শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৩২, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ২২:১০, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল, ২০২৬

রমজান ও ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
অনলাইন ভার্সন
রমজান ও ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা

রমজানের এক মাস সিয়াম সাধনার পর পার হলো ঈদ। আর এর সঙ্গে রমজানকে বিদায় আর শাওয়ালকে স্বাগত জানিয়ে ঈদ উদ্যাপিত হলো নানান আয়োজনের মাধ্যমে। ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। আর এই আনন্দের অন্যতম অনুষঙ্গ ছিল বাহারি খাবার। খাওয়া দাওয়া, ব্যস্ততা, বেড়ানো এবং হরেক রকমের উপভোগ এসবেই শেষ হলো ঈদ আনন্দ।

এখন সময় এসেছে আবার নতুন করে স্বাভাবিক অভ্যাস আর আগের জীবনযাত্রার রীতিনীতিতে ফিরে যাওয়ার। মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসবগুলোর মধ্যে প্রধান উৎসব হলো ঈদ। আত্মশুদ্ধি ও আত্মত্যাগের মহিমায় রমজানের পর খুশির বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। নতুন পোশাকের পাশাপাশি আপ্যায়নের অংশ হিসেবে ছিল ঈদের বিশেষ খাওয়াদাওয়া। অনেক সময় স্বাস্থ্যের কথা মাথায় না রেখে মুখরোচক খাবারের দিকেই বেশি ঝুঁকে গিয়েছিলাম আমরা। আর এটিই বয়ে আনতে পারে নানাবিধ বিপদ।

খাবারদাবার নিয়ে সতর্কতা:

দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার পর ঈদ-পরবর্তী অতিরিক্ত বা অনিয়ন্ত্রিত ভূরিভোজ শরীরকে অনেক সময় ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে। কারণ ঈদের পর খাওয়া-দাওয়া একটু বেশিই হয়ে যায়। ঈদ-পরবর্তী আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে একটু বেশি বেশি যেতে হয়েছে। যাওয়া হয়েছে বন্ধুবান্ধবদের বাড়িতেও, জীবনে যোগ হয় আরও আনন্দ। নিজ বাড়ির মজার মজার খাবার তো খাওয়া হয়েছেই, পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের বাড়ি ঘুরে ঘুরে প্রায় সারাদিনই টুকটাক এটা-সেটা খাওয়া হয়েছে এবং হোটেল রেস্তোরাঁগুলোতেও সুস্বাদু খাবার উপভোগ করতে আমরা ভিড় জমাচ্ছি। আমাদের একটু নজর দেওয়া দরকার, আমরা কী খাচ্ছি, কতটুকু খাচ্ছি, বিভিন্ন খাবারের প্রতিক্রিয়া কী তার ওপর।

ঈদ-পরবর্তী দিনগুলোতে যে হরেক রকমের মজার মজার খাবার রান্না হচ্ছে, তা যে একেবারেই খাওয়া যাবে না, তা নয়। মূল সমস্যাটা নিঃসন্দেহে খাবারের পরিমাণ। মনে রাখা উচিত, রমজান মাসে শরীর দীর্ঘ সময়ের জন্য উপোস অবস্থায় থাকে এবং নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পরিপাকতন্ত্রের জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে।

এক মাসের পরিমিত খাবারের নিয়ম ভেঙে হঠাৎ করে মুখরোচক এবং রিচ ফুড খাওয়ার ফলে বদহজম, গ্যাস, পেট খারাপ, ওজন বৃদ্ধি, প্রেশার বেড়ে যাওয়া এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধির মতো সমস্যার সম্মুখীন হওয়াটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই ঈদ উৎসবে খাওয়া দাওয়ায় চাই একটু সচেতনতা, যা ঈদ-পরবর্তী বিভিন্ন ঝুঁকি থেকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের সাহায্য করে। তাই এসব বিষয়ে আরও যত্নবান হতে হবে।

অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন :

