফুরাচ্ছে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সিরিজ খুনের খুনি কে
সিরিজ খুনের খুনি কে

প্রথম পৃষ্ঠা

গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা
গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’
আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’

নগর জীবন

কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!
কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের
স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট
ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা

সম্পাদকীয়

আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও
আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও

নগর জীবন

ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩
ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ
কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ

সম্পাদকীয়

কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা
কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা

মাঠে ময়দানে

ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব
ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব

নগর জীবন

স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস
বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস
প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের
বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের

নগর জীবন

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি
রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি

নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের

প্রথম পৃষ্ঠা

পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল
পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাবিতে যত অনিয়ম
রাবিতে যত অনিয়ম

পেছনের পৃষ্ঠা

অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!
অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!

দেশগ্রাম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি
বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি

পেছনের পৃষ্ঠা