শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:২২, রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

ড. মো. আলী আফজাল, প্রেসিডেন্ট, রিহ্যাব
হাসান ইমন
প্রিন্ট ভার্সন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ আবাসন খাত এখন গভীর সংকটে। উচ্চ নির্মাণ ব্যয়, তারল্যসংকট এবং বৈষম্যমূলক নীতির কারণে থমকে গেছে এ শিল্পের চাকা। এ অচলাবস্থা কাটাতে এবং আবাসন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের নীতিগত সমর্থনের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এক সাক্ষাৎকারে  আবাসন খাতের বর্তমান সংকট ও তা থেকে উত্তরণের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ নিয়ে কথা বলেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) প্রেসিডেন্ট ড. মো. আলী আফজাল।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : দেশের আবাসন খাতের বর্তমান অবস্থাকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

ড. মো. আলী আফজাল : স্পষ্ট করে বলতে গেলে, দেশের আবাসন খাত এখন এক চরম দুঃসময় এবং স্থবিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের বৈষম্যমূলক নীতির কারণে আবাসন খাতের অবস্থা খারাপ হচ্ছে। অন্যদিকে নির্মাণসামগ্রীর আকাশচুম্বী দাম এবং ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে ডেভেলপাররা ফ্ল্যাট বা প্লট বিক্রি করতে পারছেন না। এই স্থবিরতা শুধু আমাদের ব্যবসায়ীদের নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিতেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : এই চরম সংকটের পেছনে মূল কারণ বা বড় প্রতিবন্ধকতাগুলো কী কী?

ড. মো. আলী আফজাল : সংকটের পেছনে বেশ কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে। সরকার ঢাকা শহরকে নিয়ে একটা পরিকল্পনা করেছিল। এ পরিকল্পনায় ভবনের উচ্চতা কমানো হয়েছে। ফলে জমির মালিকরা এখন ডেভেলপারদের কাছে জমি দিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। একই সঙ্গে নির্মাণসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি- রড, সিমেন্ট, ইট, সিরামিক, বৈদ্যুতিক তার, বালু এবং রঙের মতো সব ধরনের প্রধান কাঁচামালের দাম গত দুই বছরে ৩০% পর্যন্ত বেড়েছে। ডলার সংকটের কারণে আমদানিকৃত ফিটিংস ও কাঁচামালের খরচও আকাশচুম্বী। এ ছাড়াও আছে ব্যাংক ঋণের চড়া সুদের হার। একসময় গৃহঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিট অর্থাৎ ৯ শতাংশের নিচে ছিল। বর্তমানে সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই সুদের হার ১৫% থেকে ১৭% পর্যন্ত ঠেকেছে। এর ফলে মাসিক কিস্তির পরিমাণ এত বেশি বেড়েছে যে, একজন মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীর পক্ষে তার বেতন দিয়ে সেই কিস্তি শোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জমির উচ্চমূল্য : ঢাকা ও এর আশপাশের প্রধান শহরগুলোতে ফাঁকা জমির পরিমাণ সীমিত। অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও ভূমির কৃত্রিম সংকটের কারণে জমির দাম অযৌক্তিকভাবে বেড়েছে, যা ফ্ল্যাটের ভিত্তিমূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : এ স্থবিরতা কাটিয়ে আবাসন খাতে গতি ফেরাতে আপনাদের পরামর্শ কী?

ড. মো. আলী আফজাল : সরকার ঢাকা শহরের জন্য যে পরিকল্পনা করেছিল তা ছিল বৈষম্যমূলক। এ পরিকল্পনা বাদ দিয়ে ঢাকাসহ দেশব্যাপী জোনিং করা উচিত। কোন এলাকায় আবাসন হবে, আবার কোন এলাকায় কৃষি, আবার জলাশয়সহ শিল্পকারখানা কোথায় থাকবে, তার জন্য জোনিং করে নির্ধারণ করতে হবে সরকারকে। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি নীতিসহায়তা : আবাসন খাতকে একটি পরিকল্পিত কাঠামোতে আনতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সমর্থন জরুরি। সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ : আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ‘সিঙ্গেল ডিজিট’ (সর্বোচ্চ ৭ থেকে ৮ শতাংশ) সুদে ৩০ বছর মেয়াদি একটি বিশেষ ‘আবাসন রি-ফাইন্যান্সিং ফান্ড’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি। একজন মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীর পক্ষে বর্তমান উচ্চ সুদে ঋণ নেওয়া অসম্ভব। দীর্ঘমেয়াদি সহজ কিস্তির ব্যবস্থা করা হলে সাধারণ মানুষ ভাড়ার টাকায় নিজের একটি ফ্ল্যাট কেনার সাহস পাবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আবাসন খাতের জন্য এ মুহূর্তে সরকারের ‘নীতিগত সহায়তা’ কেন জরুরি?

