শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩০, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

চিকিৎসা মেলে বাগানে

ইমরান রহমান ও ইমরান চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
চিকিৎসা মেলে বাগানে

সকাল ১০টা। রাজধানীর প্রাচীনতম স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের টিকিট কাউন্টারে লম্বা সিরিয়াল। মধ্যবয়স্ক এক নারী প্রত্যেক রোগীর কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বলছেন, এখানে চিকিৎসা নিতে দেরি হবে। বাগানে যান। ওখানে সব ব্যবস্থা আছে। মধ্যবয়স্ক ওই নারীর কথার সূত্র ধরে খোঁজা হয় ওই বাগান। পিছু নেওয়া হয় তার। গিয়ে দেখা যায় মূলত ওই নারী হাসপাতালের ফুলবাগানকে বুঝিয়েছেন। যেখানে চারপাশে ওত পেতে রয়েছে বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালের একঝাঁক দালাল। ফাইল বা হাসপাতালের টিকিট হাতে কাউকে দেখলেই পথ আগলে দাঁড়াচ্ছেন তারা। কেউ রোগীদের পিছু নিচ্ছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বল্প খরচে ভালো চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন মিটফোর্ড হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এক রোগী নেওয়া হলে ওই দালাল আবার এসে দাঁড়াচ্ছেন ওই বাগানের পাশে। বেলা শেষে কে কয়টি রোগী বাগিয়েছেন, সেই হিসাবও কষছেন বাগানের এককোণে দাঁড়িয়ে খোশগল্পের আলোচনায়।

গত শনিবার দিনভর সরেজমিন হাসপাতালটিতে এমন চিত্র দেখা যায়। শুধু রোগী ভাগিয়ে নেওয়া নয়, অনিয়ম ও হয়রানির শেষ নেই প্রাচীনতম এই হাসপাতালটিতে। কোনো কোনো চিকিৎসক এক গাদা টেস্ট লিখে দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে রিপোর্ট দেখানোর বাহানায় প্রাইভেট হাসপাতালের নাম লেখা টোকেন ধরিয়ে দিচ্ছেন। রোগীরাও নিরুপায় হয়ে ওই হাসপাতাল থেকে টেস্ট করিয়ে আনছেন। অন্য হাসপাতালের মতো হুইলচেয়ার ঘিরেও গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট। তবে হাসপাতালে ভর্তি নয়-প্লাস্টার খুলতে টিকিট আসা কিংবা পুনরায় চিকিৎসক দেখাতে আসা পঙ্গু রোগীরা এই সিন্ডিকেটের পাল্লায় পড়ে টাকা দিতে চেয়েও হুইলচেয়ার পান না। রোগী ভর্তির ক্ষেত্রেও করা হচ্ছে বিভিন্ন টালবাহানা। সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টারে। সকাল ৯টা থেকে টিকিট দেওয়া শুরু হলেও টিকিট কাটতে ভোর ৫টায় সিরিয়াল দিয়েও লেগে যাচ্ছে অর্ধদিন। ডাক্তাররাও দেরি করে আসায় লম্বা হতে থাকে রোগীর সিরিয়াল।

অর্ধশত দালালের রাজত্ব : হাসপাতালের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ভবনের ঠিক মাঝে ফুলবাগান অবস্থিত। ফুলবাগানের পশ্চিম পাশে বিশাল শেড। এটি বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টার। ১৫টি টিকিট কাউন্টারের দুটি স্টাফ, মুক্তিযোদ্ধা ও বৃদ্ধদের জন্য। তবে স্টাফ ও তাদের স্বজনরাই ব্যবহার করেন সেগুলো। জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগের মাঝামাঝি ফুলবাগানের (যা দালালদের কাছে বাগান বলে পরিচিত) আশপাশে দাঁড়িয়ে তৎপর থাকে দালাল চক্র। তাদেরই কেউ কেউ টিকিট কাউন্টারে গিয়েও প্রলোভন দেখান। আর এসবই হয় প্রশাসনের নাকের ডগায়। ফুলবাগানের পাশে কথা হয় শাহজালাল নামে এক দালালের সঙ্গে। তিনি রোগী ভাগিয়ে মিটফোর্ডের সামনের আল-আরাফাত হাসপাতালে ভর্তি করান। রোগী সেজে কথা বললে শাহজালাল বলেন, আমার সঙ্গে চলেন আল্লাহ রহম করলে আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব সর্বোচ্চ ডিসকাউন্ট করিয়ে দেব। দ্রুত সময়ে সুস্থ হয়ে যাবেন, টেস্টের রিপোর্ট পেতেও সময় লাগবে না। মনির নামে এক দালাল বলেন, তারা রোগীদের ভালো চিকিৎসা পেতে সহযোগিতা করেন। সরেজমিন দেখা যায়, মিটফোর্ডের আশপাশে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর মধ্যে অন্যতম আল-আরাফাত হাসপাতাল, বাঁধন হাসপাতাল, ম্যাক্সলাইফ হাসপাতাল, মুনলাইট ক্লিনিক অ্যান্ড হাসপাতাল, মেডিলাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতাল লিমিটেড, মেডিএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইস্টার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ পিপলস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, মেডিসান হেল্থ কেয়ার ডায়াগনস্টিক, ভিক্টোরি হাসপাতাল। তবে হাসপাতালের ন্যূনতম নিয়ম-কানুন তারা মানেন না। দালালদের মাধ্যমে মিটফোর্ডে চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় মানুষকে ফাঁদে ফেলাই তাদের প্রধান ব্যবসা।

