শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৯, মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি

ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেলজয়ী। দেড় বছর অন্তর্র্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবকিছু ছাপিয়ে তিনি একজন আত্মকেন্দ্রিক, স্বার্থপর এবং লোভাতুর মানুষ হিসেবেই বিবেচিত হবেন। ড. ইউনূস অন্তর্র্বর্তী সরকারের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় দেশের জন্য কিছু করুন আর না-ই করুন নিজের জন্য দুহাত ভরে বিভিন্ন সুযোগসুবিধা গ্রহণ করেছেন। তবে ইউনূসের জীবন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেড় বছর প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনকালে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজে নানা ধরনের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, তেমনি সারা জীবন সরকারি অর্থ দিয়ে ব্যবসা করে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। দারিদ্র্য বিমোচনের নামে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গড়ে তিনি রাষ্ট্রের সম্পদ দিয়েই নিজে বিত্তবান হয়েছেন।

মুহাম্মদ ইউনূস। দেশের সমস্যা নিয়ে তিনি নীরব। দেশের কোনো সংকটে, উৎসবে তিনি থাকেন না। ব্যক্তিস্বার্থে বিদেশে তিনি সরব। হামে শিশুমৃত্যু নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই। কিন্তু ট্রেড টার্নারের মৃত্যুতে তিনি মর্মাহত হয়ে শোকবার্তা দেন।  ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। দারিদ্র্য জাদুঘরে যায়নি বটে, তবে তিনি অর্থ, বিত্তবৈভবের জাদু দেখিয়েছেন। এখন ‘সামাজিক ব্যবসার’ আওয়াজ তুলে বিশ্বে বক্তৃতা দিচ্ছেন। সামাজিক ব্যবসা প্রবর্তন হোক না-হোক তার বিত্তের প্রসার ঘটেছে। শিক্ষক থেকে তিনি হয়ে উঠেছেন বিলিয়নিয়ার। কিন্তু তার এই বিত্ত বেড়ে ওঠেছে গরিবের সম্পদ লুটে; সরকারকে ঠকিয়ে; রাষ্ট্রীয় সম্পদকে আত্মসাৎ করে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পেশাগত জীবনে অর্থনীতিবিদ হলেও নোবেল পেয়েছেন শান্তিতে।

জোবরা গ্রামে গবেষণা শুরু করেছিলেন ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নিয়ে। একসময় এই দরিদ্র, হতদরিদ্র মানুষদের স্বাবলম্বী করে তোলার কথা বলে দারস্থ হয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকারের কাছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রস্তাবেই এরশাদ সরকার গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে। ড. ইউনূস সেখানে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চাকরি নেন। ১৯৮৩ সালে এটি একটি বৈধ ও স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। সরকার গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে একটি আইনের মাধ্যমে ও সেখানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে।