প্রায় ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত খাবারের মাধ্যমে ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ আগের তুলনায় হয়তো বেড়ে যায়, এটাই স্বাভাবিক। ঈদের খাবারকে মুখরোচক করতে গিয়ে নানা রকম ঘি ও মসলা ব্যবহার করা হয়। আর এতেই খাবারে কোলেস্টরলের মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বেশ কিছু অসুস্থতার যোগসূত্র রয়েছে, যেমন উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক, ব্রেইন স্ট্রোক ইত্যাদি। রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রার বৃদ্ধি ঘটলে আনুপাতিক হারে এসব রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ঈদ-পরবর্তী এই সময়টা খাবার ও জীবনযাত্রা পরিবর্তনের ফলে উচ্চরক্তচাপ ও হার্টের রোগীদের সমস্যা বা জটিলতা বেড়ে যেতে পারে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ ও হার্টের রোগীদের জটিলতা প্রশমনে এ সময় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি, রমজান-পরবর্তী সময়ে নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্রিয় রাখাও অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

শারীরিক ব্যায়াম:

নিয়মিত ব্যায়াম সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পারে। এটি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। যারা নিয়মিত হাঁটতেন, ব্যায়াম করতেন, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন কিন্তু ঈদে তা বজায় রাখতে পারেননি, তারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবার পুরোনো অভ্যাসে ফিরে যেতে শুরু করুন। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধীরে ধীরে চালু করা উচিত। হাঁটতে, ব্যায়াম করতে যদি কোনো অসুবিধা অনুভূত হয়; যেমন সহজে হাঁপিয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা অনুভূত হওয়া, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

বয়স্কদের খেয়াল করুন:

বয়স্কদের অনেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ বা কিডনি রোগে ভুগছেন। তাই তাদের উপযোগী কিছু খাবার আলাদা করে প্রস্তুত করা উচিত। উৎসব বা ঈদ-পরবর্তী আয়োজন উপলক্ষে এক দিন নিয়মের বাইরে খেলে কিছু হবে না ভেবে যদি খেতেও চান, তবে পরিমিত খাবার দিন। হই হুল্লোড় ব্যস্ততায় ওষুধপত্র ঠিকমতো খাচ্ছেন কি না, খেয়াল রাখুন।

ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য সমস্যা এড়াতে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে:

(১) খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে পরিমাণটা বজায় রাখতে হবে। উৎসব-পরবর্তী আনন্দে হঠাৎ করে বেশি খাবেন না। ধীরে ধীরে খাদ্যের পুষ্টিগুণ বিচার করে, ক্যালরি হিসাব করে খাবার খান। কোথাও বেড়াতে গিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ বা বন্ধুবান্ধবের বাসায় খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। দাওয়াতে গেলে অতিভোজন পরিহার করার চেষ্টা করবেন। হয়তো খাবার টেবিলে হরেক রকমের খাবার সাজানোই থাকবে, কিন্তু খেতে বসলেই সব খেতে হবে, তা ঠিক নয়।

(২) এ সময় রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়বেন না। খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর বিছানায় যাবেন। খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি পান করবেন না, এতে হজম রসগুলো পাতলা হয়ে যায়, ফলে হজমে অসুবিধা হয়। তাই খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন।

(৩) কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে বেশি বেশি পানি, শাকসবজি, সালাদ, ইসবগুলের ভুসি, বেল, পেঁপে, দুধ, দই ইত্যাদি খেতে পারেন। মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি বা কাচ্চি ইত্যাদি কম খাওয়া উচিত।

(৪) ডায়রিয়া, আমাশয় প্রতিরোধে বিশুদ্ধ পানি পান করুন। বাইরের খাবার, যেমন-চটপটি, ফুচকা, হালিম ইত্যাদি পরিহার করুন। প্রয়োজনে এসব খাবার ঘরে বানিয়ে নিন।

(৫) উচ্চরক্তচাপের রোগীরা লবণযুক্ত, চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত রক্তচাপ চেক করবেন।

(৬) ডায়াবেটিস রোগীরা রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখতে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে সচেতন থাকবেন, কম চিনিযুক্ত খাবার খাবেন। রক্তের সুগার মাঝেমধ্যে চেক করে দেখবেন।

(৭) কিডনির সমস্যা থাকলে প্রোটিন জাতীয় খাদ্য, যেমন-ডিম, মাছ, মাংস অবশ্যই পরিমাণ মতো এবং ডাক্তারের নির্দেশ মতো খেতে হবে।

