শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০৯:২৬, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি

গণতন্ত্রের অন্যতম শর্ত হলো স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা। একটি সরকার জনগণের কাছে যত বেশি স্বচ্ছ থাকবে, ততই সেই সরকার জনবান্ধব হবে। একইভাবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কিছু স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হয় যে প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে, এসব প্রতিষ্ঠান সরকারকে চাপে রাখতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এর মাধ্যমে একটি সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করে। সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য জরুরি। এই চেক অ্যান্ড ব্যালান্স (Checks and Balances) হলো এমন একটি সাংবিধানিক ব্যবস্থা, যেখানে সরকারের আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ-এই তিন শাখার ক্ষমতা একে অপরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, কোনো একটি বিভাগ যেন অতিরিক্ত ক্ষমতা অর্জন করে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারে এবং গণতন্ত্র ও ক্ষমতার সমতা বজায় থাকে। তাই স্বাধীন ও স্বতন্ত্র বিচার বিভাগ গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পার্লামেন্ট বা প্রেসিডেন্ট কিংবা নির্বাহী বিভাগ যেন স্বেচ্ছাচারিতা করতে না পারে সেজন্যই বিচার বিভাগ থাকে জন-অধিকারের পাহারাদার হিসাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথাই ধরা যাক। ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেশ কয়েকটি বড় নীতি ও নির্বাহী আদেশ মার্কিন আদালত বাতিল বা স্থগিত করেছে। এর মধ্যে প্রধান হলো বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর বিশাল শুল্কারোপ, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের আদেশ এবং ফেডারেল অনুদান ও ঋণ স্থগিতের নির্দেশ। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এই ক্ষমতার ভারসাম্যে গণতন্ত্রকে টেকসই করে, করে শক্তিশালী। শুধু বিচার বিভাগের স্বাধীনতাই গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য জরুরি নয়, এর পাশাপাশি কিছু স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। আধুনিক গণতন্ত্রে সুশাসন ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশনের মতো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান জরুরি।

অতীতে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দুর্বল হয়েছে মূলত সব প্রতিষ্ঠান ক্ষমতাসীনদের দখলে চলে যাওয়ার কারণে। স্বাধীনতার ৫৫ বছরে আমরা গণতন্ত্রের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ক্ষমতার পৃথকীকরণ করতে পারিনি। সংসদীয় গণতন্ত্র এবং রাষ্ট্রপতি শাসন- দুই ধরনের গণতন্ত্রের অভিজ্ঞতাই এদেশের জনগণের আছে। বিগত ৫৫ বছরে আমরা দেখেছি, সরকার ও রাষ্ট্র একাকার হয়ে গেছে। যিনি ক্ষমতায় বসেছেন তার ইচ্ছায় বিচার বিভাগ চলেছে। সংবিধানে ন্যায়পালের বিধান থাকলেও কোনো সরকারই ন্যায়পাল নিয়োগ দেয়নি। ২০০৫ সালের পর থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো গঠন করা হলেও, সবসময়ই তারা ছিল ক্ষমতাসীনদের একান্ত অনুগত। প্রতিষ্ঠান হিসেবে এগুলো গড়ে তোলা হয়নি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা হয়েছে, ভিন্নমত দমনে এবং সরকারের পক্ষে মিথ্যা প্রচারের জন্য। তাই দীর্ঘদিন ধরে এদেশের মানুষ স্বাধীন বিচার বিভাগ, স্বতন্ত্র মানবাধিকার কমিশন এবং স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়েছে। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণে কোনো সরকারই আগ্রহ দেখায়নি। ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানের পর সবাই নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল, আশায় বুক বেঁধেছিল। কিন্তু ক্ষমতা কুক্ষিগত করার সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল ইউনূস সরকার। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল নির্লজ্জভাবে। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা এবং তার লাঠিয়াল আইন উপদেষ্টা নির্ধারণ করে দিত কার জামিন হবে আর কার হবে না। বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে মব রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল ইউনূস শাসনামলে। হাজার হাজার মানুষকে বিনাবিচারে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। এ সময় দুর্নীতি দমন কমিশনকে ব্যবহার করা হয়েছিল সরকারের দমননীতির হাতিয়ার হিসেবে। দেশের শিল্প ও বিনিয়োগ খাতকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দুদকে ব্যবহার করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। কথিত এগারো অর্থ পাচারকারী হিসেবে উদ্ভট তালিকা প্রকাশ তার বড় প্রমাণ। বিভিন্ন ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জব্দ করে বেসরকারি খাত অচল করে দেয়। ইউনূস সরকার। ইউনূস সরকারের আমলে এক বছরের বেশি সময় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অকার্যকর হয়েছিল। ইউনূস সরকার বিদায় বেলায় এসে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে স্বাধীন বিচার বিভাগ সম্পর্কিত একটি অধ্যাদেশ জারি করে। রাজনৈতিক দল এবং আন্তর্জাতিক চাপে দুর্নীতি দমন কমিশন এবং মানবাধিকার কমিশন আইন সংশোধন করে।

সম্প্রতি বিএনপি সরকার এ সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেনি। ফলে অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়েছে। এনিয়ে জনমনে তৈরি হয়েছে সংশয়। বিএনপি সরকার কি তাহলে পুরোনো পথেই হাঁটছে?