১৯৮৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সরকার গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ নামে একটি অধ্যাদেশ (অধ্যাদেশ নম্বর-৪৬) জারি করে। সে সময়ে গ্রামীণ ব্যাংক শুরু হয় মাত্র ৩ কোটি টাকা মূলধন দিয়ে। এর মধ্যে বেশির ভাগ টাকা অর্থাৎ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ছিল সরকারের এবং ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ছিল ঋণগ্রহীতাদের। অর্থাৎ গ্রামীণ ব্যাংকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যক্তিগত কোনো টাকা ছিল না। অথচ গ্রামীণ ব্যাংককে ব্যবহার করেই ড. ইউনূস পেয়েছেন সবকিছু। কাগজকলমে গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক সরকার এবং ঋণগ্রহীতা জনগণ। কিন্তু ‘অসাধারণ’ মেধায় রাষ্ট্র এবং জনগণের অর্থ ড. ইউনূস পুরে ফেলেন তার পকেটে। গ্রামীণ ব্যাংকের টাকায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস গড়ে তুলেছেন তার নিয়ন্ত্রণাধীন ২৮টি প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ ব্যাংক তথা সরকারের টাকা আত্মসাৎ করে তিনি এখন হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দাতা গোষ্ঠী অনুদান ও ঋণ দেয় গ্রামীণ ব্যাংককে। অনুদানের সব অর্থ যদি রাষ্ট্র এবং জনগণের কাছে যায় তাহলে ড. ইউনূসের লাভ কি? তাই দাতাদের অনুদানের অর্থ দিয়ে গঠন করলেন সোশ্যাল ভেনচার ক্যাপিটাল ফান্ড (এসভিসিএফ)। ১৯৯২ সালের ৭ অক্টোরব ওই ফান্ড দিয়ে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯৯৪ সালে ‘গ্রামীণ ফান্ড’ নামের একটি লিমিটেড কোম্পানি গঠন করা হয়। তাতে ওই ফান্ডের ৪৯ দশমিক ১০ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়। গ্রামীণ ব্যাংক দেখিয়ে বিদেশ থেকে টাকা এনে তা সরিয়ে ফেলার চেষ্টা ছিল শুরু থেকেই। গ্রামীণ ব্যাংক সরকারি প্রতিষ্ঠান হলেও ড. ইউনূস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সব সিদ্ধান্ত একাই নিতেন। পরিচালনা পর্ষদ এমনভাবে গঠন করা হয়েছিল, যাতে কেউ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কথা না বলেন। ড. ইউনূস এই সুযোগটি কাজে লাগান। ১৯৯৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর গ্রামীণ ব্যাংকের ৩৪তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয় দাতা গোষ্ঠীর অনুদানের অর্থ ও ঋণ দিয়ে সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট ফান্ড (এসএএফ) গঠন করা হয়। কিন্তু দাতারা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে এভাবে অর্থ সরিয়ে ফেলার আপত্তি জানান। তারা সাফ জানিয়ে দেন, এভাবে অর্থ স্থানান্তর জালিয়াতি। এবার ভিন্ন কৌশল গ্রহণ করেন ড. ইউনূস। আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে তিনি জানান এটি একটি ভুল সিদ্ধান্ত। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন বলে অঙ্গীকার করেন তিনি। পরে ২৫ এপ্রিল, ১৯৯৬ সালে তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড সভায় ‘গ্রামীণ কল্যাণ’ গঠনের প্রস্তাব আনেন।

প্রস্তাবে বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য এবং কর্মীদের কল্যাণে ‘কোম্পানি আইন ১৯৯৪’-এর আওতায় ‘গ্রামীণ কল্যাণ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হলো। গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড সভা এই প্রস্তাব অনুমোদন করে। এটি গ্রামীণ ব্যাংকেরই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ কল্যাণ যে গ্রামীণ ব্যাংকেরই শাখা প্রতিষ্ঠান, তা আরও স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় এর মূলধন গঠন প্রক্রিয়ায়। গ্রামীণ কল্যাণে গ্রামীণ ব্যাংকের সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট ফান্ড (এসএএফ) থেকে ৬৯ কোটি টাকা প্রদান করা হয়। গ্রামীণ কল্যাণের মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলেও গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে এর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলে। মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল অনুযায়ী গ্রামীণ কল্যাণের ৯ সদস্যের পরিচালনা পরিষদের ২ জন সদস্য হবেন গ্রামীণ ব্যাংকের মনোনীত প্রতিনিধি। এ ছাড়াও গ্রামীণ কল্যাণের চেয়ারম্যান হবেন গ্রামীণ ব্যাংকের মনোনীত প্রতিনিধি। গ্রামীণ ব্যাংকের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে ড. ইউনূস গ্রামীণ কল্যাণের চেয়ারম্যান হন। এরপরে গ্রামীণ কল্যাণ হয়ে ওঠে ড. ইউনূসের ‘সোনার ডিম পাড়া রাজহাঁস’। গ্রামীণ কল্যাণের মাধ্যমে তিনি গড়ে তোলেন একাধিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-

১. গ্রামীণ টেলিকম লি., ২. গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন লি., ৩. গ্রামীণ শিক্ষা, ৪. গ্রামীণ নিটওয়্যার লি., ৫. গ্রামীণ ব্যবস্থা বিকাশ, ৬. গ্রামীণ আইটি পার্ক, ৭. গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, ৮. গ্রামীণ সল্যুশন লি., ৯. গ্রামীণ ডানোন ফুডস লি., ১০. গ্রামীণ হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস লি., ১১. গ্রামীণ স্টার এডুকেশন লি., ১২. গ্রামীণ ফেব্রিক্স অ্যান্ড ফ্যাশন লি., ১৩. গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন। অন্যদিকে গ্রামীণ কল্যাণের আদলে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ফান্ডের মাধ্যমে গঠন করা হয় আরও কিছু প্রতিষ্ঠন। এগুলো হলো-

১. গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লি., ২. গ্রামীণ সল্যুশন লি., ৩. গ্রামীণ উদ্যোগ ৪. গ্রামীণ আইটেক লি., ৫. গ্রামীণ সাইবারনেট লি., ৬. গ্রামীণ নিটওয়্যার লি., ৭. গ্রামীণ আইটি পার্ক ৮. টিউলিপ ডেইরি অ্যান্ড প্রোডাক্ট লি., ৯. গ্লোব কিডস ডিজিটাল লি., ১০. গ্রামীণ বাইটেক লি., ১১. গ্রামীণ সাইবার নেট লি., ১২. গ্রামীণ স্টার এডুকেশন লি., ১২. রফিক অটোভ্যান মানুফ্যাকচারার লি., ১৩. গ্রামীণ ইনফরমেশন হাইওয়ে লি., ১৪. গ্রামীণ ব্যবস্থা সেবা লি., ১৫. গ্রামীণ সামগ্রী।

মজার ব্যাপার হলো, গ্রামীণ ব্যাংকের অর্থে ও বোর্ড সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ‘গ্রামীণ কল্যাণ’ ও ‘গ্রামীণ ফান্ড’ গঠিত হয়। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যে প্রতিষ্ঠানগুলো গঠিত হয়েছে- তা সবই আইনত গ্রামীণ ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু ২০২০ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ ফান্ড এবং গ্রামীণ কল্যাণের পরিচালনা পর্ষদে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিনিধি থাকলেও ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠান দুটিতে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিনিধি নেই। গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দুইটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হবেন গ্রামীণ ব্যাংকের মনোনীত ব্যক্তি। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখনো গ্রামীণ কল্যাণ ও গ্রামীণ ফান্ডের চেয়ারম্যান পদে বহাল আছেন। রাষ্ট্রের অর্থ দিয়ে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার এই এক অদ্ভুত জালিয়াতি।

গ্রামীণ কল্যাণ ও গ্রামীণ ফান্ডের মাধ্যমে গঠিত ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একমাত্র গ্রামীণ টেলিকম ছাড়া আর সব প্রতিষ্ঠানই লোকসানি। গ্রামীণ টেলিকম দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল নেটওয়ার্ক গ্রামীণফোনের ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ শেয়ারের মালিক। ২০২২ সালে গ্রামীণফোন ট্যাক্স, ভ্যাট দেওয়ার পর নিট মুনাফা করেছে ৩ হাজার ৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ গ্রামীণফোন থেকে গ্রামীণ টেলিকম প্রতিবছর নিট মুনাফা পায় ১ হাজার কোটি টাকার বেশি। গ্রামীণফোনের লভ্যাংশ নয়ছয় করা ছাড়া গ্রামীণ টেলিকমের আর কোনো কাজ নেই। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে টাকা সরিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের মাধ্যমে যে প্রতিষ্ঠানগুলো গঠন করা হয়েছে; তার সবগুলোর চেয়ারম্যান ড. ইউনূস। আর এই প্রতিষ্ঠানগুলোর এমডি পদে নিয়োগ দেওয়া হয় ড. ইউনূসের একান্ত অনুগত ও বিশ্বস্তদের। এই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠার এক বড় কার্যক্রম হলো গ্রামীণ টেলিকমের লাভের টাকা আত্মসাৎ করা ও আয়কর ফাঁকি।

গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ২৮ এবং ২৯-এর বিধান লঙ্ঘন করে গ্রামীণফোন লিমিটেড থেকে গ্রামীণ কল্যাণকে তার লভ্যাংশ আয়ের ৪২.৬% বিতরণ করে আসছে। যদিও গ্রামীণ কল্যাণ গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার নয়। আইন অনুযায়ী গ্রামীণ টেলিকমের সমগ্র লভ্যাংশ আয়কে এর আয় হিসেবে ভোগ করতে হবে ও সেই অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আর্থিক বছরের জন্য প্রযোজ্য করপোরেট হারে কর দিতে হবে।

