শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০২:১৬, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

আকতারুজ্জামান
প্রিন্ট ভার্সন
বেহাল শিক্ষা, অন্যদিকে নজর মন্ত্রণালয়ের

মহামারি করোনার পর ছাত্রছাত্রীদের এখনো শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত করা যায়নি। চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা। ছাত্রছাত্রীরা শ্রেণিকক্ষের চেয়ে রাস্তায়ই বেশি সময় কাটিয়েছে। শিক্ষকরা নানাভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন। শিক্ষকদের নেই পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ। শিক্ষার কোনো কোনো ধারায় পুরো শিক্ষকতা জীবনেও প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকে না তাদের। শিক্ষকদের নেই পর্যাপ্ত বেতন-মর্যাদাও। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গতানুগতিক ধারার পড়ালেখা করে চাকরি পাচ্ছে না তরুণ-তরুণীরা। স্কুলগুলোতে ২০১২ সালের কারিকুলামেই চলছে পাঠদান। যুগোপযোগী হয়নি কারিকুলাম। ব্যাঙের ছাতার মতো বিশ্ববিদ্যালয় গজিয়ে উঠলেও বেশির ভাগের শিক্ষার মানের বেহাল দশা। দিনে দিনে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে দেশে। সমস্যার যেন শেষ নেই শিক্ষা সেক্টরে। রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হাঁকডাক ছাড়া কার্যকর তেমন কোনো উদ্যোগ নিতেও দেখা যায়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্তাব্যক্তিদের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার চেয়ে পরীক্ষা নিয়েই তৎপরতা বেশি শিক্ষামন্ত্রীর। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস)

গবেষণা বলছে, প্রাথমিকের তৃতীয় শ্রেণির ৭৬ শতাংশ ও চতুর্থ শ্রেণির ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী ঠিকমতো বাংলা পড়তে পারছে না। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্যমতে, এ দেশের এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যে জ্ঞান অর্জন করছে তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সপ্তম শ্রেণির সমতুল্য। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কনসালটেশন কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ইংরেজি ও গণিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী ন্যূনতম দক্ষতা অর্জন করতে না পারার চিত্র। তথ্য বলছে, ইংরেজিতে ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষার্থীর ঘাটতি রয়েছে। গণিতে ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ৩৩ শতাংশের নিচে স্কোর অর্জন করেছে।

শিক্ষার দশা বেহাল হলেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষার উন্নয়নে কার্যকরী তেমন কোনো পদক্ষেপ এখনো দৃশ্যমান হচ্ছে না। মন্ত্রণালয়ের নজর যেন অন্য কিছুতে। মন্ত্রণালয় শুধু পরীক্ষা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, কর্তাব্যক্তিরা ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে শেখানোর পরিবর্তে পরীক্ষাকেন্দ্রিক হিসেবে গড়ে তুলছেন- এটি ভালো ফল বয়ে আনবে না। চলমান শিক্ষাব্যবস্থায় তরুণ-তরুণীরা উচ্চশিক্ষিত হয়েও চাকরির বাজারে ভালো করতে পারছে না। ২০১২ সালের কারিকুলামেই চলছে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে কারিকুলাম উন্নয়নের কোনো নির্দেশনা আসেনি।

দেশে পাবলিক-প্রাইভেট মিলে মোট ১৭৩টি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও চাকরির বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রয়োজনীয় পড়াশোনা নেই এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা তথা উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। গত বছর প্রকাশিত ‘অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়ন ও পুনর্নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় সম্পদ আহরণ’ বিষয়ক টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনের তথ্যমতে প্রতি ১০০ জন বেকারের মধ্যে ২৮ জনই উচ্চশিক্ষিত। দেশে কারিগরি শিক্ষা ধারা থাকলে এ ধারা বরাবরই উপেক্ষিত থেকেছে। দেশে বর্তমানে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগে চাকরির সঙ্গে সংগতি রেখে পড়াশোনা নেই।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। অন্তর্বর্তী সরকার শেষ সময়ে এসে যাচাইবাছাই শেষে ১ হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে প্রস্তাব পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এ প্রক্রিয়া আর এগোয়নি। বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি নেকবর হোসেন বলেন, শেষ সময়ে এসে এমপিওভুক্তি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া দুঃখজনক। আমরা আশা করব, চলতি অর্থবছরেই বর্তমান সরকার এমপিওভুক্তি করবে এসব প্রতিষ্ঠান।

ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ভিত গঠন করে দেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। অথচ দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা এখনো বিবেচিত হচ্ছেন কর্মচারী হিসেবে। তারা বেতন পান ১৩তম গ্রেডে। দীর্ঘদিন থেকে এ শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। সহকারী শিক্ষকরা যোগদানের পর অবসরে যাচ্ছেন কোনোরকম পদোন্নতি না পেয়েই। ২০০৯ সাল থেকে তাদের পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, সবাই মুখে মুখে শিক্ষকতাকে সম্মানজনক পেশার মর্যাদা দিলেও বাস্তবে তাদের অবহেলায় রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে প্রধান শিক্ষকরা দশম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডের আন্দোলন করে আসছেন। আদালতের রায়ে প্রধান শিক্ষকরা দশম গ্রেড পেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। আর সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডেই পড়ে আছেন। এ ব্যাপারে সরকারও নিশ্চুপ।

ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, শিক্ষায় বিদ্যমান সমস্যাগুলো গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসছে। শিক্ষায় সংখ্যাগত কিছু উন্নয়ন হলেও মানের ক্ষেত্রে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। অতীতে বেশ কিছু প্রকল্প নেওয়া হলেও সেগুলো কার্যকরী হয়নি। শিক্ষার উন্নয়নে কনসালটেশন কমিটির যে প্রতিবেদন আমরা দিয়েছিলাম তা সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর আর গুরুত্ব পাচ্ছে না। এ শিক্ষাবিদ বলেন, শিক্ষার বেহাল দশা থেকে উত্তরণের জন্য টাস্কফোর্স গঠন করা দরকার। একই সঙ্গে শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করে এ অর্থ যথাযথভাবে খরচ নিশ্চিত করতে হবে।

২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এ পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত করতে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড চষে বেড়াচ্ছেন। গত ২০০১-০৬ মেয়াদে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি নকল প্রতিরোধে ভূমিকার কারণে প্রশংসিত হয়েছিলেন। শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে পড়ালেখার ধরন বদলেছে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে নকলের সুযোগ কম। আর গত এক যুগে নকল অনেকটাই বিলুপ্ত হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষাব্যবস্থা থেকে। অথচ শিক্ষামন্ত্রী এখনো নকলের পেছনেই পড়ে রয়েছেন। প্রতিটি সভা-সমাবেশে আগের মতো নকল প্রতিরোধের কথা বলছেন। শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ বলছেন, শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এখনো দুই দশক পেছনেই পড়ে রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত কঠোর নিয়ম চাপিয়ে দেওয়াসহ পরীক্ষা নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এনে সম্প্রতি পঞ্চগড়ে ও নীলফামারীতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন এসএসসির একদল পরীক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, পরীক্ষা নিয়ে কড়াকড়ি থাকতেই পারে। কিন্তু মন্ত্রী যেভাবে সিসি ক্যামেরাসহ নানা আয়োজন নিয়ে পরীক্ষার্থীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন তা কোনোভাবেই  কাম্য নয়।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করেছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ভর্তিতে লটারি ব্যবস্থা বাতিল করে পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করেছে। এ দুই বিষয় নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে সরকার।

ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান সরকার পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী ভর্তির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সঠিক হয়নি। এ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা পরীক্ষানির্ভর হয়ে গেছে। এটি হতে হবে শিখননির্ভর। ক্লাসে শেখাতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষকের মানোন্নয়ন জরুরি। মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আনতে হবে। দুর্নীতির বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ হতে হবে। একই সঙ্গে তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে।

সম্প্রতি জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা বলে ঢাকা মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন সশরীরে পাঠদান কার্যক্রম চালু করেছে সরকার। এ নিয়েও চলছে সমালোচনা। কারণ অনেক পরিবারে শিক্ষার্থীর সংখ্যা একাধিক থাকলেও অনলাইন ক্লাস করার ডিজিটাল ডিভাইস একাধিক নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে ডিজিটাল ডিভাইস আসক্তিও। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন সিলেটে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘৭০০-৮০০ স্কুলের শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলাম। একজনও অনলাইন ক্লাস চায় না। আমিও চাই না।’ এরপরও শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইন ক্লাস চাপিয়ে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকরা।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা বলে যাচাইবাছাই না করে ফের অনলাইন চালু করা হলো। অথচ আরও অনেক বিকল্প ভাবা যেত। অনলাইন শিক্ষার ফলাফল কেমন হয় তা আমরা করোনা পরবর্তী সময়ে দেখেছি। এর মাধ্যমে ডিভাইস আসক্তি বাড়বে। তিনি বলেন, এ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষার উন্নয়নে ১২ দফা প্রস্তাবনা দেন। কিন্তু এরপর অবাক হয়ে দেখলাম তারা শুধু পরীক্ষাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। আসলে তারা কোন পথে হাঁটছেন তা বোধগম্য নয়।

শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নানা অভিযোগের ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বক্তব্য জানতে গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকবার তাঁর মোবাইল নম্বর ও হোয়াটসঅ্যাপে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এই বিভাগের আরও খবর
সেনা প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ব্রিটিশ হাই কমিশনারের
সেনা প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ব্রিটিশ হাই কমিশনারের
ফাইল টেম্পারিং করে টেন্ডার
ফাইল টেম্পারিং করে টেন্ডার
দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার
দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
মেগা প্রকল্প করতে হবে সঠিক দামে
মেগা প্রকল্প করতে হবে সঠিক দামে
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ুন
দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ুন
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
আইসিসির এপ্রিলসেরা নাহিদ রানা
আইসিসির এপ্রিলসেরা নাহিদ রানা
হাম ও উপসর্গে আরও সাত মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে আরও সাত মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
সর্বশেষ খবর
গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত
গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ
ফরিদপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছিল বৃদ্ধার মরদেহ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পেছনে হাত বেঁধে শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রিন্সিপাল বরখাস্ত
পেছনে হাত বেঁধে শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রিন্সিপাল বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার
অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারসাম্যহীন মায়ের নবজাতকের নাম রাখা হলো ‘আয়েশা আক্তার মুসকান’
ভারসাম্যহীন মায়ের নবজাতকের নাম রাখা হলো ‘আয়েশা আক্তার মুসকান’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আড়াইহাজারে ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা; ৫৪ পরীক্ষার্থীর ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা
আড়াইহাজারে ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা; ৫৪ পরীক্ষার্থীর ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত
কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’
‘বিক্রয় ডট কম’ কিনে নিলো নাইজেরিয়ার ‘জিজি’

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মসজিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার উপায়
মসজিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার উপায়

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড
নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা
বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন
জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা
মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা
অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল
নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

১৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার
আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য
গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর
ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর
‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন
৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প
আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা
আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’
ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি
টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের
চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি
মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু
রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স
‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর
দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন
ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার
এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ
দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা
দেশের প্রতিটি ঘরে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা

নগর জীবন

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

শোবিজ

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন
পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন

দেশগ্রাম

শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ

শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা
শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা

দেশগ্রাম

রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে
রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে

দেশগ্রাম

মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি
মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি

দেশগ্রাম

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়

শোবিজ

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

পেছনের পৃষ্ঠা