শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫১, বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

অচল দুদক, সচল হয়রানি

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
অচল দুদক, সচল হয়রানি

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার এসে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই ১১ জন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের কল্পিত অভিযোগ আনে। কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়, অনেকের সম্পত্তি ক্রোক করা হয়, বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের হয়রানি সরাসরি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এ ধরনের কর্মকাণ্ডে দুদককে বাধ্য করেন। তথাকথিত অর্থ পাচারের অভিযোগ বেসরকারি খাতের বিভিন্ন উদ্যোক্তার ৫৭ হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পদ জব্দ করা হয়। আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে বেসরকারি খাতের গলা টিপে ধরেন। অর্থ পাচারের নানা গল্প বলে তিনি সামগ্রিকভাবে বেসরকারি খাতের ইমেজ ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেন। পাচার অর্থ উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে তিনি জনগণের করের কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিদেশ সফর করেন। কিন্তু দেড় বছরে ইউনূস সরকার পাচারকৃত এক টাকাও দেশে ফিরিয়ে আনতে পারেনি। উল্টো, ঢালাওভাবে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে বিনিয়োগ বিনাশী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে অর্থনীতির বারোটা বাজিয়ে দেন। অন্তর্র্বর্তী সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অর্থ পাচারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে বলা হয়, আসলে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করার জন্য। এর পর থেকে জোরেশোরে তদন্ত শুরু করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত দল। সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বাংলাদেশ ব্যাংকে বিশেষ নিরাপত্তাবিশিষ্ট কক্ষে চলে তদন্তের নথিপত্র প্রস্তুতের কাজ। কিন্তু এক বছরের বেশি সময় তদন্ত নাটকের পর ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটির বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তেই পাওয়া যায়নি। যৌথ তদন্ত দল ৬টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাকি ৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আপাতত তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয় যৌথ তদন্ত কমিটি। কিন্তু অভিযোগ থেকে মুক্তি মিললেও এসব প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির জব্দ হওয়া অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হয়নি। তাদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করা হয়নি। তারা যে বিনা অপরাধে সাজা ভোগ করছেন তার ক্ষতিপূরণ কে দেবে?

শুধু এই পাঁচটি শিল্প পরিবারই নয়, ৩ শতাধিক ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছিল ইউনূস সরকারের অন্যায় সিদ্ধান্তের কারণে। দুদক তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে, সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব জব্দকৃত অ্যাকাউন্টের শতকরা নব্বই ভাগই ক্লিন। দুদক তাদের তদন্ত শুধু নথিভুক্ত করে রেখেছে। কিন্তু বিনা অপরাধে হয়রানির শিকার এসব ব্যক্তি এখনো ন্যায়বিচার পায়নি। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এখনো বন্ধ।

কারণ দুর্নীতি দমন কমিশনে এখন কমিশন নেই। এসব অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু সেই অনুমোদন দেওয়ার কেউ নেই। দুদক অচল কিন্তু হয়রানি সচল আছে।

প্রায় তিন মাস হতে চলেছে দুর্নীতি দমন কমিশন অভিভাবকহীন। গত তিন মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুদকের দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদও পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে দুদক নেতৃত্বাধীন। দুদক আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটি যাবতীয় কার্যক্রম কমিশনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। একটি অভিযোগের তদন্ত থেকে শুরু করে মামলার চার্জশিট বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন, প্রতিটি ধাপে কমিশনের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কিন্তু তিন মাস দুদকের চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য সদস্য পদ খালি থাকায় দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যত একটি অচল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন নিরীহ মানুষ সীমাহীন হয়রানির শিকার হচ্ছে অন্যদিকে সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান মুখ থুবড়ে পড়েছে। দুদক সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের বড় একটি অংশ আটকে আছে অনুমোদনের অভাবে। নতুন মামলা দায়ের, চার্জশিট অনুমোদন, এমনকি সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিদেশযাত্রা নিষিদ্ধ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সময়মতো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এটাকে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এর ফলে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। কমিশনার পদ শূন্য হলে দুদক আইনে ৩০ দিনের মধ্যে নিয়োগের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু দুই মাস পার হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কমিশন গঠনের ব্যাপারে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় হতাশসংশ্লিষ্ট সবাই। তারা বলছেন, কমিশন না থাকায় আইনি কাঠামোর কারণেই শূন্যতা তৈরি হয়েছে। দুদক আইন ও বিধিমালায় কমিশনের অনুপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি। কর্মকর্তারা পুরোনো অনুসন্ধান ও তদন্ত নিয়ে আছেন। কিন্তু কীভাবে সেসব অনুসন্ধান ও তদন্তের নিষ্পত্তি হবে, এর দিকনির্দেশনা না থাকায় তারাও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছেন না।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ২০০৪ সালে জন্মের পর থেকেই দুদকের স্বাধীনতা ও অকার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ ও জন-আস্থার সংকট চলে আসছে। এত দীর্ঘ সময়ের জন্য কমিশনহীন অবস্থা এবং অনিশ্চয়তা আগে কখনো হয়নি। বিষয়টি হতাশাজনক। তবে খুব বেশি অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে ক্ষমতার জবাবদিহিহীন চর্চার ক্ষেত্রে এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অন্তর্র্বর্তী সরকার আইনি বাধ্যবাধকতা ও জনপ্রত্যাশা পদদলিত করে তথ্য কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন মাসের পর মাস গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার তো জনগণের ভোটে নির্বাচিত। বিশেষ করে দুদকসহ সব নজরদারি প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জোরালো অঙ্গীকারের ভিত্তিতেই এই সরকার নির্বাচিত হয়েছে।