কিন্তু তাদের নিরীক্ষিত হিসাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তারা গ্রামীণ টেলিকম থেকে গ্রামীণ কল্যাণকে তাদের লভ্যাংশ আয়ের প্রায় অর্ধেক প্রদান করেছে শুধু অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ১০-২০% হারে। অথচ আইন অনুযায়ী তাদের জন্য প্রযোজ্য করপোরেট করের হার ছিল ৩৫% থেকে ৩৭.৫% পর্যন্ত। এই করপোরেট রেট ও ডিভিডেন্ট ট্যাক্সের পার্থক্য কর ফাঁকি। কারণ গ্রামীণ কল্যাণ প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনোভাবেই গ্রামীণ টেলিকমের লভ্যাংশ আয়ের অধিকারী নয়। গ্রামীণ টেলিকম শুরু থেকে যেসব কর ফাঁকি দিয়েছে সেগুলো যোগ করলে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা। এই কর ফাঁকির হিসাব শুধু গ্রামীণ টেলিকমের। ড. ইউনূসের নিয়ন্ত্রিত অন্যান্য কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠান ও তার ব্যক্তিগত আয়করের ক্ষেত্রেও ব্যাপকভাবে কর ফাাঁকির ঘটনা অনেকটা স্বাভাবিক নিয়মের মতোই বহু বছর ধরে ঘটেছে। ড. ইউনূসনিয়ন্ত্রিত অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কর ফাঁকির ঘটনাগুলো হিসাব করলে এই পরিমাণ দাঁড়াবে বিশাল অঙ্কের। এ নিয়ে মামলা হয়েছিল। হাই কোর্ট ইউনূসকে অতিরিক্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার অনাদায়ি কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল। ইউনূস সে সময় বলেছিলেন আদালত বলেছে কর দিতে আমি দেব। তিনি দাবি করেন, তিনি কর ফাঁকি দেননি, আদালতের নির্দেশনা চেয়েছেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই কর ফাঁকির মামলা প্রত্যাহার করান ড. ইউনূস।

গ্রামীণ টেলিকমের ২৮ বছরের কার্যক্রম চলাকালীন প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দেওয়া হয়। এই দীর্ঘ সময়ে ড. ইউনূস প্রতি বছর শতকরা ১৫ থেকে ২৫ ভাগ পর্যন্ত কর ফাঁকি দিয়ে আসছেন। ১৯৯৭ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর গ্রামীণ টেলিকমে ড. ইউনূস ২৫% কর ফাঁকি দিয়েছেন। ওই সময়ে কর ছিল ৩৫%, প্রদান করেছিলেন মাত্র ১০%। ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানে ড. ইউনূস কর ফাঁকি দিয়েছেন বছরে ২০%। ওই সময়ে কর ছিল ৩৫%, প্রদান করেছিলেন মাত্র ১৫%। ২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ টেলিকমে প্রতি বছর ১৫% কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে কর ছিল ৩৫%, আর প্রদান করেছিলেন মাত্র ২০%।

এটি লক্ষণীয় ড. ইউনূস তার কর ফাঁকির বিষয়গুলো ধামাচাপা দিতে দেশের আদালতে বেশ কিছু মামলা এবং রিট পিটিশন দায়ের করেন। এসব মামলা এবং রিটের উদ্দেশ্য হচ্ছে কর ফাঁকিসংক্রান্ত বিষয়ে ড. ইউনূসকে যেন আইনের মুখোমুখি হতে না হয়। ড. ইউনূসের করসংক্রান্ত প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার কর ফাঁকির বিষয়গুলো দালিলিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ড. ইউনূসের কর ফাঁকির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের দ্বারা পরিচালিত তদন্তে এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে ড. ইউনূস নিজে ও তার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানগুলো তার নির্দেশনাতেই কর ফাঁকির অপরাধে জড়িত। ইউনূস তার দেড় বছরের শাসনকালে তার বিরুদ্ধে চলমান এনবিআরের সব মামলা এবং তদন্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে তিনটি। এই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তিনটি হলো যথাক্রমে- ১. সাউথইস্ট ব্যাংক, (অ্যাকাউন্ট নম্বর-০২১২১০০০২০০৬১), ২. স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক, (অ্যাকাউন্ট নম্বর-১৮১২১২৭৪৭০১) এবং ৩. রূপালী ব্যাংক, (অ্যাকাউন্ট নম্বর-০৪৮৯০১০০০৮০৯৬)। এই তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ২০০০ সালে খোলা সাউথইস্ট ব্যাংকের অ্যাকাউন্টটি (অ্যাকাউন্ট নম্বর-০২১২১০০০২০০৬১) তার মূল ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হিসেবেই প্রতীয়মান হয়েছে। এই অ্যাকাউন্টে ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১১৮ কোটি ২৭ লাখ ৭৬ হাজার ৩৬৮ টাকা রেমিট্যান্স এসেছে। এই রেমিট্যান্সের বেশির ভাগ ৪৭ কোটি ৮৯ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫২ টাকা এসেছে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে। সেই সময়েই একটি রাজনৈতিক দল গঠনেরও প্রয়াস করেছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি এক-এগারোর বিরাজনীতিকরণের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে ইউনূসের কাছে বিদেশ থেকে টাকা এসেছিল?