(৮) পানিশূন্যতা যেন না হয়, বেশি করে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার, ডাবের পানি, বাসায় বানানো দেশি ফলের জুস খান। পানিশূন্যতার অভাব দূরকরণের জন্য বেশি বেশি বিশুদ্ধ পানি পান করবেন। এসব বিষয়ে যত্নবান হোন।

রমজান-পরবর্তী খাদ্যাভ্যাসের মধ্যেও আত্মনিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা, সংযম এবং ভারসাম্যের মূল্যবোধ প্রতিফলিত হওয়া উচিত, যা রোজার মাসের একটি মৌলিক শিক্ষা। ঈদের পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চেকআপ করিয়ে নিন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবারকে নিয়ে সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন। ঈদ-পরবর্তী যেকোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং সুস্থ থাকুন। মনে রাখবেন প্রতিকার নয়, এসব ক্ষেত্রে প্রতিরোধ সর্বদা উত্তম।

শিশুদের জন্য বিশেষ পরামর্শ :

ঈদ-পরবর্তী এ সময় শিশুদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ তারাও বেশ কিছুদিন উৎসব আনন্দে কাটিয়েছে। খেলাধুলা ও ছুটাছুটি একটু বেশি হয়েছে। কেউ কেউ আবার আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে স্বাস্থ্যগত সমস্যায়ও পড়তে পারে।

অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে ‘রুবেলা’ ভাইরাসের সংক্রমণ বা হামের প্রাদুর্ভাব বেশ লক্ষ করা যাচ্ছে। হাম একটি অতিসংক্রামক রোগ, যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সঠিক সময়ে টিকা না দেওয়া এবং সচেতনতার অভাবে অনেক শিশু জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। এ সময় কোনো শিশুর জ্বর এবং শরীরে র‌্যাশ দেখা দিলে তা হাম হোক বা না হোক, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এসব বিষয়ে অবহেলা করা যাবে না। শিশুর শরীরে র‌্যাশ দেখা দেওয়ার দিন থেকে অন্তত সপ্তাহখানেক অন্যদের কাছ থেকে আলাদা রাখুন। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিন। মনে রাখবেন প্রতিকার নয় প্রতিরোধ সর্বদা উত্তম।

লেখক: ইমেরিটাস অধ্যাপক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

বিডি প্রতিদিন/কামাল

এই বিভাগের আরও খবর
"আপনার কণ্ঠ, আপনার পরিচয়- যত্ন নিন আজই"
"আপনার কণ্ঠ, আপনার পরিচয়- যত্ন নিন আজই"
বিশ্বে ১৮০ কোটি মানুষ লিভার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা
বিশ্বে ১৮০ কোটি মানুষ লিভার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা
হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজধানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে আজ
ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে আজ
ঢাকা ট্রাভেল মার্টে প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করল মালয়েশিয়া
ঢাকা ট্রাভেল মার্টে প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করল মালয়েশিয়া
২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও দুইজনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও দুইজনের মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৭৭
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৭৭
ক্যানসার চিকিৎসার কার্যকারিতা কমাতে পারে ভিটামিন বি৩: নতুন গবেষণা
ক্যানসার চিকিৎসার কার্যকারিতা কমাতে পারে ভিটামিন বি৩: নতুন গবেষণা
পুরুষদের জন্য ‘গর্ভনিরোধক’ আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা
পুরুষদের জন্য ‘গর্ভনিরোধক’ আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৮৭
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৮৭
সর্বশেষ খবর
লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তা-খাল দখলের অভিযোগ
লৌহজংয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তা-খাল দখলের অভিযোগ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মধ্যস্থতায় ‘কার্যকর ভূমিকার’ জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
মধ্যস্থতায় ‘কার্যকর ভূমিকার’ জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইফের পর ফিরলেন লিটন
সাইফের পর ফিরলেন লিটন

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফোন ব্যবহার করে শাস্তি পেলেন রাজস্থানের ম্যানেজার
ফোন ব্যবহার করে শাস্তি পেলেন রাজস্থানের ম্যানেজার

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শনিবার
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শনিবার

