শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:১৫, মঙ্গলবার, ০৫ মে, ২০২৬ আপডেট: ১৪:২৯, মঙ্গলবার, ০৫ মে, ২০২৬

হৃদরোগের সাতকাহন

ডা. মাহবুবর রহমান
অনলাইন ভার্সন
হৃদরোগের সাতকাহন

প্রথমেই বলে রাখি, হৃদরোগ সংক্রান্ত জটিলতা শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে প্রতিরোধযোগ্য। বাকি ২০ ভাগ চিকিৎসাযোগ্য কিন্তু ব্যয়বহুল। আক্রান্ত হলে জীবনের কর্মক্ষমতা, শরীরের উৎপাদনক্ষমতা উল্লেখযোগ্যহারে কমিয়ে দেয়। তাহলে যেটি ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে প্রতিরোধযোগ্য সেদিকেই মনোযোগ দিতে হবে সবার আগে।

সবার আগে সচেতন সংকল্প

আপনার মাইন্ডসেট পরিবর্তন করুন। দায়সারা গোছের সিদ্ধান্ত চাই না। দৃঢ় সংকল্প করুন। আগামীকাল থেকে নয়, আজকে থেকেও নয়। এখন থেকে করুন। আপনি প্রস্তুত? যদি হ্যাঁ হয়, তবে আপনার কাজ ইতোমধ্যে ৫০% হয়ে গেল!

বাকি ৩০% অর্জনে কী কী করবেন?

ওজন কমান, ব্যায়াম করুন : শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলুন। গুগল সার্চ করে জেনে নিন আপনার উচ্চতায় আদর্শ ওজন কত হওয়া উচিত। উচ্চতা আর ওজনের অনুপাত করে নড়ফু সধংং রহফবী বা ইগও বের করে নিন। (দেখুন এড়ড়মষব ইগও ঈধষপঁষধঃড়ৎ)। আমাদের আদর্শ ইগও হলো ১৯ থেকে ২৪.৯। এর নিচে হলে কম ওজন আর ২৫ থেকে ৩০ পর্যন্ত হলো স্থূলতা বা ড়নবংরঃু, ৩০-এর বেশি হলে বলি মারাত্মক স্থূলতা (বা সড়ৎনরফ ড়নবংরঃ)। ওজন বাড়ানো কঠিন কাজ নয়। কোনো রোগ না থাকলে খাদ্য গ্রহণ বাড়ালেই ওজন বেড়ে যাবে। মূলত সমস্যা হলো ওজন কমানো। ওজন কমানোর দুটি উপায় আছে-

  • ক) প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো শর্করা জাতীয় খাবার নিয়ন্ত্রণ করা। ভাত, আলু, চিনি, মিষ্টি, মিষ্টান্ন, চাল ইত্যাদি যাবতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে। পরিমাণ মতো চর্বি, পর্যাপ্ত মাছ, সাদা মাংস (মুরগি), কুসুমসহ একটি ডিম, ইচ্ছে মতো শাকসবজি, সালাদ, পরিমিত তাজা ফল এবং কমপক্ষে দুই লিটার পানি খেতে পারবেন।
  • খ) ওজন কমানোর দ্বিতীয় কিন্তু কম কার্যকর পদ্ধতি হলো নিয়মিত ব্যায়াম করা। খোলা জায়গায় সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ দিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট জোরে জোরে হাঁটবেন যাতে শরীরে ঘাম ঝরে পড়ে এবং হার্টবিট ১২০ পর্যন্ত ওঠে। শুধু হাঁটাচলা বা ব্যায়ামে ওজন তেমন একটা না কমলেও তা হৃদপিণ্ড এবং রক্তনালিকে সতেজ রাখে, ব্লকমুক্ত রাখে, প্রেসার ও ডায়াবেটিস কমায়, কোলেস্টেরল কমায় এবং মনকে সতেজ রাখে।

উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করুন : উচ্চরক্তচাপ বা হাই প্রেসার হলো এক নীরব ঘাতক। নীরব এজন্য যে, ৯০% ক্ষেত্রে সে কোনো উপসর্গ বা কষ্ট দেয় না। অনেক রোগী ২০০/১০০ প্রেসার নিয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যেহেতু তার কোনো কষ্ট হচ্ছে না তাই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন না। অন্য কোনো কারণে চেকআপের সময় প্রেশার ধরা পড়লেও রোগী সেটা তত গুরুত্ব সহকারে নিতে চান না। অনেকে ওষুধ শুরু করলেও পরে তা ছেড়ে দেন। কারণ হাই প্রেশারে তার তো কোনো অসুবিধা হচ্ছে না! মনে রাখতে হবে উচ্চরক্তচাপ ক্রমাগত বহাল থাকলে তা হার্ট, কিডনি, ব্রেন, চোখের রেটিনা এবং পায়ের রক্তনালিসহ সারা শরীরের ক্ষতি করবে। যখন উপসর্গ দেখা দেবে তখন দেখা গেল ওই সব অঙ্গ ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাই উপসর্গের অপেক্ষায় না থেকে হাই প্রেশারের চিকিৎসা করুন। নিজে নিজে ওষুধ বন্ধ করবেন না। ওষুধে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করুন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করুন

বছরে একবার চেক করুন। একটা স্যাম্পলে অনেক সময় প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায় না। তাই কমপক্ষে দুটো স্যাম্পল (যেমন নাশতার ২ ঘণ্টা পরের সুগার এবং তিন মাসের গড় সুগার জানতে ঐনঅ১ঈ) পরীক্ষা করুন।

ডায়াবেটিস হলে কী করবেন?

ডায়াবেটিস মেটাবলিক কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ। অর্থ হলো এটি শুধু মেটাবলিক বা হরমোনাল সমস্যা নয়। এটি শরীরের সব রক্তনালিকে আক্রান্ত করে। তাই হার্টের সঙ্গে এটি সরাসরি যুক্ত। এর গুরুত্ব তাই অনেক বেশি। ডায়াবেটিসের মাত্রার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসার ধরন। তবে প্রথম ধাপ হলো ডায়েট এবং ব্যায়াম। এ পদ্ধতিতে সুগার নিয়ন্ত্রণ না হলে ওষুধ প্রয়োজন হয়। প্রথমে খাবার বড়ি তারপর ইনসুলিন। সুগার কত রাখবেন? খালি পেটে ৬ থেকে ৭ এবং খাবার দুই ঘণ্টা পর ৭ থেকে ৯, তবে কোনোভাবে ১০-এর ওপরে নয়। তিন মাসের গড় ঐনঅ১ঈ  ৭-এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

ধূমপানসহ তামাকজাত দ্রব্য পরিবার

যে কোনো তামাক, জর্দা, গুল, বিড়ি, সিগারেট বর্জন করুন। তামাক শুধু হৃদরোগ, স্ট্রোক সৃষ্টি করে না; নানান ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ইত্যাদির কারণও সে। এ ছাড়া অ্যালকোহল ছেড়ে দিন। এটি প্রেশার বাড়ায়।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করুন

অনেকে হাই কোলেস্টেরলের ওষুধ শুরু করে কিছুদিন পর নিজে নিজে বন্ধ করে দেন। এমনকি কোনো কোনো ডাক্তার সাহেবকেও দেখেছি বুঝে না বুঝে চর্বির ওষুধ বন্ধ করে দেন। এটি ভুল। হাই কোলেস্টেরল নিজেই ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী, সম্ভবত আজীবন সঙ্গী সমস্যা। রক্তনালিতে ব্লক তৈরির মূল উপাদান চর্বি। তাই সুগার কন্ট্রোল করার মতো চর্বিও কন্ট্রোল করতে হবে।

দুটো ওষুধ কখনো বন্ধ করবেন না

যাদের একবার হৃদরোগ, রক্তনালিতে ব্লক ধরা পড়েছে, হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, ব্রেন স্ট্রোক করেছে তারা দুটো ওষুধ সারাজীবন খেয়ে যাবেন। একটি হলো কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ, আর দ্বিতীয়টি হলো রক্ত পাতলা করার ওষুধ। শুধু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শক্রমে বিশেষ ক্ষেত্রে সাময়িক স্থগিত রাখা যেতে পারে।

ডায়াবেটিসে কোলেস্টেরল ওষুধ

যাদের একবার ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে তাদের বয়স চল্লিশ বা বেশি হলে সারাজীবন কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ কমবেশি খেয়ে যেতে হবে। এমনকি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা যাই থাকুক না কেন অনির্দিষ্টকালের মতো স্ট্যাটিন খেতে হবে।

সরাসরি চিকিৎসার অংশ ২০%

প্রতিরোধের পালা শেষ হলে বা আগেই আক্রান্ত হয়ে পড়লে যথাযথ চিকিৎসা তো শুরু করতে হবে। সেখানে ইসিজি, ইটিটি, ইকোকার্ডিওগ্রাম, এনজিওগ্রাম, রিং বা এনজিওপ্লাস্টি, বাইপাসসহ নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিৎসা পদ্ধতি চলে আসবে। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধে এখন থেকেই আমাদের আরও বেশী সচেতন ও যত্নবান হতে হবে। কথায় আছে প্রতিকার নয় এসব ক্ষেত্রে প্রতিরোধ সর্বদা উত্তম।

লেখক : সিনিয়র কার্ডিওলজিস্ট, ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

বিডি-প্রতিদিন/এমএল

এই বিভাগের আরও খবর
উচ্চ রক্তচাপ নিজেই হাইপারটেনশন সৃষ্টি করে
উচ্চ রক্তচাপ নিজেই হাইপারটেনশন সৃষ্টি করে
হামে প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছে কেন?
হামে প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছে কেন?
২০৩০ সালের মধ্যে প্রসূতি ফিস্টুলা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়
২০৩০ সালের মধ্যে প্রসূতি ফিস্টুলা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়
৫ জন স্ট্রোক রোগীর ৪ জনই উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত
৫ জন স্ট্রোক রোগীর ৪ জনই উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত
হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাসরুম উদ্বোধন
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাসরুম উদ্বোধন
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু
শ্বাসকষ্ট হলে তাৎক্ষণিক কী করবেন?
শ্বাসকষ্ট হলে তাৎক্ষণিক কী করবেন?
আজগর আলী হাসপাতালে তিন দিনব্যাপী নার্সেস সপ্তাহ উদযাপিত
আজগর আলী হাসপাতালে তিন দিনব্যাপী নার্সেস সপ্তাহ উদযাপিত
হামের ঊর্ধ্বগতি রোধে কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
হামের ঊর্ধ্বগতি রোধে কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
চকরিয়ায় লিচুর বিচি গলায় আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর
চকরিয়ায় লিচুর বিচি গলায় আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?
বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল
মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন
নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত
সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’
‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা
কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক
সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের
আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!
রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন
গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু
ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম

৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?
১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস
ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ
আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম
নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ
সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান
যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে
গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে
ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

অনবরত হাঁচি? জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে মুক্তির উপায়
অনবরত হাঁচি? জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে মুক্তির উপায়

৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

প্রধানমন্ত্রীর ‘স্পিরিট ও স্পিড’ বজায় রাখুন, কর্মকর্তাদের বার্তা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের
প্রধানমন্ত্রীর ‘স্পিরিট ও স্পিড’ বজায় রাখুন, কর্মকর্তাদের বার্তা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের

৭ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান
বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের
সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে
মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে
আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে
চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে

১১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন
ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার
শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান
আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক
তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো
পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ
পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা
৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প
ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়
কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব
যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন
জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ
ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা
অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা
চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি
ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার
মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল
কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল
হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ
আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ

শিল্প বাণিজ্য

যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে
যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন
সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের
শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের

নগর জীবন

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার

প্রথম পৃষ্ঠা

বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার
বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়
গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন
করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন

শিল্প বাণিজ্য

মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট
মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে
রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে

পেছনের পৃষ্ঠা

চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি

প্রথম পৃষ্ঠা

লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা
লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত
ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার
বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু
প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু

দেশগ্রাম

বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে
বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন

নগর জীবন

পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে
পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে
ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে

নগর জীবন