শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:২৪, রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

কৃষককে পাশে বসিয়ে সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন
চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমাদের কাজ হবে একটাই-সেটা হচ্ছে দেশ গঠন, রাষ্ট্র পুনর্গঠন। এটাই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা।’ গতকাল দুপুরে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘৪৮ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন খাল পুনঃখনন। আসুন আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা করি। সেটা হচ্ছে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।’ তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু স্বপ্ন দেখতে চাই না, আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে। দেশ এগিয়ে যাবে ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’ এর আগে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন স্থলে পৌঁছে ফলক উন্মোচন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর খালের তীরে নেমে কোদাল দিয়ে মাটি কাটেন তিনি। পরে খালের তীরে বৃক্ষ রোপণ করেন।

চাঁদপুর-৫ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

খোর্দ্দ খালটি ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম খনন করেছিলেন। ১৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য খালটি ডাকাতিয়া নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। সে সময় এ খালের পানি দিয়ে কৃষক সোনালি ফসল ফলাতেন। দীর্ঘ ৪৮ বছর পর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালটি পুনঃখনন কাজ শুরু করায় আবার এ এলাকার কৃষক অন্তহীন খুশি। চাঁদপুরে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন, নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা, চাঁদপুর বিএনপির সমাবেশসহ বেশ কয়েকটি পথসভায় অংশ নিতে চাঁদপুর যাত্রা পথে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মহাসড়ক জুড়ে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান দলীয় নেতা-কর্মীরা। চাঁদপুর ছাড়াও কুমিল্লা, বরুড়া, লাকসাম, শাহরাস্তি, সোনারগাঁসহ বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধিরা এসব তথ্য জানিয়েছেন। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী সমবেত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘বিএনপি জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আগামীতে সব প্রতিশ্রুতি ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যারা বিএনপি করি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল করি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দল করেছি; আমরা সবাই বলি জনগণই হচ্ছে আমাদের সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। আপনাদের শক্তিই আমাদের শক্তি। আপনারা যতক্ষণ আমাদের পাশে থাকবেন, যতক্ষণ সমর্থন থাকবে আমাদের দেশ গড়ার কাজ ইনশাল্লাহ চলতে থাকবে।’

 

চাঁদপুর যাওয়ার পথে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কের পাশে বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার খেলার মাঠে পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘গত ১৭ বছরে দেশের জনগণের কোনো ভোটের অধিকার ছিল না। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে মিথ্যা মামলা দেওয়া হতো। দেশ স্বৈরাচারের কবলে পড়েছিল। ছিল হত্যা ও গুম। তারা দেশের অর্থ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে বুকের রক্ত দিয়ে দেশের গণতন্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।’

কুমিল্লার বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কুমিল্লা বিভাগ জনগণের প্রাণের দাবি। কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণা ও কুমিল্লায় একটি কৃষি বিশ্ববিদালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘দেশ পুনর্গঠন করতে হলে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে হবে, তা শিক্ষায় হোক কিংবা অর্থনৈতিক। বেকার সমস্যা দূর করতে কাজ করতে হবে।’

বরুড়ার পথসভায় সভাপতিত্ব করেন গণপূর্তমন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন। বক্তব্য দেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, দক্ষিণ জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সহসভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, মহানগরী বিএনপি সভাপতি উৎবাতুল বারী আবুসহ দলীয় নেতারা।

আগামী এক বছরে ৫০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে : কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মুদাফরগঞ্জ বাজারে বিশাল পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের মানুষের ভোটে সরকার গঠনের পর আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি। আগামী এক বছরে সারা দেশে ৫০ লাখ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেব। এজন্য আগামী জুনে যে বাজেট আসছে তাতে অনেক বেশি বরাদ্দ রাখা হবে।’

সড়কে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক : চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজধানীর সড়কে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। সকালে রাজধানীর ওয়ারী থানাধীন টিকাটুলিতে ইশরাক তাঁর নির্বাচনি আসনের নেতা-কর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে এ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে তৎপর হয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য রাস্তা খালি করে দিতে দেখা যায়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফরহাদ হোসেন রাজধানীর শনির আখড়ায় বিশাল শোডাউন করে নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান।

ধর্মমন্ত্রীর নেতৃত্বে মহাসড়কে জনতার ঢল : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ অংশে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের নেতৃত্বে হিন্দু, মুসলিম, আলেম-ওলামা ও কৃষক এবং সাধারণ জনতার ঢল নামে। সকাল থেকেই তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মহাসড়কে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে অবস্থান নেন। এ সময় ইমাম মুয়াজ্জিনদের বেতন-বোনাস প্রদান করায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে মুরাদনগরের আলেম-ওলামা, ইমাম-মুয়াজ্জিনরা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

‘স্বাধীনতার ঘোষক বীরউত্তম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় গর্বিত মুক্তিযোদ্ধাগণ’ শিরোনামে ব্যানার হাতে অভ্যর্থনা জানান মুরাদনগর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পুরোহিতদের বোনাস প্রদান করায় ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা’ শিরোনামে ব্যানার হাতে তারেক রহমানকে উলু ধ্বনি দিয়ে অভ্যর্থনা জানান হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

ইলিয়টগঞ্জে অবস্থানরত বিএনপি নেতা-কর্মী ও জনতার অভ্যর্থনা এবং ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাস থামিয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন।

এ সময় ধর্মমন্ত্রীর নেতৃত্বে তাঁর সঙ্গে ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাজী শাহ আরেফীন ও গোলাম মহিউদ্দিন মোল্লা, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভুঁইয়া, আবদুল আজিজ মোল্লা, নজরুল ইসলাম, ফারুক সরকার মজিব, হাজী ইদ্রিস, শাহ আলম সরকার ও সদস্য সচিব মোল্লা মজিবুল হক।

কৃষককে পাশে বসিয়ে সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে দুপুরে বিশাল সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের অবতারণা করেন তিনি। সমাবেশ থেকে সাইফুল ইসলাম লিটন নামের এক সাধারণ কৃষককে ডেকে নিজের পাশে বসান সরকারপ্রধান, কথা বলেন তার সঙ্গে। অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তার সুখ-দুঃখের কথা শোনেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এমন অভূতপূর্ব ও সাধারণ আচরণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কৃষক সাইফুল। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে, আমাকে এমন একটি অনন্য সুযোগ করে দিয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসতে পারা এবং নিজের কথা সরাসরি তাঁকে বলতে পারা আমার জীবনের অন্যতম একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

নির্বাচিত হয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছি : প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচনের পূর্বে সারা দেশে আমি গিয়েছি। তখন মা-বোনদের বলেছি নির্বাচিত হলে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছি এবং ধীরে ধীরে ৪ কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। বিশেষ করে যারা গ্রামে বসবাস করে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। চাঁদপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ২২ জেলার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, আগামী বাজেটে আমরা শিক্ষার ওপর সবচাইতে বেশি বরাদ্দ রেখেছি। এই বরাদ্দ থেকে যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো প্রয়োজন তা করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় চাঁদপুর জেলায় একটি ইপিজেড করার ব্যবস্থা করতে বিডার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমানকে নির্দেশ দেন।

 তিনি বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই করে এটি বাস্তবায়ন হলে যেমন চাঁদপুর জেলার লোকজনের কর্মসংস্থান হবে, পাশাপাশি অন্য জেলার লোকজনও কাজ পাবে।

অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এতে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বক্তব্য দেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জালাল উদ্দিন ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যাহ সেলিম প্রমুখ।

এই বিভাগের আরও খবর
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ
কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে
স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত
স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত
ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে
ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে
শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে
শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে
মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান
ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২
ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২
ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়
ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়
অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব
অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব
শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে
শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে
কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম
কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম
সর্বশেষ খবর
ভিটে বিক্রি করেও মুক্তি মেলেনি লিবিয়ায় জিম্মি ফয়সলের!
ভিটে বিক্রি করেও মুক্তি মেলেনি লিবিয়ায় জিম্মি ফয়সলের!

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ জুন ২০২৬

২৫ সেকেন্ড আগে | ইসলামী জীবন

পিরোজপুরে ট্রাকের চাপে ভেঙে পড়ল ব্রিজ, যোগাযোগ বন্ধ
পিরোজপুরে ট্রাকের চাপে ভেঙে পড়ল ব্রিজ, যোগাযোগ বন্ধ

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩০০ কোটি টাকা মূল্যের যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান
৩০০ কোটি টাকা মূল্যের যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু, এখনো খোঁজ মেলেনি
বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু, এখনো খোঁজ মেলেনি

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেসি নাকি রোনালদো, বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে কে বেশি কার্যকর?
মেসি নাকি রোনালদো, বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে কে বেশি কার্যকর?

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ
ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, ৪ লাখ টাকা জরিমানা
কেরানীগঞ্জে ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, ৪ লাখ টাকা জরিমানা

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ফটিকছড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
ফটিকছড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পলাতক এমপি বাহারের বিচারের দাবিতে কুমিল্লায় বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ
পলাতক এমপি বাহারের বিচারের দাবিতে কুমিল্লায় বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আলভারেজকে নিয়ে রিয়াল-বার্সার লড়াই, ১৫০ মিলিয়নের মেগা অফার প্রত্যাখ্যান অ্যাতলেটিকোর
আলভারেজকে নিয়ে রিয়াল-বার্সার লড়াই, ১৫০ মিলিয়নের মেগা অফার প্রত্যাখ্যান অ্যাতলেটিকোর

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আনচেলত্তি ভাঙতে পারবেন কি শতবর্ষের সেই ‘অভিশাপ’?
আনচেলত্তি ভাঙতে পারবেন কি শতবর্ষের সেই ‘অভিশাপ’?

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রক্টরের ওপর শিক্ষার্থীর হামলা, বিচার দাবিতে শিক্ষকদের মৌন মিছিল
প্রক্টরের ওপর শিক্ষার্থীর হামলা, বিচার দাবিতে শিক্ষকদের মৌন মিছিল

৫৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

চার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নাম: ভিন্ন মহাদেশে ছড়িয়ে থাকা চার ‘সাস্ট’-এর গল্প
চার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নাম: ভিন্ন মহাদেশে ছড়িয়ে থাকা চার ‘সাস্ট’-এর গল্প

৫৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

রাজশাহীতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
রাজশাহীতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজ ঢাকার বাতাসের মান কেমন?
আজ ঢাকার বাতাসের মান কেমন?

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যে গোপন অস্ত্র ব্যবহার করবে মেক্সিকো
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যে গোপন অস্ত্র ব্যবহার করবে মেক্সিকো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে স্মরণ: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সম্মান ও স্বীকৃতির গল্প
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে স্মরণ: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সম্মান ও স্বীকৃতির গল্প

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজরদারির ফাঁকেই চলছে ‘প্রেসক্রিপশন বাণিজ্য’
নজরদারির ফাঁকেই চলছে ‘প্রেসক্রিপশন বাণিজ্য’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঁচতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যান, মার্কিন সেনাদের ইরানের হুঁশিয়ারি
বাঁচতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যান, মার্কিন সেনাদের ইরানের হুঁশিয়ারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মেসি মাঠে নামলেন, গোল করলেন, জয়ও পেলেন
মেসি মাঠে নামলেন, গোল করলেন, জয়ও পেলেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?
নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পেনাল্টি থেকে মেসির গোল, ৩-০তে আইসল্যান্ডকে উড়াল আর্জেন্টিনা
পেনাল্টি থেকে মেসির গোল, ৩-০তে আইসল্যান্ডকে উড়াল আর্জেন্টিনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের
সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মোংলার চিলা ব্রিজে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন দলের ১৮০টি পতাকা
বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মোংলার চিলা ব্রিজে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন দলের ১৮০টি পতাকা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা
বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি
এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি
এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের, দাবি রিপোর্টে
প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সে আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে, পরে আমিও তার স্ত্রীকে নিয়ে এসে বিয়ে করেছি’
‘সে আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে, পরে আমিও তার স্ত্রীকে নিয়ে এসে বিয়ে করেছি’

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা
বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে আসক্তি : অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম
সামাজিক মাধ্যমে আসক্তি : অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

২৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ব্যর্থ হয়েছে ইরানকে ঘিরে নেতানিয়াহুর ‘স্বপ্নের প্রকল্প’: ইসরায়েলি বিশ্লেষক
ব্যর্থ হয়েছে ইরানকে ঘিরে নেতানিয়াহুর ‘স্বপ্নের প্রকল্প’: ইসরায়েলি বিশ্লেষক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?
নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলামী ব্যাংকে অনিয়মগুলো মনে হয় ইসলামের নামেই হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকে অনিয়মগুলো মনে হয় ইসলামের নামেই হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের
সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ছয় দেশের সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা
ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ছয় দেশের সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ‘চুইয়ে’ বের হচ্ছে তেল: সিএনএন
হরমুজ প্রণালীতে ‘চুইয়ে’ বের হচ্ছে তেল: সিএনএন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইয়াসের-তাবিথের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কাটল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ব্ল্যাকআউটের শঙ্কা
ইয়াসের-তাবিথের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কাটল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ব্ল্যাকআউটের শঙ্কা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হঠাৎ করেই ইরানে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র
হঠাৎ করেই ইরানে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিনা জামানতে উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক
বিনা জামানতে উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ডাকাতি করতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
ডাকাতি করতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে
রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা শুরু ইসরায়েলের, বাড়ছে উত্তেজনা
দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা শুরু ইসরায়েলের, বাড়ছে উত্তেজনা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ : ক্লোসার রেকর্ডে চোখ মেসির, অপেক্ষা নতুন কীর্তির
বিশ্বকাপ : ক্লোসার রেকর্ডে চোখ মেসির, অপেক্ষা নতুন কীর্তির