তিনি বলেন, তাদের অজানা নয় যে কমিশন না থাকায় দুদক রুটিন প্রশাসনিক কাজের বাইরে এর মূল ম্যান্ডেট সংক্রান্ত কোনো কাজই বাস্তবে করতে পারছে না। পদত্যাগের আগে অনুমোদিত তদন্ত বা মামলা চলতে পারলেও নেতৃত্বহীন অবস্থায় সেগুলো বিভিন্নভাবে দুর্বলতা ও স্থবিরতায় ভুগছে। বাস্তবে এ অবস্থা দুর্নীতিসহায়ক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে নতুন কমিশন গঠনের আইনগত বাধ্যবাধকতা যে লঙ্ঘিত হয়েছে, তা সরকারের জন্য বিব্রতকর। বিগত অন্তর্র্বর্তী সরকারের দুদক সংস্কার-সংক্রান্ত প্রতিবেদনের আলোকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে দুদক আইন-২০০৪-এর অধিকতর সংশোধনের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করে গত ২৩ ডিসেম্বর। নতুন সরকার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর সংসদের অধিবেশন শুরু হয় গত ১২ মার্চ। এই দিনেই দুদক-সংক্রান্ত অধ্যাদেশসহ ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করা হয়।

ওই ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে পাস হয় ১১৩টি, বাতিল হয় সাতটি। বাকি ১৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আইন অনুযায়ী, গত ১২ মার্চ অধিবেশনে উত্থাপনের দিন থেকে গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ৩০ দিন পার হওয়ার পর ওই ১৩টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারিয়েছে। গত ১১ এপ্রিল থেকেই দুদক আইন-২০০৪ পূর্ণাঙ্গভাবে বহাল হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সরকার অন্তর্র্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ গ্রহণ না করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ ওই অধ্যাদেশ ছিল সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থি। এতে তদন্ত ও বিচার ছাড়াই সম্পদ জব্দ করাসহ চরম স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। কাউকে বিনাবিচারে সাজা দেওয়া কেবল বেআইনি নয়, রীতিমতো অপরাধ। কিন্তু ইউনূস সরকার দেড় বছর ধরে এই কাজটি করছে এই অধ্যদেশ জারি করে। বর্তমানে বহাল দুদক আইন-২০০৪ অনুযায়ী, পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটিতে যারা থাকবেন তারা হলেন- সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি, হাই কোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সদ্য বিদায়ি সচিব এবং সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই সার্চ কমিটি গঠিত হয়নি। সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, শিগগিরই একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হতে পারে।

এই বিভাগের আরও খবর
দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না
দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন সোহেল-স্বপ্না
আবু সাঈদ হত্যার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
আবু সাঈদ হত্যার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
সীমিত গোষ্ঠীর মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুবিধা
সীমিত গোষ্ঠীর মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুবিধা
অভিষেকে কেমন খেলবে কেপ ভার্দে
অভিষেকে কেমন খেলবে কেপ ভার্দে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদে ‘মায়ের ডাক’ সদস্যদের সাক্ষাৎ
শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে
শিক্ষাকে আনন্দময় করার কাজ চলছে
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সরকারের একক নিয়ন্ত্রণে
গণমাধ্যমকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করেছেন শহীদ জিয়া
গণমাধ্যমকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করেছেন শহীদ জিয়া
জয় দিয়ে নিগারদের বিশ্বকাপ শুরু
জয় দিয়ে নিগারদের বিশ্বকাপ শুরু
ইসলামী আন্দোলন প্রসারে ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়
ইসলামী আন্দোলন প্রসারে ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়
চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল
কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না
কঠিন চ্যালেঞ্জে মমতা, তৃণমূলের সংকট কাটছে না
সর্বশেষ খবর
বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে
বীরের মতো লড়ে স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফেনীতে আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে
ফেনীতে আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেপ ভার্দের গোলকিপার একাই লড়ছেন স্পেনের বিপক্ষে!
কেপ ভার্দের গোলকিপার একাই লড়ছেন স্পেনের বিপক্ষে!