জাতীয় সংসদ অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার তিনটি অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে বিল দুটি পাস হয়। ফলে বিচার বিভাগ আগের অবস্থায় ফিরছে; বিচারক নিয়োগে আর আইন থাকছে না, বিলুপ্ত হচ্ছে স্বতন্ত্র সচিবালয়। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং অধিকতর যাচাইবাছাই করে পরে আইন প্রণীত হবে। অন্তর্বর্তী নিয়োগপ্রাপ্ত ২৫ জন বিচারক অবশ্য বৈধ থাকবেন। তবে, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলার বাদী মাসদার হোসেন বলেছেন, বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের ফল ভালো হবে না। উল্লেখ্য, ‘সরকার বনাম মাসদার হোসেন’ মামলার রায় বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগ এ মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ থেকে পৃথক করা এবং বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। কিন্তু অতীতের কোনো সরকারই বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ মুক্ত করতে চায়নি। আইনমন্ত্রী বলেছেন, বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তারা আইনটি সংশোধনের পর নতুন করে উত্থাপন করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। কিন্তু বিচার বিভাগকে একধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। উচ্চ আদালতে বিচারক সংকট তীব্র। মামলার চাপে ন্যায়বিচারের পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। সরকারের নিজের স্বার্থেই বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদকের তদন্ত ও গোপন অনুসন্ধান ক্ষমতা বাড়িয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করা হয় ২০২৫ সালে। এতে সরাসরি এজাহার দায়েরের বিধান, বিদেশে সংঘটিত অপরাধসহ গুরুতর আর্থিক অপরাধকে আইনের আওতায় আনা, কমিশনের সদস্য বাড়ানোর বিধান করা হয়েছিল। ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করার পর ৩ মার্চ পদত্যাগ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন দুদকের তিন সদস্যের কমিশন। এরপর প্রায় দেড় মাস হতে চলেছে। কিন্তু রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি এখনো কমিশনশূন্য। এর মধ্যে অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যাওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন এখন রীতিমতো অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য তো নয়ই সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়।

জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার কমিশন আইনের যে সংশোধনী এনে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছিল তা বাতিল হয়ে গেছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ার পর পদত্যাগ করেছেন কমিশনের সদস্যরা। পদত্যাগের পর তাঁরা একটি খোলা চিঠিও লিখেছেন, যেখানে এই অধ্যাদেশ বাতিলে নতুন সরকারের বক্তব্যের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে অধ্যাদেশটি বাতিল হওয়ায় ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবেই’ আগের কমিশন আর নেই। এনিয়ে সুশীল সমাজের সমালোচনার মুখে সরকারের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের এ অবস্থানের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠাসংক্রান্ত অধ্যাদেশ রহিত করা হলেও এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সংসদে নতুন বিল আনা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে গুম প্রতিরোধ, পুলিশ কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশসহ যে ১৬ অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ে সংসদে অনুমোদন বা অননুমোদন করা হয়নি, সেগুলো আরও যাচাইবাছাই করে নতুন বিল আনার কথা বলা হয়েছে। তবে কোন বিল কবে আনা হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। জনগণের প্রত্যাশা, বিপুল ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকার এই আইন প্রণয়নে বিলম্ব করবে না। এনিয়ে যত কালক্ষেপণ করা হবে, তত বিভ্রান্তি তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে বিরাজনীতিকীকরণের পক্ষের শক্তি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পাবে। জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতার অভাবে সরকারের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব সৃষ্টি হতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা এই আইন প্রণয়নে দেরি করলে দুর্বল হবে গণতন্ত্র। আর গণতন্ত্র দুর্বল হলে ক্ষতি হবে জনগণের, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে বিএনপির।

এই বিভাগের আরও খবর
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞ নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত
দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞ নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত
একাই বুক চিতিয়ে লড়াই লিটনের
একাই বুক চিতিয়ে লড়াই লিটনের
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
জাতির সঙ্গে গাদ্দারি বেইমানি করবেন না
জাতির সঙ্গে গাদ্দারি বেইমানি করবেন না
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত
সর্বশেষ খবর
হাম নিয়ে সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি তাসনিম জারার
হাম নিয়ে সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি তাসনিম জারার

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদকের বড় চালান ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় সরবরাহ আসছিলেন তিনি
মাদকের বড় চালান ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় সরবরাহ আসছিলেন তিনি

৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল পিতা-পুত্রের
ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল পিতা-পুত্রের

৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

প্রথম সেশনে টাইগারদের দাপট, চার উইকেট হারাল পাকিস্তান
প্রথম সেশনে টাইগারদের দাপট, চার উইকেট হারাল পাকিস্তান

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

এবার কানাডায় হান্টাভাইরাস আতঙ্ক, হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে এক ব্যক্তি
এবার কানাডায় হান্টাভাইরাস আতঙ্ক, হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে এক ব্যক্তি

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাগের ভেতরে মিলল বোমা সদৃশ বস্তু, চিরকুট ও সাদা কাপড়
ব্যাগের ভেতরে মিলল বোমা সদৃশ বস্তু, চিরকুট ও সাদা কাপড়

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে তুরস্ক যাচ্ছে ইরান
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে তুরস্ক যাচ্ছে ইরান

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার
শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার
যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অনার্স পড়ুয়াদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু
অনার্স পড়ুয়াদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু

৩১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১
মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট
প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট

৪৫ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার
গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার
‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬
সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে
বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের
ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর
ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে
হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ
ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান
তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার
কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির
ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?
অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি
নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস
জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

২২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?
সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?
ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা