Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:১৭

জেনে রাখা ভালো

জেনে রাখা ভালো

স্বাস্থ্যই সম্পদ। এ সম্পদ অবহেলায় নষ্ট হলে জীবন হয়ে উঠে দুঃসহ ও দুর্বিষহ। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অভিজ্ঞ এবং বিচক্ষণ চিকিৎসকের পরামর্শ আবশ্যক। যাতে কষ্ট ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ব্যতীত কম খরচে অসুস্থ থেকে সুস্থতা লাভ করা যায়। ২৫০ বছর আগে গ্রিস এবং রোমান হতে হোমিওপ্যাথির উদ্ভব হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানী হিপোক্রেটিস পরিষ্কারভাবে Like cure like এ ধারণার প্রতিষ্ঠা করেন, রোগ হলো একটি প্রকৃতিগত অবস্থা। সব রোগ প্রাকৃতিক কারণে উত্পত্তি হয়। সুতরাং চিকিৎসাও প্রাকৃতিকভাবে হওয়া উচিত। হেপোক্রেটিসের সূত্র ধরে ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার উদ্ভাবন করেন। তার মতে হোমিওপ্যাথি রোগের চিকিৎসা করে না বরং রোগীর দেহে যে সব বিকৃত লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে কষ্ট পায় যেমন— অনুভূতি,  দুঃখ, জীবন ধারণ পদ্ধতি, পারিপার্শ্বিক অবস্থা মিলিয়েই একজন রোগী। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এদের লিভার, কিডনি ও দেহের অন্য অর্গানসমূহ এখনো পরিপুষ্ট হয়নি এবং যারা অধিক বয়স্ক  ব্যক্তি এ অর্গানসমূহ রোগাক্রান্ত, দুর্বল ও শিথিল হয়ে পড়েছে এদের জন্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ভালো কাজ করে। কারণ হোমিওপ্যাথি কোনো মিশ্র ওষুধ নয়। সম্পূর্ণ সূক্ষ্ম মাত্রায় একক ওষুধ হওয়ায় সেবনের সঙ্গে সঙ্গে স্নায়ু পথে দেহের প্রতিরক্ষাকারী জীবনীশক্তিকে শক্তিশালী করে তোলে। অস্ত্রোপচার ছাড়াই টিউমার, পলিপাস, পিত্ত ও কিডনি পাথুরীর চিকিৎসা সম্ভব।

ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ

সিনি. কনসালটেন্ট, হোমিও-প্যাথিক ফাউন্ডেশন হাসপাতাল।

ফোন: ০১৯২৮৭০৫০৩০।


আপনার মন্তব্য