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন, ফেনীতে এক বেকারিকে জরিমানা
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন, ফেনীতে এক বেকারিকে জরিমানা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আমূলে বদলে গেলেন এমবাপ্পে!
আমূলে বদলে গেলেন এমবাপ্পে!

৫৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৪ মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৪ মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত
নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৯০ শতাংশ আয় হারিয়ে ট্রাম্পের নীতিকে দুষলেন এমিজয়ী অভিনেত্রী
৯০ শতাংশ আয় হারিয়ে ট্রাম্পের নীতিকে দুষলেন এমিজয়ী অভিনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের
সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এআইভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ চসিকের

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে
বিবাহ নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হবে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সম্পত্তির জন্য 'হানি ট্র্যাপে' ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের
সম্পত্তির জন্য 'হানি ট্র্যাপে' ফেলে বাবাকে হত্যা দুই ছেলের

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দিনাজপুরে ১১৪ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ
দিনাজপুরে ১১৪ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার অভিযোগ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কসবায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
কসবায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ
জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার অঙ্গীকার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক
বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রাজধানীতে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বর্ষাবরণ
রাজধানীতে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বর্ষাবরণ

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান কুবার্সি
বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান কুবার্সি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়
রাজশাহীকে বাসযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত শহর গড়ার প্রত্যয়

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্ত্যক্তকারী ইমন ইয়াবাসহ আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উত্ত্যক্তকারী ইমন ইয়াবাসহ আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উদ্ধার হওয়া ২৪টি মোবাইল ও ৩৮ হাজার টাকা মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ
উদ্ধার হওয়া ২৪টি মোবাইল ও ৩৮ হাজার টাকা মালিকদের ফেরত দিল পুলিশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল বাস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী
ছাত্রনেতা খোকনের গুম থেকে ফিরে আসা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’
‘ফাইনালে গিয়ে ইয়ামালকে বোঝাতে চাই, তার মরক্কোর হয়ে খেলা উচিত ছিল’

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প
ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্রের’ সামনে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না : ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে
হরমুজ প্রণালি খোলাসহ যা যা থাকছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার
জান্নাতের টিকিট বিলিয়ে কেমনে ধর্ষণ করলা, আস্তাগফিরুল্লাহ : সংসদে শামীম কায়সার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর
নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, অস্বস্তিতে ইসরায়েল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু
১৯ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, স্মৃতিতে মেসির জাদু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের
ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা আইভ্যাকের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান
শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ
জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য
সেই আগুনে পুড়ল সাম্রাজ্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক
এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম
বিশ্বকাপ জিতবে কে, চারটি ভিন্ন এআই চ্যাটবটের গণনায় একই দেশের নাম

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেনজীরের যত অপরাধ
বেনজীরের যত অপরাধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রভাবে কমল তেলের দাম, তিন মাসে সর্বনিম্নে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দিল্লিতে জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?
সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’
‘স্ত্রী মরার পর জীবন বদলেছে, সন্তানরা খোঁজ নেয় না, এই ঝুপড়িই আমার ঠিকানা’

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে আজ রাত থেকেই: ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা
ব্রাজিলের গণমাধ‍্যমে আনচেলত্তির তীব্র সমালোচনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি
কুরাসাওকে ৭–১ গোলে উড়িয়ে ব্রাজিল ম্যাচের স্মৃতি ফেরাল জার্মানি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৯ উইকেটে স্বপ্নময় কাউন্টি অভিষেক হাসান মাহমুদের
৯ উইকেটে স্বপ্নময় কাউন্টি অভিষেক হাসান মাহমুদের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি
ব্রাজিলকে টপকে বিশ্বকাপে গোলের শীর্ষে জার্মানি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
২৭ জুলাই পুনরায় চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে
আগামী ৫ দিন ভারি বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ
শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের কাছ থেকে বড় ছাড় আদায় করে নিয়েছে ইরান: দ্য টেলিগ্রাফ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক