শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০১:৪৮, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

বগুড়ায় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী

ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন

♦ বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা ♦ টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন ♦ বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইন দ্রুত হবে
আবদুর রহমান টুলু, বগুড়া
প্রিন্ট ভার্সন
ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি সতর্ক থাকুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গুপ্তরা আবারও বিভ্রান্ত করছে। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ব্যক্তিগত ঘটনা রাজনৈতিক রূপ দিয়ে তারা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। তারা ’৭১, ’৮৬, ’৯৬ ও ওয়ান -ইলেভেনের সময় জাতিকে বিভ্রান্ত করেছে। এদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। জনগণের স্বার্থে যেই কাজ তারা সেটা করে না। কীভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে পারবে, তা নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। আমরা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। আমরা দেখেছি মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা কীভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। ’৮৬ সালের নির্বাচনে তারা দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত্রের চেষ্টা করেছে। ’৯৬ সালেও তারা স্বৈরাচারের সঙ্গে নিয়ে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিল। ২০০৮ সালে ওয়ান-ইলেভেনে যোগ দিয়ে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে। প্রধানমন্ত্রী এই ষড়যন্ত্রকারীদের সম্পর্কে সর্বস্তরের জনগণকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। গতকাল বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসভায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বগুড়ায় এটিই ছিল তাঁর প্রথম জনসভা। তারেক রহমানের পৈতৃক ভিটা বগুড়ায় আগমন উপলক্ষে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়, বিমানবন্দরের কাজ ও সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়ায় রেললাইন তৈরির কাজ দ্রুত শুরু করার প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মোশারফ হোসেন এমপির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এরপর তারেক রহমান বগুড়া প্রেস ক্লাবের নবনির্মিত ভবন এবং বাইতুর রহমান সেন্ট্রাল জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। এর আগে বগুড়ায় এসে দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। গুপ্ত-সুপ্ত এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, যারা এ দেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, তাদের বিশ্বাস করা যায় না। ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, যারা সংস্কার সংস্কার বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, তারা নারীদের নিয়ে কোনো কথা বলে না, কীভাবে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করতে হবে, তা নিয়ে কথা নেই।

সরকারপ্রধান বলেন, তারা শুধু সংবিধান সংবিধান ও সংস্কার বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। বিএনপি সরকার কোনো বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পা দেবে না। বিএনপিকে মানুষ ভোটের মাধ্যমে ম্যান্ডেট দিয়েছে। জুলাই সনদসহ মানুষকে যেই প্রতিশ্রুতি বিএনপি দিয়েছে, সবই বাস্তবায়ন করবে ইনশআল্লাহ। তারেক রহমান বলেন, বিএনপি যখন সংস্কারের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা করেছিল, তখন অন্য কোনো রাজনৈতিক দল স্বৈরাচারের ভয়ে সংস্কার শব্দটা পর্যন্ত উচ্চারণ করেনি। বিএনপি স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিল।

তারেক রহমান বলেন, ঐকমত্য কমিশনে আলোচনা করে বিএনপি জানিয়েছে, কোন্টায় বিএনপি একমত, কোনটায় দ্বিমত। সেভাবেই বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি যেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, তা অক্ষরে অক্ষরে সরকার বাস্তবায়ন করবে। তবু কিছু রাজনৈতিক দল সংসদ ও সংসদের বাইরে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে নানা কথাবার্তা বলছে। যারা দেশে গোলযোগ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে, তাদের মাথায় স্বৈরাচারের ভূত চেপেছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, উন্নয়নের নাম করে মেগাদুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছিল স্বৈরাচার সরকার। কিছু মেগাপ্রকল্পের নামে দুর্নীতি ছাড়া তারা কিছু করেনি। পক্ষান্তরে বিএনপির সব কাজ দেশের মানুষের জন্য বলেও জানান তিনি।  বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ উপকৃত হবে।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিলো। সব ধরনের রাজনৈতিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। হরণ করা হয়েছিল তাদের ভোটের অধিকার। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল যারা গণতন্ত্র বিশ্বাস করে। দেশের মানুষের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করে। তাদেরই আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের মানুষ তাদের হারিয়ে যাওয়া ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। যে স্বৈরাচার সরকার বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তা ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও প্রতিষ্ঠা করেছে এ দেশের জনগণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিল তারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ৫ আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের ভূত বিরোধী দলের ঘাড়ে চেপেছে। তাদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে দেশের মানুষকে সজাগ থাকতে হবে। তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচার সরকার মেগাপ্রজেক্টের মাধ্যমে মেগাদুর্নীতি করেছে। লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেওয়া জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দেশটাকে নতুন করে সাজানোর কাজ শুরু করেছি। নির্বাচনের আগে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করেছি। মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ধর্মগুরুদের সম্মানি দিয়েছি। সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননকাজ শুরু হয়েছে। স্বল্প খরচে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানির জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। অচিরেই সুখবর আসবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া জাতির সামনে সংস্কার প্রস্তাব পেশ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে আমরা জাতির সামনে ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করেছি। অন্তর্বর্তী সরকার সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে যে জুলাই সনদ তৈরি করেছে বিএনপি সেটাতে সবার আগে স্বাক্ষর করেছে। আমরা যেই সনদে স্বাক্ষর করেছি সেই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করব। আমরা বারবার এই কথাটি পরিষ্কারভাবে বলার পরেও কিছু রাজনৈতিক দল সংসদে এবং সংসদের বাইরে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। যারা জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তারা নারীর উন্নয়ন, নারীর স্বাধীনতা নিয়ে কোনো কথা বলে না। মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বক্তব্য নেই। কীভাবে প্রশাসনকে ঠিক করতে হবে, সেই কথা বলে না। তারা শুধু জুলাই সনদ নিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শেষাংশে বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বগুড়া-সিরাজগঞ্জ সরাসরি রেললাইন নির্মাণকাজ শিগগিরই শুরুর ঘোষণা দেন। সেই সঙ্গে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির সুবিধার্থে বগুড়া বিমানবন্দরে কার্গো বিমান চলাচলের ব্যবস্থা করার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং সেখানে কৃষিসহ বিভিন্ন বিভাগ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। তারেক রহমান বগুড়াবাসীর উদ্দেশে বলেন, এই শহর আপনাদের। গ্রিন সিটি বা সবুজ নগর হিসেবে মডেল টাউন বানাতে চাইলে তার দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে। যে যেখানে বসবাস করেন তার চারপাশে পরিষ্কার ও নিরাপদ রাখার দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে। তবেই বগুড়া মডেল টাউন বানানো সম্ভব। শুধু পিছিয়ে পড়া বগুড়া নয়, উত্তরাঞ্চলে ধীরে ধীরে উন্নয়ন করতে হবে। দেশের সুষম উন্নয়নে ১৭ বছর আপনারা পিছিয়ে ছিলেন। এবার সারা দেশে সুষম উন্নয়নে বাংলাদেশকে একটি সুন্দর রাষ্ট্র উপহার দিতে চায় বিএনপি।

বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইলবন্ড সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জন্মভূমি বগুড়ায় সফরে এসেছেন তারেক রহমান। একাধিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে গতকাল সকালে তিনি সড়কপথে বগুড়ায় আসেন। এরপর বেলা ১১টায় বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইলবন্ড সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন তিনি। পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নবনির্মিত আইনজীবী সমিতির ভবন উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এমপি, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি, আইন সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লা, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বগুড়ার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির, অতিরিক্ত সচিব মো. এরশাদুল আলম, ম. খাদেমুল কায়েস, যুগ্ম সচিব মো. আজিজুল হক, জেলা ও দায়রা জজ মো. আয়েজ উদ্দিন, মো. আনোয়ারুল হক, এ এস এম তাসকিনুল হক, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, বগুড়া বার সমিতির সভাপতি মো. রেজাউর রহমান মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, পিপি আবদুল বাছেদ প্রমুখ।

বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন ঘোষণা : দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রতীক্ষার পর উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার দেড় শ বছরের পুরোনো বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন করা হলো। গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বগুড়া সিটি করপোরেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়ে দেশের সিটি করপোরেশনের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই শহর। ঘোষণার পর তিনি ফলক উন্মোচন করেন ও পৌরসভা চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন।

হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন : বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে অবস্থিত জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতাল থেকে গতকাল দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় টিকাদান কর্মসূচিকে সরকারের অন্যতম সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে হবে এবং কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ পাইলট কার্যক্রমের উদ্বোধন : এদিকে দুপুরে বগুড়ার গাবতলীতে শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ পাইলট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনব্যাপী একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর বেলা দেড়টার দিকে প্রধানমন্ত্রী গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় পৌঁছান। সেখানে সুবিধাভোগী নারীদের হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন এবং কর্মসূচির লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান।

গাবতলীর চৌকিরদহ খাল খননের উদ্বোধন : পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকারের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীর নশিপুর এলাকায় চৌকিরদহ খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা ও ফোরস্টার হোটেল নাজ গার্ডেনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শোকরানা জানান, ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বগুড়া পৌরসভা দেশের অন্যতম প্রাচীন পৌর প্রতিষ্ঠান। পরে ধাপে ধাপে এর আয়তন বাড়ানো হয়। ২০০৬ সালে আশপাশের ৪৮টি মৌজা যুক্ত করে পৌর এলাকার আয়তন প্রায় ৬৯ দশমিক ৫৬ বর্গকিলোমিটারে উন্নীত করা হয়েছে। এরপর থেকেই এটিকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের দাবি জোরালো হতে থাকে। সিটি করপোরেশন হওয়ায় এখন বড় পরিসরে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, সড়ক সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, স্ট্রিট লাইটিং ও ডিজিটাল নাগরিক সেবা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বাড়বে সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার সম্ভাবনাও। তিনি বলেন, বগুড়ার যানজট, জলাবদ্ধতা, ফুটপাত দখল, অপরিকল্পিত বাজারব্যবস্থা, বাস টার্মিনাল সংকট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে কার্যকর পরিকল্পনা নিতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
সেনা প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ব্রিটিশ হাই কমিশনারের
সেনা প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ব্রিটিশ হাই কমিশনারের
ফাইল টেম্পারিং করে টেন্ডার
ফাইল টেম্পারিং করে টেন্ডার
দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার
দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
বাবার পর মারা গেল তিন ভাইবোন
মেগা প্রকল্প করতে হবে সঠিক দামে
মেগা প্রকল্প করতে হবে সঠিক দামে
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
মমতাকে উদ্দেশ করে চোর স্লোগান
দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ুন
দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ুন
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
বাঁচানো গেল না গুলিবিদ্ধ শিশু রেশমিকে
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
গণভোটের রায়সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা
আইসিসির এপ্রিলসেরা নাহিদ রানা
আইসিসির এপ্রিলসেরা নাহিদ রানা
হাম ও উপসর্গে আরও সাত মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে আরও সাত মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
সর্বশেষ খবর
নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড
নোয়াখালীতে অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি কাটায় দুইজনের কারাদণ্ড

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে কৃষিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৫ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা
বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন
জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন

২৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা
মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা
অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল
নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন
জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ
৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. এম এম শরীফুল করীম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. এম এম শরীফুল করীম

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাহাড়ে পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক
পাহাড়ে পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, চারজন গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু
সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড
খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

১৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার
আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য
গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর
ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর
‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন
৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প
আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা
আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’
ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি
টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের
চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি
মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু
রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স
‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর
দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন
ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৪ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৪ মে)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার
এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ

পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন
পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন

দেশগ্রাম

রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে
রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে

দেশগ্রাম

মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি
মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি

দেশগ্রাম

মায়ের ছায়া
মায়ের ছায়া

ডাংগুলি

শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়

শোবিজ

ভালোবাসি মাগো
ভালোবাসি মাগো

ডাংগুলি

শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা
শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা

দেশগ্রাম

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

শোবিজ

ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ
ওমানে গাড়ির ভিতর মিলল বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ

প্রথম পৃষ্ঠা