টেস্ট করাতে প্রাইভেট হাসপাতালের টোকেন : গত বুধবার মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি হন হানিফ (ছদ্মনাম) নামে এক পরিবহন শ্রমিক। সিটি স্ক্যান রুমের সামনে কথা হয় হানিফ ও তার স্ত্রীর সঙ্গে। হানিফ বলেন, আমার বাসা ধোলাইপাড় এলাকায়। দুই বাসের মাঝে পড়ে কাঁধে ও বুকে আঘাত পাই। এই হাসপাতালে এলে ৮টি টেস্ট করতে দেন। এগুলোর মধ্যে জরুরি ৬টি টেস্টের রিপোর্ট দ্রুত প্রয়োজন বলে সাদা কাগজে হাসপাতালের নাম ও একটি ফোন নম্বর লেখা টোকেন দেন। এক্সরে ও ইসিজি মিটফোর্ড হাসপাতালে করালেও ওই ৬টি টেস্ট চিকিৎসকের লিখে দেওয়া মেডিসান হেল্থ কেয়ার ডায়াগনস্টিক থেকে ৩ হাজার ৯০০ টাকা দিয়ে করিয়ে আনেন। হানিফের স্ত্রী বলেন, ডাক্তার দেখলেই শুধু টেস্ট ধরিয়ে দেয়। আমরা এত টাকা পামু কই? শুধু হানিফই নয় ওয়ার্ডে ভর্তি আরও কয়েকজন রোগীর সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসকদের টোকেন পদ্ধতির তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

টাকাতেও মেলে না হুইলচেয়ার : দুপুর ১২টার দিকে এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে এমআরআই রুমের সামনে এসে একটু বসার জায়গা চান ইমরান নামে এক যুবক। এক হাতে স্ট্রেচার থাকলেও জরুরি বিভাগের সামনে সিএনজি থেকে নেমে ভাঙা পা নিয়ে লাফিয়ে আসতে হয়েছে তাকে। কারণ তার স্ত্রী খুঁজে পাননি কোনো হুইলচেয়ার। ইমরান জানান, ১৪ রোজায় মাওয়া রোডে বাইক দুর্ঘটনায় তার পা ভেঙে যায়। হাসপাতালের নিচ তলায় এক্সরে করিয়ে পাঁচ তলায় চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। হুইলচেয়ার না থাকায় চিন্তার ভাঁজ পড়ে তার। আর তার স্ত্রী পাগলের মতো হুইলচেয়ার খুঁজতে থাকেন। রিসিপশন থেকে ১২৪ নম্বর রুম, সেখান থেকে আরেক জায়গা, এভাবে ঘুরতে থাকেন। ১২৪ নম্বর রুম থেকে জানানো হয় ভর্তি রোগী ছাড়া তারা হুইলচেয়ার দেবেন না। আর রোগীদের কাছ থেকে বকশিশ নেওয়া হুইলচেয়ার সিন্ডিকেটের সদস্যরা সাময়িক সময়ের জন্য আসা রোগীর প্রতি গুরুত্ব দেন না। এতে টাকা দিতে চেয়েও মেলেনি হুইলচেয়ার। এক্সরে রুমের সামনে লাইনে থাকা বেশ কয়েকজন পঙ্গু রোগীকে স্বজনের কাঁধ ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

রক্ত ছাড়া নেওয়া হয়নি ভর্তি : ও ভাই, ও আপা এ পজিটিভ রক্ত আছে? এমন অনুনয়বিনয় করে ঘুরতে দেখা যায় সালমা নামে এক গর্ভবতী নারীকে। ব্লাড ব্যাংকে গিয়েছিলেন? প্রশ্ন করা হলে ওই নারী বলেন, গেছিলাম- রক্ত পাইনি। রক্ত জোগাড় না হলে আমাকে ভর্তি নেওয়া হবে না। একটু দেখেন ভাই কোথাও রক্ত পান কি না। এরই মধ্যে তার স্বামী আসেন। রক্তের সন্ধানে উৎকণ্ঠায় একের পর এক স্বজনদের ফোন করে যাচ্ছেন তিনি। রক্তের সন্ধান না পেয়ে স্বামী-স্ত্রী মিলে আবার দিগ্বিদিক  ছোটাছুটি শুরু করেন। সিরিয়ালেই অনেকের অর্ধদিন পার : বুড়িগঙ্গার ওপার কদমতলী এলাকা থেকে ডাক্তার দেখাতে আসেন সোমা নামে এক গৃহবধূ। এজন্য তার স্বামী ভোর ৫টায় এসে বহির্বিভাগের সিরিয়ালে দাঁড়ান। অথচ সকাল ৯টা থেকে টিকিট দেওয়া শুরু করে কাউন্টারগুলো। ভোরে আসায় দ্রুতই টিকিট পেয়ে যান তার স্বামী। এরপর চিকিৎসক দেরিতে আসায় সেখানে সিরিয়ালে পড়েন। পরে ডাক্তার দেখেন। এক্সরে করিয়ে আবার যেতে বলায় শুরু হয় তাদের এক্সরে করানোর জন্য দৌড়ঝাঁপ। এরই মধ্যে বেজে গেছে দুপুর ১টা। এক্সরে রিপোর্ট পেতে দেরি হলে আবার ডাক্তারের সিরিয়ালের জন্য আসতে হবে তাদের। টিকিট কাউন্টারে দাঁড়ানো ২০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে এ প্রতিবেদক। রোগীরা বলেছেন, টিকিট কাউন্টারে ভোর থেকেই রোগী অথবা তাদের স্বজনরা সিরিয়াল দেন। এখানে সার্ভার স্লো দোহাই দিয়ে খুবই ধীর গতিতে টিকিট দেওয়া হয়। এজন্য ১৫টি কাউন্টার থাকার পরও ভিড় কমে না।

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ভিড় : সকাল গড়াতেই হাসপাতালের ভিতর-বাইরে বাড়তে থাকে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের উপস্থিতি। তবে দুপুরের পর ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে তারা ঢুকে পড়েন বিভিন্ন ওয়ার্ডে। সরেজমিন দেখা যায়, ৫-৭ জনের গ্রুপে এসব প্রতিনিধিরা রোগীদের বেডের পাশে গিয়ে কথা বলছেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র হাতে নিয়ে মোবাইল ফোনে ছবি তুলছেন। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের সঙ্গে আলাপ করে তাদের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশন সংগ্রহ করতেও দেখা গেছে। ওয়ার্ডের ভিতরে এভাবে প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলার বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বিক্রয় প্রতিনিধি বলেন, বিষয়টি নতুন নয়। হাসপাতালের ভিতরে এটা সবাই জানে।

সর্বাঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দিব কোথা? : স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ টি এম এ রুস্তম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মিটফোর্ড হাসপাতালের অবস্থা এরকম, সর্বাঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দিব কোথা? এখানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং নতুন ভবন না থাকা হচ্ছে প্রধান সমস্যা। ৯০০ বেডের হাসপাতাল, অথচ সচল অ্যাম্বুলেন্স মাত্র একটি। হুইলচেয়ারের সংকট রয়েছে। ব্রিটিশ আমলের অনেক জিনিসপত্র এখনো ব্যবহার করা হচ্ছে। অপারেশনের জন্য জরুরি যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। জায়গা স্বল্পতার কারণে জনবল থাকার পরও অনেক বিভাগ চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। শুধু এ কারণে এই হাসপাতালে হামের চিকিৎসা দেওয়া যাচ্ছে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, দালালের দৌরাত্ম্য এই হাসপাতালের জন্য সবচেয়ে খারাপ দিক। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি- হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার। তবে এক্ষেত্রে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের আরও তৎপর হতে হবে। হাসপাতালের কিছু কর্মচারীও রোগীদের হয়রানি ফেলার অভিযোগ পাওয়ায়, ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞ নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত
দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞ নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত
একাই বুক চিতিয়ে লড়াই লিটনের
একাই বুক চিতিয়ে লড়াই লিটনের
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
জাতির সঙ্গে গাদ্দারি বেইমানি করবেন না
জাতির সঙ্গে গাদ্দারি বেইমানি করবেন না
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে তুরস্ক যাচ্ছে ইরান
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিতে তুরস্ক যাচ্ছে ইরান

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের নরম সুর, চুক্তি হলে মানবে কি ইসরায়েল?

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার
শাহ আলী মাজারে হামলা: ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের তিন কর্মী গ্রেফতার

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার
যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অনার্স পড়ুয়াদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু
অনার্স পড়ুয়াদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, আবেদন শুরু

৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১
মিরপুরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ আটক ১

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট
প্রাইভেট কারে এসে মাদ্রাসার দানবাক্স লুট

২২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার
গারো ও খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারীদের নিয়ে শাবি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য গবেষণা সেমিনার

২৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার
‘মার্কিন আগ্রাসন’ আতঙ্কে যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু কিউবার

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬
সৌদিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৬

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে
বিড়াল রহস্য: সাত বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনে কি শাসন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের
ইরানের খারাপ সময় আসছে: চীন থেকে ফিরে হুঙ্কার ট্রাম্পের

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল দুই দেশ

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর
ফাইনালে হেরে গেল রোনালদোর আল নাসর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
উখিয়ায় দুই লাখ নব্বই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে
হটস্পট ৩০ উপজেলায় হাম সংক্রমণ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ
ফেনীতে জোড়াতালির বাঁধে বাড়ছে শঙ্কা, বর্ষা ঘিরে আতঙ্কে লাখো মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
ইবোলা ভাইরাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান
তাসকিনের জোড়া আঘাত, দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পাকিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার
কক্সবাজারে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিন নারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুরু আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির
ডাইভিংয়ে নেমে নিখোঁজ ৫ ইতালীয় পর্যটক, খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল ডুবুরির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?
আইপিএলের প্লে-অফ: কোন দলের কী সমীকরণ?

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীতে ভোর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত
রাজধানীতে ভোর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি, থাকতে পারে দুপুর পর্যন্ত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা ডেকেছে সোমবার

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

স্ত্রী-কন্যাসহ হামাসের সামরিক শাখার প্রধান নিহত, নিশ্চিত করলো সংগঠনটি
স্ত্রী-কন্যাসহ হামাসের সামরিক শাখার প্রধান নিহত, নিশ্চিত করলো সংগঠনটি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কলম্বিয়ায় নির্বাচনের আগে হামলা, ডানপন্থী প্রার্থীর দুই প্রচারকর্মী নিহত
কলম্বিয়ায় নির্বাচনের আগে হামলা, ডানপন্থী প্রার্থীর দুই প্রচারকর্মী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়
বিশ্বকাপ ২০২৬ এর অফিসিয়াল গান ‘ডাই ডাই’, একসঙ্গে শাকিরা ও বার্না বয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা
আবারও যুদ্ধের পথে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে দিল স্পষ্ট বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!
২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড: দেখে নিন অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা!

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’
ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরেই তাইওয়ান বললো ‘আমরা স্বাধীন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?
অনুমতির আশায় ইরানের দুয়ারে ইউরোপীয় দেশগুলো?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
দুই মাসের মধ্যে প্রবাসী কার্ড দেওয়া হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস
জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি
নেদারল্যান্ডস থেকে ভারতে ফিরল চোল সাম্রাজ্যের ১০০০ বছরের পুরোনো তাম্রলিপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?
সৌদিকে ছেড়ে ইসরায়েলি আশ্রয়ে আমিরাত, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?
ইরানের ধাক্কায় শেষ হচ্ছে মার্কিন এমকিউ-নাইন রিপার ড্রোনের যুগ?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
উত্তরায় হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা