চট্টগ্রামে মায়ের জন্য পান আনতে গিয়ে দুর্বৃত্তের গুলিতে মারাত্মক আহত হয় ১১ বছর বয়সি রেশমি আক্তার। এরপর তার ঠাঁই হয় হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা। অবশেষে ছয় দিন মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে না ফেরার দেশে চলে গেছে রেশমি। গতকাল সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কথা।
জানা যায়, গত ৭ মে রাতে চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানাধীন রৌফাবাদের বিহারি কলোনিতে দুর্বৃত্তরা যুবক মো. হাসান রাজুকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তখন পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয় রেশমি। গুলিটি তার বাম চোখ ভেদ করে মাথার ভিতরে মস্তিষ্কে ঢুকে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউ শয্যা না থাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরদিন আবারও চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। টানা ছয় দিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে গতকাল সকালে সে মারা যায়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে রেশমি সবার ছোট। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন রাতে মায়ের জন্য পান কিনতে দোকানে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয় সে। এ ঘটনায় রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ হাসান রাজুর মা সখিনা বেগম গত শনিবার বায়েজিদ বোস্তামী থানায় অজ্ঞাতনামা আট থেকে নয়জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।