ড. মো. আলী আফজাল : আবাসন খাত কোনো বিচ্ছিন্ন শিল্প নয়। এর সঙ্গে রড, সিমেন্ট, ইট, বালুসহ প্রায় ২৬৯টি লিঙ্কেজ শিল্প জড়িত। এ খাতটি স্থবির হয়ে পড়লে পুরো দেশের অর্থনীতিতে ধাক্কা লাগে। বর্তমানে আমরা যে সংকটে আছি, তা কেবল অর্থ দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল নীতিনির্ধারণী সমর্থন। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা, আইন সংস্কার এবং করকাঠামো যৌক্তিক করার মতো নীতিগত সিদ্ধান্তই কেবল এ খাতকে আবার সচল করতে পারে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : এ নীতিগত সহায়তাগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত না হলে আবাসন শিল্পের ভবিষ্যৎ কী?

ড. মো. আলী আফজাল : সরকার যদি দ্রুত নীতিগত সহায়তা না দেয়, তবে বহু ছোট ও মাঝারি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়ে যাবে। লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হবেন এবং ব্যাংকের বিনিয়োগকৃত হাজার হাজার কোটি টাকা খেলাপি ঋণে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। তাই আমরা আশাবাদী, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতির স্বার্থেই আমাদের দাবিগুলো দ্রুত বিবেচনা করবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আবাসন খাতের জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান কেমন?

ড. মো. আলী আফজাল : বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) আবাসন ও নির্মাণ খাতের অবদান ৮-৯%। তবে এর পরোক্ষ অবদান আরও অনেক বেশি। কারণ এ খাতের সঙ্গে রড, সিমেন্ট, ইট, ক্যাবল, গ্লাস, টাইলস ও রঙের মতো ২৬০টিরও বেশি উপ-খাত বা লিঙ্কেজ শিল্প জড়িত। আবাসন খাত গতি হারালে এই ২৬০টি শিল্পও স্থবির হয়ে পড়ে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তদুপরি এ খাতটি দেশের প্রায় ৩৫ লাখ মানুষের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, যার বড় অংশই গ্রামীণ এলাকা থেকে আসা দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক। সব মিলিয়ে আবাসন খাত জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে ১৮ শতাংশ।

এই বিভাগের আরও খবর
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ
কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে
স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত
স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত
ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে
ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে
শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে
শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে
মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান
মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান
ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২
ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২
ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়
ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়
অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব
অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব
শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে
শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে
কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম
কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম
সর্বশেষ খবর
বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল, মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবেন না ইরানের সমর্থকরা
বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল, মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবেন না ইরানের সমর্থকরা

৩৭ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিরল ৪২ বন্যপ্রাণী উদ্ধার, পাচারের অভিযোগে যুবক আটক
শেরপুরে বিরল ৪২ বন্যপ্রাণী উদ্ধার, পাচারের অভিযোগে যুবক আটক

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় লজিস্টিকস সহায়তার আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় লজিস্টিকস সহায়তার আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

এবার বিশ্বকাপের ভিএআর মনিটর সামলাবেন এক ‘দার্শনিক’
এবার বিশ্বকাপের ভিএআর মনিটর সামলাবেন এক ‘দার্শনিক’

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

৪,৩৯৯ দিন ক্ষমতায়, নেহরুকে ছাড়িয়ে দীর্ঘতম মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি
৪,৩৯৯ দিন ক্ষমতায়, নেহরুকে ছাড়িয়ে দীর্ঘতম মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসকে উদ্ধারে গিয়ে উদ্ধারকারী ট্রেন লাইনচ্যুত
ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসকে উদ্ধারে গিয়ে উদ্ধারকারী ট্রেন লাইনচ্যুত

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রোমাঞ্চকর বিশ্বকাপে এবার খেলবেন সাত জোড়া ভাই
রোমাঞ্চকর বিশ্বকাপে এবার খেলবেন সাত জোড়া ভাই

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান
মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

২৭ বছর পর ছেলেকে স্বীকৃতি দিলেন বাবা
২৭ বছর পর ছেলেকে স্বীকৃতি দিলেন বাবা

২০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিশ্বকাপের পরেই বিদায় নিচ্ছেন দেশম, তারপর?
বিশ্বকাপের পরেই বিদায় নিচ্ছেন দেশম, তারপর?

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা এক গর্বের নাম : প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা এক গর্বের নাম : প্রধানমন্ত্রী

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

বিয়ের বিতর্ক : মামলা থেকে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা
বিয়ের বিতর্ক : মামলা থেকে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নাসির-তামিমার মামলার রায় সমাজের জন্য উদাহরণ হবে : বাদীপক্ষের আইনজীবী
নাসির-তামিমার মামলার রায় সমাজের জন্য উদাহরণ হবে : বাদীপক্ষের আইনজীবী

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রতিমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে গতি ফিরেছে ভূমি অফিসে, সন্তুষ্ট সেবাপ্রার্থীরা
প্রতিমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে গতি ফিরেছে ভূমি অফিসে, সন্তুষ্ট সেবাপ্রার্থীরা

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সাবেক সতীর্থকে এরিকসেনকে নিয়ে চিন্তিত হ্যারি কেইন
সাবেক সতীর্থকে এরিকসেনকে নিয়ে চিন্তিত হ্যারি কেইন

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে মারা গেলে পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা
নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে মারা গেলে পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ জুন)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ জুন)

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সাভারে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মাদক মামলার আসামি ছিনতাই
সাভারে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মাদক মামলার আসামি ছিনতাই

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা ক্রিকেট নেটওয়ার্ক থেকে বিশ্বমঞ্চে জয়িতা
বসুন্ধরা ক্রিকেট নেটওয়ার্ক থেকে বিশ্বমঞ্চে জয়িতা

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনাকে হারানোর হুংকার দেয়ার সাহস দেখাল যে তরুণ!
আর্জেন্টিনাকে হারানোর হুংকার দেয়ার সাহস দেখাল যে তরুণ!

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাদারীপুরে ‘হাতুড়ি বাহিনীর’ প্রধান মাজহারুল শেখ গ্রেপ্তার
মাদারীপুরে ‘হাতুড়ি বাহিনীর’ প্রধান মাজহারুল শেখ গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক ক্লিকে নির্মাতার সব কনটেন্ট, গুগলের নতুন ফিচার চালু
এক ক্লিকে নির্মাতার সব কনটেন্ট, গুগলের নতুন ফিচার চালু

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

রেকর্ড কিং রোনালদোও বিশ্বকাপের যে রেকর্ড ভাঙতে পারবেন না
রেকর্ড কিং রোনালদোও বিশ্বকাপের যে রেকর্ড ভাঙতে পারবেন না

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিশ্বকাপে পানির বোতলের বিধিনিষেধ শিথিল
বিশ্বকাপে পানির বোতলের বিধিনিষেধ শিথিল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিটে বিক্রি করেও মুক্তি মেলেনি লিবিয়ায় জিম্মি ফয়সলের!
ভিটে বিক্রি করেও মুক্তি মেলেনি লিবিয়ায় জিম্মি ফয়সলের!

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ জুন ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

পিরোজপুরে ট্রাকের চাপে ভেঙে পড়ল ব্রিজ, যোগাযোগ বন্ধ
পিরোজপুরে ট্রাকের চাপে ভেঙে পড়ল ব্রিজ, যোগাযোগ বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০০ কোটি টাকা মূল্যের যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান
৩০০ কোটি টাকা মূল্যের যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি
এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের, দাবি রিপোর্টে
প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সে আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে, পরে আমিও তার স্ত্রীকে নিয়ে এসে বিয়ে করেছি’
‘সে আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে, পরে আমিও তার স্ত্রীকে নিয়ে এসে বিয়ে করেছি’

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা
বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?
নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের
সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যর্থ হয়েছে ইরানকে ঘিরে নেতানিয়াহুর ‘স্বপ্নের প্রকল্প’: ইসরায়েলি বিশ্লেষক
ব্যর্থ হয়েছে ইরানকে ঘিরে নেতানিয়াহুর ‘স্বপ্নের প্রকল্প’: ইসরায়েলি বিশ্লেষক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী ব্যাংকে অনিয়মগুলো মনে হয় ইসলামের নামেই হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকে অনিয়মগুলো মনে হয় ইসলামের নামেই হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হঠাৎ করেই ইরানে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র
হঠাৎ করেই ইরানে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ছয় দেশের সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা
ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ছয় দেশের সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ‘চুইয়ে’ বের হচ্ছে তেল: সিএনএন
হরমুজ প্রণালীতে ‘চুইয়ে’ বের হচ্ছে তেল: সিএনএন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইয়াসের-তাবিথের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কাটল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ব্ল্যাকআউটের শঙ্কা
ইয়াসের-তাবিথের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কাটল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ব্ল্যাকআউটের শঙ্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিনা জামানতে উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক
বিনা জামানতে উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

১৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ডাকাতি করতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
ডাকাতি করতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে
রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা শুরু ইসরায়েলের, বাড়ছে উত্তেজনা
দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা শুরু ইসরায়েলের, বাড়ছে উত্তেজনা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি মাঠে নামলেন, গোল করলেন, জয়ও পেলেন
মেসি মাঠে নামলেন, গোল করলেন, জয়ও পেলেন

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্প যা বলবেন, নেতানিয়াহুকে তাই করতে হবে: ইসরায়েলি বিশ্লেষক
ট্রাম্প যা বলবেন, নেতানিয়াহুকে তাই করতে হবে: ইসরায়েলি বিশ্লেষক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত
সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের
শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্সে ঢুকতে পারবেন না ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী স্মোটরিচ
ফ্রান্সে ঢুকতে পারবেন না ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী স্মোটরিচ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসির-তামিমা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার রায় বুধবার
নাসির-তামিমা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার রায় বুধবার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাঁচতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যান, মার্কিন সেনাদের ইরানের হুঁশিয়ারি
বাঁচতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যান, মার্কিন সেনাদের ইরানের হুঁশিয়ারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সমালোচনার জবাব দিলেন নাজনীন নীহা
সমালোচনার জবাব দিলেন নাজনীন নীহা

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
হরমুজে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, যেভাবে উদ্ধার হলো দুই মার্কিন সেনা
হরমুজে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, যেভাবে উদ্ধার হলো দুই মার্কিন সেনা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৫ জুনের পর হবে খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা
২৫ জুনের পর হবে খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ডাকাতির পর প্রবাসীর স্ত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
ডাকাতির পর প্রবাসীর স্ত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!

প্রথম পৃষ্ঠা

সীমান্তে আতঙ্ক, দিল্লিতে বৈঠক
সীমান্তে আতঙ্ক, দিল্লিতে বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বৃষ্টিপাত কমার ভয়ংকর প্রভাব রাজশাহীতে
বৃষ্টিপাত কমার ভয়ংকর প্রভাব রাজশাহীতে

নগর জীবন

জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে
জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে

প্রথম পৃষ্ঠা

খড়মপট্টি আছে খড়ম নেই
খড়মপট্টি আছে খড়ম নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম
কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে
শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়
ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ

মাঠে ময়দানে

২২০ টন আমন বীজে পোকা
২২০ টন আমন বীজে পোকা

দেশগ্রাম

অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!
অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

শোলমারি নদী শুকিয়ে নালা
শোলমারি নদী শুকিয়ে নালা

পেছনের পৃষ্ঠা

চবিতে প্রথম মহাসাগরীয় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র উদ্বোধন
চবিতে প্রথম মহাসাগরীয় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র উদ্বোধন

নগর জীবন

প্রযুক্তির অন্ধ ব্যবহারে ধ্বংস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
প্রযুক্তির অন্ধ ব্যবহারে ধ্বংস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষি বরাদ্দের ওপর নির্ভর করবে খাদ্যনিরাপত্তা
কৃষি বরাদ্দের ওপর নির্ভর করবে খাদ্যনিরাপত্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে
শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শিশু ধর্ষণ, এপেস্টাইন ও সুদি মহাজন
শিশু ধর্ষণ, এপেস্টাইন ও সুদি মহাজন

সম্পাদকীয়

ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২
ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে
ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে

প্রথম পৃষ্ঠা

হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে চিঠি  হাসপাতালগুলোকে
হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে চিঠি হাসপাতালগুলোকে

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনি অঙ্গীকার ও ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট
নির্বাচনি অঙ্গীকার ও ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব
অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ
কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত
স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত

প্রথম পৃষ্ঠা

ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন কারাভোগী ৬১ আইনজীবী
ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন কারাভোগী ৬১ আইনজীবী

পেছনের পৃষ্ঠা

থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

পেছনের পৃষ্ঠা