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

আড়াইহাজারে বসতবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
আড়াইহাজারে বসতবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে তিনহাজার পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার
সোনারগাঁয়ে তিনহাজার পিস ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিপদে রাহুল গান্ধী
‘দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে বিপদে রাহুল গান্ধী

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসপাতালে চাঁদা দাবি; রিমান্ড শেষে মঈনসহ ৭ জন কারাগারে
হাসপাতালে চাঁদা দাবি; রিমান্ড শেষে মঈনসহ ৭ জন কারাগারে

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ফিফটি করে ফিরলেন সাইফ
ফিফটি করে ফিরলেন সাইফ

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘তেল দিতে দেরি হওয়ায়’ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ
‘তেল দিতে দেরি হওয়ায়’ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর, বিক্রি বন্ধ

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আবারও রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের
আবারও রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

নটিংহ্যামশায়ারের সঙ্গে ইংলিশ পেসারের নতুন চুক্তি
নটিংহ্যামশায়ারের সঙ্গে ইংলিশ পেসারের নতুন চুক্তি

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অবরোধের মাঝেই হরমুজ পার হলো পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ
মার্কিন অবরোধের মাঝেই হরমুজ পার হলো পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজ

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাটোরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
নাটোরে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইবি শিক্ষিকা হত্যা মামলায় সেই কর্মচারী দুই দিনের রিমান্ডে
ইবি শিক্ষিকা হত্যা মামলায় সেই কর্মচারী দুই দিনের রিমান্ডে

৩৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

কেরানীগঞ্জে গাড়ি চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, অটোরিকশা উদ্ধার
কেরানীগঞ্জে গাড়ি চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, অটোরিকশা উদ্ধার

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ডার্ক ইগল আনছে যুক্তরাষ্ট্র
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ডার্ক ইগল আনছে যুক্তরাষ্ট্র

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে আহত ৩
মুন্সীগঞ্জে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে আহত ৩

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে ট্যাংকের ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ প্রাণ গেল দুজনের
নারায়ণগঞ্জে ট্যাংকের ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ প্রাণ গেল দুজনের

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?
হুট করেই তুরস্কে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ ক্রীড়াবিদের নাগরিকত্ব আবেদন বাতিল করল বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স
১১ ক্রীড়াবিদের নাগরিকত্ব আবেদন বাতিল করল বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
এক সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ফুলবাড়ীতে সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন
ফুলবাড়ীতে সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চুয়াডাঙ্গায় শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
চুয়াডাঙ্গায় শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দর্শকদের উৎসর্গ করলেন হানিফ সংকেত
‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দর্শকদের উৎসর্গ করলেন হানিফ সংকেত

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাইফ-লিটনের ব্যাটে লড়াইয়ে বাংলাদেশ
সাইফ-লিটনের ব্যাটে লড়াইয়ে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬৮০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
৬৮০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইলিয়াস আলীর ত্যাগ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে: পানিসম্পদমন্ত্রী
ইলিয়াস আলীর ত্যাগ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-লেবানন: ট্রাম্প
বৃহস্পতিবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-লেবানন: ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরান সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
তেহরান সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে
শেষমুহূর্তে ছিটকে গেলেন মুস্তাফিজ, নেই একাদশে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের
রাশিয়ার জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সাকিব-মাশরাফিকে ফোনে দাওয়াত দিয়েছেন তামিম, বুলবুল করেছেন ব্লক
সাকিব-মাশরাফিকে ফোনে দাওয়াত দিয়েছেন তামিম, বুলবুল করেছেন ব্লক

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের
চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি
বাড়ছে বাৎসরিক ছুটি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি
নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে ছুটি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধ ‘শেষের দিকে’, হরমুজ প্রণালী খুললেই বদলে যাবে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র
ইরান যুদ্ধ ‘শেষের দিকে’, হরমুজ প্রণালী খুললেই বদলে যাবে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুষ্টিমেয় স্বৈরশাসকের হাতে বিধ্বস্ত হচ্ছে গোটা বিশ্ব: পোপ
মুষ্টিমেয় স্বৈরশাসকের হাতে বিধ্বস্ত হচ্ছে গোটা বিশ্ব: পোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি হরমুজের এক প্রান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে ইরান?
সত্যিই কি হরমুজের এক প্রান্ত দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে ইরান?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু
ভারত থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল
অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি
স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা কিনলেন মেসি

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২
মানিকগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর লাশ ভুট্টা খেতে, গণপিটুনিতে নিহত ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে
নতুন আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ
লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এক ঘণ্টারও কম সময়ে লঙ্ঘনের অভিযোগ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যতক্ষণ দখলদার থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে হিজবুল্লাহ
যতক্ষণ দখলদার থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে হিজবুল্লাহ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?
বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশানে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক
গুলশানে সিসা বারে অভিযান, ম্যানেজার আটক

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম
বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩২ অধিনায়ক পেলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’, আজীবন সুবিধা দেবে বিসিবি
৩২ অধিনায়ক পেলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’, আজীবন সুবিধা দেবে বিসিবি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা প্রতিমন্ত্রীর

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে গোপন চক্র!
যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে গোপন চক্র!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পদ্মার বুকে দ্বিতীয় সেতুর অপেক্ষায় কোটি মানুষ
পদ্মার বুকে দ্বিতীয় সেতুর অপেক্ষায় কোটি মানুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

পদ্মার এক কাতলার দাম অর্ধলাখ টাকা
পদ্মার এক কাতলার দাম অর্ধলাখ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

তালাবদ্ধ স্কুল ভবনে আটকা শিশু শিক্ষার্থী
তালাবদ্ধ স্কুল ভবনে আটকা শিশু শিক্ষার্থী

পেছনের পৃষ্ঠা

তারল্যে জোয়ার ঋণে ভাটা
তারল্যে জোয়ার ঋণে ভাটা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জয় দিয়ে শুরু চান মিরাজ
জয় দিয়ে শুরু চান মিরাজ

মাঠে ময়দানে

চলচ্চিত্রের সেই শিশুশিল্পীরা
চলচ্চিত্রের সেই শিশুশিল্পীরা

শোবিজ

চাওয়া-পাওয়ার দুই মাস
চাওয়া-পাওয়ার দুই মাস

প্রথম পৃষ্ঠা

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে শান্তির আশা
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে শান্তির আশা

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে চট্টগ্রাম, ইন্টারনেটে ঢাকা
স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে চট্টগ্রাম, ইন্টারনেটে ঢাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের লাইনেই রাত-দিন
তেলের লাইনেই রাত-দিন

পেছনের পৃষ্ঠা

গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?
গণভোট নিয়ে গণবিতর্ক উসকে দেওয়ার নেপথ্যে কী?

সম্পাদকীয়

মন ভালো নেই মৌসুমীর
মন ভালো নেই মৌসুমীর

শোবিজ

নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা
নিষেধের রাজনীতি, ইতিহাসের শিক্ষা

সম্পাদকীয়

ঝুঁকিতে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম
ঝুঁকিতে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম

পেছনের পৃষ্ঠা

আদর আজাদের উচ্ছ্বাস
আদর আজাদের উচ্ছ্বাস

শোবিজ

স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি
স্বাধীন প্রতিষ্ঠান না থাকা গণতন্ত্রের ঝুঁকি

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক
মৃত্যুফাঁদ জাতীয় মহাসড়ক

পেছনের পৃষ্ঠা

বসুন্ধরা কিংসের সামনে রহমতগঞ্জ
বসুন্ধরা কিংসের সামনে রহমতগঞ্জ

মাঠে ময়দানে

ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার
ফেরি থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রাইভেট কার

প্রথম পৃষ্ঠা

জয়ার খাদ্যাভ্যাস
জয়ার খাদ্যাভ্যাস

শোবিজ

৪ মেডেন ওভারে রাফিনের ৬ শিকার
৪ মেডেন ওভারে রাফিনের ৬ শিকার

মাঠে ময়দানে

নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী
নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী

পেছনের পৃষ্ঠা

১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ
বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিতে ক্ষোভ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ

নগর জীবন

২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

নগর জীবন

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে
জ্বালানি লোডিংয়ের লাইসেন্স মিলেছে

প্রথম পৃষ্ঠা