শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৭, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ

বাড়ছে হাম ম্যালেরিয়া যক্ষ্মা নিউমোনিয়া জলাতঙ্ক
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ

হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পুরো মনোযোগ হাম নিয়ে। কিন্তু এরই মধ্যে অনেক সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ম্যালেরিয়ায় একজন সচিবের মৃত্যুর পর জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে নতুন করে ম্যালেরিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশে নতুন করে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে। দেশজুড়ে শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। বেড়েছে জলাতঙ্ক রোগে মৃত্যুর সংখ্যা। আর এসব তথ্য বলে দেয় বাংলাদেশ এখন ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। ইউনূস সরকারের দেড় বছরের শাসনকালে বাংলাদেশের অন্য সব সেক্টরের মতো স্বাস্থ্য খাতও যে এখন বিপর্যস্ত, তার প্রমাণ এসব পরিসংখ্যান। দেড় বছরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা রীতিমতো ভেঙে পড়েছে। ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেন তার বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ নূরজাহান বেগমকে। নূরজাহান বেগম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৯৭৭ সালে ইউনূস যখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন জোবরা গ্রামে গ্রামীণ পাইলট প্রকল্প শুরু করেন তখন নূরজাহান বেগম তাতে একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। খুব দ্রুতই ইউনূসের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। এরপর থেকে নূরজাহান বেগম ইউনূসের ছায়াসঙ্গী হিসেবে পরিচিত। ব্যাংকিং সেক্টরে কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ইউনূস তাকে দীর্ঘদিন গ্রামীণ ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেন। ইউনূসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই তাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। নূরজাহান বেগমের দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) মুহাম্মদ তুহিন ফারাবী ও মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ৬৫০ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগ নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় শুরু হলে তুহিনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে, ব্যক্তিগত কর্মকর্তার (পিও) দুর্নীতির দায় কি উপদেষ্টা এড়াতে পারেন? উপদেষ্টার যোগসাজশে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে এই বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা সম্ভব হয়েছে বলেই অনেকে মনে করেন।

কিছুদিনের মধ্যেই এটি প্রমাণিত হয় যে, নূরজাহান বেগম অযোগ্য, দুর্নীতিগ্রস্ত এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চালানোর ন্যূন?তম যোগ্যতা তার নেই। তখনো ইউনূস তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেননি। বরং তাকে সহযোগিতার জন্য সায়েদুর রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আসার পর দুর্নীতি আরও বেড়ে যায়। ইউনূস সরকার ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ রেখেছিল ৪২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এ অর্থ কোথায় খরচ হলো তার কোনো হদিস নেই। এ সময়ে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বড় যে অপরাধটি সংগঠিত হয়েছে তা হলো ইপিআই কর্মসূচি বন্ধ করা। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে দাতা সংস্থার সহায়তায় ১৯৯৮ সালে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচি (এইচপিএনএসপি) চালু করে বাংলাদেশ সরকার। পাঁচ বছর মেয়াদি এ কর্মসূচিটি স্বাস্থ্য খাতের কর্মীদের কাছে ‘সেক্টর প্রোগ্রাম’ নামে বেশি পরিচিত। এটি বাস্তবায়ন করা হতো অপারেশন প্ল্যান (ওপি) তথা বিষয়ভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে খাদ্য-পুষ্টি, শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য, সংক্রামক-অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, টিকাদানসহ স্বাস্থ্যের বিভিন্ন খাতে অর্থ বরাদ্দ, কেনাকাটা, জনবল নিয়োগসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। সেক্টর প্রোগ্রামের শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য কার্যক্রমের আওতায় এতদিন সারা দেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) পরিচালিত হতো। এতে টিকা কিনতে সরকারকে খুব একটা বেগ পেতে হতো না এবং সময়ও তুলনামূলকভাবে কম লাগত। জুলাই গণ অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর ক্ষমতায় আসে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এ সময় বিভিন্ন খাতে সংস্কার নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে সেক্টর প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিয়ে নিজেরা টিকা কেনার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ইউনূস এবং নূরজাহানের দুর্নীতির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। কারণ ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা কিনলে দুর্নীতি করার সুযোগ থাকত না। দফায় দফায় বৈঠক শেষে ২০২৫ সালের মার্চে সেক্টর প্রোগ্রামগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইউনিসেফকে বাদ দিয়ে টিকা কেনার পদক্ষেপ নিতে গেলে তাতে প্রশ্ন তোলে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে দর কষাকষির এক পর্যায়ে ইউনিসেফকে আবারও টিকা কেনার প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু ততদিনে কয়েক মাস পার হয়ে যায়। এ ছাড়া অর্থছাড়, হিসাব নিরীক্ষাসহ অন্যান্য কাজে আরও সময় গেলে যায়।

এগুলো করতে গিয়ে প্রায় ছয় মাস টিকা কেনা বন্ধ থাকায় ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে বিভিন্ন জেলায় শিশুদের টিকার সংকট দেখা দেয়। তখন একাধিকবার টিকাকেন্দ্র গিয়েও শিশুকে টিকা দিতে পারেননি অভিভাবকরা। সেক্টর প্রোগ্রাম বন্ধ করার কারণে দেশে ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, এইডসসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মসূচিও বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশ এখন এক ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। ইপিআই কর্মসূচি বন্ধ হওয়ার কারণে শিশুরা বিভিন্ন ধরনের রোগঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (EPI) আওতায় শিশুদের যক্ষ্মা, পোলিও, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা বি (নিউমোনিয়া ও মেনিনজাইটিস), হাম এবং রুবেলাসহ মোট ১২টি সংক্রামক রোগের টিকা বিনামূল্যে দেওয়া হতো। এসব রোগ প্রতিরোধ করতে না পারার কারণে আবারও ফিরে এসেছে এসব মরণব?্যাধি। আমরা এখন শুধু হাম নিয়ে ব্যস্ত আছি। কিন্তু এসব রোগে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুধু এই ১২টি রোগে নয়, দেশে নতুন করে জলাতঙ্ক রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালে কুকুর ও বিড়ালের আক্রমণের শিকার হয়ে এখানে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯৪ হাজার ৩৮০ জন। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ২২ হাজার ২৬৩ জনে। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা আরও বেড়ে ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৩ জনে পৌঁছেছে। আর ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সেবা নিয়েছেন ৩৬ হাজার ৭৫১ জন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, রোগীর এ ঊর্ধ্বগতির অন্যতম কারণ রাজধানীতে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কুকুরের টিকাদান কর্মসূচির স্থবিরতা। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জলাতঙ্ক এমন একটি রোগ, যার লক্ষণ প্রকাশ পেলে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যু ঘটে। ফলে প্রতিরোধই একমাত্র উপায়। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। ২০২৩ সালে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ৪২ জন মানুষের। ২০২৪ সালে ৫৮ জনের, ২০২৫ সালে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৬ সালের প্রথম আড়াই মাসে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। বর্তমান সরকার গতকাল ২০ এপ্রিল থেকে হামের টিকা দান কর্মসূচি শুরু করেছে। কিন্তু এর আগেই ইউনূস সরকারের সীমাহীন লোভ আর অযোগ্যতার কারণে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে তিন শতাধিক শিশু। হামের থাবায় দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। এটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নাকি স্বাস্থ্যব্যবস্থার চরম ব্যর্থতা? বাংলাদেশ বিগত কয়েক দশক ধরে টিকাদান কর্মসূচির ক্ষেত্রে সাফল্য ও গর্বের গল্প লিখেছিল। একসময় যেখানে মাত্র ২ শতাংশ শিশু পূর্ণ টিকা পেত, সেখানে সেই হার ৯০ শতাংশের ওপরে তোলা হয়েছিল। এ সাফল্য কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি লাখ লাখ শিশুর বেঁচে থাকার গল্প। অথচ আজ, সেই দেশেই হামের মতো একটি সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ, মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে। এটা ইউনূস সরকারের ব্যর্থতার একটা বড় উদাহরণ। তবে এখন শুধু হাম নয়, ইউনূস সরকারের গাফিলতির কারণে অন্যান্য সংক্রামক রোগের ঝুঁঁকি বেড়েছে। আমাদের গোটা স্বাস্থ্যব্যবস্থাই এখন হুমকির মুখে। সরকার হামের টিকা দেওয়া শুরু করেছে, এটা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। কিন্তু হামের পাশাপাশি অন্য সংক্রামক রোগের টিকাদান কর্মসূচি চালু করতে হবে দ্রুত। তা না হলে বাংলাদেশ শিশুদের জন্য এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হতে পারে। যার জন্য দায়ী ইউনূস, নূরজাহান এবং অন্তর্বর্তী সরকার।

এই বিভাগের আরও খবর
সেনা প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ব্রিটিশ হাই কমিশনারের
সেনা প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ব্রিটিশ হাই কমিশনারের
ফাইল টেম্পারিং করে টেন্ডার
ফাইল টেম্পারিং করে টেন্ডার
দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার
দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
মেগা প্রকল্প করতে হবে সঠিক দামে
মেগা প্রকল্প করতে হবে সঠিক দামে
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ুন
দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ুন
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
আইসিসির এপ্রিলসেরা নাহিদ রানা
আইসিসির এপ্রিলসেরা নাহিদ রানা
হাম ও উপসর্গে আরও সাত মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে আরও সাত মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
সর্বশেষ খবর
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা
বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন
জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন

১২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা
মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা
অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল
নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন
জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ
৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. এম এম শরীফুল করীম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. এম এম শরীফুল করীম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাহাড়ে পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক
পাহাড়ে পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, চারজন গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু
সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড
খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল গঠন, নেতৃত্বে আবদুল হাই-জুবায়ের বাবু
টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল গঠন, নেতৃত্বে আবদুল হাই-জুবায়ের বাবু

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারের সাফল্য প্রচারে মঙ্গলবার সমাবেশের ডাক দিল সিলেট মহানগর বিএনপি
সরকারের সাফল্য প্রচারে মঙ্গলবার সমাবেশের ডাক দিল সিলেট মহানগর বিএনপি

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

১৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার
আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য
গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর
ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর
‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন
৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প
আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা
আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’
ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি
টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের
চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি
মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু
রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স
‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর
দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন
ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৪ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৪ মে)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ
দিল্লিতে আবারও বাসের ভেতরে গণধর্ষণ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ

রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে
রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে

দেশগ্রাম

পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন
পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন

দেশগ্রাম

মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি
মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি

দেশগ্রাম

মায়ের ছায়া
মায়ের ছায়া

ডাংগুলি

শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়

শোবিজ

ভালোবাসি মাগো
ভালোবাসি মাগো

ডাংগুলি

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

শোবিজ

শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা
শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা

দেশগ্রাম

নারীর টাকা ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি
নারীর টাকা ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি

দেশগ্রাম