বিনা পারিশ্রমিকে ২ সহস্রাধিক কিডনি প্রতিস্থাপন করে দেশজুড়ে আলোচিত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে সন্ত্রাসীরা। যুবদল নেতার পরিচয়ে জনৈক মইনুদ্দিন চাঁদা দাবির পর সেই চিকিৎসক এখন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন। এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে বিএনপি বলছে, মইনুদ্দিন যুবদলের কেউ নয়। যুবদলের নাম ভাঙিয়ে যারা চাঁদাবাজিতে জড়িত রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি হাসপাতালে গিয়ে শেরেবাংলা নগর থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দেওয়া মইনুদ্দিন তাকে হুমকি-ধমকি দেন। চাঁদাবাজদের হুমকি-ধমকির একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরালও হয়। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মইনুদ্দিন দলবল নিয়ে হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ করে নিয়ম ভেঙে জোরপূর্বক অপারেশন থিয়েটারেও (ওটি) প্রবেশ করছেন। ফুটেজে সিকেডির কর্মী হানিফকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করতেও দেখা যায় তাকে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে শুক্রবার গভীর রাতে শ্যামলীতে ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে ছুটে যান যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারা। দলটির ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এমন তথ্য দিয়ে বলা হয়, অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেছেন যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন। ওই ঘটনায় জড়িত মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।