শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩১, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

কাজী সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট

মাত্র ৪ হাজার টাকার ব্যাগের দাম ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪০০ টাকা। দামি ব্র্যান্ডের নাম লেখা থাকলেও দেওয়া হয়েছে নিম্নমানের ব্যাগ। লোগো লাগানো হয়েছে আলাদাভাবে।

একইভাবে একটি ৩ হাজার টাকার কার্ড রিডারের দাম নেওয়া হয়েছে ২১ হাজার ৫০০ টাকা। আর ৩ লাখ ৩৮ হাজার টাকার ডিজিটাল স্টিল এসএলআর ক্যামেরার বডির দাম নেওয়া হয়েছে ৭ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা। এ ধরনের চারটি ক্যামেরার বডি দেওয়া হয়েছে ২৮ লাখ ৩৮ হাজার টাকায়। সব মিলিয়ে ছবি তোলার জন্য যে সেট কেনা হয়েছে তার জন্য সরকারের কাছ থেকে দাম নেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ৪৪ হাজার ১৩০ টাকা। প্রকৃতপক্ষে এসব আইটেমের দাম সব মিলিয়ে ২০ লাখের কম।

অবিশ্বাস্য হলেও এমন হরিলুটের ঘটনা ঘটেছে জাতীয় সংসদে। যেখানে প্রায় প্রতিদিন দুর্নীতি, লুটপাটের বিরুদ্ধে কথা বলা হয়। জাতীয় সংসদের অধিবেশনের সময় ছবি তোলার জন্য অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে এ কেনাকাটার কাজ শেষ করা হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট আইটেম সরবরাহের নির্দেশনা থাকলেও মাত্র ১৯ দিনের মধ্যেই সরবরাহ করা হয়। আর এসব কিছু নেপথ্যে থেকে তত্ত্বাবধান করেছেন সংসদ সচিবালয় থেকে সদ্য বিদায় নেওয়া সচিব কানিজ মাওলা। কাগজে কলমে সব নিয়ম রক্ষা করেই রীতিমতো হরিলুট করা হয়েছে সংসদ সচিবালয়ের প্রথম কেনাকাটায়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর এটাই সংসদ সচিবালয়ের প্রথম কেনাকাটা বলে জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়। ১২ মার্চ সংসদের যাত্রা হয়। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে কেনার আদেশ দেওয়া হয় ২৫ মার্চ। আর সরবরাহ করা হয় ১৫ এপ্রিল।

সব মিলিয়ে ক্যামেরাসংশ্লিষ্ট ১২টি আইটেম কেনা হয়েছে। চারটি ক্যামেরা বডির পাশাপাশি চারটি ভিন্ন ধরনের ক্যামেরা লেন্স কেনা হয়েছে। ২৪-৭০ এমএম ফোকাল লেন্থের তিনটি লেন্স কেনা হয়েছে ৩৭ লাখ ৪১ হাজার টাকায়। প্রতিটির দাম নেওয়া হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭০০ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এসবের বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা। ২৪-১২০ এমএম ফোকাল লেন্থের একটি লেন্স কেনা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকায়। বাজারমূল্য ১ লাখ ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। ১৪-২৪ ফোকাল লেন্থের একটি লেন্স কেনা হয়েছে ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২০০ টাকায়। সংশ্লিষ্টদের মতে এর বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। ১০০-৪০০ এমএমের একটি লেন্স কিনতে খরচ করা হয়েছে ৫ লাখ ৭৬ হাজার ২০০ টাকা। ক্যামেরাসংশ্লিষ্টদের মতে এ লেন্সের বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। ক্যামেরা সেটের জন্য ছয় পিস স্পিডলাইট (ফ্ল্যাশ) কেনা হয়েছে ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৩০০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিটির দাম নেওয়া হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৫০ টাকা। তবে এর বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। একইভাবে ৩ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকায় কেনা হয়েছে সিফেক্সপ্রেসের ১২৮ জিবির ১০টি মেমোরি কার্ড, ৮১ হাজার ৭০০ টাকায় কেনা হয়েছে এসডি/এসডিএইউসির (১২৮ জিবি) ১০টি মেমোরি কার্ড। চজার পিস কার্ড রিডার কেনা হয়েছে ৮৬ হাজার টাকায়। অন্য ব্র্যান্ডের আরও চারটি কার্ড রিডার নেওয়া হয়েছে ১১ হাজার ১৮০ টাকায়। ২০ সেট রিচার্জেবল ব্যাটারি কেনা হয়েছে ৬৮ হাজার ৮০০ টাকায়। ছয়টি রিচার্জেবল ব্যাটারি কেনা হয়েছে ৮৩ হাজার ৮৫০ টাকায়। প্রতিটির দাম নেওয়া হয়েছে ১৩ হাজার ৯৭৫ টাকা। সংশ্লিষ্টদের মতে এসবের বাজারমূল্য ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা। টেন্ডারে এগুলো জাপানিজ কোম্পানি নিক্কনের দেওয়ার কথা। কিন্তু সরবরাহ করা হয়েছে সিমপেক্স কোম্পানির।

সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ক্যামেরার যেসব আইটেম দেওয়া হয়েছে তার বেশির ভাগই নিম্নমানের। কোনোটির লোগো লাগানো হয়েছে, কোনোটির পার্টস অন্য কোম্পানির দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রতিটির ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু আইটেম দেখে মনে হয়েছে এগুলো রাজধানীর স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে কিনে দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলে হরিলুটের ভয়াবহ চিত্র উঠে আসবে।

ক্যামেরার এসব আইটেম সরবরাহ করেছে সেফ ট্রেডার্স নামে একটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এর প্রোপ্রাইটর হিসেবে নাম রয়েছে সঞ্জয় কুমার দাসের। ঠিকানা আলহাজ শামসুদ্দিন ম্যানসন (সিক্স ফ্লোর), ১৭ নিউ ইস্কাটন রোড, মগবাজার। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কোনো ওয়েবসাইট খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে তাদের একটি ফেসবুক পেজ রয়েছে। সেখানে থাকা নম্বরে যোগাযোগ করা হলে জেনারেল ম্যানেজার পরিচয়দানকারী মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘দামি ব্র্যান্ডের মালামাল দেওয়ায় দাম বেশি পড়েছে। পাশাপাশি ভ্যাট, ট্যাক্স রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সরকারি কেনাকাটায় এ ধরনের দাম অস্বাভাবিক নয়। বাংলাদেশে হামেশা এটা হয়ে থাকে।’ বাজারমূল্যের সঙ্গে দামের পার্থক্য ও অন্য ব্র্যান্ডের আইটেম দেওয়া হয়েছে-এটা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ফোনের লাইন কেটে দেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে কার্যাদেশে স্বাক্ষরকারী সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মহিদুল হক বলেন, ‘কেনাকাটা নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তাদের মতামতের ভিত্তিতে এসব হয়েছে। আমি সংসদ সচিবালয়ে নতুন এসেছি। পদাধিকারের কারণে স্বাক্ষর করতে হয়েছে। তবে এসব প্রক্রিয়া আমি যোগদানের আগেই হয়েছে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, আগের সচিব নিজে এ কেনাকাটা তত্ত্বাবধান করেছেন। কোম্পানি নির্ধারণ করেছেনও তিনি। তবে সবকিছু নিয়মের বেড়াজালে থেকে করেছেন। ভবিষ্যতে যেন তিনি না ফাঁসেন সেসব ব্যবস্থা করে তিনি তড়িঘড়ি এসব করেছেন। সংসদ সচিবালয়ে ২০ বছরের বেশি চাকরি করছেন এমন এক ফটোগ্রাফারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বলেন, ‘সর্বনিম্ন ৪ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার ক্যামেরা সেট হলেই অধিবেশন কক্ষের ছবি ভালোভাবে তোলা সম্ভব। অতীতে তা-ই হয়েছে। ৫৮ লাখ টাকার ক্যামেরা সেট কেনা একেবারে অস্বাভাবিক। আমার চাকরি জীবনে এ ধরনের কেনাকাটা দেখিনি, শুনিওনি।’ সংসদ সচিবালয়ের বাইরে ফটোগ্রাফির কাজ করেন এমন আরও দুজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় বাংলাদেশ প্রতিদিনের পক্ষ থেকে। তাঁরা জানান, সংসদ অধিবেশনকক্ষ একটি ছোট জায়গার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এখানকার ছবি তোলার জন্য যেসব ক্যামেরা বডি, লেন্স, মেমোরি কার্ড ও চার্জারের কথা বলা হয়েছে তাতে আমরা রীতিমতো বিস্মিত ও হতবাক।’ এসব প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে সংসদ সচিবালয়ের সাবেক সচিব কানিজ মাওলাকে একাধিকবার ফোন করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে টেক্সট পাঠানো হলেও তিনি উত্তর দেননি।

এই বিভাগের আরও খবর
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
সবার স্বার্থ রক্ষায় হচ্ছে গণমাধ্যম কমিশন
সবার স্বার্থ রক্ষায় হচ্ছে গণমাধ্যম কমিশন
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক ফায়ার ফাইটাররা
আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক ফায়ার ফাইটাররা
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
জয়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
জয়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
প্রাদুর্ভাব রোধের ব্যর্থতা তদন্তে কেন কমিশন গঠন নয় : হাই কোর্ট
প্রাদুর্ভাব রোধের ব্যর্থতা তদন্তে কেন কমিশন গঠন নয় : হাই কোর্ট
সর্বশেষ খবর
প্রথম বেতনের টাকা মাদরাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করলেন এমপি জাহাঙ্গীর
প্রথম বেতনের টাকা মাদরাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করলেন এমপি জাহাঙ্গীর

