শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ নভেম্বর, ২০১৬ ২৩:৪৮

প্রেসক্রিপশন

প্রেসক্রিপশন

অহেতুক ভয়ের কারণে মানুষ দূরদূরান্তে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। কারও কারও বুক ধড়ফড় করে আবার কারও বিভিন্ন ধরনের মানসিক সমস্যা উদ্ভব হয়। একটা কথা পরিষ্কার যে, ভয় দেখা যায় না, ছোঁয়া যায় না কিন্তু রোগী নিজের ভিতর ভয় অনুভব করে। এটা কোনো ধরনের অভিনয় নয়, নাটক নয় বা দুষ্টামি নয়। এটাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অন্যরা এসব দেখে হাসে ও ন্যাকামি মনে করে। কেউ কেউ মনে করে আলগা দোষ কিনা? এ ধরনের ভয় মনে হয় রোগীরা ইচ্ছা করে করে, আসলে তা নয়। কমবেশি ভয় অনেকেরই লাগে কিন্তু এই ভয়ের কারণে যখন কোনো ব্যক্তির কাজের ব্যাঘাত ঘটে, চলাফেরা সীমাবদ্ধ হয়ে যায় এবং নিজের মধ্যে অস্থিরতা  তৈরি হয় তখনই চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

লক্ষণ : অহেতুক ভয়ভীতি, বুক ধড়ফড়, অস্থির, অশান্তি লাগা। খারাপ কিছু শুনলে খুব বেশি নার্ভাস হয়ে যায়, মুখ শুকিয়ে যায়, অস্থির হয়ে পড়ে, মাথায় পানি ঢালতে হয়। একা দূরে কোথায়ও যেতে পারে না। কেউ কেউ লাশ, দুর্ঘটনা দেখতে পারে না বলে টেলিভিশন বন্ধ রাখে। কেউ কেউ ভয়ের কারণে ঘর থেকে বের হয় না।

কিভাবে শুরু হয় : কবরস্থান, মৃত ব্যক্তি, দুর্ঘটনার খবর, রোগী, হাসপাতাল, রক্ত ইত্যাদির ভয় নিকটাত্মীয় কেউ হার্টের অসুখে মারা গেছে, তারপর থেকে ভয় শুরু হতে পারে। শিক্ষকদের বেতের অথবা মারের ভয়, বিমানে উঠতে ভয় ও পরীক্ষার আগে ভয়।

কি কি কারণে হয় : দীর্ঘদিন পেনিক ডিজওয়ার্ডারে ভুগে থাকলে, দীর্ঘদিন ঘুমের ওষধ খেয়ে থাকলে শৈশবে কোনো বেদনাদায়ক ঘটনা,  আত্মীয়ের মধ্যে কারও থাকলে এসব রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

 ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন

আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।


আপনার মন্তব্য