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্প যা বলবেন, নেতানিয়াহুকে তাই করতে হবে: ইসরায়েলি বিশ্লেষক
ট্রাম্প যা বলবেন, নেতানিয়াহুকে তাই করতে হবে: ইসরায়েলি বিশ্লেষক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত
সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ : যে রেকর্ড এখনও রজার মিলারের, তালিকায় রোনালদো-মেসিও
বিশ্বকাপ : যে রেকর্ড এখনও রজার মিলারের, তালিকায় রোনালদো-মেসিও

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের
শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাসির-তামিমা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার রায় বুধবার
নাসির-তামিমা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার রায় বুধবার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্সে ঢুকতে পারবেন না ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী স্মোটরিচ
ফ্রান্সে ঢুকতে পারবেন না ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী স্মোটরিচ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
হরমুজে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানদণ্ড পূরণ করলে যে কেউ স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে : জাহেদ উর রহমান
মানদণ্ড পূরণ করলে যে কেউ স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে : জাহেদ উর রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, যেভাবে উদ্ধার হলো দুই মার্কিন সেনা
হরমুজে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, যেভাবে উদ্ধার হলো দুই মার্কিন সেনা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ডাকাতির পর প্রবাসীর স্ত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
ডাকাতির পর প্রবাসীর স্ত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!

প্রথম পৃষ্ঠা

সীমান্তে আতঙ্ক, দিল্লিতে বৈঠক
সীমান্তে আতঙ্ক, দিল্লিতে বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বৃষ্টিপাত কমার ভয়ংকর প্রভাব রাজশাহীতে
বৃষ্টিপাত কমার ভয়ংকর প্রভাব রাজশাহীতে

নগর জীবন

জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে
জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে

প্রথম পৃষ্ঠা

খড়মপট্টি আছে খড়ম নেই
খড়মপট্টি আছে খড়ম নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম
কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে
শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়
ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ

মাঠে ময়দানে

শোলমারি নদী শুকিয়ে নালা
শোলমারি নদী শুকিয়ে নালা

পেছনের পৃষ্ঠা

২২০ টন আমন বীজে পোকা
২২০ টন আমন বীজে পোকা

দেশগ্রাম

অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!
অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষি বরাদ্দের ওপর নির্ভর করবে খাদ্যনিরাপত্তা
কৃষি বরাদ্দের ওপর নির্ভর করবে খাদ্যনিরাপত্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে
শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রযুক্তির অন্ধ ব্যবহারে ধ্বংস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
প্রযুক্তির অন্ধ ব্যবহারে ধ্বংস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম

পেছনের পৃষ্ঠা

চবিতে প্রথম মহাসাগরীয় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র উদ্বোধন
চবিতে প্রথম মহাসাগরীয় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র উদ্বোধন

নগর জীবন

ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২
ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে
ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে

প্রথম পৃষ্ঠা

শিশু ধর্ষণ, এপেস্টাইন ও সুদি মহাজন
শিশু ধর্ষণ, এপেস্টাইন ও সুদি মহাজন

সম্পাদকীয়

হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে চিঠি  হাসপাতালগুলোকে
হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে চিঠি হাসপাতালগুলোকে

পেছনের পৃষ্ঠা

কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ
কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি অঙ্গীকার ও ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট
নির্বাচনি অঙ্গীকার ও ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব
অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত
স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত

প্রথম পৃষ্ঠা

থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

পেছনের পৃষ্ঠা

ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন কারাভোগী ৬১ আইনজীবী
ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন কারাভোগী ৬১ আইনজীবী

পেছনের পৃষ্ঠা