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ট্যাক্স ফাইল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ২০০৩ সালের পরে নোবেল বিজয়ীর তকমাধারী ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার ট্যাক্স ফাইলে ২০০৫-০৬ করবছরে তিনি সর্বমোট ৯৭ কোটি ৪ লাখ ৬১ হাজার ১৯১ টাকা রেমিট্যান্স প্রাপ্তির কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ওই সময়ে তার ব্যক্তিগত সাউথইস্ট ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ ১১৫ কোটি ৯৮ লাখ ৯৬ হাজার ২৪ টাকা। অর্থাৎ ওই সময়ে তিনি ১৮ কোটি ৯৪ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩৫ টাকার রেমিট্যান্স প্রাপ্তির তথ্য সরকারকে কর ফাঁকি দেওয়ার লক্ষ্যে তার ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইলে গোপন করেছেন। এটি স্পষ্ট অর্থ পাচারের দোষে দুষ্ট।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের ডেবিট অ্যানালাইসিসে উঠে এসেছে অপ্রদর্শিত অর্থসমূহের মূল অংশ তিনি সাউথইস্ট ব্যাংকের অন্য দুটি অ্যাকাউন্ট, সাউথইস্ট ব্যাংকের ১৫ নম্বর ব্রাঞ্চের ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনাল লি. নামের (অ্যাকাউন্ট নম্বর- ৭৩৩০০০০০৩৩৩৯) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১১ কোটি ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭৬৭ টাকা এবং ০০৩৫ নম্বর ব্রাঞ্চের (অ্যাকাউন্ট নম্বর-৯০৩০৩১৬০৯১০) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা স্থানান্তর করেছেন। অর্থ পাচারের জন্যই এভাবে টাকা এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়।

সরকারকে কর ফাঁকি দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর বছরে তিনি তার ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইলে নিজস্ব সাউথইস্ট ব্যাংকে প্রাপ্ত বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্সের তথ্য গোপন করেছেন। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে তিনি রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়েছেন ১৫ কেটি ১১ লাখ ৩১ হাজার ৪৭ টাকা। কিন্তু তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে প্রদর্শন করেছেন ৯ কোটি ১৪ লাখ ৫৮ হাজার ৪৮৯ টাকা। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট এবং ট্যাক্স বা কর ফাইলের সঙ্গে এখানে পার্থক্য রয়েছে ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৭২ হাজার ৫৫৯ টাকা। ২০০৮-০৯ কর বছরে তিনি রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়েছেন ১১ কোটি ৮৩ লাখ ১৪ হাজার ৪১০ টাকা। অথচ তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করেছেন ১০ কোটি ৪০ লাখ ২৪ হাজার ৮৩২ টাকা। এখানে তিনি ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৯ হাজার ৫৭৮ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। ২০০৯-১০ কর বছরে তিনি রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়েছেন ২০ কোটি ৯৫ লাখ ৫১ হাজার ১৯৫ টাকা। তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করেছেন ১৮ কোটি ৯৯ লাখ ২৮ হাজার ৭৩১ টাকা। এখানে তিনি ১ কোটি ৯৬ লাখ ২২ হাজার ৪৬৫ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। ২০১০-১১ কর বছরে তিনি রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়েছেন ৮ কোটি ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪ টাকা। অথচ তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করেছেন ৬ কোটি ৬০ লাখ ৪৪ হাজার ৯২ টাকা। এখানে তিনি ১ কোটি ৫৮ লাখ ২১ হাজার ১১২ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। ২০১১-১২ কর বছরে তিনি রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়েছেন ৫ কোটি ৯১ লাখ ৫ হাজার ৫৮৬ টাকা। আর ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করেছেন ৪ কোটি ৬৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭২ টাকা। এখানে তিনি ১ কোটি ২৫ লাখ ৬৯ হাজার ১৪ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। ২০১২-১৩ কর বছরে তিনি রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়েছেন ৮ কোটি ৩৭ লাখ ২ হাজার ৭৭ টাকা। তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করেছেন ৬ কোটি ৫০ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৫ টাকা। এখানে তিনি ১ কোটি ৮৬ লাখ ৩৫ হাজার ৪১২ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। ২০১৩-১৪ কর বছরে তিনি রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়েছেন ১০ কোটি ৫৫ লাখ ৪২ হাজার ৩৩৬ টাকা। তিনি তার ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করেছেন ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৫৯ হাজার ৫৪৪ টাকা। এখানে তিনি ২ কোটি ৫৬ লাখ ৮২ হাজার ৭৯৩ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। ২০১৪-১৫ কর বছরে তিনি রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়েছেন ৭ কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ২০৭ টাকা। অথচ ট্যাক্স ফাইলে উল্লেখ করেছেন ৫ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৫৯৮ টাকা। এখানেও তিনি ১ কোটি ৯৭ লাখ ৯৫ হাজার ৬০৯ টাকার তথ্য গোপন করেছেন।

২০০০ সালের পর থেকে এমন প্রতিটি কর বছরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়ে কোটি কোটি টাকার তথ্য গোপন করে সরকারের কর ফাঁকি দিয়েছেন। ২০০৫-০৬ কর বছর থেকে শুরু করে চলতি কর বছর পর্যন্ত সরকারকে কর ফাঁকি দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি ১৮ কোটি ৯৪ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩৫ টাকা রেমিট্যান্সের তথ্য গোপন রেখেছেন। মজার ব্যাপার হলো, ২০২০-২১ অর্থবছরে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় সব টাকা তুলে ‘ইউনূস ট্রাস্ট’ গঠন করেন। ট্রাস্টের টাকা আয়করমুক্ত। সেই হিসাব থেকেই এমন কাণ্ড করেন তিনি। কিন্তু এরকম ফান্ডের জন্য ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়, এটি তিনি দেননি। এই ট্যাক্স ফাঁকির কারণেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এই মামলায় তিনি হেরে যান।

ড. ইউনূস ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার জন্য যে ট্রাস্ট গঠন করেন তার একটি মাত্র কার্যক্রম দেখা যায়। তা হলো ড. ইউনূস ও তার পরিবারের সব ব্যয় বহন করা হয় এই ট্রাস্টের টাকায়। এটাও এক ধরনের জালিয়াতি। এই ট্রাস্ট যেই ধরনের সমাজসেবামূলক কার্যক্রম করবে বলে আঙ্গীকার করা হয়েছে, তার কিছুই করে না। তাহলে কি কর ফাঁকি দিয়ে বিলাসী জীবন যাপনের জন্যই এই ট্রাস্ট? একজন নোবেলজয়ী ব্যক্তি, কীভাবে রাষ্ট্র ও জনগণের সঙ্গে এই রকম প্রতারণা করতে পারেন?

সারা জীবন ইউনূস যেভাবে নিজের স্বার্থে রাষ্ট্রের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন ক্ষমতায় গিয়েও তিনি একই কাজ করেছেন। তিনি ১৮ মাস দেশের জন্য কিছুই করেননি। সবকিছু করেছেন নিজের জন্য। ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গ্রামীণসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরকারি অনুমোদন ও সুবিধা পেতে শুরু করে। অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে নিবন্ধন, অনুমোদন, করছাড়সহ বেশ কিছু সুবিধা পেয়েছে গ্রামীণসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ঢাকায় গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি নামে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে গ্রামীণ অ্যামপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স, গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতি। এ ছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের কর মওকুফ ও সরকারিভাবে ব্যাংকে শেয়ারের পরিমাণ ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

ড. ইউনূস ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে থাকা শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থ পাচারের মামলা দ্রুত খারিজ হয়ে যাওয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি নামে বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ ট্রাস্টের অধীনে চলবে। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর আবেদন জমা দেওয়ার তিন মাসের মধ্যেই এটি অনুমোদন পায়। অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে অনুমোদিত প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এটি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ অ্যামপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (জিইএসএল) বিএমইটি থেকে একটি লাভজনক জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স (জখ ঘড়. ২৮০৬) পায় এবং এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিসের (বায়রা) সদস্যপদ লাভ করে। ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই গ্রামীণ টেলিকমের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড’ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডর (পিএসপি) হিসেবে কাজ করার জন্য অনুমোদন পায়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ‘অনাপত্তি সনদ’ (এনওসি) পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি পিএসপি লাইসেন্স পায়। ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল অন্তর্র্বর্তী সরকার একটি বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য নতুন অধ্যাদেশ জারির সিদ্ধান্ত নেয়, যেখানে সরকারের মালিকানা ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়।

বৈঠকটি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। নতুন অধ্যাদেশে শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানা ৭৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা হয় এবং বোর্ডে নির্বাচিত ৯ জন সদস্যের মধ্য থেকে ৩ জন পরিচালক মনোনীত হবেন, যাদের মধ্য থেকে একজনকে বোর্ড চেয়ার হিসেবে নির্বাচন করা হবে। এতে সরকারের চেয়ার নিয়োগের ভূমিকা বাতিল হয়। ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার দুই মাস পর ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য কর অব্যাহতি দেয়। অন্যদিকে ড. ইউনূস গত বছরের ৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার তিন দিন পরই অর্থ পাচার মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাকে খালাস দেয়। এ ছাড়া শপথ নেওয়ার আগের দিনই শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালকদের যে ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়েছিল, সেই মামলাতেও আদালত তাদের খালাস দেন।

এভাবেই ইউনূস যখনই সুযোগ পেয়েছেন তখনই জালিয়াতি এবং প্রতারণার মাধ্যমে তার বিত্তবৈভব বাড়িয়ে নিয়েছেন। ২০০৬ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সময় ইউনূস বলেছিলেন দারিদ্র্য জাদুঘরে যাবে। কিন্তু দারিদ্র্যের হার গত ২৬ বছরে আরও বেড়েছে। বিশেষ করে ইউনূসের শাসনকালে বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। কিন্তু তাতে কী? ইউনূস এ সময় হয়েছেন আরও বিত্তবান। আর তার এই বিত্তবৈভব কষ্ট করে অর্জিত নয়, স্রেফ প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত তার সম্পদের পাহাড়।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ
প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ
হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট
অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়ন আইন অনুযায়ী
অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়ন আইন অনুযায়ী
আজ রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আজ রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ
রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ
ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
সংসদে সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে
সংসদে সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে
ঢাকা ছেড়ে নিজের শহরে গিয়ে থাকব
ঢাকা ছেড়ে নিজের শহরে গিয়ে থাকব
ভারত থেকে পুশইন-চেষ্টা প্রতিহত, সীমান্তে উত্তেজনা
ভারত থেকে পুশইন-চেষ্টা প্রতিহত, সীমান্তে উত্তেজনা
বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন
বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন
সর্বশেষ খবর
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে কমবে রপ্তানি সক্ষমতা
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে কমবে রপ্তানি সক্ষমতা

৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল
বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিসরকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ম্যাচ শেষে ওই দিনই ইরান দলকে ছাড়তে হবে আমেরিকার মাটি
বিশ্বকাপে ম্যাচ শেষে ওই দিনই ইরান দলকে ছাড়তে হবে আমেরিকার মাটি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তি না হলে ‘অন্য পথ’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
চুক্তি না হলে ‘অন্য পথ’, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ছন্দে জার্মানি-পর্তুগাল-বেলজিয়াম
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ছন্দে জার্মানি-পর্তুগাল-বেলজিয়াম

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুর্ঘটনায় পলাতক বাসচালক গ্রেফতার
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুর্ঘটনায় পলাতক বাসচালক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি বদলের গল্প
ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি বদলের গল্প

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ আর্জেন্টাইন তারকার
ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ আর্জেন্টাইন তারকার

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত, মায়ের শরীর ভেদ করে শিশুর চোয়ালে গুলি, প্রাণ গেল ৭ মাসের সামের
বাবার হাত, মায়ের শরীর ভেদ করে শিশুর চোয়ালে গুলি, প্রাণ গেল ৭ মাসের সামের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা গ্রেপ্তার
ফেনীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা গ্রেপ্তার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রেঞ্চ ওপেনের নতুন রানি আন্দ্রিভা
ফ্রেঞ্চ ওপেনের নতুন রানি আন্দ্রিভা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক
মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণকে স্বাবলম্বী করতে একটি স্বস্তিদায়ক বাজেট ঘোষণা করতে চায় সরকার : চিফ হুইপ
জনগণকে স্বাবলম্বী করতে একটি স্বস্তিদায়ক বাজেট ঘোষণা করতে চায় সরকার : চিফ হুইপ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের আগে ভবিষ্যদ্বাণীতে ব্যস্ত হাতি-গরিলা-জিরাফ
বিশ্বকাপের আগে ভবিষ্যদ্বাণীতে ব্যস্ত হাতি-গরিলা-জিরাফ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের
বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশে চার পরিবর্তন
মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশে চার পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে অটোভ্যান, চালকের মৃত্যু
বগুড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে অটোভ্যান, চালকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা
আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