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

দেশে হাম উপসর্গে নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু
দেশে হাম উপসর্গে নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু

২২ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

মিরপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
মিরপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মুন্সীগঞ্জে মেধা যোগ্যতা স্বচ্ছতায় পুলিশে চাকরি
মুন্সীগঞ্জে মেধা যোগ্যতা স্বচ্ছতায় পুলিশে চাকরি

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আচরণবিধি ভঙ্গে শাস্তি পেলেন সালমান আগা
আচরণবিধি ভঙ্গে শাস্তি পেলেন সালমান আগা

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে প্রসেনজিত–হিমু
কুবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে প্রসেনজিত–হিমু

৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান
নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম
বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আবার হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: হুঁশিয়ারি আইআরজিসি’র
আবার হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: হুঁশিয়ারি আইআরজিসি’র

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিবি পুলিশের পোশাক পরে গরু ডাকাতির প্রস্তুতি, অতঃপর...
ডিবি পুলিশের পোশাক পরে গরু ডাকাতির প্রস্তুতি, অতঃপর...

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিউইয়র্কে ম্যানহোলে পড়ে প্রাণ গেল নারীর
নিউইয়র্কে ম্যানহোলে পড়ে প্রাণ গেল নারীর

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণ-হত্যা-সহিংসতা বন্ধে কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ধর্ষণ-হত্যা-সহিংসতা বন্ধে কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লিথুয়ানিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশ, নাগরিকদের আশ্রয়স্থলে যাওয়ার নির্দেশ
লিথুয়ানিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশ, নাগরিকদের আশ্রয়স্থলে যাওয়ার নির্দেশ

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন
খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিয়ন্ত্রিত হাম বাংলাদেশে যেভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠল
নিয়ন্ত্রিত হাম বাংলাদেশে যেভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠল

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহায় জনসাধারণকে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ
ঈদুল আজহায় জনসাধারণকে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

জামালপুরে প্রান্তিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ধান ও সবজি বীজ বিতরণ
জামালপুরে প্রান্তিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ধান ও সবজি বীজ বিতরণ

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে ২ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৯
রাজশাহীতে ২ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৯

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১২
যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১২

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

হামের প্রাদুর্ভাব কমেছে, দ্রুত সময়ে স্বাভাবিক হয়ে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের প্রাদুর্ভাব কমেছে, দ্রুত সময়ে স্বাভাবিক হয়ে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২৪ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পঞ্চগড়ে টমেটো চাষিদের হাহাকার, বিদেশি টমেটো আমদানি বন্ধের দাবি
পঞ্চগড়ে টমেটো চাষিদের হাহাকার, বিদেশি টমেটো আমদানি বন্ধের দাবি

২৬ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

শিক্ষার্থীদের শতভাগ নির্ভুল পাঠ্যবই দেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা সচিবের
শিক্ষার্থীদের শতভাগ নির্ভুল পাঠ্যবই দেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা সচিবের

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ‘ফায়ার সপ্তাহ’ উদ্বোধন
গাইবান্ধায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ‘ফায়ার সপ্তাহ’ উদ্বোধন

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিরপুরে অবৈধ বস্তি উচ্ছেদে গিয়ে হামলার মুখে পুলিশ
মিরপুরে অবৈধ বস্তি উচ্ছেদে গিয়ে হামলার মুখে পুলিশ

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক
লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

‘ফায়ার সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা জনগণের সেবায় নিয়োজিত’
‘ফায়ার সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা জনগণের সেবায় নিয়োজিত’

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আরও ২ মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
আরও ২ মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের কারণে লোকসানের মুখে ইসরায়েলের এল আল এয়ারলাইন
ইরান যুদ্ধের কারণে লোকসানের মুখে ইসরায়েলের এল আল এয়ারলাইন

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি
যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম
আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা
বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান
‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?
ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি
এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?
স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন দেখালো আমেরিকার দিন ফুরাচ্ছে
চীন দেখালো আমেরিকার দিন ফুরাচ্ছে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সিরিজ খুনের খুনি কে
সিরিজ খুনের খুনি কে

প্রথম পৃষ্ঠা

গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা
গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’
আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’

নগর জীবন

কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!
কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের
স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট
ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা

সম্পাদকীয়

আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও
আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও

নগর জীবন

ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩
ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ
কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ

সম্পাদকীয়

কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা
কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা

মাঠে ময়দানে

ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব
ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব

নগর জীবন

স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস
বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস
প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের
বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের

নগর জীবন

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি
রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি

নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের

প্রথম পৃষ্ঠা

পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল
পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাবিতে যত অনিয়ম
রাবিতে যত অনিয়ম

পেছনের পৃষ্ঠা

অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!
অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!

দেশগ্রাম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি
বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি

পেছনের পৃষ্ঠা