রক্ষণের ভুলে হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের
রক্ষণের ভুলে হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুর সেক্টরের দুই সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ঠেকালো বিজিবি
দিনাজপুর সেক্টরের দুই সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ঠেকালো বিজিবি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কোচ বাটলার
ফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কোচ বাটলার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা :  সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা :  সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ধান মাড়াই মেশিনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
ধান মাড়াই মেশিনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স
স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামিনের পর কিশোরীকে অপহরণ, উদ্ধারের পর সেফ কাস্টডি
জামিনের পর কিশোরীকে অপহরণ, উদ্ধারের পর সেফ কাস্টডি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনায় বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ ১
মেঘনায় বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ ১

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারে আর্জেন্টিনা, পথে দেখা হবে রোনালদোর সঙ্গেও
যেভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারে আর্জেন্টিনা, পথে দেখা হবে রোনালদোর সঙ্গেও

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতীয়দের নিয়ে অপপ্রচার, হঠাৎ কেন এত কঠোর সিঙ্গাপুর
ভারতীয়দের নিয়ে অপপ্রচার, হঠাৎ কেন এত কঠোর সিঙ্গাপুর

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?
ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ
শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড
ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে
১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি
ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে
বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল
৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদাপাথরের পর্যটকদের প্রতি নির্দেশনা
সাদাপাথরের পর্যটকদের প্রতি নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতা হলো না বাংলাদেশের
সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতা হলো না বাংলাদেশের

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?
১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাছুরে ভয়ংকর পরজীবী শনাক্ত, বড় সিদ্ধান্ত কানাডার
বাছুরে ভয়ংকর পরজীবী শনাক্ত, বড় সিদ্ধান্ত কানাডার

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন
বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিপদ শুধু বাড়ছেই
বিপদ শুধু বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

হলো না হ্যাটট্রিক শিরোপা
হলো না হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ
রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

২৯ কোটি টাকার লিচুবাগান
২৯ কোটি টাকার লিচুবাগান

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা ছেড়ে নিজের শহরে গিয়ে থাকব
ঢাকা ছেড়ে নিজের শহরে গিয়ে থাকব

প্রথম পৃষ্ঠা

কী করে ঔষধ প্রশাসন
কী করে ঔষধ প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রবীণরা কি এভাবেই ধুঁকে ধুঁকে মরবেন?
প্রবীণরা কি এভাবেই ধুঁকে ধুঁকে মরবেন?

প্রথম পৃষ্ঠা

আমূল পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি
আমূল পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রামের পর লোডশেডিং শহরেও
গ্রামের পর লোডশেডিং শহরেও

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মডেল হচ্ছে খুলনা
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মডেল হচ্ছে খুলনা

নগর জীবন

বিশ্বকাপ ঘিরে জুয়া রমরমা
বিশ্বকাপ ঘিরে জুয়া রমরমা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিলেটে পাঁচ কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা
সিলেটে পাঁচ কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা

নগর জীবন

শিরোপা লড়াইয়ে মোহামেডান আবাহনী
শিরোপা লড়াইয়ে মোহামেডান আবাহনী

মাঠে ময়দানে

নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম
নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম

সম্পাদকীয়

মগড়াসহ অধিকাংশ নদীই বিলুপ্তির পথে
মগড়াসহ অধিকাংশ নদীই বিলুপ্তির পথে

পেছনের পৃষ্ঠা

ছিন্নভিন্ন পারিবারিক বন্ধন
ছিন্নভিন্ন পারিবারিক বন্ধন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণের বোঝায় অর্থনীতি
ঋণের বোঝায় অর্থনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

উপকারী গাছের ছাল থাকে না
উপকারী গাছের ছাল থাকে না

পেছনের পৃষ্ঠা

অবাধে বৃক্ষ নিধন, হুমকিতে পরিবেশ
অবাধে বৃক্ষ নিধন, হুমকিতে পরিবেশ

দেশগ্রাম

কমাতে হবে জটিলতা
কমাতে হবে জটিলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশাহারা জনগণ
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশাহারা জনগণ

নগর জীবন

আজ রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আজ রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়ন আইন অনুযায়ী
অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়ন আইন অনুযায়ী

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপ চক্রের হাতে খুন হন উবার চালক লোকমান
হানি ট্র্যাপ চক্রের হাতে খুন হন উবার চালক লোকমান

পেছনের পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়ন ১৯ বছরের মিরা আন্দ্রিভা
চ্যাম্পিয়ন ১৯ বছরের মিরা আন্দ্রিভা

মাঠে ময়দানে

বর্জ্যরে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জীবন
বর্জ্যরে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জীবন

দেশগ্রাম

সংসদে সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে
সংসদে সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা